Blog

  • বি’ষফো’ড়া কেন হয়, জেনে নিন প্রতিকার

    বি’ষফো’ড়া কেন হয়, জেনে নিন প্রতিকার

    ত্বকের অন্যতম বেদনাদায়ক এক অনুভূতির নাম ফোঁড়া বা বিষফোঁড়া। ত্বকে এক বা একাধিক ফোঁড়া দেখা দিলে সে স্থান ও এর আশপাশের জায়গায় তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। কিন্তু কেন এমন হয় জানেন?

    চিকিৎসাশাস্ত্রে ফোঁড়া দুধরনের। একটি সাধারণ ফোঁড়া অন্যটি বিষফোঁড়া বা কার্বাঙ্কল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত স্টাফালোলোকোক্কাস ব্যাকটেরিয়ায় সংক্রামিত স্থানেই ফোঁড়ার উপস্থিতি দেখা দেয়।

     

    ফোঁড়া বা বিষফোঁড়া

     

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফোঁড়া ত্বকের এক কিংবা একাধিক রোমকূপকে কেন্দ্র করেই হয়ে থাকে। ত্বকে একধরনের ব্যাকটেরিয়া (স্ট্যাফিলোকক্কাস অরিউস) জন্ম নিলে ফোঁড়ার সমস্যা তৈরি হয়।

     

    এ ব্যাকটেরিয়া ত্বকের রোমকূপের ছিদ্র দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। ত্বকের ভেতরে তৈরি করে ইনফেকশন। এতে শরীরে মৃত কোষ ও ইনফেকশন কোষ মিশে পুঁজ তৈরি হয়ে ‘সোয়েলিং’ শুরু হয়।

     

    একসময় ভেতরের সেই পুঁজ ত্বকের ওপরে উঠে আসে। আর তখনই আমরা ত্বকের ওপরে ফোঁড়ার অস্তিত্ব টের পাই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বকের ওপরে একটি ফোঁড়ার অস্তিত্ব মানেই ত্বকের ভেতরে একাধিক ফোঁড়ার অস্তিত্ব রয়েছে।

     

    ফোঁড়া কেন হয়?

     

    একটি ফোঁড়ার ছোট ছোট মুখ থাকে। সাধারণত কোমর, ঘাড়ে, পিঠে ও কনুইতে বেশি হতে দেখা যায়। তবে ঘাম বেশি হয় এমন স্থানেও ফোঁড়া বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া পরিচ্ছন্নতার অভাব এবং ফোঁড়া রয়েছে এমন ব্যক্তির সংস্পর্শে এলেও ত্বকে বাসা বাঁধতে পারে ছোট আকারের এ বিষফোঁড়া।

     

    চিকিৎসকরা বলছেন, কয়েক দিনের যন্ত্রণার পর ফোঁড়া নিজে থেকেই সেরে যেতে পারে। তবে নিজে থেকে ভালো না হলে ফোঁড়ার এ সমস্যা গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

     

    তাই ত্বকে ফোঁড়া বা কার্বাঙ্কল যা-ই হোক না কেন, সব সময়ই প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতার। প্রয়োজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শেরও। আসুন জেনে নিই, ত্বকে কখন ফোঁড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে তার কারণ।

     

     

    ফোঁড়া কাদের হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

     

    মূলত, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, ফোঁড়া তাদেরই বেশি হয়ে থাকে। আবার কোনো সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের দীর্ঘ বা জটিল রোগভোগের পর কিংবা শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলেও ফোঁড়া হওয়ার শঙ্কা থাকে।

     

    উপসর্গ

     

    ব্যাকটেরিয়া ত্বকের কোনো অংশে ইনফেকশন তৈরি করেছে বা করছে, তা আপনি ত্বকের ওপর থেকে প্রথমে বুঝতে পারবেন না। তাই খেয়াল রাখতে হবে বিশেষ একটি দিক।

     

    বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শরীরে কোনো নির্দিষ্ট অংশের ত্বকের উপরিভাগ কিছুটা শক্ত হয়ে যায় এবং জায়গাটি টিপলে ব্যথা লাগে। এমন অনুভব হলে ওই জায়গাতেই ফোঁড়া বা কার্বাঙ্কল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    করণীয়

     

    ফোঁড়ার সমস্যা বেশ কষ্টকর। এ সমস্যা টানা কয়েক দিন আপনাকে ভোগাবে। ফোঁড়ার আকার বড় হলে জ্বরও আসতে পারে। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মেনে চলুন বিশেষ কয়েকটি টিপস–

     

    ১। ফোঁড়া হওয়ার জায়গাটি খোলা রাখার চেষ্টা করুন।

    ২। ফোঁড়া হওয়ার জায়গাটি খোলা রাখতে না পারলে পাতলা এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।

    ৩। ত্বকের এক অংশ থেকে অন্য অংশে ফোঁড়া যেন ছড়িয়ে যেতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন।

    ৪। পুষ্টিকর সুষম খাদ্য ও তিতা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। বাইরের তেল চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

     

    ৫। অনেকের ফোঁড়া বা ফুসকুড়ি খোঁটাখুঁটির অভ্যেস রয়েছে। এটা একেবারেই করা যাবে না। কেননা, এতে ব্যাকটেরিয়া এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের আক্রান্ত করতে পারে।

    ৬। অনেকে জোর করে ফোড়ার পুঁজ বের করার চেষ্টা করেন। এটি করবেন না। কেননা, এতে ত্বকে গভীর ক্ষত তৈরি হতে পারে।

    ৭। ফোঁড়া দ্রুত সারিয়ে তোলার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

    ৮। ত্বকের সুস্থতায় এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

     

    বিশেষ পরিস্থিতিতে ফোঁড়া রক্তের সঙ্গে মিশে গিয়ে হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস এবং শরীরের ‘সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম’-এর ক্ষতি করতে পারে। তাই কয়েক দিনের মধ্যে যদি ফোঁড়া না সারে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

  • যে ভি’টামিনের অভাবে শি’শু ল’ম্বা হয় না, জেনে নিন উপকারে আসবে

    যে ভি’টামিনের অভাবে শি’শু ল’ম্বা হয় না, জেনে নিন উপকারে আসবে

    শিশুর বৃদ্ধি (লম্বা হওয়া) সঠিকভাবে না হওয়ার অন্যতম কারণ হলো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজের অভাব। বিশেষ করে, নিম্নলিখিত ৩টি ভিটামিন শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. ভিটামিন ডি: এটি হাড়ের বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে যায় এবং শিশুদের রিকেটস রোগ হতে পারে, যা উচ্চতা বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে। এর প্রধান উৎস হলো রোদ। তাছাড়া ডিমের কুসুম, দুগ্ধজাত খাবার, মাছ (স্যামন, টুনা)।
     
    ২. ভিটামিন এ: কোষ বিভাজন ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, যা উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন এ-এর অভাবে শিশুদের বৃদ্ধি ধীর হয়ে যেতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। এর উৎস হলো- গাজর, মিষ্টি আলু, দুধ, ডিম, পেঁপে, সবুজ শাকসবজি।

    ৩. ভিটামিন কে: এটি হাড়ের গঠন ও ক্যালসিয়ামের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন কে-এর অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এর উৎস হলো পালংশাক, ব্রকলি, বাঁধাকপি, সবুজ শাকসবজি, দুধ। অতিরিক্ত কিছু পুষ্টি উপাদান। শুধু এই ভিটামিনগুলোই নয়, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক ও প্রোটিন-এর অভাবেও শিশুর উচ্চতা স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি নাও হতে পারে।

     
    তবে শিশু যদি বৃদ্ধি নিয়ে সমস্যায় থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো। পাশাপাশি, সুষম খাদ্য ও পর্যাপ্ত শারীরিক কার্যকলাপ (যেমন ব্যায়াম, খেলাধুলা) শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

  • এনআইডিতে নাম, বয়স, জন্মতারিখ সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগে

    এনআইডিতে নাম, বয়স, জন্মতারিখ সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগে

    জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার আইডি কার্ডে নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম, ঠিকানা, স্বামী-স্ত্রীর তথ্য কিংবা অন্যান্য তথ্য ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে সব ধরনের সংশোধনের জন্য একই কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। যে তথ্য সংশোধন করতে চান, তার পক্ষে প্রমাণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সরকারি কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

    নাম সংশোধনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    নামের বানান বা আংশিক সংশোধনের জন্য সাধারণত প্রয়োজন হয়—

    এসএসসি/জেএসসি/পিএসসি সনদ (যা প্রযোজ্য)

    অনলাইন জন্ম নিবন্ধন

    পাসপোর্ট (যদি থাকে)

    ড্রাইভিং লাইসেন্স (যদি থাকে)

    সন্তানের জন্মসনদ বা শিক্ষাসনদ (যদি থাকে)

    কাবিননামা বা বিবাহ সনদ

    স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি

    সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এসব কাগজপত্রের পাশাপাশি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা জমা দিতে হবে। প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন সরেজমিন তদন্তও করতে পারে।

  • অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসলে কোথায় অ’ভিযো’গ করবেন, জেনে নিন বিস্তারিত

    অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসলে কোথায় অ’ভিযো’গ করবেন, জেনে নিন বিস্তারিত

    সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক গ্রাহক অভিযোগ করছেন, আগের মাসের তুলনায় তাদের বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে জুন মাসের ব্যবহারের বিপরীতে পাওয়া বিল নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের দাবি, স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বিল এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিলে অসঙ্গতি মনে হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

    অতিরিক্ত বিলে যা করবেন

    প্রথমে আপনার বিদ্যুৎ মিটারের (ডিজিটাল বা প্রিপেইড) বর্তমান রিডিংয়ের সঙ্গে বিলে উল্লেখ করা রিডিং মিলিয়ে দেখুন। যদি রিডিংয়ে কোনো গরমিল বা ভুল ধরা পড়ে, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কল সেন্টারে ফোন করে অভিযোগ করুন এবং একটি কমপ্লেইন আইডি (অভিযোগ নম্বর) সংগ্রহ করুন।

    কল সেন্টারে অভিযোগ জানানোর পরও যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে গত তিন মাসের বিদ্যুৎ বিলের কপিসহ নিকটস্থ সাব-জোনাল বা জোনাল বিদ্যুৎ অফিসে লিখিত অভিযোগ জমা দিন। প্রয়োজনে মিটার পরীক্ষা ও বিল পুনর্মূল্যায়নের আবেদনও করা যেতে পারে।

    যেসব নম্বরে অভিযোগ করবেন

    বিদ্যুৎ বিলসংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ বা তথ্যের জন্য নিচের হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করা যাবে—

    বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় অভিযোগ সেবা: ১৬৯৯৯ (দেশব্যাপী সব গ্রাহকের জন্য)

    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি): ১৬২০০

    বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি): ১৬৮৯৯

    ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি): ১৬১১৬

    ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো): ১৬১২০

    নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো): ১৬৬০৩

    ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো): ১৬১১৭

    বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এসব হটলাইন সার্বক্ষণিক চালু রয়েছে। তাই বিদ্যুৎ বিলে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা কোনো ধরনের অসঙ্গতি চোখে পড়লে দেরি না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। অভিযোগ করার সময় বিদ্যুৎ বিল, গ্রাহক নম্বর এবং মিটারের সর্বশেষ রিডিংয়ের তথ্য সঙ্গে রাখলে অভিযোগ নিষ্পত্তি আরও দ্রুত ও সহজ হবে

  • যে ৫ ভু’লে দ্রুত শেষ হয় ফোনের ব্যা’টারি, জেনে রাখুন কাজে লাগবে

    যে ৫ ভু’লে দ্রুত শেষ হয় ফোনের ব্যা’টারি, জেনে রাখুন কাজে লাগবে

    স্মার্টফোনে এখন অসংখ্য ফিচার রয়েছে, তবে সব ফিচার সবসময় চালু রাখার প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় এমন কিছু সেটিংস অকারণে সারাক্ষণ চালু থাকে, যার ফলে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে ফোন আগের তুলনায় কম ব্যাটারি ব্যাকআপ দিচ্ছে, তাহলে নিচের ৫টি সেটিংস পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

    ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ সবসময় চালু রাখবেন না

    ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ ব্যবহার না করলেও যদি এগুলি চালু থাকে, তাহলে ফোন আশপাশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস খুঁজতে থাকে। এই ব্যাকগ্রাউন্ড স্ক্যানিংয়ের কারণে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যাটারি খরচ হয়। তাই প্রয়োজন শেষ হলে ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ বন্ধ করে দিন।

    কুইক শেয়ার বন্ধ রাখুন

    স্যামসাংয়ের কুইক শেয়ার ফিচার বড় ফাইল দ্রুত শেয়ার করতে সাহায্য করে। তবে এটি চালু থাকলে ফোন সবসময় আশপাশের ডিভাইস খুঁজতে থাকে এবং ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ ব্যবহার করে। ফলে ব্যাটারি দ্রুত কমতে পারে। ব্যবহার না করলে কুইক শেয়ার সেটিংস থেকে কাওকে ফাইল শেয়ার করার অপশনটি বন্ধ রাখুন।

    হ্যাপটিক ফিডব্যাক বা ভাইব্রেশন কমিয়ে দিন

    কীবোর্ডে টাইপ করা, নম্বর ডায়াল করা বা বিভিন্ন কাজে ফোনে যে ছোট ছোট কম্পন অনুভূত হয়, তাকে হ্যাপটিক ফিডব্যাক বলা হয়। প্রতিবার ভাইব্রেশনের জন্য মোটর কাজ করে, যা দীর্ঘ সময়ে ব্যাটারির উপর প্রভাব ফেলে। তাই প্রয়োজন না হলে এই ফিচারটি বন্ধ রাখুন।

    ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ সীমিত করুন

    অনেক অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা সিঙ্ক ও আপডেট করতে থাকে। এতে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। তাই যে অ্যাপগুলির ব্যাকগ্রাউন্ডে চলার প্রয়োজন নেই, সেগুলির ব্যাটারি সেটিংসে গিয়ে রেস্ট্রিক্টেড নির্বাচন করুন এবং ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ইউজেস বন্ধ করুন।

    লোকেশন সবসময় চালু রাখবেন না

    ডিসপ্লের পর ফোনের সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে জিপিএস বা লোকেশন সার্ভিসেস। অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার অবস্থান ব্যবহার করে। তাই প্রয়োজন না থাকলে লোকেশন বন্ধ রাখুন এবং শুধুমাত্র নেভিগেশন বা লোকেশন-নির্ভর কাজের সময় এটি চালু করুন।

    এই কয়েকটি সহজ পরিবর্তন করলে ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখা, স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমানো এবং পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করলেও ব্যাটারির আয়ু আরও বাড়ানো সম্ভব।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে অ’তিরি’ক্ত ঘা’ম ঝরে, জেনে রাখুন উপকারে আসবে

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে অ’তিরি’ক্ত ঘা’ম ঝরে, জেনে রাখুন উপকারে আসবে

    তীব্র গরম অথবা বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ঘামের মাধ্যমে শরীরে জমা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘাম বের হওয়ারও একটা মাত্রা থাকতে হয়। অকারণে অস্বাভাবিক হারে ঘাম হলে তা জটিল কোনো রোগের উপসর্গ বলে ধরে নেওয়া হয়। 

    শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামঝরার পেছনে ভিটামিন ডি–এর ঘাটতি একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বিশেষ করে মাথায় ঘাম বেশি হলে। তবে ভিটামিন ডি ঘাটতির অন্যতম লক্ষণ হিসেবে নবজাতকদের ক্ষেত্রে মাথায় অতিরিক্ত ঘামকে ধরা হয়।

    এছাড়া, ভিটামিন বি–এর অভাব (বিশেষ করে বি১ বা থায়ামিন) থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে, কারণ এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। আবার 
    ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্ক থেকেও অনেক সময়ে ঘাম হয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলেই এই উপসর্গটি প্রকট হয়ে ওঠে।

    অতিরিক্ত ঘাম ছাড়া এই ভিটামনের অভাবে আর কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়?

    হাড়ের ক্ষয়

    হাড় মজবুত ও শক্তিশালী রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। যার জোগান দেয় ভিটামিন ডি। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভিতর থেকে ক্ষয়ে যেতে থাকে।

    অত্যধিক ক্লান্তি

    শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাবে ঘটলে সব সময়ে একটা ক্লান্তি ঘিরে থাকে। অতি অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়।

    ওজন বৃদ্ধি

    হু হু করে ওজন বাড়ার একটি বড় কারণ কিন্তু হতে পারে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। শরীরে পরিমাণ মতো ভিটামিন ডি-র অভাব ঘটলে বাড়তে পারে ওজন।

    চুল পড়া

    মূলত পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবেই চুল পড়ে। কিন্তু চুল পড়ার আরও একটি কারণ হলো ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। ভিটামিন ডি চুল ভালো রাখতে ব্যাপক সাহায্য করে। ফলে শরীরে ভিটামিন ডি যদি কোনো কারণে কমে যায়, তার একটি লক্ষণ হতে পারে চুল ঝরা।

    ক্ষত শুকোতে দেরি হওয়া

    ভিটামিন ডি শরীরের যেকোনো ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন ধরে যদি কোনো ক্ষতস্থান না শুকোয়, তা হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

    তবে ভিটামিনের ঘাটতি ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে নানা কারণে—যেমন হরমোনজনিত সমস্যা, ইনফেকশন, মানসিক চাপ বা হাইপারহাইড্রোসিস।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে সারাক্ষণ ঘুম পায়, জেনে নিন উপকারে আসবে

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে সারাক্ষণ ঘুম পায়, জেনে নিন উপকারে আসবে

    সাধারণত, একজন ব্যক্তির জন্য দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম পর্যাপ্ত। কিন্তু সারারাত ঘুমিয়েও সকালে উঠতে অনেকের ক্লান্তি অনুভব হয়। সকালের নাস্তা সারতেই চোখে যেন ঘুম আবারও জেঁকে বসে। ঘুম পাওয়া খুবই স্বাভাবিক, তবে মাত্রাতিরিক্ত ঘুম কী কারণে হয় তা জেনে নিন-

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত দুটি ভিটামিনের অভাবেই এই লক্ষণ দেখা যায়। এর কারণে কাজ করতে ভালো লাগে না। প্রবল আলস্য ঘিরে ধরে শরীরকে। এ থেকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে পারে। 

    মূলত ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে শরীরে এই আলস্য ভাব দেখা যায়। 

    ভিটামিন ডি ও  ভিটামিন বি১২-

    ভিটামিন ডির কমতির জন্য হাড়ের জোর কমে, চুল পড়তে শুরু করে। দীর্ঘদিন যাবৎ রোদে না বের হওয়ার ফলে এই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হতে পারে। ভালো খাবারের অভাবেও এই ঘাটতি দেখা দেয়। তাই এই সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন দুধ, দই বা পনির জাতীয় খাবার পাতে রাখতে হবে, যা থেকে ভালো মাত্রায় ভিটামিন ডি মিলবে।

    ভিটামিন ‘বি’, বিশেষ করে বি-১২ হলো সেই অন্যতম প্রধান ভিটামিন যার অভাবে ক্লান্তি বাড়ে ও ঘুম বেশি পেতে থাকে। এছাড়া, রক্তস্বল্পতার কারণে ক্লান্তি পেতে পারে, যা অতিরিক্ত ঘুমের দিকে পরিচালিত করে। 

    লোহিত রক্তকণিকা এবং ডিএনএ উৎপাদনের জন্য ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্যও অপরিহার্য। যখন আপনার শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ পায় না তখন আপনি সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করতে পারেন। এমনকি ঘুম ঘুম বোধ হতে পারে।

    অন্যদিকে সয়াবিন খেলেও ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২ দুটির চাহিদাই পূরণ হয় ভালোভাবে। 

    ভিটামিনের ঘাটতির এই লক্ষণ আগে থেকে দেখে সচেতন না হলে পরে বড় কোনো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তাই সতর্ক হোন। মনে রাখবেন আমাদের শরীরে এই ভিটামিন তৈরি হয় না। খাদ্য থেকে এটি আহরণ করতে হয় শরীরকে। ভিটামিন বি১২ এর খাদ্য উত্স হলো মাছ, মাংস, ডিম, স্যামন। 

    সূত্র : এবিপি লাইভ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

  • SSC Result 2026: অনলাইনে ও SMS-এ দ্রুত ফলাফল দেখার উপায়

    SSC Result 2026: অনলাইনে ও SMS-এ দ্রুত ফলাফল দেখার উপায়

    বাংলাদেশের লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। ফল প্রকাশের পর ঘরে বসেই খুব সহজে অনলাইনে কিংবা মোবাইল ফোনের SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল জানা যাবে।

    ফলাফল প্রকাশের দিন অতিরিক্ত সার্ভার চাপের কারণে অনেক সময় ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যা হতে পারে। তাই আগেভাগেই জেনে রাখুন কীভাবে সরকারি ওয়েবসাইট, বিকল্প ওয়েবসাইট এবং SMS-এর মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে SSC Result 2026 দেখবেন।

    অনলাইনে SSC Result 2026 দেখার উপায়

    এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে জানার দুটি জনপ্রিয় মাধ্যম রয়েছে।

    ১. শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে

    শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ফলাফল প্রকাশের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে ফলাফল জানা যায়।

    ধাপ ১: ব্রাউজারে প্রবেশ করুন
    www.educationboardresults.gov.bd

    ধাপ ২: প্রয়োজনীয় তথ্য নির্বাচন করুন

    Examination: SSC/Dakhil/Equivalent
    Year: 2026
    Board: আপনার শিক্ষা বোর্ড

    ধাপ ৩: রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন।

    ধাপ ৪: ক্যাপচা পূরণ করে Submit বাটনে ক্লিক করুন।

    কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার ফলাফল প্রদর্শিত হবে। প্রয়োজনে ফলাফল প্রিন্ট বা সংরক্ষণও করা যাবে।

    ২. eBoard Results ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল দেখার নিয়ম

    শিক্ষা বোর্ডের বিকল্প ওয়েবসাইট eboardresults.com থেকেও ফলাফল ও মার্কশিট দেখা যায়।

    ধাপ ১: প্রবেশ করুন
    https://eboardresults.com

    ধাপ ২: Examination, Year ও Board নির্বাচন করুন।

    ধাপ ৩: রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ক্যাপচা পূরণ করুন।

    ধাপ ৪: View Result-এ ক্লিক করুন।

    সঠিক তথ্য দিলে আপনার ফলাফল ও মার্কশিট প্রদর্শিত হবে।

    SMS-এর মাধ্যমে SSC Result 2026 দেখার নিয়ম

    ফলাফল প্রকাশের পর ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত চাপ থাকলে SMS-এর মাধ্যমে কয়েক মিনিটেই ফল জানা যায়।

    ধাপ ১

    মোবাইলের Message অপশনে লিখুন—

    SSC <বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর> <রোল নম্বর> 2026

    উদাহরণ

    SSC DHA 123456 2026

    ধাপ ২

    মেসেজটি পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে।

    ধাপ ৩

    কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি SMS-এ আপনার ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    শিক্ষা বোর্ডের SMS কোড
    শিক্ষা বোর্ড    কোড
    ঢাকা    DHA
    রাজশাহী    RAJ
    কুমিল্লা    COM
    যশোর    JES
    চট্টগ্রাম    CHI
    বরিশাল    BAR
    সিলেট    SYL
    দিনাজপুর    DIN
    ময়মনসিংহ    MYM
    মাদ্রাসা    MAD
    কারিগরি    TEC
    মার্কশিট কীভাবে দেখবেন?

    মার্কশিট দেখতে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট অথবা eboardresults.com-এ প্রবেশ করে রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে হবে। সেখানে বিষয়ভিত্তিক নম্বর ও GPA দেখা যাবে।

    ফলাফল চ্যালেঞ্জ (বোর্ড চ্যালেঞ্জ)

    ফলাফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে পুনর্নিরীক্ষণের (বোর্ড চ্যালেঞ্জ) আবেদন করা যাবে।

    SSC Result 2026: সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

    SSC Result 2026 কবে প্রকাশ হবে?

    আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    সব শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল কি একই দিনে প্রকাশ হবে?

    হ্যাঁ। দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল একই দিনে প্রকাশ করা হবে।

    SMS-এর মাধ্যমে কত সময়ে ফল পাওয়া যায়?

    সাধারণত ফল প্রকাশের ৫–১০ মিনিটের মধ্যেই SMS-এর মাধ্যমে ফল জানা যায়। তবে সার্ভারের চাপ থাকলে কিছুটা সময় বেশি লাগতে পারে।

    মার্কশিটসহ ফলাফল কীভাবে দেখব?

    রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট অথবা eboardresults.com থেকে মার্কশিট দেখা যাবে।

    শুধু রোল নম্বর দিয়ে কি ফল দেখা সম্ভব?

    কিছু ক্ষেত্রে শুধু রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখা গেলেও, মার্কশিট দেখতে সাধারণত রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উভয়ই প্রয়োজন হয়।

    ফলাফল ভুল মনে হলে কী করবেন?

    ফলাফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন করা যাবে।

    SSC Result 2026 জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। এছাড়া eboardresults.com এবং SMS (16222) ব্যবহার করেও দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। ফল প্রকাশের দিন আগে থেকেই রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রস্তুত রাখলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফলাফল ও মার্কশিট দেখে নিতে পারবেন।

  • শিক্ষিকার ভাইরাল রিলস নিয়ে যা বললেন সেই গানের শিল্পী

    শিক্ষিকার ভাইরাল রিলস নিয়ে যা বললেন সেই গানের শিল্পী

    ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে, অঝোরে নামবে বুঝি শ্রাবণের ধারা…’ তিন দশকেরও বেশি সময় আগে প্রকাশিত এই জনপ্রিয় গানটি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের এক স্কুলশিক্ষিকার রিলস ভিডিওকে ঘিরে বিতর্কের পর গানটির শিল্পী ও ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের প্রধান ভোকাল মেজবাহ রহমান বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।

     

    তার মতে, ভিডিওটিতে নেতিবাচক কিছু নেই এবং ঘটনাটি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত।

    গণমাধ্যমকে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘এই গানটা আমরা সব সময়ই গাই। এটা চিরন্তন বৃষ্টির গান, বর্ষার গান, প্রকৃতির গান। ১৯৮৯ সালে গানটি তৈরি করি, ১৯৯০ সালে প্রকাশ করি।

    ৩৬ বছর পরও এর আবেদন একটুও কমেনি। সাম্প্রতিক সময়ে এটি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এটাও এক ধরনের ভিন্ন অনুভূতি।’

    সম্প্রতি ফেঞ্চুগঞ্জের স্কুলশিক্ষিকা বিউটি পাল এই গান ব্যবহার করে একটি রিল ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

    স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে এরই মধ্যে তার সহকর্মীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক শিক্ষক একই গান ব্যবহার করে রিল তৈরি করে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন।

    বিউটি পালকে ঘিরে চলা বিতর্ক প্রসঙ্গে মেজবাহ রহমান বলেন, ‘আমরা সব সময়ই মা-বাবার পরে শিক্ষকদের স্থান দিই। শিক্ষকদের অবশ্যই কিছু বিষয় শিক্ষার্থীদের জন্য মেনে চলতে হয়। তবে এই রিল ভিডিও নিয়ে যেটা করা হচ্ছে, সেটা মোটেও কাম্য নয়।

    আমার কাছে এতে নেতিবাচক কিছু মনে হয়নি। এখানে একটি শ্রেণি কী অনৈতিক বিষয় খুঁজে পেল, আমি বুঝতে পারছি না।’

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না। প্রয়োজনেই সবাই এর দ্বারস্থ হয়। তাই একটি দিক দেখে কাউকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।’

    এদিকে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তবে এই ঘটনায় শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেজবাহ রহমান। তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে সেটি ঠিক হবে না। আমার মনে হয়, বিষয়টি নমনীয়ভাবে দেখা উচিত। কারণ এটি কোনো নেতিবাচক ভিডিও ছিল না।’

  • যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মা’ই’ক্রোপ্লা’স্টিক

    প্রতিদিন সকালে দাঁত মাজার ফাঁকেই অজান্তে শরীরে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক। দেশে বিক্রি হওয়া প্রতি চারটি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় তিনটিতেই মিলেছে এই কণা।

    আমদানি করা ও দেশে তৈরি ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই এই বিষাক্ত উপাদান পেয়েছে বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। এমনকি শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্টেও মিলেছে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক।

    সংস্থাটির এক বছরের গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতে, অর্থাৎ ৭৬.৫ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। তবে এর মধ্যে ৮ টি (২৩.৫ শতাংশ) টুথপেস্টে কোন মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

    মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি, এ ধরনের ৮ টি টুথপেস্ট-এর তালিকা:

    ১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)

    ৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)

    ৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)

    ৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)

    ৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)

    ৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)।