Blog

  • পু’রুষের যে ৫ শখ আ’ক’র্ষণ করে না’রীদের

    পু’রুষের যে ৫ শখ আ’ক’র্ষণ করে না’রীদের

    নারীদের কাছে পুরুষের কোন শখ সবচেয়ে আকর্ষণীয়? নতুন এক সমীক্ষা বলছে, উত্তরটি হতে পারে বেশ সহজ। দামি গ্যাজেট বা রাতভর অনলাইন বিনোদনের চেয়ে হাতে একটি বই থাকাই পুরুষের প্রতি নারীদের আগ্রহ বাড়াতে বেশি কার্যকর। 
     
    ‘ডেট সাইকোলজি’র একটি সমীক্ষায় ৭৪ ধরনের শখ ও অভ্যাস নিয়ে নারীদের মতামত নেওয়া হয়। এতে দেখা যায়, বই পড়ার অভ্যাস রয়েছে এমন পুরুষদের প্রতি নারীদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। অংশগ্রহণকারী নারীদের ৯৮ দশমিক ২ শতাংশই জানিয়েছেন, কোনো পুরুষকে বই পড়তে দেখলে তাদের কাছে তা ইতিবাচক ও আকর্ষণীয় মনে হয়।

    যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় শীর্ষে থাকা শখগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই সৃজনশীলতা, দক্ষতা অর্জন কিংবা আত্মোন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
     
    নারীদের পছন্দের শীর্ষ পাঁচ শখ—

    ১. বই পড়া (প্রায় ৯৮.২ শতাংশ)
    ২. বিদেশি ভাষা শেখা
    ৩. বাদ্যযন্ত্র বাজানো
    ৪. রান্না করা
    ৫. কাঠের কাজ বা উডওয়ার্কিং

    এ ছাড়া চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, ফটোগ্রাফি, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হাইকিং, ব্ল্যাকস্মিথিং ও তিরন্দাজির মতো শখও তুলনামূলকভাবে বেশি পছন্দ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

    সমীক্ষার ফলাফল থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নতুন কিছু শেখা, সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকা কিংবা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার মতো অভ্যাস পুরুষদের প্রতি নারীদের ইতিবাচক ধারণা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

    যে অভ্যাসগুলো সবচেয়ে কম আকর্ষণীয়

    সমীক্ষার বিপরীত প্রান্তে রয়েছে কিছু অভ্যাস, যেগুলো নারীদের কাছে তুলনামূলকভাবে বেশি অপছন্দনীয়। এর মধ্যে রয়েছে নারীবিদ্বেষী অনলাইন সংস্কৃতি বা ‘ম্যানোস্ফিয়ার’ এর সঙ্গে যুক্ত থাকা, পর্নোগ্রাফি দেখা, জুয়া খেলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্টে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়ানো।

    ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, কসপ্লে ও কমিক বই সংগ্রহের মতো শখও অধিকাংশ অংশগ্রহণকারীর কাছে খুব একটা আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়নি। ফাঙ্কো পপ ফিগার সংগ্রহ, অতিরিক্ত মদ্যপান ও নিয়মিত নাইটক্লাবকেন্দ্রিক জীবনযাপনও তালিকার নিচের দিকে রয়েছে।

    ডেটিং কোচ কোর্টনি রায়ানের মতে, মদ্যপান বা নাইটক্লাবিংকে জীবনের প্রধান বিনোদন হিসেবে নেওয়াকে অনেক নারী অপরিণত আচরণ হিসেবে দেখেন।

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য কৃত্রিমভাবে কোনো শখ তৈরি করার চেয়ে নিজের পছন্দের কাজে সত্যিকারের আগ্রহ থাকাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দীর্ঘমেয়াদে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও নিজস্ব আগ্রহই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব ফেলে।

    তবে এই ফলাফলকে ব্যক্তিগত পছন্দের চূড়ান্ত মাপকাঠি না ধরে, সমীক্ষাটির পদ্ধতি ও নমুনার সীমাবদ্ধতা যাচাই করলেই এর দাবির নির্ভরযোগ্যতা স্পষ্ট হবে।

    সূত্র: ডেইলি মেইল রিপোর্ট

  • দু’ধের চেয়েও বেশি ক্যা’লশি’য়াম থাকে যে শ’স্যে

    দু’ধের চেয়েও বেশি ক্যা’লশি’য়াম থাকে যে শ’স্যে

    সন্তান কিছুতেই খেতে চায় না—অধিকাংশ মায়েদের মুখেই এই অভিযোগ শোনা যায়। বিশেষ করে শিশুকে দুধ বা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো যেন এক বিরাট যুদ্ধ। কার্টুন দেখিয়ে, গল্প শুনিয়ে বা খেলনা দিয়ে কোনোমতে মুখে ভাত তুলেও দুধের বেলায় চরম অনীহা দেখায় শিশুরা। অথচ শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য দুধ অত্যন্ত জরুরি হওয়ায় চিন্তায় পড়েন বাবা-মায়েরা। কারণ, দুধ না খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হতে পারে।

    তবে পুষ্টিবিদদের মতে, দুধের বিকল্প হিসেবে দারুণ এক উপাদান হলো ‘রাগি’, যাতে দুধের থেকেও বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে।

    যাদের ল্যাকটোজের সমস্যা রয়েছে বা যারা দুধ খেতেই চায় না, তাদের জন্য রাগি হতে পারে উপযুক্ত সমাধান। ল্যাকটোজ়ে অ্যালার্জি না থাকলেও শিশুদের হাড় ও দাঁত মজবুত করতে নিয়মিত রাগি খাওয়ানো যেতে পারে। শিশুদের মুখরোচক ও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে রাগি দিয়ে তৈরি করতে পারেন ঝটপট ৩টি দারুণ স্ন্যাক্‌স:

    ১. রাগি বিস্কুট
    তৈরির পদ্ধতি: প্রথমে ঘিয়ের সঙ্গে গুড়, রাগির আটা, ওটসের গুঁড়ো, এলাচগুঁড়ো, বেকিং সোডা এবং সামান্য দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি নরম আঠালো মণ্ড বানিয়ে নিন।

    বেকিং: এবার মিশ্রণটি থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে কুকির আকার দিয়ে অভেনের বেকিং ট্রে-তে সাজিয়ে রাখুন। ১৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে মিনিট দশেক বেক করে নিলেই মচমচে রাগি বিস্কুট তৈরি।

    ২. রাগি চিপ্‌স
    মশলা তৈরি: ধনেগুঁড়ো, আমচুর, চাটমশলা, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ও বিটনুন একসঙ্গে মিশিয়ে একটি চটপটা মশলা বানিয়ে নিন।

    ডো ও ভাজার প্রক্রিয়া: রাগির আটা, চালের গুঁড়ো ও গমের আটার সঙ্গে সামান্য নুন ও ভাজা তিল মিশিয়ে জল দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। এবার মণ্ডটি থেকে লেচি কেটে রুটির মতো পাতলা করে বেলে নিন। পছন্দের আকারে কেটে কাঁটা চামচ দিয়ে উপরে ছোট ছোট ফুটো করে দিন। এয়ার ফ্রায়ারে অল্প তেল ব্রাশ করে কিংবা ডুবো তেলে ভেজে মুচমুচে করে নিন। সবশেষে ওপর থেকে বানিয়ে রাখা মশলা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

    ৩. রাগি কাটলেট
    তৈরির পদ্ধতি: সেদ্ধ আলু, গাজর কুচি, বিট কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি ও ধনেপাতা কুচির সঙ্গে রাগির আটা, সুজি এবং চালের গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে নিন।

    সেঁকে নেওয়া: এবার এর মধ্যে গোলমরিচের গুঁড়ো, চাটমশলা ও পরিমাণমতো নুন দিয়ে মেখে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট কাটলেটের আকার দিয়ে অল্প তেলে তাওয়ায় হালকা বাদামি করে সেঁকে নিন।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ‘অতীব জ’রুরি’ নি’র্দেশ’না, সব স্কুল-কলেজে চিঠি

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ‘অতীব জ’রুরি’ নি’র্দেশ’না, সব স্কুল-কলেজে চিঠি

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়নি, তাদের কমিটি গঠনে ফের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।

    এ বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অতীব জরুরি বলেও জানানো হয়েছে।

    আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ‘নিয়মিত কমিটি গঠনের লক্ষ্যে’ এ অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে। এমনকি কমিটি গঠনে ব্যর্থ হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে বিধিমতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ১৬ মার্চের পরিপত্র মোতাবেক যেসব প্রতিষ্ঠানে অদ্যাবধি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানে বর্ণিত পত্রের নির্দেশনা যথাযথ অনুসরণ করে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ‘নিয়মিত কমিটি গঠনের লক্ষ্যে’ অ্যাডহক কমিটি গঠনের জন্যে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    এতে আরো বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অ্যাডহক কমিটি গঠনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন এবং বিধিমতে ব্যবস্থার আওতায় আসবেন।

  • ভু’লেও যারা ড্রা’গন ফল খা’বেন না, জেনে নিন

    ভু’লেও যারা ড্রা’গন ফল খা’বেন না, জেনে নিন

    ড্রাগন ফলকে অনেকেই ‘সুপার ফ্রুট’ বলে থাকেন। আকর্ষণীয় রং, মিষ্টি স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে ফলটি দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় স্বাস্থ্যসচেতন অনেকেই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ড্রাগন ফল রাখছেন।

    তবে অন্য যেকোনো খাবারের মতো ড্রাগন ফলেরও কিছু উপকারিতার পাশাপাশি সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাই কারা এই ফল খাবেন, কারা সতর্ক থাকবেন এবং দৈনিক কতটুকু খাওয়া উচিত—তা জানা জরুরি।

    এ বিষয়ে দেশের একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে কথা বলেছেন রাজধানীর লাইফ কেয়ার মেডিকেল সেন্টার অ্যান্ড বিডিএন পল্লবী ডায়াবেটিস সেন্টারের পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান।

    কারা খাবেন

    পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহানের মতে, ড্রাগন ফলে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার ও আয়রন রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

    বিশেষ করে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য ফলটি উপকারী হতে পারে। এতে থাকা আয়রন শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে সহায়তা করে।

    এ ছাড়া ড্রাগন ফলে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতেও ফলটি ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবে পরিমিত ড্রাগন ফল রাখা যেতে পারে।

    কারা সতর্ক থাকবেন

    হজমের সমস্যা থাকলে খালি পেটে ড্রাগন ফল না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ। এতে কারও কারও পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

    যাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাদেরও পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। কারণ ড্রাগন ফলে অল্প পরিমাণ অক্সালেট রয়েছে, যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর তৈরির ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

    অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী নারীদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো। ব্যক্তিভেদে পেটব্যথা, বমি বমি ভাব বা অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে।

    দিনে কতটুকু খাবেন

    পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্কের জন্য দিনে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম ড্রাগন ফল যথেষ্ট। শিশুদের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫০ থেকে ৭৫ গ্রামের মধ্যে রাখা যেতে পারে।

    যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারা সরাসরি খালি পেটে না খেয়ে দই বা অন্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

    তবে কোনো নির্দিষ্ট রোগ বা শারীরিক সমস্যা থাকলে শুধু ড্রাগন ফলের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসক বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করাই নিরাপদ।

  • যাদের জন্য চি’য়া সিড বি’প’জ্জ’নক, জেনে নিন

    যাদের জন্য চি’য়া সিড বি’প’জ্জ’নক, জেনে নিন

    চিয়া সিড স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে এক অনন্য নাম। ‘সুপারফুড’ খেতাব পাওয়া এই বীজে আছে প্রচুর ভিটামিন বি-১, প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত চিয়া সিড খেলে শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে, ত্বক হয় উজ্জ্বল, চুল থাকে ঘন ও সুস্থ, এমনকি সামগ্রিকভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। এ কারণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের বহু মানুষ এখন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চিয়া সিড যোগ করছেন।

    কিন্তু যে কোনো খাবারের যেমন উপকারিতা আছে, তেমনি আছে কিছু সীমাবদ্ধতা। সবার জন্য সব খাবার সমানভাবে উপকারী নয়। তাই বিশেষ কিছু মানুষের জন্য চিয়া সিডও হতে পারে উল্টো ক্ষতির কারণ। অতিরিক্ত খেলে তা শরীরে অস্বস্তি, নানা জটিলতা কিংবা পূর্বের রোগ বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস, রক্তচাপ বা হজমজনিত সমস্যায় ভুগছেন কিংবা এলার্জি প্রবণ, তাদের চিয়া সিড খাওয়ার আগে ভালোভাবে ভেবে নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হুট করে এই বীজ খাদ্যতালিকায় যোগ করলে উপকারের বদলে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    চলুন জেনে নিই , কোন চার ধরনের মানুষের জন্য চিয়া সিড বিপজ্জনক হতে পারে—

    ১. হজমের সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা

    ৯ সংকেতে বুঝবেন আপনার টেস্টোস্টেরন হরমোন কমেছে

    চিয়া সিডে প্রচুর ফাইবার থাকায় এটি সাধারণত হজমের জন্য উপকারী। তবে যাদের আইবিএস বা দীর্ঘদিনের অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে চিয়া সিড উল্টো সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে পেট ব্যথা, ক্র্যাম্প, ডায়রিয়া ও ফোলাভাব হতে পারে। পুষ্টিবিদ আবনি কৌল বলেন, ‘হজমের সমস্যা থাকলে চিয়া সিড ভিজিয়ে পরিমাণমতো খাওয়া ভালো। এতে হজম সহজ হয়।’

    ২. ডায়াবেটিস রোগী ও রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ ওষুধে থাকা ব্যক্তি

    চিয়া সিড রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ করলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যেসব রোগী ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের সতর্ক হতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া চিয়া সিড নিয়মিত খাওয়া উচিত নয়।

    ৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক ওষুধে থাকা ব্যক্তি

    চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্ত পাতলা করতে সাহায্য করে। এতে অতিরিক্ত সেবনে রক্তচাপ নেমে যেতে পারে, যার ফলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে। তাই যারা রক্তচাপ কমানোর ওষুধে আছেন, তারা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ না করে চিয়া সিড খাওয়া শুরু করবেন না।

    ৪. অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তি

    কিছু মানুষের জন্য চিয়া সিড হতে পারে অ্যালার্জির উৎস। এতে দেখা দিতে পারে ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি, লালচে দাগ, বমি কিংবা শ্বাসকষ্ট। তাই প্রথমবার খাওয়ার আগে অল্প পরিমাণে পরীক্ষা করা উচিত। কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

    চিয়া সিড সঠিকভাবে খাওয়ার নিয়ম

    পরিমাণমতো গ্রহণ : দিনে ১-২ টেবিল চামচ পর্যাপ্ত।

    ভিজিয়ে খাওয়া : চিয়া সিড ভিজিয়ে খেলে হজম সহজ হয় এবং অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যা কমে।

    পর্যাপ্ত পানি পান করুন : চিয়া সিড অনেক পানি শোষণ করে, তাই দিনে প্রচুর পানি পান করা জরুরি।

    চিকিৎসকের পরামর্শ নিন : অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে, গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদান অবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জানান।

    তথ্যসূত্র : হেলথ শটস

  • যে ৪ ধরনের ব্য’ক্তির জন্য জাম্বুরা খা’ওয়া বি’প’জ্জন’ক

    যে ৪ ধরনের ব্য’ক্তির জন্য জাম্বুরা খা’ওয়া বি’প’জ্জন’ক

    জাম্বুরা বহুল পরিচিত মৌসুমি ফল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল সাধ্যের মধ্যেই পাওয়া যায়। গ্রাম কিংবা শহর, প্রায় সব মানুষই খেয়ে থাকেন এটি। কেউ লবণ, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন মসলা যোগ করে চাটনি বানিয়ে খান, আবার কেউ নরমালি খেয়ে থাকেন। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এই ফল।

    তবে যে কোনো খাবারের মতো জাম্বুরা ফলেরও যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। কেউ কেউ বেশি খেয়ে ফেলেন, আবার কেউ খাওয়ার পরই বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। তাই কারা খাবেন, কারা খাবেন না এবং কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত—এসব জানা জরুরি।

    এ প্রসঙ্গে দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর এএমজেড হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পুষ্টি, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক ডিজিজ কনসালটেন্ট ডা. মো. জয়নুল আবেদীন দীপু। এ ছাড়া স্বাস্থ্য ও সুস্থতাবিষয়ক চীনা তথ্য প্ল্যাটফর্ম চাইনি ইয়াংশেন-এর ইংরেজি সংস্করণ চাইনি হেলথ-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত—

    প্রতি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি জাম্বুরায় ক্যালোরি রয়েছে ২৩০ কিলোক্যালোরি, পটাশিয়াম ১৩০০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬০ গ্রাম। এ ছাড়া প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ৪১ শতাংশ, রাইবোফ্ল্যাভিন ১৩ শতাংশ, কপার ৩০ শতাংশ, থায়ামিন ১৮ শতাংশ ও ফাইবার রয়েছে ৬ শতাংশ।

    উপকারিতা

    শরীর ঠিক রাখার জন্য নানাভাবে সহায়তা করে ভিটামিন সমৃদ্ধ এই জাম্বুরা। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে কোষের ক্ষয় রোধ ও প্রদাহ কমিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    ভিটামিন রাইবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামিন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে স্নায়বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এই ফলে মিনারেলের মধ্যে বেশি পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম। আরও রয়েছে কপার, যা শরীরে মিনারেলের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে ভালো উপকার করে জাম্বুরা।

    কারা জাম্বুরা খেতে পারবেন না?

    নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা: কোলেস্টেরল কমানোর স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, অ্যাটোরভাস্ট্যাটিন) এবং উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ (যেমন নিফেডিপাইন) সেবনকারী রোগীদের জাম্বুরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ওষুধের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

    কিডনি রোগী: যাদের কিডনির সমস্যা আছে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে, তাদের জাম্বুরা না খাওয়াই ভালো।

    অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগী: অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের সমস্যা থাকলে জাম্বুরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এটি এই অবস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

    মেনোপজ পরবর্তী নারী: মেনোপজ পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

    এ ছাড়া বাকি সবাই জাম্বুরা খেতে পারবেন।

  • না’রী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যাবে যেসব রুটে

    না’রী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যাবে যেসব রুটে

    রাজধানীর সড়কে নারীদের যাতায়াত নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে পৃথক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। নারী চালক ও কন্ডাক্টর দিয়ে পরিচালিত এ ‘পিংক বাস’ সেবা মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চালু হবে।

     

    বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

    সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ‘মহিলা বাস সার্ভিস পরিচালনা’ কার্যক্রমের উদ্বোধন মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।’

    বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞা জানান, নারীদের জন্য চালু হতে যাওয়া বিশেষ এই বাস সার্ভিসে চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে নারী কর্মীরাই দায়িত্ব পালন করবেন।

    প্রাথমিকভাবে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে ১০টি বাস চলাচল করবে। একই সঙ্গে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ ঢাকার বাইরে আরো চারটি বাস এ সেবায় যুক্ত হবে।

    যেসব রুটে চলবে বাস
    আরটিসি সূত্র জানায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা সংযুক্ত করে এসব বাসের রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। মতিঝিল বাস ডিপোর অধীনে নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল এবং তালতলা-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।

    নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল রুটে কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

    তালতলা-মতিঝিল রুটে তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে বাস।

    যাত্রাবাড়ী বাস ডিপোর অধীনে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও রুটে চলবে একটি বাস। এ পথে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে জিপিও পর্যন্ত যাবে।

    কল্যাণপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-১০-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।

    এ রুটে মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

    এ ছাড়া মিরপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে বাস চলাচল করবে। মিরপুর-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

    মোহাম্মদপুর বাস ডিপোর অধীনে মোহাম্মদপুর-মতিঝিল রুটেও চলবে বিশেষ বাস। এ পথে মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে।

    জোয়ারসাহারা বাস ডিপোর অধীনে আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল রুটে চলবে বাস। এ রুটে আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে।

    গাজীপুর বাস ডিপোর অধীনে গাজীপুর-বিমানবন্দর রুটেও বিশেষ বাস চলবে। গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত চলাচল করবে বাস।

    রাজধানীর বাইরে বগুড়ায় শেরপুর-মাটিডালি রুটে দুটি এবং চট্টগ্রামে কালুরঘাট-পতেঙ্গা রুটে দুটি বাস চলবে। চট্টগ্রামের বাসগুলো কালুরঘাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, লালখান বাজার

  • ভু’লেও যারা জাম্বুরা খা’বেন না, জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    ভু’লেও যারা জাম্বুরা খা’বেন না, জেনে নিন না হয় বি’পদ!

    পুষ্টিগুণে ভরপুর জাম্বুরা ফল। সকলের সাধ্যের মধ্যেই কিনতে পাওয়া যায়। গ্রাম কিংবা শহর, প্রায় সব মানুষই খেয়ে থাকেন এটি। কেউ লবণ, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন মসলা যোগ করে মাখিয়ে খান, আবার কেউ নরমালি খেয়ে থাকেন। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এই ফল।

    যে কোনো খাবারের মতো জাম্বুরা ফলেরও যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। কেউ কেউ বেশি খেয়ে ফেলেন, আর কেউ খাওয়ার পরই বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। তাই কারা খাবেন, কারা খাবেন না এবং কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত—এসব জানা জরুরি।

    এ প্রসঙ্গে দেশের একটি গণমাধ্যমে পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর এএমজেড হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পুষ্টি, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক ডিজিজ কনসালটেন্ট ডা. মো. জয়নুল আবেদীন দীপু। এ ছাড়া স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিষয়ক চীনা তথ্য প্ল্যাটফর্ম চাইনি ইয়াংশেন-এর ইংরেজি সংস্করণ চাইনি হেলথ-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 

    জাম্বুরার পুষ্টিগুণ

    প্রতি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি জাম্বুরায় ক্যালোরি রয়েছে ২৩০ কিলোক্যালোরি, পটাশিয়াম ১৩০০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬০ গ্রাম। এছাড়া প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ৪১ শতাংশ, রাইবোফ্ল্যাভিন ১৩ শতাংশ, কপার ৩০ শতাংশ, থায়ামিন ১৮ শতাংশ ও ফাইবার রয়েছে ৬ শতাংশ।

    উপকারিতা

    শরীর ঠিক রাখার জন্য নানাভাবে সহায়তা করে ভিটামিন সমৃদ্ধ এই জাম্বুরা। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে কোষের ক্ষয় রোধ ও প্রদাহ কমিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    ভিটামিন রাইবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামিন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে স্নায়বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই ফলে মিনারেলের মধ্যে বেশি পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম। আরও রয়েছে কপার। যা শরীরে মিনারেলের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে ভালো উপকার করে জাম্বুরা।

    কারা জাম্বুরা খেতে পারবেন না?

    নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা: কোলেস্টেরল কমানোর স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, অ্যাটোরভাস্ট্যাটিন) এবং উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ (যেমন নিফেডিপাইন) সেবনকারী রোগীদের জাম্বুরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ওষুধের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

    কিডনি রোগী: যাদের কিডনির সমস্যা আছে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে, তাদের জাম্বুরা না খাওয়াই ভালো।

    অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগী: অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা থাকলে জাম্বুরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এটি এই অবস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

    মেনোপজ পরবর্তী নারী: মেনোপজ পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। এ ছাড়া বাকি সবাই জাম্বুরা খেতে পারবেন।

  • অবশেষে পে স্কে’ল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

    অবশেষে পে স্কে’ল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চলতি বছরেই নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হবে। এ বিষয়ে আরো আলোচনা প্রয়োজন।

    সরকার শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানাবে।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ে পে কমিশন নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তিনি। অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পে কমিশনের অনেকগুলো দিক আছে।

    সবগুলো বিবেচনা করছি আমরা। আজ আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকতর আলোচনার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়ে আমরা পরে আবার বসব।

    তিনি আরো বলেন, ‘এ বছরই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। তবে এটি হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সরকার কী পদ্ধতি অবলম্বন করবে, তা পে স্কেল ঘোষণার পর জানানো হবে।’

    এদিকে, এদিন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ‘১৮০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল অনেকটাই চূড়ান্তের পথে। সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধার জন্য নতুন যে পে স্কেল করা হয়েছে, সেটা অনেকটাই চূড়ান্তের পথে।

  • কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে হা’ত-পা’য়ের চা’মড়া ওঠে? জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনের অ’ভাবে হা’ত-পা’য়ের চা’মড়া ওঠে? জেনে নিন

    হাত ও পায়ের চামড়া ওঠার অন্যতম কারণ হতে পারে ভিটামিনের অভাব। সাধারণত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স (বিশেষত বি৭ – বায়োটিন, বি৩ – নাইআসিন), ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে ত্বকের শুষ্কতা, খসখসে ভাব এবং চামড়া ওঠার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    কোন ভিটামিনের অভাবে কী সমস্যা হতে পারে?

    ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব

    বায়োটিন (ভিটামিন বি৭) এর অভাবে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ও চামড়া ওঠে।
    নাইআসিন (ভিটামিন বি৩) এর অভাবে পেলাগ্রা রোগ হতে পারে, যার ফলে ত্বক লাল হয়ে ফেটে যেতে পারে।

    ভিটামিন এ এর অভাব

    শুষ্ক ত্বক, চুলকানি, এবং ত্বকের খসখসে ভাব হতে পারে।

    ভিটামিন সি এর অভাব

    স্কার্ভি রোগ হতে পারে, যার ফলে ত্বকের নমনীয়তা কমে গিয়ে চামড়া ওঠে ও ফেটে যায়।

    প্রতিকার

    পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যেমন ডিম, দুধ, মাছ, বাদাম, গাজর, কমলা, শাক-সবজি ইত্যাদি।
    পর্যাপ্ত পানি পান করা।
    প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাল্টিভিটামিন গ্রহণ করা।

    আপনার হাতে বা পায়ের চামড়া ওঠার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।