Blog

  • ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করলো তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর

    ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করলো তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর

    তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ পবিত্র ঈদুল ফিতরের আলাদা আলাদা তারিখ নিশ্চিত করেছে। দেশ দুটি ইসলামি মাসের শুরু নির্ধারণের জন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি চাঁদ দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভর করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    তুরস্ক ঘোষণা করেছে যে, তাদের দেশে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার তুরস্ক এবং অন্যান্য অঞ্চল থেকে শাওয়াল মাসের প্রথম চাঁদ দেখার সম্ভাবনার জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবের ওপর ভিত্তি করে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

    অন্যদিকে, সিঙ্গাপুর নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দেশে শনিবার (২১ মার্চ) ঈদুল ফিতর পালিত হবে। কারণ জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরের আকাশ থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

     

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উভয় দেশেই বুধবার ছিল রমজান মাসের ২৮তম দিন। মূলত চাঁদ দেখার পূর্ব-নির্ধারিত হিসাব-নিকাশের মডেল বা অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্যালকুলেশন ব্যবহার করেই দেশ দুটিতে ঈদের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।

     

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব

    ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪৪৭ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা কার্যক্রম শেষে বুধবার (১৮ মার্চ) এ তথ্য জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ।

    গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরবের বাসিন্দারা আরো একটি রোজা পালন করবেন। ফলে দেশটিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ)।

    সাধারণত সৌদি আরবের এক দিন পর বাংলাদেশে ঈদ পালিত হয়। সেই হিসাবে দেশে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)  ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। তবে এটি বাংলাদেশের চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।

    এর আগে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে তুরস্ক।

    তুর্কি সরকার জানায়, শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) তুরস্ক ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনার যে ইঙ্গিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন, তার ভিত্তিতে এ তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে সিঙ্গাপুরে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দেশটিতে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা না থাকায় আগামী শনিবার (২১ মার্চ) ঈদ উদযাপিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

    দেশটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর না করে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের ভিত্তিতে হিজরি মাস নির্ধারণ করে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র রমজান মাসের শেষের চাঁদ (শাওয়াল মাসের চাঁদ) ক্যামেরায় দেখা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র। তারা জানায়, আবুধাবিতে অবস্থিত খতম অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি থেকে বুধবার (১৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় চাঁদের ছবি তোলা হয়। এই পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের অধিভুক্ত।

    গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবি তোলার সময় সূর্য থেকে চাঁদের দূরত্ব ছিল ৯.২ ডিগ্রি এবং চাঁদের বয়স ছিল মাইনাস ১৫ ঘণ্টা ২৩ মিনিট। যা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ।

    এর আগে অস্ট্রেলিয়া পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে।

  • সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ উদযাপিত হতে পারে বলে জানিয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

    ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আরবি প্রতিটি মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে, যা মূলত চাঁদের অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

     

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জাওয়ান জানিয়েছেন, চলতি বছরে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের আরব দেশগুলোতে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে। ফলে শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ২০ মার্চ (শুক্রবার) সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতারসহ ওই অঞ্চলের বেশির ভাগ দেশে ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

     

    ২৯তম রমজানে চাঁদ দেখার সম্ভাবনার ব্যাপারে ইব্রাহিম আল জারওয়ান বলেন, ‘আগামী বুধবার ২৯তম রমজানে, আরব দেশগুলোর আকাশে কোনো অর্ধচন্দ্র থাকবে না।’

     

    যদি বুধবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়, তবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) হবে ঈদুল ফিতর। কিন্তু চাঁদ দেখা না গেলে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং ২০ মার্চ (শুক্রবার) আরব বিশ্বে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

     

     

    এদিকে মুসলমানদের আগামী বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট। স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ মার্চ) জারি করা এক সরকারি বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়। এতে বলা হয়, উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বুধবার ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান মাসের ২৯তম দিন।

     

    যদি বুধবার সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তবে পরদিনই ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে।

     

    সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, কেউ খালি চোখে বা দূরবীন ব্যবহার করে চাঁদ দেখতে পেলে নিকটস্থ আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য নিবন্ধনের জন্য তা জানাতে হবে। প্রয়োজনে বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে স্থানীয় প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোর সহায়তাও নেয়া যেতে পারে।

     

    তথ্যসূত্র: দ্য ন্যাশনাল, গালফ নিউজ

     

  • মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে?

    মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে?

    দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। নাড়ির টানে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে এরইমধ্যে রাজধানী ছেড়ে গ্রামে ফিরছে মানুষ। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকেই শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি। দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ চললেও সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন– ঈদ কবে?


    সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) উদ্‌যাপিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, এবার আরব দেশগুলোতে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
     

    আগামী বুধবার (১৮ মার্চ) আরব বিশ্বের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে শুক্রবার সেখানে ঈদের দিন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট আগামী বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। যদি বুধবার চাঁদ দেখা যায় তবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সেখানে ঈদ হবে, অন্যথায় শুক্রবার।

    বাংলাদেশে ঈদ কবে?

    ভৌগোলিক নিয়মানুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের এক দিন পর ঈদ উদ্‌যাপিত হয়। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার)।
     

    তবে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর। আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রমজানের ২৯তম দিনে বৈঠকে বসবে কমিটি। ওই দিন সন্ধ্যায় যদি বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়, তবে শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং শনিবার (২১ মার্চ) সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

    এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে বন্দর ও টার্মিনালগুলোতে মানুষের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার থেকেই বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হওয়ায় যানজট আর ভিড় ঠেলে মানুষ ছুটছে আপন ঠিকানায়। আবহাওয়া অফিস ঝড়ের পূর্বাভাস দিলেও স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদ্‌যাপনে কারও মাঝেই কোনো খামতি নেই।

    এখন সবার নজর বৃহস্পতিবারের আকাশের দিকে– কবে দেখা দেবে এক ফালি বাঁকা চাঁদ, আর কবে বেজে উঠবে নজরুলের সেই কালজয়ী গান, ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’।

  • বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর কবে, যা জানা গেল

    বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর কবে, যা জানা গেল

    দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনার মাধ্যমে শেষ হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দেশে শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও শুরু হয়েছে ঈদের ছুটি। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গ্রামে ফিরছে মানুষ।

    মধ্যপ্রাচ্য ও আরব বিশ্বের বেশ কিছু দেশে শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বুধবার (১৮ মার্চ) বৈঠক করবে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হিজরি শাওয়াল মাসের শুরু ও ঈদের দিন চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

    এবারের রমজান মাস ৩০ দিনের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছে এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান।

    তিনি জানান, আরব দেশগুলোতে বুধবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যাবে না। সে অনুযায়ী শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ২০ মার্চ হতে পারে।

    সে হিসেবে আগামী ২০ মার্চ শুক্রবার সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতারসহ ওই অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশে ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

    বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য ও আরবের দেশগুলোর এক দিন পরে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়।

    সেই হিসেবে বাংলাদেশে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)।

    আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রমজানের ২৯তম দিনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক করবে। সেই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী শনিবার (২১ মার্চ) ঈদ উদযাপিত হবে।

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, ইভটিজিং প্রতিরোধ, ‘র‍্যাগ ডের’ নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় মনোযোগী করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপের তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত ইমেইলে এসব তথ্য পাঠাতে হবে।

    রোববার (১৫ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিটি মাউশির আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে মাদকের কুফল সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নির্মিত মাদকবিরোধী ডকুমেন্টারি ও থিম সং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    এ ছাড়া ইভটিজিং প্রতিরোধ, ‘র‍্যাগ ডের’ নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধে গৃহীত পদক্ষেপ এবং শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমের অগ্রগতির তথ্য ৩০ মার্চের মধ্যে ইমেইল (director.mew@gmail.com) ঠিকানায় পাঠাতে বলা হয়েছে।

    এ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের নিজ নিজ অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি প্রতিবেদন সংগ্রহ করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী একত্রে কম্পাইল করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে—অঞ্চলের নাম, অঞ্চলের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা, বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের শতকরা হার, বাস্তবায়ন করতে না পারা প্রতিষ্ঠানের শতকরা হার (যদি থাকে), না পারার কারণ এবং প্রয়োজনীয় মন্তব্য।

  • একটানা বসে কাজ করলে যেসব শা’রীরিক স’মস্যা হতে পারে, জেনে নিন

    একটানা বসে কাজ করলে যেসব শা’রীরিক স’মস্যা হতে পারে, জেনে নিন

    অফিসে একটানা চেয়ারে বসে কাজ করতে করতে অনেকের কোমরে বা নিতম্বে তীব্র যন্ত্রণা হয়। চেয়ার ছেড়ে ওঠার সময় যন্ত্রণায় চোখে অন্ধকার দেখেন অনেকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একইভাবে বসে থাকার কারণে নিতম্বের হাড়ের সন্ধিতে ‘বারসাইটিস’ নামের এক ধরনের মারাত্মক প্রদাহের কারণে এটি হয়ে থাকে।

    চিকিৎসকদের মতে, দিনের বেশিরভাগ সময় যদি বসে কাটে, তবে আপনার মেরুদণ্ডে সমস্যা হতে পারে।

    এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ শারীরিক পরিশ্রমের অভাব বা নড়াচড়া না করলে নিতম্বের জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে নিতম্বের পেশি ছোট হয়ে যাওয়া (গ্লুটিয়াল অ্যামনেশিয়া) বা বাতের মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

    কেন নিতম্বের সচলতা (হিপ ফ্লেক্সিবিলিটি) জরুরি?
    ১। কোমরের ব্যথা কমায়: নিতম্বের পেশি শক্ত হয়ে গেলে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে চাপ পড়ে।

    পেশি নমনীয় থাকলে কোমরের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কমে।
    ২। শরীরের ভারসাম্য: পেশি সচল থাকলে হাঁটাচলা বা বসার ভঙ্গি ঠিক থাকে এবং শরীর সহজে ক্লান্ত হয় না।
    ৩। চোটের ঝুঁকি হ্রাস: নিতম্ব সচল থাকলে হাঁটু ও গোড়ালির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না। ফলে বড় ধরনের চোট পাওয়ার ভয় থাকে না।
    ৪। রক্ত সঞ্চালন: শরীরের নিচের অংশে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এই নমনীয়তা অত্যন্ত জরুরি।
    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, টানা বসে কাজ না করে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া এবং হালকা শরীরচর্চা করা এই মরণব্যাধি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।

    সূত্র: আনন্দবাজার

  • সবার আগে ঈদের তারিখ ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া

    সবার আগে ঈদের তারিখ ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া

    অস্ট্রেলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির শীর্ষ ইসলামি সংগঠন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। দিনটি হবে ১৪৪৭ হিজরি সালের ১ শাওয়াল।

    এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং চাঁদ দেখার দায়িত্বে থাকা বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

     

    সংস্থাটি আরও জানায়, চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে শুধু অস্ট্রেলিয়ার পর্যবেক্ষণই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের তথ্য বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর চাঁদ দেখার সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।

     

    ঘোষণা অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে। এর পরদিনই অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।

     
     

    অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল আরও জানায়, রমজান মাসের শুরু ও শেষ নির্ধারণ, শাওয়াল মাসের সূচনা এবং ঈদুল ফিতরের দিন ঠিক করতে অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি ও অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল নির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে সূর্যাস্তের আগে নতুন চাঁদের আবির্ভাব, সূর্যাস্তের পর আকাশে চাঁদ কতক্ষণ দৃশ্যমান থাকতে পারে এবং অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে চাঁদ দেখা সম্ভব কিনা এসব বিষয়।

     

    কাউন্সিলের মতে, এই পদ্ধতি কেবল অস্ট্রেলিয়াতেই নয়, বিশ্বের অনেক স্বনামধন্য বৈজ্ঞানিক ও ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ফিকহভিত্তিক সংগঠনও অনুসরণ করে থাকে। এর মাধ্যমে চাঁদ দেখার বিষয়ে একটি সুসংগঠিত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়।

     

    তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

  • সুখবর পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    সুখবর পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    এমপিওভুক্ত ৪ লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারীরা ‘ঈদ বোনাস’ পেতে যাচ্ছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের প্রস্তাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী রবিবার (১৫ মার্চ) বোনাসের টাকা পেতে পারেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এরপর তা আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে ইলেকটনিকস ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ছাড় হলেই শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঈদ বোনাস বা উৎসবভাতার টাকা চলে যাবে। সে ক্ষেত্রে আগামী রবিবার (১৫ মার্চ) শিক্ষকরা বোনাসের টাকা পেতে পারেন।

    এবার মোট তিন লাখ ৮৯ হাজার ৭৯৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ঈদ বোনাস বাবদ ৪৫৩ কোটি ২২ লাখ ৭ হাজার ৪২৬ টাকা ছাড় করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র।

    মাউশি পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী জানান, শিক্ষকদের ঈদ বোনাস সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে আমরা সেটি আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে পাঠিয়েছি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড় করতে হবে। এটা করতে এক কর্মদিবস লাগতে পারে।

    বৃহস্পতিবার না পেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা রবিবার থেকে ঈদ বোনাস পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতি প্রায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে জ্বালানির সংকট। এ ছাড়া সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

    ফলে অর্থসংকটে রয়েছে সরকার। এ জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছে সরকার। জানা গেছে, এ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে।

    অবশ্য সেই প্রস্তাব রিভিউ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এর পরে রয়েছে বাজেট অধিবেশন। ইতিমধ্যে সংসদের কার্যপ্রণালী প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছে।

    অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন তাই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন এই বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

    তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, এ জন্য কিছুটা সময় নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এদিকে গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফ ও পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।

    যদিও শিডিউলে দেওয়া তথ্য বলছে, তিনি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান হিসেবে। তবে বৈঠকে পে কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    এদিকে, নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। আমাদের দেখতে হবে মোট অ্যামাউন্ট কত। এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি দক্ষিণ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। সেটা আমরা পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখব।’

    সূত্র জানান, আসছে নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এ প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে সেটা কতখানি সম্ভব হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কেননা সরকারের মধ্যে অর্থসংকট আরো বেড়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসংকট। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে। তবে পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবিদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক এমন পরিস্থিতি তৈরিও করতে চায় না সরকার। ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত পে স্কেল রিভিউও করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে আর্থিক সংকট আরো বেড়েছে। এ যুদ্ধ কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। যুদ্ধ যতটা দীর্ঘায়িত হবে সংকট ততই বাড়বে। এমনিতেই অর্থবছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

    জানা গেছে, রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক সংকট আমলে নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর জন্য একটি কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু আর্থিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের আগে তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি ড. ইউনূস সরকার। তবে পে কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সে অনুযায়ী একটি বেতনকাঠামোর সুপারিশমালা বর্তমান সরকারের কাছে রয়েছে। যেটি রিভিউ করার ঘোষণা দিলেও এখনো শুরু করা হয়নি। তবে বাজেট প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে সেটি রিভিউ করা হতে পারে।

    অবশ্য তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছিলেন, ‘কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সেটা বাস্তবসম্মত। আমরা এটা বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের হাতে দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি সরকার সেটা বিবেচনা করবে। এ ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল সময়োপযোগী একটি বেতনকাঠামো ঘোষণা করা।’

    এদিকে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পে স্কেল নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে যেহেতু সামনে অধিবেশন রয়েছে, তাই সেটা সংসদে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।

    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্য নিয়ে বেতন কমিশন গঠিত হয়। সাবেক অর্থ সচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

    সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন