Blog

  • নতুন পে-স্কেলে বেসিকের হাফ বেতনে কোন গ্রেডে কত টাকা বাড়ছে

    নতুন পে-স্কেলে বেসিকের হাফ বেতনে কোন গ্রেডে কত টাকা বাড়ছে

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১ জুলাই থেকে। এ লক্ষ্যে আসন্ন বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনের অর্থাৎ বেসিকের ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে বেসিকের শতভাগ বেতন বাড়তে পারে—এমন গুঞ্জনও রয়েছে প্রশাসনে।

    নবম পে-স্কেল নিয়ে গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বর্তমানে ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা। এটি ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি হলে বেতন দাঁড়াবে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। ২য় গ্রেডের ৬৬ হাজার থেকে ৭৬ হাজার ৪৯০ টাকা বেড়ে হবে ৯৯ হাজার থেকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৫ টাকা। ৩য় গ্রেডের ৫৬ হাজার ৫০০ থেকে ৭৪ হাজার ৪০০ টাকা বেড়ে হবে ৮৪ হাজার ৭৫০ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার ৬০০ টাকা।

     

    ৪র্থ গ্রেডের বেতন ৫০ হাজার থেকে ৭১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৮০০ টাকা। ৫ম গ্রেডের ৪৩ হাজার থেকে ৬৯ হাজার ৮৫০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ৬৪ হাজার ৫০০ থেকে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৭৫ টাকা। ৬ষ্ঠ গ্রেডের ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬৭ হাজার ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৫৩ হাজার ২৫০ থেকে ১ লাখ ৫১৫ টাকা।

     

    ৭ম গ্রেডের ২৯ হাজার থেকে ৬৩ হাজার ৪১০ টাকা বেড়ে হবে ৪৩ হাজার ৫০০ থেকে ৯৫ হাজার ১১৫ টাকা। ৮ম গ্রেডের ২৩ হাজার থেকে ৫৫ হাজার ৪৭০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ৩৪ হাজার ৫০০ থেকে ৮৩ হাজার ২০৫ টাকা। ৯ম গ্রেডের ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা বেড়ে হবে ৩৩ হাজার থেকে ৭৯ হাজার ৫৯০ টাকা। ১০ম গ্রেডের ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ২৪ হাজার থেকে ৫৭ হাজার ৯৬০ টাকা।

     

    ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে বর্তমান মূল বেতনের ওপর ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলে ১১তম গ্রেডের বেতন ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ১৮ হাজার ৭৫০ থেকে ৪৫ হাজার ৩৪৫ টাকা। ১২তম গ্রেডের ১১ হাজার ৩০০ থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ১৬ হাজার ৯৫০ থেকে ৪০ হাজার ৯৫০ টাকা।

     

    ১৩তম গ্রেডের ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৬ হাজার ৫০০ থেকে ৩৯ হাজার ৮৮৫ টাকা। ১৪তম গ্রেডের ১০ হাজার ২০০ থেকে ২৪ হাজার ৬৮০ টাকা বেড়ে হবে ১৫ হাজার ৩০০ থেকে ৩৭ হাজার ২০ টাকা। ১৫তম গ্রেডের ৯ হাজার ৭০০ থেকে ২৩ হাজার ৪৯০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১৪ হাজার ৫৫০ থেকে ৩৫ হাজার ২৩৫ টাকা।

     

    ১৬তম গ্রেডের ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা বেড়ে হবে ১৩ হাজার ৯৫০ থেকে ৩৩ হাজার ৭৩৫ টাকা। ১৭তম গ্রেডের ৯ হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩২ হাজার ৭০০ টাকা। ১৮তম গ্রেডের ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার ৩১০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ১৩ হাজার ২০০ থেকে ৩১ হাজার ৯৬৫ টাকা।

     

    এছাড়া ১৯তম গ্রেডের ৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার ৫৭০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১২ হাজার ৭৫০ থেকে ৩০ হাজার ৮৫৫ টাকা। ২০তম গ্রেডের ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ১২ হাজার ৩৭৫ থেকে ৩০ হাজার ১৫ টাকা।

     

     

    এদিকে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন শতভাগ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে বলে প্রশাসনে জোর আলোচনা চলছে। এই গ্রেডে বেসিক শতভাগ বৃদ্ধি পেলে ১১তম গ্রেডের ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা বেড়ে হবে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৪৬০ টাকা। ১২তম গ্রেডের ১১ হাজার ৩০০ থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টাকা বেড়ে হবে ২২ হাজার ৬০০ থেকে ৫৪ হাজার ৬০০ টাকা।

     

    ১৩তম গ্রেডের ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ১৮০ টাকা। ১৪তম গ্রেডের ১০ হাজার ২০০ থেকে ২৪ হাজার ৬৮০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ২০ হাজার ৪০০ থেকে ৪৯ হাজার ৩৬০ টাকা। ১৫তম গ্রেডের ৯ হাজার ৭০০ থেকে ২৩ হাজার ৪৯০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৯ হাজার ৪০০ থেকে ৪৬ হাজার ৯৮০ টাকা।

     

    ১৬তম গ্রেডের ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা বেড়ে হবে ১৮ হাজার ৬০০ থেকে ৪৪ হাজার ৯৮০ টাকা। ১৭তম গ্রেডের ৯ হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১৮ হাজার থেকে ৪৩ হাজার ৬০০ টাকা। ১৮তম গ্রেডের ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার ৩১০ টাকা বেড়ে হবে ১৭ হাজার ৬০০ থেকে ৪২ হাজার ৬২০ টাকা।

     

    এছাড়া ১৯তম গ্রেডের ৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার ৫৭০ টাকা দ্বিগুণ হয়ে হবে ১৭ হাজার থেকে ৪১ হাজার ১৪০ টাকা। ২০তম গ্রেডের ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৬ হাজার ৫০০ থেকে ৪০ হাজার ২০ টাকা।

  • রামিসা হ’ত্যাকা’ণ্ড: স্বামীকে পা’লাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না!

    রামিসা হ’ত্যাকা’ণ্ড: স্বামীকে পা’লাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না!

    রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাটকীয় মোড় উন্মোচন করেছে পুলিশ।

    পুলিশের অভিযোগ, মূল ঘাতক স্বামীকে পালিয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত সময় দিতেই ভেতর থেকে ফ্ল্যাটের দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না। স্বামী জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল তিনি দরজা খোলেন।
     

    মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

    নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত মো. জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, রিকশা মেকানিক জাকিরের বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। সে একজন বিকৃত যৌনরুচি সম্পন্ন মানুষ।
     

    তদন্তে জানা গেছে, নিহত রামিসার পরিবার ওই ভবনে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বসবাস করলেও অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে উল্টো দিকের ফ্ল্যাটে ভাড়া আসেন। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে তার মা ওই ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রামিসার স্যান্ডেল দেখতে পান।

    সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, রামিসার মা যখন দরজায় নক করছিলেন, তখন ভেতর থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হচ্ছিল। মূল আসামি জাকির যেন পালাতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতেই স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন। জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পর স্বপ্না দরজা খোলেন। সে নিজে এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

    পুলিশের ধারণা, প্রতিবেশীর বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল শিশুটি। নির্যাতন বা রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত গোপন ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা ও হাত কেটে ফেলা হয়েছিল। তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল রিপোর্টের পর পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।
     

    ঘটনার পর পুলিশ স্বপ্নাকে ফ্ল্যাট থেকেই আটক করে। তবে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় জাকির। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ জানতে পারে, জাকির নারায়ণগঞ্জের একটি দোকানে তার বন্ধুর মাধ্যমে পাঠানো টাকা তুলতে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ ও দোকানদারের সহায়তায় ডিএমপির টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে বিকাশের দোকান থেকেই মূল ঘাতক জাকিরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    এর আগে আজ সকালে পল্লবীর ওই ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

  • সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে যেসব জেলায়, সতর্ক সংকেত

    সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে যেসব জেলায়, সতর্ক সংকেত

    দেশের কয়েকটি জেলায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে এসব জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।

    বুধবার (২০ মে) সকাল ৯টায় অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেয়া আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানা যায়।

    সতর্কবার্তায় বল হয়, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। একইসাথে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এ পরিস্থিতিতে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

     

    এদিকে মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এ ছাড়া ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

  • দুপুর ১টার মধ্যে যেসব জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

    দুপুর ১টার মধ্যে যেসব জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

    দেশের কয়েকটি জেলায় দুপুর ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে এসব জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।

    বুধবার (২০ মে) সকাল ৭টা ১০ মিনিটে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেয়া আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানা যায়।

    সতর্কবার্তায় বল হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। একইসাথে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এ পরিস্থিতিতে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। 

     

    এদিকে মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এ ছাড়া ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

  • বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা

    বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা

    ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তার ক্যারিয়ারের সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন। আর তার লক্ষ্য একটাই—শেষবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি জয়। বর্তমানে ৪১ বছর বয়সি এই পর্তুগিজ মহাতারকা ফুটবলের ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হলেও, বিশ্বকাপ শিরোপা এখনো তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা হিসেবে রয়ে গেছে।

    ২০০৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছানোই এখন পর্যন্ত তার সর্বোচ্চ সাফল্য। এরপর আর কখনো কোয়ার্টার ফাইনালের গণ্ডি পেরোতে পারেননি তিনি। নকআউট পর্বে তার গোলসংখ্যাও মাত্র একটি, যা এই প্রতিযোগিতায় তাঁর সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে।

    রবার্তো মার্টিনেজ মঙ্গলবার (১৯ মে) ২৭ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন, যেখানে একটি অতিরিক্ত গোলরক্ষক রাখা হয়েছে। দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই ফিট অবস্থায় আছেন, যদিও মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতিতে রাফায়েল লেও, দিয়োগো কস্তা এবং রোনালদো সামান্য ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন।

    রোনালদোর পাশাপাশি ব্রুনো ফার্নান্দেসকে এবার দলের মূল তারকা হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের ভিতিনহা ও জোয়াও নেভেসের মধ্যমাঠ এবং নুনো মেন্ডেসের ফর্ম পর্তুগালের শক্তির প্রধান ভরকেন্দ্র।

    জোয়াও ফেলিক্স ও রাফায়েল লেওর পারফরম্যান্সও নজরে থাকবে, যারা এখনও তরুণ হলেও ধারাবাহিকতা খুঁজছেন। শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে পর্তুগাল এবার শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই মাঠে নামছে।

    পর্তুগালের বিশ্বকাপ দল

    গোলরক্ষক 
    দিয়োগো কস্তা, জোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্ডো ভেলো

    ডিফেন্ডার 
    টোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো ডালোট, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা

    মিডফিল্ডার
    সামু কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বের্নার্দো সিলভা, ভিতিনহা

    ফরোয়ার্ড
    ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেতো, গনসালো রামোস, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও ফ্রান্সিসকো ট্রিনকাও।  

  • চুল পড়া বন্ধের উপায়গুলো কী?

    চুল পড়া বন্ধের উপায়গুলো কী?

    চুল পড়া বর্তমানে নারী-পুরুষ উভয়েরই একটি সাধারণ সমস্যা। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে চুল পড়া অনেকটাই কমানো সম্ভব।

    দেখে নিন চুল পড়া বন্ধ করার উপায়-

     

    ১. পুষ্টিকর খাবার খান: চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক ও ভিটামিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যতালিকায় রাখুন— ডিম, মাছ, দুধ ও দই, পালং শাক, বাদাম, ফলমূল।

     

    ২. পর্যাপ্ত পানি পান করুন: শরীরে পানির ঘাটতি হলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করলে চুলের গোড়া শক্ত থাকে।

     

    ৩. নিয়মিত মাথার ত্বকে তেল ম্যাসাজ করুন: নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েল হালকা গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং চুল পড়া কমে।

     

     

    ৪. অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না: প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে মাথার প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়। সপ্তাহে ২–৩ দিন মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করাই ভালো।

     

    ৫. ভেজা চুলে চিরুনি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন: ভেজা অবস্থায় চুলের গোড়া নরম থাকে। তখন চিরুনি করলে সহজেই চুল উঠে যেতে পারে।

     

    ৬. মানসিক চাপ কমান: অতিরিক্ত স্ট্রেস চুল পড়ার বড় কারণ। পর্যাপ্ত ঘুম, ব্যায়াম ও মেডিটেশন উপকার করতে পারে।

     

    ৭. হিট ও কেমিক্যাল কম ব্যবহার করুন: বারবার হেয়ার কালার, স্ট্রেইটনার বা ব্লো ড্রায়ার ব্যবহার করলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

     

     

    ঘরোয়া কিছু উপায়-

    ১. পেঁয়াজের রস মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন

    ২. অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন

    ৩. মেথি ভিজিয়ে পেস্ট করে লাগালে উপকার মিলতে পারে

  • বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণায় ভিন্ন পরিকল্পনা আর্জেন্টিনার কোচ স্ক্যালোনির

    বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণায় ভিন্ন পরিকল্পনা আর্জেন্টিনার কোচ স্ক্যালোনির

    ফুটবল বিশ্বকাপের আসর যত ঘনিয়ে আসছে, একে একে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন কোচরা। সোমবার (১৮ মে) মাঝরাতে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সকক জল্পনা-কল্পনাকে পাশ কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন নেইমার জুনিয়র। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল স্কোয়াড ঘোষণা করলেও অপেক্ষায় রেখেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

    জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি সপ্তাহখানেক আগেই প্রাথমিক স্কোয়াড সাজিয়ে জমা দিয়েছেন  আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে। সেই দল থেকেই বাছাই করা হবে চূড়ান্ত দল। প্রাথমিক দলে আছেন ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্ক্যালোনি এখন চূড়ান্ত মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আর তার মাথায় রয়েছে বিশেষ একটি পরিকল্পনা।

    আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াসি স্পোর্টস জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ২৬জন খেলোয়াড়কে চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখার অনুমোদন থাকলেও স্ক্যালোনি এবার তার চেয়ে বেশি খেলোয়াড়কে প্রাথমিকভাবে ডাকতে চান। মে মাসের শেষ সপ্তাহে এজেইজায় দলের একটি অংশের অনুশীলন শুরু হবে, এরপর দলটি যুক্তরাষ্ট্রে ট্রেনিং ক্যাম্পে যাবে। চূড়ান্ত স্কোয়াড জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ মে।

    স্ক্যালোনির পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য ইনজুরি সমস্যা মোকাবিলা করা, যা তিনি আগের বিশ্বকাপে ভোগ করেছিলেন। কাতার বিশ্বকাপের আগে শেষ মুহূর্তে নিকোলাস গঞ্জালেস এবং হোয়াকুইন কোরেয়া চোটের কারণে স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছিলেন। তখন ছুটিতে থাকা অ্যানহেল কোরেয়া ও থিয়াগো আলমাদাকে জরুরিভাবে দোহায় উড়ে যেতে হয়েছিল।

     

    এই পরিকল্পনার কারণে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে কয়েকটি চমকও দেখা যেতে পারে। স্কালোনি বিশেষ করে কয়েকজন উইঙ্গারকে বিবেচনায় রেখেছেন। সম্ভাব্য দুই বিকল্প হলে এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া এবং মাতিয়াস সুলে, যারা ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় রয়েছেন।

    অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ইউরোপা লিগের ফাইনালিস্ট বুয়েন্দিয়াকে সর্বশেষ আর্জেন্টিনা দলে ডাকা হয়েছিল ২০২৫ সালের নভেম্বরে অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে। অন্যদিকে এএস রোমার ফরোয়ার্ড সুলের এখনো আলবিসেলেস্তেদের আকাশী-সাদা জার্সিতে অভিষেক হয়নি, যদিও তাকে কয়েকবার স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল।

    ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। প্রথম ম্যাচে তারা ৬ জুন টেক্সাসের কাইল ফিল্ডে হন্ডুরাসের মুখোমুখি হবে। এরপর ৯ জুন আলাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আইসল্যান্ড।

     

    ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন, যেখানে গ্রুপ ‘এ’-তে সহ-স্বাগতিক মেক্সিকো ঐতিহাসিক এস্তাদিও অ্যাজতেকায় দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

    শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনা রয়েছে গ্রুপ ‘জে’-তে, যেখানে তাদের সঙ্গী আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া এবং জর্ডান। আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ ১৬ জুন, কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে।
     

  • সন্ধ্যার মধ্যে ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা

    সন্ধ্যার মধ্যে ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা

    ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।  

     

    বার্তায় বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, বরিশাল, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

     

     

    এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • নেইমারকে নিয়েই হেক্সা মিশনে ব্রাজিল, বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা

    নেইমারকে নিয়েই হেক্সা মিশনে ব্রাজিল, বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা

    হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করলো ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন। রিও ডি জেনিরোওর দ্য মিউজিয়াম অব টুমোরোতে প্রকাশ করা হয় ২৬ জনের তালিকা। অনিশ্চয়তা থাকলেও রাখা হয়েছে নেইমার জুনিয়রকে। তবে আগের করা ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন থিয়াগো সিলভা, হোয়াও পেদ্রোদের মতো বড় নাম।

    বাংলাদেশ সময় সোমবার (১৮ মে) দিবাগত রাতে রিও ডে জেনিরোওর মিউজে ডো আমানিয়াহয় হুলস্থুল কাণ্ড। স্রেফ স্কোয়াড ঘোষণার আয়োজনে নাচ-গান আর সাজ সাজ রব। সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে কার্লো অ্যানচেলত্তি। ইতালিয়ানের গাড়ি বহর ঢোকার চিত্র দেখলে মনে হবে অস্কার কিংবা গ্রামির কোনো অনুষ্ঠান।

     

    এতসব আয়োজনে দল ঘোষণায় বিলম্ব হলো বেশ। অবশ্য তাতেও কারো আক্ষেপ নেই। ভেন্যুতে প্রায় ১ হাজার দর্শক। বিশ্ব ফুটবলের বড় নাম ছাড়াও ১৩ দেশ থেকে প্রায় ৬০০ গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন। ভার্চুয়ালি সংখ্যাটা আরও বড়, সিবিএফের সরাসরি সম্প্রচারে যুক্ত ছিল ৫ লাখের বেশি মানুষ।

     

    ব্রাজিলের দল নিয়ে মানুষের আগ্রহ বোঝাতে এই সংখ্যাই যথেষ্ট। অ্যানচেলত্তি ঢুকলেন, বুকে জড়িয়ে গোপন তালিকা। ২৬ জনের নাম। যারা এবার গায়ে জড়াবেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি জার্সি।

     

     

    নির্ধারিত সময়ের ঘণ্টা দুয়েক পরে মঞ্চে আসেন ব্রাজিল বস। সময় নেননি খুব বেশি। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড বলতে গিয়ে কিছুটা আবেগতাড়িতও হন। গোলপোস্টের নিচে যথারীতি অ্যালিসন। বিকল্প হিসেবে এডারসন আর গ্রেমিওর ওয়েবেরটন। রক্ষণের নেতৃত্বে অভিজ্ঞ মারকুইনহোস। তার সঙ্গে আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েলের মতো বড় নাম। আছেন দানিলো, অ্যালেক্স সান্দ্রো কিংবা লিও পেরেইরা।

     

    ৫ মিডফিল্ডার আছে ২৬ জনের তালিকায়। ক্যাসেমিরোর সঙ্গী ব্রুনো গিমারেজ, ফ্যাবিনহো আর লুকাস পাকেয়াতা। ডিফেন্সিভ অ্যাবিলিটিকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন কার্লো। আরাধ্যের প্রশ্নের উত্তর মেলে শেষ দিকে। রাখা হয়েছে নেইমার জুনিয়রকে। ঐ নাম ঘোষণার সঙ্গেই করতালিতে ফেটে পড়ে গোটা হল রুম। তার সঙ্গে ভিনি-রাফিনিয়া। এন্ড্রিক-মার্তিনেল্লির পাশাপাশি বোর্নমাউথের রায়ান বড় চমক।

     

    জাতীয় ফুটবল দলের হেডকোয়ার্টার গ্রাঞ্জা কোমারিতে ২৭ তারিখে রিপোর্টিং স্কোয়াড সদস্যদের। শুধুমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে থাকা ফুটবলারদের জন্য তারিখটা ৩০শে মে।

  • পাকিস্তানকে পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়েও তাইজুলের ‘আক্ষেপ’

    পাকিস্তানকে পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়েও তাইজুলের ‘আক্ষেপ’

    সিলেট টেস্টে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে এতো রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই। অর্থাৎ, জিততে হলে বিশ্বরেকর্ড গড়তে হবে শান মাসুদের দলকে। এমন লক্ষ্য দেয়ার পরেও কিছু রান কম করার আক্ষেপ জানিয়েছেন বাংলাদেশি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

    সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি ২০০৩ সালে গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এমন এক অবিশ্বাস্য সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে বোলিং দলের পুরোপুরি নির্ভার থাকার কথা থাকলেও, বাংলাদেশ শিবির কিন্তু মোটেও গা ভাসাচ্ছে না।

    তৃতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে দলের অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম উইকেটের আচরণ এবং দলের ব্যাটিং নিয়ে কথা বলেন। লিড পাহাড়সম হলেও ব্যাটিংয়ের উপযোগী উইকেটের কারণে আরও কিছু রান তোলার আক্ষেপ ঝরেছে তার কণ্ঠে।

    তাইজুল বলেন, ‘আমাদের লিডটা আরও একটু লম্বা করতে পারলে হয়তো দলের জন্য ভালো হতো। কারণ, উইকেট এখনো (ব্যাটিংয়ের জন্য) ভালো আছে। আমরা যদি দ্বিতীয় ইনিংসে আরও কিছু ভালো জুটি গড়তে পারতাম, তবে লক্ষ্যটা আরও বড় করা যেতো।’

    বাংলাদেশের লিড ৪০০ পার করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের। দ্বিতীয় ইনিংসে অনবদ্য এক সেঞ্চুরি করে ১৩৭ রানে যখন তিনি শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন, তখন তার চোখে-মুখে ছিল চরম হতাশা। এমনকি বাউন্ডারি লাইন পার করার সময় রাগে-ক্ষোভে হেলমেট ছুড়ে মারতেও দেখা যায় তাকে। টিভি ক্যামেরায় সেটি দেখাও যায়। দলের রান আরও বাড়াতে না পারার সেই আক্ষেপের বিষয়টি তাইজুলের কথাতেও স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।

    মুশফিকের হতাশা ও দলীয় রান প্রসঙ্গে তাইজুল বলেন, ‘আমরা যদি স্কোরবোর্ডে আরও ২০, ৩০ বা ৪০ রান যোগ করতে পারতাম, তাহলে বোলারদের জন্য কাজটা আরও সহজ হতো। তবে এটা নিয়ে খুব বেশি হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ ক্রিকেটে সব সময় শতভাগ মনের মতো বা চাওয়া মতো সবকিছু হবে না।’

    মুশফিকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ৭৭ রানের এক জুটি গড়ার পথে নিজে ২২ রান করেন তাইজুল। দলের স্কোরবোর্ডে কিছু রান কম হয়েছে বলে মনে করায় স্বাভাবিকভাবেই এখন মূল চ্যালেঞ্জটা নিতে হবে বোলাদের।

    চতুর্থ ইনিংসে উইকেট এখনো ব্যাটারদের পক্ষে থাকলেও এত বড় রানের মনস্তাত্ত্বিক চাপ পাকিস্তানের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্বাস তাইজুলের। তবে জয়ের জন্য বোলারদের লাইন-লেন্থ ধরে রেখে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করার ওপরই জোর দিচ্ছেন তিনি।

    তাইজুল বলেন, ‘এটা ম্যাচের চতুর্থ ইনিংস। উইকেট এখনো যথেষ্ট ভালো আচরণ করছে। কিন্তু দিন শেষে আমাদের লক্ষ্যটা কত, পাকিস্তানের ব্যাটারদের সেটাও দেখতে হবে। তারা যখন ৪৩৬ রানের এই বিশাল সংখ্যাটা দেখবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তাদের মাথায় অনেক মনস্তাত্ত্বিক চাপ কাজ করতে পারে। উইকেট যেমনই থাকুক, আমাদের মূল কাজ হলো শতভাগ শৃঙ্খলা মেনে লাইন-লেন্থ বজায় রেখে বোলিং করে যাওয়া।’