Blog

  • বিটিভির মহাপরিচালক কে এই কাজী জেসিন

    বিটিভির মহাপরিচালক কে এই কাজী জেসিন

    বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে সদ্য নিযুক্ত হয়েছেন কাজী জেসিন।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

    এতে বলা হয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০১-এর ধারা ১১(২) অনুযায়ী অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে কাজী জেসিনকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    কে এই কাজী জেসিন?

    কাজী জেসিনের জন্ম গাইবান্ধা জেলায়। শিক্ষাজীবনে কাজী জেসিন রবার্ট কেনেডি কলেজ ও ইউনিভার্সিটি অব কামব্রিয়া থেকে লিডারশিপ অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিষয়ে মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। জেসিনের লেখালেখির শুরু ১৯৯৭-এ লিটল ম্যাগে প্রবন্ধ লেখার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দেশের গণমাধ্যম, টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সাংবাদিকতায় কাজ করে আসছেন।

    পেশাগত জীবনে তিনি ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত স্বাধীন মিডিয়া প্রোডাকশন হাউস বায়োস্কোপ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে তিনি যমুনা টিভিতে দৈনিক রাজনৈতিক টকশোর উপস্থাপক ও পরিকল্পনাকারী ছিলেন। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বায়োস্কোপ প্রযোজিত ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালে একুশে টেলিভিশনের ‘একুশে সংকেত’ অনুষ্ঠানের পরিচালক ও উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কাজী জেসিন। ২০০৬ থেকে ২০০৭ সালে তিনি দৈনিক রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ‘আক্তেল প্রোটিন’-এর উপস্থাপক ও গবেষক ছিলেন। একই বছরে একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নারী অধিকারভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘পদ্মরাগ’-এর পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও উপস্থাপক হিসেবেও কাজ করেছেন।

    এর আগে ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এনটিভি বাংলাদেশে সংবাদ ও সমসাময়িক বিষয়ভিত্তিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি আত্মজীবনীমূলক অনুষ্ঠান ‘তিনি’-এর পরিচালক ও উপস্থাপক এবং অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘এক্সপ্লোসিভ’-এর পরিচালক ও উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • প্রথম শ্রেণি ও প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ভর্তি কীভাবে, জানাল মন্ত্রণালয়

    প্রথম শ্রেণি ও প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ভর্তি কীভাবে, জানাল মন্ত্রণালয়

    আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে লটারির মাধ্যমেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

    বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এদিকে, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। গত ২৭ জুলাই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত তারিখে এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ করা হবে।

  • ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক পেলেন বড় সুখবর

    ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক পেলেন বড় সুখবর

    অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থের অপেক্ষায় থাকা ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারীরা বড় সুখবর পেলেন। আটকে থাকা অর্থ বিতরণের সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাবেন ৪৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। আর অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ পাবেন ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। সব মিলিয়ে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে এ অর্থ বিতরণ করা হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবসরের অপেক্ষায় থাকা ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৪ শিক্ষক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধে প্রায় ৯ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে অবসর সুবিধা বোর্ডে জমা পড়া ৫৯ হাজার ৮২০টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে কল্যাণ ট্রাস্টে জমা হওয়া ৪৫ হাজার ৮২৪টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ২ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা।

    জানা গেছে, শিক্ষকদের অবসর সুবিধার অর্থ পরিশোধে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শুরুতে অর্থ বিভাগ ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিলেও পরে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উদ্যোগে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো হয়।

    এর আগে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে ডিও (ডেমি-অফিসিয়াল) চিঠি পাঠিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • স্কুলে ভর্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত

    স্কুলে ভর্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত

    আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অভিভাবকদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হবে পরীক্ষার মাধ্যমে, জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক।

    মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়ন করা হবে। তবে পরীক্ষার ধরন ও পদ্ধতি পরে জানানো হবে।

    একই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে গত ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি বাতিল করে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। তবে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের ব্যাপক আপত্তির মুখে সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    শিশুদের ওপর অল্প বয়সে পরীক্ষার চাপ, কোচিংনির্ভরতা বৃদ্ধি, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ভর্তিতে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের কারণে ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি চালু করা হয়। পরে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

    করোনা মহামারির সময় ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয় এবং এতদিন সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হচ্ছিল।

    প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর শিক্ষাবিদদের একটি বড় অংশ এর বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, এত কম বয়সে শিশুদের পরীক্ষার মুখোমুখি করা মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর এবং এতে সামাজিক বৈষম্য বাড়তে পারে।

    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, ভর্তি পরীক্ষা কোচিংনির্ভরতা বাড়ায় এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের শিশুরা এতে পিছিয়ে পড়ে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। এতে কোচিং বাণিজ্য বাড়বে এবং শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি হবে।

  • ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন, চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার পাবে সুবিধা

    ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন, চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার পাবে সুবিধা

    পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হওয়ার পর আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করবে সরকার। পর্যায়ক্রমে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করে প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই হবে এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    তিনি জানান, ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এরপর অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে এর কার্যক্রম চালু করা হবে।

    মন্ত্রী জানান, দেশের ৫৬টি এলাকায় পরিচালিত পাইলট প্রকল্পে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। যশোর ও নেত্রকোনার দুটি এলাকায় তথ্য সংগ্রহে কিছু সমস্যা ধরা পড়লেও তা ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি এবং সামগ্রিক ত্রুটির হার ছিল ৩ শতাংশেরও কম।

    তিনি আরও বলেন, ১৬ আগস্ট থেকে নতুন প্রশ্নমালা ও আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। এরপর প্রতি মাসে তথ্য হালনাগাদ করা হবে, যাতে মৃত্যু, আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন বা অন্য যেকোনো তথ্য দ্রুত নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

    কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা তথ্য সংগ্রহ তদারকি করবেন। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। জাতীয় পর্যায়ে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি থাকবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন।

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বা গতিশীল সামাজিক নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হবে। মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। ফলে কোনো পরিবার দারিদ্র্য থেকে উন্নীত হলে বা আবার আর্থিক সংকটে পড়লে তা নিবন্ধনে প্রতিফলিত হবে।

    তিনি বলেন, প্রকৃত সুবিধাভোগী যাতে বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যাতে তালিকাভুক্ত না হন, সে জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে। ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    মন্ত্রী আরও জানান, ধর্ম, জাতিগত পরিচয় বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে কাউকে সুবিধা দেওয়া বা বঞ্চিত করার সুযোগ থাকবে না। অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছালে তা শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি হাঁস-মুরগি পালন, গাছ লাগানো, কুটির শিল্প, সেলাই এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে বেশি ব্যবহৃত হবে। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

  • এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

    এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
     
    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। এ ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

    এ ছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে বলে জানানো হয়।

  • সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান: কী কী উপকার মিলতে পারে? জেনে নিন

    সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান: কী কী উপকার মিলতে পারে? জেনে নিন

    অনেকেই দিনের শুরু করেন বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক পানীয় দিয়ে। এর মধ্যে মেথি ভেজানো পানি বেশ জনপ্রিয়। মেথির দানায় রয়েছে খাদ্যআঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান। এসব উপাদান শরীরের জন্য কিছু সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা দিতে পারে। তবে এটি কোনো রোগের চিকিৎসার বিকল্প নয়।

    হজমে সহায়ক
    মেথিতে থাকা খাদ্যআঁশ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

    রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
    মেথিতে থাকা দ্রবণীয় আঁশ ও কিছু প্রাকৃতিক যৌগ খাবারের পর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়া কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে এটি ডায়াবেটিসের ওষুধের বিকল্প নয়। যারা ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত মেথি খাওয়া উচিত নয়।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
    মেথির আঁশ দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দিতে পারে। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

    হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে
    কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, মেথি এলডিএল (খারাপ) কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক হতে পারে। এর ফলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

    রোগ প্রতিরোধক্ষমতায় সহায়তা
    মেথিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেলের প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করতে পারে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

    ত্বক ও চুলের যত্নে
    পর্যাপ্ত গবেষণা সীমিত হলেও, মেথির পুষ্টিগুণ ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য কিছুটা উপকারী হতে পারে। তবে এ বিষয়ে আরও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োজন।

    সতর্কতা
    অতিরিক্ত মেথি খেলে পেটের অস্বস্তি, গ্যাস, ডায়রিয়া বা বমিভাব হতে পারে।

    গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    যাঁরা ডায়াবেটিসের ওষুধ বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ (যেমন ওয়ারফারিন) সেবন করেন, তাঁদের বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে বা নিয়মিত ওষুধ সেবন করলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্রতিদিন মেথি ভেজানো পানি পান শুরু করা উচিত নয়।

  • সারারাত ঘুমানোর পরও শ’রীরে ক্লা’ন্তি অনুভব হয় কেন? জানুন ৪ কারণ

    সারারাত ঘুমানোর পরও শ’রীরে ক্লা’ন্তি অনুভব হয় কেন? জানুন ৪ কারণ

    ঘুমাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু ক্লান্তি কাটছে না, এমন অবস্থার সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত। সাধারণত খুব বেশি পরিশ্রম করলে শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয় তবে বিশেষ কিছু পুষ্টি উপাদানের অভাবেও এমনটি হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপাদানগুলো সম্পর্কে।

    যেসব পুষ্টি উপাদানের অভাবে শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়

    ভিটামিন বি : কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট থেকে শক্তি বা এটিপি উৎপাদনে ভিটামিন বি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কোনো কারণে ভিটামিনটির অভাব হলে শক্তি উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে, আর তার ফলে ক্লান্তি অনুভূত করা স্বাভাবিক। শরীরে ভিটামিন বি-এর জোগান ঠিক রাখতে হবে এক কাপ টক দই খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। এছাড়াও দুধ, পনির ও বিভিন্ন রকম বাদামে ভিটামিন বি থাকে।

    প্রোটিন : পেশি সবল রাখতে ও দৈনন্দিন কাজের জন্য শক্তি জোগান দিতে প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। প্রোটিনের অভাব হলে বার বার খিদে লাগতে পারে, চিনি জাতীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে পারে। দিনের পর দিন প্রোটিনের অভাব হলে শরীরের পেশিতে জমা থাকা প্রোটিন ভাঙতে শুরু করে। ফলে দুর্বলতা অনুভূত হয়। এ সমস্যা সমাধানে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ ও সয়াবিন রাখা দরকার। ছোলা ভাজা, অঙ্কুরিত ছোলা এবং মুগডালও প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। 

    ইলেক্ট্রোলাইটস : পানি কম পান করলে, সোডিয়াম-পটাশিয়ামের অভাব হলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটসের ভারসাম্য নষ্ট হয় যার ফলেও শরীরে ক্লান্তি আসতে পারে। এছাড়া পানির অভাবে শারীরবৃত্তীয় কাজও থেমে যায়। সেজন্য নিয়মিত ডাবের পানি, রসালো ফল, তরমুজ, শসা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাওয়া দরকার। শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত কলাও খেতে পারেন।

    ম্যাগনেশিয়াম : ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হলে ঘুমের সমস্যার পাশাপাশি পেশিতে টান ধরতে পারে। ম্যাগনেশিয়াম সারারাত পেশির পুনরুজ্জীবনেও সহায়তা করে। ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে শরীরে ক্লান্তিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। মিস্টি কুমড়ার বীজ, কাঠবাদাম, কাজুবাদামে ম্যাগনেশিয়াম থাকে।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ আগস্ট ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন  ১৬ আগস্ট।

     

    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ অগাস্ট। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে ৫টা সংসদ অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

     

    এর আগে ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের নাম সংবলিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশন পাঠায় সংসদ সচিবালয়।

     

    গুরুতর অসুস্থতার কথা জানিয়ে গত ২৪ জুলাই বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। 

     

    সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর সে পর্যন্ত স্পিকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

    রাজনীতি, বাণিজ্য, খেলাধুলা, জাতীয়-আন্তর্জাতিক ব্রেকিং নিউজ, বিশ্লেষণমূলক সংবাদসহ যাবতীয় খবর পেতে চোখ রাখুন সময় নিউজে।

  • এবার ৫ দেশি মাছে মিলল মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক, বেশি কইয়ে

    এবার ৫ দেশি মাছে মিলল মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক, বেশি কইয়ে

    আড়িয়াল বিলের দেশীয় ছোট মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। পাঁচ প্রজাতির মাছের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছেন গবেষণায়।

    এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছেন কই মাছে।  মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া বাকি প্রজাতিগুলো হলো বাটা মাছ, মেনি, গুলশা টেংরা ও পুঁটি মাছ।

    গবেষকদের মতে, বর্তমানে এসব মাছ খেয়ে তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যঝুঁকির সুস্পষ্ট প্রমাণ না থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে মানবস্বাস্থ্য, জলজ বাস্তুতন্ত্র এবং খাদ্যনিরাপত্তার ওপর প্রভাব পড়বে।

    গবেষণার প্রধান গবেষক এবং বাকৃবির ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, গবেষণায় আড়িয়াল বিলের গাদীঘাট, বসুরোলা ডেঙ্গা, সাগর ডেঙ্গা, বড়াইখালী ও আলমপুর এই পাঁচটি স্থান থেকে ২০২৪ সালের বর্ষা, ২০২৪-২৫ সালের শীত এবং ২০২৫ সালের শুষ্ক মৌসুমে পানি, পলিমাটি ও মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষাধীন মাছগুলো ছিল কই, বাটা, মেনি (ভেদা/নান্দিনা), গুলশা টেংরা ও পুঁটি।
     
    গবেষণায় দেখা যায়, সর্বভূক হওয়ায় কই মাছেই সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক জমা হয়েছে। বর্ষা, শীত ও শুষ্ক এই তিন মৌসুমেই কই মাছের মাংসপেশিতে গড়ে প্রায় একটি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। অন্ত্রে গড়ে ১ দশমিক ৭০ থেকে ১ দশমিক ৯০ এবং ফুলকায় ১ দশমিক ৩০ থেকে ১ দশমিক ৪০টি কণা শনাক্ত হয়েছে।

    কইয়ের পর সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বাটা মাছে। এরপর রয়েছে মেনি ও গুলশা টেংরা। সবচেয়ে কম শনাক্ত হয়েছে পুঁটি মাছে। তৃণভোজী বাটা মাছের অন্ত্রে বর্ষা মৌসুমে গড়ে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। আর মাংসপেশিতে তিন ঋতুতেই প্রায় একই মাত্রায় (শূন্য দশমিক ৮০ থেকে শূন্য দশমিক ৯০টি) প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

    নান্দিনা বা মেনি মাছের অন্ত্রে শীত ও শুষ্ক মৌসুমে তুলনামূলক বেশি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। তবে মাংসপেশিতে এর মাত্রা ছিল শূন্য দশমিক ৬০ থেকে শূন্য দশমিক ৭০টির মধ্যে। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে গুলশা টেংরাতেও। এ মাছের অন্ত্রে শীত মৌসুমে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৩০টি কণা পাওয়া গেছে আর মাংসপেশিতে পাওয়া গেছে শূন্য দশমিক ৫০ থেকে শূন্য দশমিক ৮০টি প্লাস্টিক কণা। অন্যদিকে ছোট আকারের সর্বভুক পুঁটি মাছে সবচেয়ে কম মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। এর মাংসপেশিতে মাত্র শূন্য দশমিক ৫০ থেকে শূন্য দশমিক ৫১টি কণা পাওয়া গেছে।

    গবেষণায় প্রতি লিটার পানিতে ১১ থেকে ৩১ দশমিক ৬৭টি এবং প্রতি কেজি পলিমাটিতে ১২ দশমিক ৩৩ থেকে ১২৭ দশমিক ৩৩টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। বর্ষাকালে পানিতে দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল।

    ড. শাহজাহান বলেন, ফোরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড (এফটি-আইআর) স্পেকট্রোস্কোপি পরীক্ষায় দেখা গেছে, শনাক্ত হওয়া কণার ৩৪ থেকে ৬৩ শতাংশই ছিল মাইক্রোফাইবার। এসব কণার প্রধান উৎস হিসেবে কাপড় ধোয়ার সময় নির্গত কৃত্রিম তন্তু, গৃহস্থালির বর্জ্যপানি এবং মাছ ধরার প্লাস্টিক জাল। এ ছাড়া ভাঙা শক্ত প্লাস্টিক, পলিথিনের ফিল্ম ও ফোমজাতীয় কণাও পাওয়া গেছে। রাসায়নিক বিশ্লেষণে পলিইথিলিন (পিই), পলিপ্রোপিলিন (পিপি), পলিস্টাইরিন (পিএস), পলিভিনাইল ক্লোরাইড (পিভিসি) এবং পলিকার্বোনেট (পিসি) শনাক্ত হয়েছে, যা প্লাস্টিক ব্যাগ, মোড়ক, বোতল, প্যাকেজিং সামগ্রী ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যে বহুল ব্যবহৃত।

    প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. শাহজাহান বলেন, আতঙ্ক নয়, এখন প্রয়োজন উৎস থেকেই প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ। মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন পরিবেশের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আড়িয়াল বিলের মাছের অন্ত্রের পাশাপাশি মাংসপেশিতেও এর উপস্থিতি পাওয়া যাওয়ায় বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এসব মাছ খেয়ে সরাসরি ক্ষতির প্রমাণ নেই। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে শরীরে এ ধরনের কণা জমতে থাকলে তার প্রভাব ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে। হয়তো পাঁচ বা দশ বছরে নয়, ২৫ থেকে ৩০ বছর পর কিংবা পরবর্তী প্রজন্মেও এর প্রভাব প্রকাশ পেতে পারে।