Blog

  • ফো’নের ক’ভারে তেজপাতা রাখছেন অনেকেই! কারণটা কী?

    ফো’নের ক’ভারে তেজপাতা রাখছেন অনেকেই! কারণটা কী?

    ফোনের কভারে তেজপাতা রাখছেন অনেকেই! কারণটা কী?হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন এক ট্রেন্ড। দেখা যাচ্ছে অনেকেই মোবাইল ফোনের কাভারের ভেতরে রাখছেন শুকনো তেজপাতা।

    অনেকের বিশ্বাস এতে নাকি জীবনে আসে সৌভাগ্য, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আর এর সঙ্গে রয়েছে পজিটিভিটি বা ইতিবাচকতা। কেউ আবার মনে করেন, তেজপাতা নেতিবাচক শক্তি থেকে দূরে রাখে। তবে সত্যিই কি ফোনের কভারে তেজপাতা রাখলে ভাগ্য বদলায়? নাকি এটি শুধুই বিশ্বাস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ট্রেন্ড। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া  

    ফোনের কাভারে তেজপাতা রাখার ট্রেন্ডের শুরু যেভাবে  

    তেজপাতাকে ঘিরে সৌভাগ্য ও সাফল্যের ধারণা নতুন নয়। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতিতে তেজপাতাকে বিজয়, জ্ঞান ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। বিজয়ীদের সম্মান জানাতেও তেজপাতার মুকুট ব্যবহারের প্রচলন ছিল। সময় গড়ানোর সঙ্গে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে তেজপাতার সঙ্গে সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি ও সুরক্ষার ধারণা যুক্ত হয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই অনেকে এখন তেজপাতাকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে সঙ্গে রাখেন।

    আর যেহেতু স্মার্টফোন এখন মানুষের প্রতিদিনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ কাজ, যোগাযোগ থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক লেনদেন পর্যন্ত অনেক কিছুই ফোনের মাধ্যমে হয় তাই কেউ কেউ মনে করেন, ফোনের কভারে তেজপাতা রাখলে তাদের ভালো হবে। আর এই ধারণা থেকেই অনেকে ফোনের কাভারে তেজপাতা রেখে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেষ করছেন। যদিও ভারতীয়রাই এমনট বেশি করছেন। 

    তবে বিজ্ঞান কী বলছেন 
    তেজপাতা রাখার বিষয়টা কিন্তু কিছু মানুষের ধারণা। বিজ্ঞানে কি এমন কিছু আছে এটা কিন্তু অনেক মানুষ ভাবছেন আর এটা  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    ফোনের কভারে তেজপাতা রাখলে অর্থ আসবে, ভাগ্য বদলাবে বা নেতিবাচক শক্তি দূর হবে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। অর্থাৎ, এটি মূলত বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত আস্থার বিষয়। তেজপাতাকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে সঙ্গে রাখা কারও কাছে মানসিকভাবে ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করতে পারে, কিন্তু এর সঙ্গে ভাগ্য বা আর্থিক সাফল্যের সরাসরি বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

    সাবধানতা : যারা এই ট্রেন্ড অনুসরণ করতে চান, তাদের কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।

    *অবশ্যই সম্পূর্ণ শুকনো তেজপাতা ব্যবহার করুন।
    *ক্যামেরা, স্পিকার, চার্জিং পোর্ট বা বোতামের ওপর যেন পাতা না পড়ে।
    *খুব মোটা পাতা ব্যবহার করে ফোনের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করবেন না।
    *পাতা ভেঙে গুঁড়া হয়ে গেলে বা ধুলো জমলে তা সরিয়ে নতুন পাতা ব্যবহার করুন।
    *ফোনের কাভারের ভেতরটা পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।

    সবশেষে বলা যায় ফোনের কাভারে তেজপাতা রাখা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মজার একটি ট্রেন্ড হতে পারে। কিন্তু এটিকে ভাগ্য বদলানোর বৈজ্ঞানিক উপায় মনে করা যাবে না। কারণ এমন কোনও প্রমাণ নেই। জীবনের সাফল্যের জন্য শেষ পরিশ্রম প্রয়োজন। পরিশ্রম না করে ট্রেন্ডে অনুসরণ করলেই কিন্তু ভাগ্য পরিবর্তন হয় না।

  • ২৬ আগস্ট সরকারি ছুটি

    ২৬ আগস্ট সরকারি ছুটি

    বাংলাদেশের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।

    সেই হিসেবে আগামী ২৬ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকবে। যদিও ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকায়ও ২৬ আগস্ট ছুটি ছিল। তবে এসব ছুটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল থাকে, সুতরাং চাঁদের ওপর ছুটির তারিখও পরিবর্তন হয়।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।

    ফলে আগামীকাল ১৪ আগস্ট ২০২৬ শুক্রবার পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। ১৫ আগস্ট শনিবার থেকে ১৪৪৮ হিজরি সালের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা শুরু হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৬ আগস্ট বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।

    এদিকে ২৭ আগস্ট ছুটি নিতে পারলে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন।

    ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর সরকারি ছুটি। এ ছাড়া ২৮ ও ২৯ আগস্ট (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি।

  • মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ নাম, আলোচনায় যারা

    মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ নাম, আলোচনায় যারা

    শেষ হচ্ছে বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস। ১৮০ দিনের মন্ত্রিপরিষদের পারফর্মেন্সের বিচার-বিশ্লেষণ চলছে সরকারে এবং সরকারের বাইরে।

    গুঞ্জন উঠেছে, ছয় মাসের কার্যক্রম বিশ্লেষণের পর রদবদল আসতে পারে মন্ত্রিপরিষদে। তবে বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

    রদবদল না হলেও বাড়তে যাচ্ছে মন্ত্রিপরিষদের আকার। সরকারের কাজের গতি বাড়াতে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে দায়িত্বের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের চিন্তা-ভাবনা হচ্ছে।

    ফলে মন্ত্রিসভায় আপাতত কোনো পরিবর্তন না করে নতুন চারজনকে যুক্ত করা হতে পারে।

    মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন চাইবেন তখনই বাস্তবায়িত হবে।

    আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। দিনটি সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা চলছে। তবে এই পর্যালোচনায় মন্ত্রিসভার পরিবর্তন বা বড় ধরনের দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।

    গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন।

    জানা গেছে, সরকারের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কাজের চাপ কমানো এবং নীতিনির্ধারণে আরো মনোযোগ দেওয়ার জন্য নতুন মুখ যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

    মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এমপি এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হতে পারেন। এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শামীম কায়সার লিংকন এমপি যুক্ত হতে পারেন বলে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নির্ধারিত উপদেষ্টারা এবং বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষ দায়িত্ব পালন করছেন।

    সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে, মন্ত্রিসভায় কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, সেটি চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রথম ধাপে ‘রদবদল’ নয়, বরং ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট’ হতে পারে। এতে বর্তমান মন্ত্রিসভার কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। এরই মধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এসব রিপোর্ট মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ছাড়া একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের কাজের চাপ কমাতে সেসব মন্ত্রণালয়ে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আছে।’

    মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের আলোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। আমরা কতটা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করেছি, প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম আছে, গণমাধ্যম আছে—এসবের মাধ্যমে হয়তো খোঁজখবর নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, গত ছয় মাসে উনার যতগুলো কর্মকাণ্ড দেখতে পেয়েছি, যেগুলোর কোথাও কোনো ভুল হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে মন্ত্রিসভায় যদি কোনো পরিবর্তন করতে চান প্রধানমন্ত্রী,  ওনার মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবেন। ওনার সিদ্ধান্তকে আমরা অ্যাপ্রিশিয়েট করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে দেশবাসীর যে প্রত্যাশা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।’

  • এনআইডিতে জন্মতারিখ, নিজের ও পিতা-মাতার নাম সংশোধনে নতুন নিয়ম

    এনআইডিতে জন্মতারিখ, নিজের ও পিতা-মাতার নাম সংশোধনে নতুন নিয়ম

     
    জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং পিতা-মাতার নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এখন মাঠপর্যায়ের নির্দিষ্ট কর্মকর্তারা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। তবে নিজের নাম ও পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

    পরিপত্রে বলা হয়, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকরা নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

    তবে শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রমাণাদি বা দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) অনুসরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বরের প্রজ্ঞাপন নম্বর ১৭,০০,০০০০,০৬৪.২২.০৪৫.১৯ (অংশ-১)-৩০৫১ অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে।

    পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সংশোধনের আবেদন ইলেকট্রনিকভাবে অনুমোদন বা বাতিল করার ক্ষেত্রে কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (CMS) আবশ্যিকভাবে নোট দিতে হবে। এ ছাড়া আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের তাঁদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করতে বলা হয়েছে।

    এ জন্য দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম তিনটি আবেদন যথাযথভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। এ বিষয়ে সংযুক্ত ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রস্তুত করে পরিচালক (অপারেশন্স)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে।

    পরিপত্রে বলা হয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য হবে। একইভাবে জন্মতারিখের পাশাপাশি নিজের নাম এবং পিতা বা মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদনও মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি করতে হবে।

    নতুন নিয়মে জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। পরিপত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে ৩ মনোনয়নপত্র

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে ৩ মনোনয়নপত্র

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সংবাদমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান।

    আখতার আহমেদ জানান, জমা পড়া তিনটি মনোনয়নপত্রের মধ্যে একটি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে এবং দুটি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রমের পক্ষে জমা দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।

    এদিকে, গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • একাদশে ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

    একাদশে ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

    চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন শুরু হতে পারে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে। ১২ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা করে প্রস্তাবনা তৈরি করেছে আন্ত শিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পেলে ভর্তি ও ক্লাস সূচি প্রকাশ করা হবে।

    বোর্ডের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন শুরু হবে। ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে ১০ নভেম্বরের মধ্যে।
    এরপর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাবনা করা হয়েছে।

    আন্ত শিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আগামীকাল প্রস্তাবনা আকারে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে। এরপর মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

    গত সোমবার চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশিত হয়।

    এতে পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। বিগত কয়েক বছরের তুলনায় পাসের হার নিম্নমুখী। ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। বিগত বছরগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পাস করা শিক্ষার্থীদের ৫ থেকে ১০ শতাংশ কলেজে ভর্তি হয় না।

    প্রায় ১১ লাখ ৩৯ হাজার শিক্ষার্থী পাস করলেও একাদশে আসন রয়েছে তার দ্বিগুণেরও বেশি। আন্ত বোর্ড থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ আসন রয়েছে। সেই হিসেবে এ বছর ১৭ লাখই খালি থাকবে। কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীর জন্য হাহাকার পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

  • পে স্কেল নিয়ে মেগা সুখবর, যেসব বিষয়ে অগ্রগতি

    পে স্কেল নিয়ে মেগা সুখবর, যেসব বিষয়ে অগ্রগতি

    বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় আবারও গতি এসেছে। ইতোমধ্যে পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরির জন্য সাত সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার।

    কমিটির সভাপতি করা হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।

    সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করাই হবে কমিটির মূল দায়িত্ব। প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের শেষ দিকে অথবা আগামী সপ্তাহে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। এর পরই পে স্কেল নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্তের পথ আরো স্পষ্ট হতে পারে।

    অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে পরবর্তী ধাপে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে নতুন পে স্কেল কবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এর আর্থিক প্রভাব। সরকারের ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য চাপ বিবেচনায় পে স্কেল বাস্তবায়ন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

    তবে বিষয়টি পুরোপুরি পিছিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে সরকার। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

    ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা হয়নি।

    এ সময়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রতিবছর নির্ধারিত হারে বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে নবম জাতীয় পে স্কেলের দাবি জোরালো হয়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নবম পে কমিশন সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়। পরে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল পে স্কেলের সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

    অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরো দক্ষতা আনার প্রয়োজন হবে।

    এদিকে, নতুন পে স্কেল নিয়ে প্রত্যাশা বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি কবে উঠবে, অনুমোদনের পর কখন প্রজ্ঞাপন জারি হবে এবং কোন কাঠামোয় নতুন বেতন কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

  • শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

    শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

    বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদারে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে এবং সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে।

    বুধবার (১২ আগস্ট) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

    বার্তায় বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের ১১ জুন তারিখের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি ছিল। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে, যা ১২ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে। এসব ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।

    যদিও খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ফার্মেসি ও ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশনার আওতার বাইরে থাকবে।

    বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় আনতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে সরকার এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

  • এসএসসি উত্তীর্ণদের ৯ শিক্ষাবৃত্তি, কখন ও কীভাবে আবেদন করবেন

    এসএসসি উত্তীর্ণদের ৯ শিক্ষাবৃত্তি, কখন ও কীভাবে আবেদন করবেন

    অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অনেক শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হিমশিম খায়। এসব শিক্ষার্থীর জন্য সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হয়ে উঠেছে। এসব বৃত্তির মাধ্যমে টিউশন ফি, বই-খাতা, পোশাকসহ শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন খরচ মেটানোর সুযোগ রয়েছে।

    চলতি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের অনেকেই এখন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে কিছু বৃত্তির আবেদন শুরু হয়েছে, আবার কিছু বৃত্তির আবেদন ফল প্রকাশের কয়েক মাস পর শুরু হবে।

    এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লেখযোগ্য ৯টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাবৃত্তি ও উপবৃত্তির তথ্য তুলে ধরা হলো—

    ১. বোর্ড বৃত্তি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতিবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হয়।

    সাধারণত ফল প্রকাশের কয়েক মাস পর বৃত্তির কার্যক্রম শুরু হয়। এ জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিয়মিত নজর রাখতে হবে।

    ২. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি

    মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য ডাচ্-বাংলা ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে। ২০২৬ সালের বৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে বাছাই করা প্রার্থীদের তালিকা ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

    সিটি করপোরেশন ও জেলা শহর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয় বাদে জিপিএ-৫ থাকতে হবে। তবে গ্রামীণ ও অনগ্রসর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম জিপিএ ৪.৮৩ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এইচএসসি পর্যায়ে দুই বছর বৃত্তি দেওয়া হবে। প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা, বছরে পাঠ্য উপকরণের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং পোশাকের জন্য ১ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

    গ্রামীণ ও অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য মোট বৃত্তির ৯০ শতাংশ এবং ছাত্রীদের জন্য ৫০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকারি বৃত্তি ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য যোগ্য হবেন না।

    ৩. শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে। বর্তমানে ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে।

    বিভাগীয় শহর বা সিটি করপোরেশন এলাকার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ ৫.০০ এবং অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৪.৮০ থাকতে হবে।

    সিটি করপোরেশনের বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ ৪.৮০ এবং অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৪.৫০ থাকতে হবে।

    এ ছাড়া আবেদনকারীর বাবা, মা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার বেশি হলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

    আগ্রহীদের অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র দিয়ে ২৭ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। সরাসরি বা অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ নেই।

    ৪. প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়।

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদনের সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ বৃত্তির ক্ষেত্রে আবেদনকারীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা বা তার কম হতে হয়।

    ৫. সোনালী ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি

    সোনালী ব্যাংক পিএলসি সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র, মেধাবী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে।

    সাধারণত এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির আওতায় আসে। নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে নির্ধারিত যোগ্যতা ও সময়সীমা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

    ৬. সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচি

    সরকারের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়া হয়।

    তবে কোনো শিক্ষার্থী অন্য সরকারি উৎস থেকে উপবৃত্তি বা অভিভাবকের কাছ থেকে শিক্ষা ভাতা পেলে এ উপবৃত্তির জন্য যোগ্য হবে না। একইভাবে শিক্ষা বোর্ড থেকে মেধা বা সাধারণ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরাও এ উপবৃত্তির আওতায় আসবে না।

    ৭. ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের বৃত্তি

    প্রবাসী কর্মীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ রয়েছে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে এ বৃত্তি দেওয়া হয়।

    প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের জন্য এটি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তা হিসেবে কাজ করে।

    ৮. মেঘনা গ্রুপের ‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান’

    মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘নাম্বার ওয়ান’-এর উদ্যোগে প্রান্তিক পর্যায়ের চা-দোকানি বাবা-মায়ের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া সন্তানদের জন্য ‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান সংবর্ধনা ২০২৬’ আয়োজন করা হচ্ছে।

    নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এককালীন শিক্ষাবৃত্তির পাশাপাশি এইচএসসির সব বিষয়ের অনলাইন কোর্স, সনদ, ক্রেস্ট, সংবর্ধনা মেডেল ও বিশেষ উপহার পাবেন।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া যোগ্য শিক্ষার্থীরা ২৫ আগস্ট পর্যন্ত বিনামূল্যে আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ও তাঁদের বাবা-মাকে ঢাকায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

    ৯. মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক দাতব্য সংগঠন ‘মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির আবেদন নিয়েছিল।

    উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তিতে সহায়তা এবং মাসিক বৃত্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। চলতি বছর নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদনের আগে যা খেয়াল রাখবেন

    বিভিন্ন শিক্ষাবৃত্তির যোগ্যতা, আবেদনের সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এক নয়। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সরকারি দপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে নেওয়া জরুরি।

    বিশেষ করে অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ ফরম বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • এ’সির চেয়েও বেশি বি’দ্যুৎ খরচ হয় যেসব গ্যা’জেটে, জেনে নিন

    এ’সির চেয়েও বেশি বি’দ্যুৎ খরচ হয় যেসব গ্যা’জেটে, জেনে নিন

    এসি ব্যবহারের ফলেই বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু এমন কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় গ্যাজেট বা বৈদ্যুতিক যন্ত্র রয়েছে যেগুলো এসির চেয়েও অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। বেশি ওয়াটের এ সাধারণ যন্ত্রগুলো অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করলেও, এগুলো অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই ওয়াট এবং ব্যবহারের সময়ের এ সহজ সমীকরণটা বুঝে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    শীতকালে গোসলের জন্য ব্যবহৃত ওয়াটার হিটার বা গিজার সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করা যন্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। একটি সাধারণ গিজারের পাওয়ার রেটিং প্রায় তিন হাজার ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, যা মাত্র এক ঘণ্টা চললেই প্রায় তিন ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। তবে গিজার অল্প সময়ের জন্য চলে বলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব খুব একটা চোখে পড়ে না।

    গোসলের পর চুল শুকানোর জন্য যে হেয়ার ড্রায়ার আমরা প্রায়শই ব্যবহার করি, সেটি আকারে ছোট হলেও বিদ্যুৎ খরচের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী। একটি হেয়ার ড্রায়ারের পাওয়ার রেটিং সাধারণত প্রায় ২২০০ ওয়াট হয়ে থাকে, যা টানা এক ঘণ্টা চললে ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে। অল্প সময়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও এটি কিন্তু বিল বাড়াতে বড় ভূমিকা নেয়।

    বর্তমানে দ্রুত সময়ের মধ্যে রান্না করতে অনেকেই ইন্ডাকশন কুকার ব্যবহার করেন, যা কাজ সহজ করলেও প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করে। একটি সাধারণ ইন্ডাকশন কুকার প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে, ফলে টানা এক ঘণ্টা এটি ব্যবহার করলে ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই নিয়মিত দীর্ঘক্ষণ ইন্ডাকশন কুকারে রান্না করলে মাসের শেষে বেশি বিল আসাটা খুবই স্বাভাবিক।

    পানি গরম করা বা চা বানানোর জন্য ইলেকট্রিক কেটলি এখন বহুল ব্যবহৃত, যা প্রায় ২২০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে। এটিও এক ঘণ্টায় প্রায় ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে, তবে ব্যবহারের সময়কাল খুব সামান্য হওয়ায় বিদ্যুৎ বিলে এর প্রভাব কম থাকে। তা সত্ত্বেও দিনে বারবার পানি গরম করলে বিদ্যুতের খরচ কিন্তু অনেকটাই বেড়ে যায়।

    খাবার গরম করতে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ব্যবহার এখন প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, আর এর পাওয়ার রেটিংও সাধারণ দেড় টন এসির তুলনায় বেশ কিছুটা বেশি। সাধারণত প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করা এ যন্ত্রটি টানা এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। 

    বিদ্যুৎ বিল কমাতে চাইলে এ ধরনের উচ্চ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলির ব্যবহার যতটা সম্ভব সীমিত রাখা প্রয়োজন। কাজ শেষে অবশ্যই সুইচ বন্ধ করে রাখুন এবং খুব প্রয়োজন না পড়লে এ গ্যাজেটগুলোর বদলে অন্য সাধারণ বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করুন। একটু সচেতন হয়ে এ সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে মাস শেষে আপনার বিদ্যুৎ বিল অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারবেন।