Blog

  • ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের বড় উত্থান, কত বাড়ল দাম?

    ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের বড় উত্থান, কত বাড়ল দাম?

    ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে, সবশেষ আজ ৩১ জানুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ভরিতে ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১৯ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৫ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

    স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ৩১ জানুয়ারি সকালে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ২৯০ টাকায়।

    এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বেচাকেনা হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৫ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

  • পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য জায়গা চূড়ান্ত

    পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য জায়গা চূড়ান্ত

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গণভবনের পাশেই নির্মাণ করা হবে এই বাসভবন। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত মতামত নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন’ তৈরির কাজ শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।

    তবে সেটি তৈরি হতেও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। এটি নির্ভর করবে হবু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও যুক্ত করে দেওয়া হবে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পরই শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ নির্ধারিত ছিল। জুলাই অভ্যুত্থানের পর সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে তৈরির উদ্যোগ নেয় এবং জাদুঘর তৈরির কাজ এখন শেষের পথে।

    প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যে এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, তাতে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো ব্যত্যয় হবে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

  • বিএনপি-জা’মায়াতের ভোট কত শতাংশ, জানাল জরিপ সংস্থা

    বিএনপি-জা’মায়াতের ভোট কত শতাংশ, জানাল জরিপ সংস্থা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আরেকটি জরিপ উঠে এলো। এতে দেখা গেছে, ৫২ দশমিক ৮০ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান, আর জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি জোটকে ভোট দিতে আগ্রহী ৩১ শতাংশ ভোটার। জনগণের নির্বাচন ভাবনা নিয়ে ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের তৃতীয় ধাপের জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সামাজিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসাল্টিং এ জরিপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।

    জরিপে দেখা যায়, প্রস্তাবিত গণভোটে অংশ নিতে হলে ৬০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পক্ষে। তবে এ বিষয়ে ২২ শতাংশ মানুষ কিছুই জানেন না।

    জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন রয়েছে ১ শতাংশ মানুষের। ভোট নিয়ে কোনো ধরনের ভাবনা নেই ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষের।

    এ ছাড়া জরিপে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কোন দল সরকার গঠন করতে পারে, সে সম্পর্কেও সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরা হয়।

    উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ৫ হাজার ১৪৭ জন উত্তরদাতার মধ্যে ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ আগামী সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমানকে এগিয়ে রেখেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে এগিয়ে রেখেছেন ২২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৭ শতাংশ নাহিদ ইসলামকে সমর্থন জানিয়েছেন।

    জরিপে আরও উঠে এসেছে, ২২ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে কোনো মত দেননি। তবে জরিপে অংশগ্রহণকারী নারীদের মতামত প্রদানের হার তুলনামূলক কম ছিল। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ নারী কোনো মতামত জানাননি।

    জরিপ উপস্থাপনকালে জানানো হয়, এসব তথ্য বাস্তবিক অর্থে ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রতিফলন না-ও হতে পারে।

  • গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিতে হবে: তারেক রহমান

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিতে হবে: তারেক রহমান

    আসন্ন গণভোটে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে রংপুরের ঐতিহাসিক কালেক্টরেট ঈদগাঁও মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “রংপুর আবু সাঈদের পবিত্র রক্ত মেশানো মাটি। এখানে আবু সাঈদ ও ওয়াসিমসহ প্রায় ১৪০০ শহীদ যে স্বপ্ন নিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই ‘জুলাই সনদ’ রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

    তিনি বলেন, ৫ আগস্টের বিপ্লবে সাধারণ মানুষের যে অংশগ্রহণ ছিল, সেই ঐক্য ধরে রাখতে হবে। নিশিরাত বা ডামি নির্বাচনের দিন শেষ উল্লেখ করে তিনি জনগণকে অধিকার প্রয়োগে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

    রংপুরের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘রংপুরকে অনেকে গরিব অঞ্চল বললেও এটি আসলে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা। আমাদের লক্ষ্য রংপুরকে ঢেলে সাজানো। এখানে কৃষিজাত পণ্যের শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে এবং ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে, যাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া স্থানীয় আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট মেয়াদে কর ছাড় দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।’

    কৃষক ও নারীদের কল্যাণে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হবে এবং তাদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে। অন্তত এক ফসলের বীজ ও কীটনাশক বিনা মূল্যে দেয়া হবে। এ ছাড়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

    উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের পরিকল্পনা জানালাম, এখন আপনাদের পরিকল্পনা কী?’ জবাবে জনতা ‘ধানের শীষ’ বলে স্লোগান দিলে তিনি সবাইকে ফজরের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

  • হান্নান মাসউদের দুই ঘণ্টার আ’লটিমেটাম

    হান্নান মাসউদের দুই ঘণ্টার আ’লটিমেটাম

    সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় তিনি নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে দেবেন।

    আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর একটি কনভেনশন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেন, দুপুরে হাতিয়ার নলচিরা ঘাটে ফেরি উদ্বোধন অনুষ্ঠান চলাকালে তার ৮-১০ জন সমর্থককে পিটিয়ে আহত করে নদীতে ফেলে দেয় একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তিনি বলেন, ‘চিহ্নিত এই সন্ত্রাসীদের ২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা না হলে থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘হাতিয়ায় সরকারি তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। তা না-হলে আমরা নির্বাচনে থাকব কি-না, তা পুনরায় ভেবে দেখতে হবে।

    আমরা প্রশাসনকে বারবার বিষয়টি জানালেও কোনো কার্যকর প্রতিকার পাচ্ছি না।’

    এর আগে দুপুরে হাতিয়ায় ফেরিঘাট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে হান্নান মাসউদের সমর্থকদের সঙ্গে একদল যুবকের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় তার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন হান্নান মাসউদ।

    হাতিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রতীক পাল জানান, দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হলে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ‘আমি বর্তমানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবের একটি অনুষ্ঠানে আছি। বিষয়টি নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

  • সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নি’র্দেশনা

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নি’র্দেশনা

    আসন্ন গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো থেকে বিরত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা কার্যকর করতে সব মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ‘হ্যা’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে গণভোটের পক্ষে ‘হ্যা’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়া থেকে তাদের বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসি। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এ বিষয়ে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

    ইসির এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিশিয়ালি নির্দেশনা দেওয়া হবে। আজ শুক্রবার গণভোটের প্রচারণা বিষয়ে গণমাধ্যমকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে।

    গণভোটের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর প্রচার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের যে নির্দেশনা তা সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।’

    তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে বিষয়টি গণমাধ্যমের সুবাদে সবাই জেনেছেন। এখন অফিসিয়ালি জানানো হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হবে।

    এদিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক জানিয়েছেন, নির্বাচনের কমিশনের বিধি ছিল না বলেই সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। কিন্তু ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেওয়ার ব্যাপারে কোন প্রচারণা চালানো হবে না। নির্বাচন কমিশন বিধিনিষেধ দেওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা অংশ নেবে না।

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাস্তবায়নে চিঠি

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাস্তবায়নে চিঠি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দুই দিন নির্বাহী আদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সারা দেশের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনকালীন ছুটি কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি এই ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হওয়ায় মোট চার দিন বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এসব ছুটি কার্যকরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২৫ জানুয়ারির প্রজ্ঞাপনের আলোকে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারির সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে এ সময় সরকারি ও বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ছুটি থাকবে।

    এ ছাড়া সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে সারা দেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এই প্রজ্ঞাপনের ছায়ালিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে পাঠানো হলো।

  • দাঁতের গ’র্ত কেন হয়, আর গ’র্ত হলে আপনি কী করবেন, জেনে নিন

    দাঁতের গ’র্ত কেন হয়, আর গ’র্ত হলে আপনি কী করবেন, জেনে নিন

    আমাদের অতি মূল্যবান সম্পদ দাঁত। বর্তমানে দাঁত ক্ষ’য় ও দাঁতে ছিদ্র হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণত শিশু, টিনএজার ও বয়স্কদের এই সমস্যাটি বেশি হতে দেখা যায়। ব্যা’কটেরিয়ার সং’ক্রমণের ফলেই দাঁত ক্ষ’য় হয়ে থাকে।

    ঘন ঘন স্ন্যা’ক্স ও ড্রি’ঙ্কস খাওয়া, অনেকক্ষণ যাবত দাঁতের মধ্যে খাবার লেগে থাকা, ফ্লোরাইড এর অ’পর্যাপ্ততা, মুখ ড্রাই থাকা, মুখের স্বা’স্থ্যবিধি না মানা, পুষ্টির ঘাটতি এবং ক্ষু’ধামন্দার স’মস্যা থাকা ইত্যাদি কারণে দাঁতে গর্ত ও দাঁত ক্ষ’য় রো’গ হয়ে থাকে।

    দাঁতের মধ্যে নানা কারণে গ’র্ত হতে পারে। যেমন দ’ন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ, দাঁত ভেঙে গিয়ে কিংবা রুট ক্যানেল চিকিত্সার জন্যও গর্ত হয়ে যায় দাঁত। দাঁতের মধ্যে গর্ত বা ক্যা’ভিটি হলে তাতে ম’য়লা, খা’দ্যকণা ইত্যাদি জমে সং’ক্রমণ হয়। দাঁতে ব্য’থা করে ও শিরশির অনুভূতি শুরু হয়। শিশুদের এই গর্ত বা ক্যাভিটি হলে তারা ব্যথায় কষ্ট পায় ও কিছু খেতে গেলেই দাঁত শিরশির করে ওঠে।

    ডেন্টাল ক্যারিজ প্রাথমিক অবস্থায় খুবই ছোট কালো গর্তের মতো দেখায়। এই কালো গর্ত দাঁতে তৈরি হলেও ব্যথা অনুভূত হয় না। তাই শিশুরাতো বটেই, প্রাপ্তবয়স্করাও পারে না যে গ’র্ত তৈরি হচ্ছে। এই গর্তের মধ্যে জ’টিলতা তৈরি হওয়ার পরই কেবল ধরা পড়ে। এছাড়া দাঁত ভেঙে গেলে বেশির ভাগ ক্ষে’ত্রে রো’গী সেটা বুঝতে পারে।

    রুট ক্যানেল চি’কিতসায় রোগী যদি পরসেলিন ক্রাউন বা মুকুট পরে না নেয়, তাহলেও দাঁতে গর্ত বেড়ে যায়। পরে রুট ক্যানেল এবং ভেতরের জিনিসপত্র সব বেরিয়ে আসে।

    দাঁতে গর্ত হলে কী চিকিত্সা করবেন-দাঁতের গর্তের লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্র দেরি না করে শূন্য জায়গাটা ভর্তি করে নেওয়া উচিত। কারণ, ডেন্টাল ক্যারিজ যদি ধীরে ধীরে ডেন্টিন থেকে আরও গভীরে অর্থাত্ পাল্প চেম্বার পর্যন্ত চলে যায়, তবে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায়। চি’কিত্সা ব্য’বস্থাও জ’টিল হয়ে পড়ে।

    ভা’ঙা দাঁতকে আজকাল ফি’লিং ম্যাটেরিয়াল বা লাইট কিউর দিয়ে সুন্দরভাবে পূরণ করা যায়, যা দেখতে অবিকল স্বা’ভাবিক রঙের হয়। রুট ক্যানেল চিকিত্সা করা দাঁতের ক্রাউন বা মুকুট বসাতে দেরি করা উচিত নয়।

    জেনে নিন ক্যাভিটি প্রতিরোধের ৫ উপায় সঠিক নিয়মে প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা উচিত

  • সিম কার্ডের এক কোনা কেন কা’টা থাকে, জেনে নিন

    সিম কার্ডের এক কোনা কেন কা’টা থাকে, জেনে নিন

    মোবাইল ফোন এখন আমাদের নিত্যদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফোনে কল করা, ইন্টারনেট ব্যবহার বা মেসেজ পাঠানো—সবকিছুর জন্যই দরকার একটি ছোট্ট জিনিস, সিম কার্ড। কিন্তু খেয়াল করে দেখেছেন কি, প্রতিটি সিম কার্ডের এক কোনা কাটা থাকে? বিষয়টি দেখতে খুব সাধারণ হলেও এর পেছনে আছে গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

    অনেকে ভাবেন, এটি হয়তো শুধু ডিজাইনের জন্য। আসলে তা নয়। এই ছোট্ট কাটাটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্যবহারকারীর সুবিধা ও ফোনের নিরাপত্তা।

    সঠিকভাবে সিম বসানোর সুবিধা

    সিম কার্ডের পুরো নাম সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল। এর ভেতরেই থাকে আপনার নম্বর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয় তথ্য। সিম কার্ড যদি উল্টো বা ভুলভাবে ফোনে ঢোকানো হয়, তাহলে ফোন সেটি চিনতে পারবে না।

    এই সমস্যা এড়াতেই সিম কার্ডের এক কোনা কাটা থাকে। এতে ব্যবহারকারী সহজেই বুঝতে পারেন, কোন দিক দিয়ে সিম বসাতে হবে। একইভাবে মোবাইলের সিম ট্রেতেও ওই কাটা কোনার মতো জায়গা রাখা হয়, যাতে সিম শুধু নির্দিষ্ট একটি অবস্থানেই বসে।

    ফোন ও সিমের নিরাপত্তা

    ভুলভাবে সিম ঢোকালে শুধু নেটওয়ার্ক সমস্যা নয়, ফোনের ভেতরের যন্ত্রাংশেরও ক্ষতি হতে পারে। সিম ট্রে বা চিপে চাপ পড়তে পারে। কোনা কাটা থাকার কারণে ফোন সিমটিকে সঠিকভাবে বসাতে পারে এবং ভেতরের হার্ডওয়্যার নিরাপদ থাকে।

    আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নকশা

    সিম কার্ডের আকার ও নকশা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নির্ধারিত। ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড সংস্থা এই নকশা ঠিক করে দিয়েছে, যাতে যে কোনো কোম্পানির ফোনে একই ধরনের সিম ব্যবহার করা যায়। এক কোনা কাটা থাকাও এই মানদণ্ডেরই অংশ।

    ব্যবহারকারীর সুবিধাই মূল কথা

    সব মিলিয়ে সিম কার্ডের এক কোনা কাটা থাকার মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্তি থেকে বাঁচানো। যাতে কেউ সহজেই, বাড়তি চিন্তা ছাড়াই সঠিকভাবে সিম সেট করতে পারেন। এতে যেমন নেটওয়ার্ক সমস্যা কমে, তেমনি ফোনও থাকে নিরাপদ।

    একটি ছোট্ট কাটার পেছনে যে এত বড় প্রয়োজন লুকিয়ে আছে, তা জানলে বিষয়টি আর সাধারণ মনে হয় না।

    সূত্র : টিভি নাইন বাংলা

  • শেরপুরে বিএনপি-জা’মায়াত সং’ঘ’র্ষ, জা’মায়াত নেতা নি’হত

    শেরপুরে বিএনপি-জা’মায়াত সং’ঘ’র্ষ, জা’মায়াত নেতা নি’হত

    শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে গুরুতর আহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম (৪২) মারা গেছেন।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা ইউনিয়নের চাউলিয়া এলাকার মাওলানা আব্দুল আজিজের ছেলে। তিনি উপজেলার ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের প্রভাষক ছিলেন।

    ওই আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নূরুজ্জামান বাদল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকেরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। রেজাউল করিমকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। যদি আমরা বিচার না পাই, তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

    এর আগে বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মঞ্চে বসেন। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক চেয়ারে বসা নিয়ে হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে শতাধিক মানুষ আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।