Blog

  • হাইতি কেমন দল, র‌্যাঙ্কিং কত, ব্রাজিলের মুখোমুখি দেখায় পরিসংখ্যান কেমন দেখেনিন

    হাইতি কেমন দল, র‌্যাঙ্কিং কত, ব্রাজিলের মুখোমুখি দেখায় পরিসংখ্যান কেমন দেখেনিন

    কাল ভোর সাড়ে ৬টায় হাইতির মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল- এটা হয়তো সবারই জানা। মরক্কোর বিপক্ষে আগের ম্যাচে ড্র করায় এই ম্যাচের আগে কিছুটা চাপে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ব্রাজিল পারবে তো! হাইতি কেমন দল, তাদের র‌্যাঙ্কিং কত, ব্রাজিলের মুখোমুখি দেখায় অতীত ইতিহাসই বা কেমন?

    ব্রাজিল-হাইতির অতীত ইতিহাস খুব বেশি দীর্ঘ নয়। দুদল এখন পর্যন্ত কেবল ৩টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। এই ৩ ম্যাচের পরিসংখ্যান ব্রাজিলকে স্বস্তিই দেওয়ার কথা। হারবে তো বহুদূরের আলাপ, ব্রাজিল একটি ম্যাচে ড্র পর্যন্ত করেনি। এক গোল হজমের বিপরীতে দিয়েছে ১৭টি। সবশেষ ২০১৬ সালের মুখোমুখি দেখায়ই জিতেছিল ৭-১ গোলে।

    ফিলাডেলফিয়ায় দুদলের এবারের মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারটি ভিন্ন। এই ম্যাচ রোমাঞ্চে বাড়তি মাত্রা যোগ করছে। কেননা ১৯৭৪ ও ২০০৪ সালের দুটি ম্যাচই ফিফা প্রীতি। এবারই বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে তারা।

    হাইতির ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৮৫। যা ২০১৬ সালে ব্রাজিল ৭ গোল দেওয়ার সময়ের থেকে খারাপ। ওই ম্যাচের সময় হাইতি ছিল র‌্যাঙ্কিংয়ের ৭৪ নম্বরে। ব্রাজিল ছিল সাতে, এখন আছে পাঁচে।

    হাইতি স্কটল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছে। স্কটল্যান্ড আছে র‌্যাঙ্কিংয়ের ৪২ নম্বরে। এটা থেকেই দলটির শক্তিমত্তা সম্পর্কে ধারণা করে নেওয়া যায়। তাছাড়া ২০২৬ সালে খেলা পাঁচ ম্যাচের মধ্যে হাইতির জয় কেবল একটি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই জয়টি অবশ্য ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে।

    হাইতি যেমন দলই হোক, ব্রাজিল নিজেদের খেলায় আরও উন্নতির চেষ্টায়। এ লক্ষ্যে হাইতির বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন দলটির কোচ। আনচেলত্তি বলেছেন, ‘আমরা কিছু পরিবর্তন করব। দলের পারফরম্যান্স আরও ভালো হওয়া দরকার। আমরা জানি, আমাদের সামর্থ্য আরও বেশি এবং সেটাই মাঠে দেখাতে হবে।’

    প্রথম ম্যাচে রাফিনিয়া, ক্যাসেমিরোসহ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলার নিজেদের সেরা খেলাটা উপহার দিতে পারেননি। তবে তাদের ওপর আস্থা হারাননি ব্রাজিল কোচ। বরং তিনি মনে করেন, প্রথম ম্যাচের চাপ খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলায় প্রভাব ফেলেছিল।

  • ব্রাজিলকে জটিল পরিস্থিতির মুখে ফেলতে পারে স্কটল্যান্ড-মরক্কো ম্যাচ

    ব্রাজিলকে জটিল পরিস্থিতির মুখে ফেলতে পারে স্কটল্যান্ড-মরক্কো ম্যাচ

    ফক্সবোরোতে স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের মধ্যকার ম্যাচ বেশ কিছু কারণে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিতে পারে।

    ব্রিটিশ দল যদি আফ্রিকানদের হারায় তাহলে টানা দ্বিতীয় জয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে শেষ ম্যাচ খেলবে। এমনকি হাইতিকে হারিয়ে ব্রাজিল জিতে তিন পয়েন্ট পেলেও। এক্ষেত্রে স্কটিশরা ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে বেশ সুবিধাজনক স্থানে থেকে। ওই ম্যাচে ড্র করলেও গ্রুপের শীর্ষে থাকবে তারা।

    মরক্কোর সঙ্গে ড্র করা ব্রাজিলকে গ্রুপের শীর্ষে থাকতে ওই ম্যাচে ইউরোপিয়ান দলকে হারাতেই হবে। তাতে পরের পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

    সি গ্রুপের প্রথম ও দ্বিতীয় দল নকআউট পর্বে এফ গ্রুপের দলগুলোর মুখোমুখি হবে। এই গ্রুপের শীর্ষ দল অন্য গ্রুপের রানার্সআপের মুখোমুখি হবে।

    আপাতত এফ গ্রুপে সুইডেন শীর্ষে। জাপান ও নেদারল্যান্ডস একটি করে পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরে অবস্থান করছে। শূন্য পয়েন্টে তিউনিসিয়া সবার শেষে।

    ১২টি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দলের সঙ্গে গ্রুপ পর্বের আটটি সেরা তৃতীয় স্থানে থাকা দল নকআউটে পৌঁছাবে। কার্লো আনচেলত্তির দল যদি তৃতীয় হয়, তাহলে তারা লড়বে এ, ই কিংবা আই গ্রুপের প্রতিপক্ষের সঙ্গে। তাতে করে সেলেসাওদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ফ্রান্স কিংবা জার্মানি।

    স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কো ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামবে। র‌্যাঙ্কিংয়ের ষষ্ঠ স্থানে থাকা আফ্রিকানরা যদি ইউরোপিয়ানদের হারাতে পারে তাহলে গ্রুপের প্রথম দল নির্ধারণ হতে পারে গোল ব্যবধানে। এই সমীকরণ তখনই হবে, যদি মরক্কান ও ব্রাজিলিয়ানরা তাদের বাকি দুটি ম্যাচ জেতে এবং সাত পয়েন্ট পায়। কারণ দুই দলের ম্যাচের ফল সমান থাকায় তখন শুধু গোল ব্যবধানই হিসাব করা হবে। তাই বাকি দুটি ম্যাচেই মরক্কো ও ব্রাজিল বেশি করে গোল করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

    মূলত স্কটল্যান্ড বনাম মরক্কো ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ব্রাজিলকে গ্রুপের শীর্ষস্থানে উঠতে রাখতে কতটা কঠিন লড়াই করতে হবে এবং নকআউট পর্বে তারা সহজ নাকি কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে।

  • মেসি শীর্ষে, ফিফার যে র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে আছেন এক ব্রাজিলিয়ানও

    মেসি শীর্ষে, ফিফার যে র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে আছেন এক ব্রাজিলিয়ানও

    ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড শেষে প্রকাশিত ফিফার নতুন ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’-এ আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া সব ফুটবলারের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এই র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে ফিফা।

    আক্রমণভাগের সেরা ১০ খেলোয়াড়ের তালিকায় একমাত্র ব্রাজিলিয়ান হিসেবে জায়গা পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিনি রয়েছেন নবম স্থানে। মেসির পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন নিউজিল্যান্ডের এলাইজা জাস্ট এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।

    ফিফা তাদের র‌্যাঙ্কিংকে তিনটি বিভাগে ভাগ করেছে; আক্রমণ, সৃজনশীলতা (ক্রিয়েটিভিটি) এবং রক্ষণ। সৃজনশীলতার তালিকায় শীর্ষে আছেন ইরানের রামিন রেজাইয়ান, যিনি পেয়েছেন ৮.২৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে রক্ষণভাগের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কানাডার ডেরেক কর্নেলিয়াস, যার সংগ্রহ ৭.২৮ পয়েন্ট।

    সৃজনশীলতার র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের সেরা অবস্থানে রয়েছেন লুইজ হেনরিক, তবে তিনি আছেন ৬৭তম স্থানে। রক্ষণভাগে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ স্কোর পেয়েছেন ডগলাস সান্তোস, যিনি অবস্থান করছেন ৬১তম স্থানে।

    আক্রমণভাগের সেরা দশে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, নিউজিল্যান্ডের এলাইজা জাস্ট, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারি, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, নরওয়ের আর্লিং হলান্ড, আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো, সুইডেনের আলেক্সান্ডার ইসাক, ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং কলম্বিয়ার লুইস দিয়াজ।

    সৃজনশীলতার তালিকার সেরা দশে রয়েছেন ইরানের রামিন রেজাইয়ান, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে, জার্মানির ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, দক্ষিণ কোরিয়ার কাং-ইন লি, প্যারাগুয়ের হুলিও এনসিসো, নেদারল্যান্ডসের রায়ান গ্রাভেনবার্খ, ইংল্যান্ডের বুকায়ো সাকা, আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো, মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজ এবং মিশরের মোহাম্মদ সালাহ।

    রক্ষণভাগের সেরা দশে আছেন কানাডার ডেরেক কর্নেলিয়াস, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার নিকোলা কাতিচ, তারিক মুহারেমোভিচ ও আমার দেদিচ, অস্ট্রিয়ার জাভার শ্লাগার, যুক্তরাষ্ট্রের টাইলার অ্যাডামস, কেপ ভার্দের সিডনি লোপেস ও উইলি সেমেদো, মেক্সিকোর হেসুস গায়ার্দো এবং অস্ট্রেলিয়ার আলেসান্দ্রো সিরকাতি।

    ফিফা জানিয়েছে, নতুন এই ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’ তৈরি করা হয়েছে ম্যাচভিত্তিক পারফরম্যান্স ডেটার ওপর ভিত্তি করে। গোলরক্ষকদের বল দখল ও রক্ষণভাগে অবদানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে মাঠের খেলোয়াড়দের আক্রমণ, সৃজনশীলতা ও রক্ষণ; এই তিন বিভাগে ০ থেকে ১০ স্কোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ শেষে এই র‌্যাঙ্কিং নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।

  • ভোজিনহার আক্ষেপের অবসান, বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন মা

    ভোজিনহার আক্ষেপের অবসান, বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন মা

    স্পেনের বিপক্ষে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক জোসিমার দিয়াস ভোজিনহা। বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে রাখার পেছনে বড় ভূমিকা রাখা এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের ব্যক্তিগত একটি আক্ষেপও তখন আলোচনায় আসে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আক্ষেপের অবসান হয়েছে। বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন তার মা আনা কান্দিদা এভোরা।

    ৪০ বছর বয়সি ভোজিনহা বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান। স্পেনের বিপক্ষে তিনি সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে মূল্যবান এক পয়েন্ট এনে দেন। ম্যাচ শেষে তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কারও দেওয়া হয়।

    তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের আনন্দের মাঝেও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ভোজিনহা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অর্থনৈতিক ও ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তার মা যুক্তরাষ্ট্রে এসে মাঠে বসে তার খেলা দেখতে পারেননি। মায়ের অনুপস্থিতি তাকে কষ্ট দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

    ভোজিনহার সেই আবেগঘন বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিষয়টি নজরে আসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরেরও। পরে প্রাইয়ায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের ভিসা বিভাগ আনা কান্দিদা এভোরার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

    সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এভোরার যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের অনুমোদন নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে ছেলের খেলা সরাসরি গ্যালারিতে বসে উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। ভোজিনহার জন্য এটি বিশ্বকাপের সবচেয়ে আনন্দের খবরগুলোর একটি হয়ে এসেছে।

  • দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

    দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

    বিশ্বকাপের চলতি আসরের শুরুটা ব্রাজিলের সুখকর হয়নি। প্রথম ম্যাচে ড্র করলেও গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সুখবর পেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

    শনিবার (২০ জুন) ‘সি’ গ্রুপের হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের আগে ফিফার হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে ব্রাজিল। একইভাবে অবস্থানে উন্নতি ঘটিয়ে ছয় নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে মরক্কো।

    র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান এখনো লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার দখলে।  ১৮৮৯.০৬ পয়েন্ট নিয়ে আলবিসেলেস্তেরা যথারীতি সবার ওপরে রয়েছে। 

    ফ্রান্স সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এক ধাপ এগিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছে; যা আর্জেন্টিনার চেয়ে মাত্র দুই পয়েন্ট পিছিয়ে। অন্যদিকে, কেপ ভার্দের সঙ্গে ১-১ এ ড্র করে এক ধাপ নিচে নেমে তিনে জায়গা নিয়েছে স্পেন।

    শীর্ষ দশে থাকা অন্য দলগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড চতুর্থ ও নেদারল্যান্ডস অষ্টম স্থানে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। জার্মানি এক ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠেছে, আর বেলজিয়াম নেমে গেছে দশম স্থানে।

    কলম্বিয়া উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে উঠে এসেছে ১১ নম্বরে। মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে ১৩ নম্বরে। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারার পর ক্রোয়েশিয়া তিন ধাপ পিছিয়ে এখন ১৪ নম্বরে অবস্থান করছে।

    প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৫তম স্থানে উঠে এসেছে। জাপানও এক ধাপ উন্নতি করে এখন ১৭ নম্বরে। ডিআর কঙ্গো তিন ধাপ এগিয়ে পৌঁছেছে ৪৩ নম্বরে।

    র‍্যাঙ্কিংয়ের এই সুখবর ব্রাজিল শিবিরে বাড়তি উদ্দীপনা জোগাবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। 

  • প্রথম ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপের গ্রুপ চিত্র: এগিয়ে যেসব দল

    প্রথম ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপের গ্রুপ চিত্র: এগিয়ে যেসব দল

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল নিজেদের প্রথম ম্যাচ শেষ করেছে। এখনো টুর্নামেন্টের পথ অনেক লম্বা হলেও, এক ম্যাচ শেষে কে কোন অবস্থায় আছে তা দেখে নেয়া যাক।

    গ্রুপ ‘এ’তে স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়া জয় দিয়ে শুরু করে ৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও চেকিয়া প্রথম ম্যাচে হেরে পিছিয়ে রয়েছে।

    গ্রুপ ‘বি’তে চার দলের শুরু হয়েছে সমতায়। কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড ও বসনিয়া হার্জেগোভিনা—সবাই একটি করে পয়েন্ট পেয়েছে। গোল ব্যবধানেও দলগুলোর অবস্থান কাছাকাছি।

    গ্রুপ ‘সি’তে ব্রাজিল ও মরক্কো ড্র করায় দুই দল এক পয়েন্ট করে পেয়েছে। তবে হাইতিকে হারিয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে আছে স্কটল্যান্ড।

    গ্রুপ ‘ডি’তে বড় জয়ে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়াও জয় তুলে নিয়ে দুইয়ে আছে। একইভাবে গ্রুপ ‘ই’তে জার্মানি ও আইভরি কোস্ট জয় দিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে।

    গ্রুপ ‘এফ’তে সুইডেন এগিয়ে, আর নেদারল্যান্ডস ও জাপান সমান পয়েন্টে রয়েছে। গ্রুপ ‘জি’ ও ‘এইচ’–এ চার দলের মধ্যেই পয়েন্টের লড়াই সমানে চলছে।

    গ্রুপ ‘আই’তে ফ্রান্স ও নরওয়ে দারুণ শুরু করেছে। গ্রুপ ‘জে’তে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়া জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে। গ্রুপ ‘কে’তে কলম্বিয়া এগিয়ে থাকলেও পর্তুগাল ও ডিআর কঙ্গো সমতায় আছে। গ্রুপ ‘এল’তে ইংল্যান্ড ও ঘানা প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে।

    এক ম্যাচ শেষে এখনো অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। তবে শুরুতেই যারা জয় পেয়েছে, তারা নকআউট পর্বের দৌড়ে কিছুটা বাড়তি সুবিধা নিয়ে পরের ম্যাচে নামবে।

  • বল ছুঁয়েছেন মাত্র ২৫ বার, গোলে কোনো শটই নিতে পারেননি রোনালদো

    বল ছুঁয়েছেন মাত্র ২৫ বার, গোলে কোনো শটই নিতে পারেননি রোনালদো

    ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই নতুন ইতিহাস লিখলো ডিআর কঙ্গো। শক্তিশালী পর্তুগালকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করলো মধ্য আফ্রিকার দেশটি। পুরো ম্যাচে কোনো শটই নিতে পারেননি পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যেন তিনি মাঠেই ছিলেন না।

    বুধবার (১৭ জুন) টেক্সাসের হিউস্টনে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় মুখোমুখি হয় দুই দল।

     

    এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠে পর্তুগালের আধিপত্য দেখা যায়। ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটের মাথায় পেদ্রো নেতোর বাম দিক থেকে ভাসানো নিখুঁত ক্রসে জোয়াও নেভেস হেড করে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ডিআর কঙ্গো। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কর্নার থেকে ডান দিক দিয়ে আসা বল ফার পোস্টে পেয়ে শক্তিশালী হেডে জাল খুঁজে নেন উইসা। সেই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম গোলের দেখা পায় ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে পর্তুগাল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করেছিলেন জোয়াও ক্যানসেলো। তবে তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর কোনো দলই আর গোল করতে পারেনি। ফলে নির্ধারিত সময় শেষে ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।

     

    ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে এই ম্যাচে মাঠে থাকলেও জ্বলে উঠতে পারেননি পর্তুগিজ সুপারস্টার রোনালদো।

     

    ম্যাচে মোট ২৫ বার বলে টাচ করলেও ২১টি সহায়ক পাস দেন রোনালদো। যার মধ্যে ১৬টিই ছিল ব্যাক পাস। দুইবার ফুট শট নিলেও সেগুলো ছিল গোলবারের বাইরে। গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেননি তিনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সে হতাশ পর্তুগাল ভক্তরা।

     

    তবে বাজে পারফরম্যান্স করলেও এদিন লিওনেল মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলার কীর্তি গড়েছেন রোনালদো। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—ছয়টি বিশ্বকাপেই মাঠে নামলেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

  • পর্তুগাল হেরেও যেতে পারতো : রোনালদো

    পর্তুগাল হেরেও যেতে পারতো : রোনালদো

    আফ্রিকান প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল পর্তুগাল। বড় ব্যবধানে জয়ের আভাস দিয়েছিল তারা। কিন্তু জোয়াও নেভেসের ওই গোলের পর আর লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেনি ইউরোপিয়ান জায়ান্টরা। বরং হাফটাইমের আগে কঙ্গোর ঐতিহাসিক গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পর্তুগালকে।

    পুরো ম্যাচে বিবর্ণ ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। অথচ সিআরসেভেনের উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায় ছিল তার ভক্ত-সমর্থকরা। তাদের তিনি হতাশ করেছেন ৯০ মিনিটে মাত্র তিনটি শট নিয়ে। ম্যাচ শেষে তিনিও হতাশ, দলের পারফরম্যান্সও তার কাছে অস্বস্তিকর ছিল।

    তবে এই ড্রয়ের পরও সান্ত্বনা খুঁজছেন রোনালদো। কারণ কঙ্গোর কয়েকটি আক্রমণে হারের শঙ্কা উঁকি দিচ্ছিল পর্তুগাল শিবিরে। ম্যাচের পর হিউস্টন স্টেডিয়ামের মিক্সড জোনে ৪১ বছর বয়সী তারকা বললেন, ‘আমরা যে যথেষ্ট করিনি, তা নয়। এটাই ফুটবল। পর্তুগালের সুযোগ ছিল ম্যাচটি জেতার, কিন্তু হেরেও যেতে পারতো।’

    পর্তুগালের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের ফল নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও মন্তব্য করেছেন রোনালদো। আসন্ন ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ়প্রতিজ্ঞা তার, ‘আমরা এমন শুরু চাইনি, কিন্তু এটাই শেষ নয়। আমাদের মনোবল ধরে রাখতে হবে এবং পরের ম্যাচে মনোযোগ দিতে হবে।’

  • ‘মেসির পেছনে সময় নষ্ট করা অর্থহীন’ বলা আলজেরিয়া কোচ ম্যাচ শেষে যা বললেন

    লিওনেল মেসিকে ম্যান-মার্কিং বা আটকানোর জন্য আলাদা কোনো বিশেষ ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা নেই বলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের আগে মন্তব্য করেছিলেন আলজেরিয়া কোচ ভ্লাদিমির পেটকোভিচ। তিনি বলেছিলেন, আমি কখনোই কোনো নির্দিষ্ট একজন খেলোয়াড়কে আটকানোর জন্য ছক কষি না। একজন ব্যক্তির জন্য পুরো দলকে প্রস্তুত করা অর্থহীন। 

    বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরে গেছে আলজেরিয়া। একাই তিন গোল করে রেকর্ডবুক তছনছ করে দিয়েছেন মেসি। হারের পর মেসির প্রশংসা করলেও আলজেরিয়ার কোচের আক্ষেপ, তাদের নিজেদের ভুলেই মেসির কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছিল।

    ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পেটকোভিচ বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের সময় আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি, ফলে তার জন্য গোল করাটা অনেক সহজ হয়ে গেছে। তবে ম্যাচের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে ক্ষমতা মেসির আছে, তা দিয়ে তিনি যে কোনো কঠিন কাজকে খুব সহজে রূপ দিতে পারেন।’

    নিজের খেলোয়াড়দের দুর্বলতা নিয়ে পেটকোভিচ বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে দোষ দেওয়া আমার স্বভাব নয়। তবে আমি মনে করি আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের অবলীলায় শট নেওয়ার সুযোগ দিয়ে আমরা বেশ কিছু বড় ভুল করেছি। এই হারের জন্য আমরা নিজেদেরই দায় দিতে পারি, তবে এখন আমাদের এগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে এবং এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’

    পুরো দল মেসির জন্য খেলে জানিয়ে আলজেরিয়া কোচ আরও বলেন, ‘মেসি এমন একটা বাড়তি সুবিধা পান যেখানে পুরো আর্জেন্টিনা দল তার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে খেলে এবং তাকে সাহায্য করে। বছরের পর বছর, বা বলা ভালো কয়েক দশক ধরে তিনি অবিশ্বাস্য সব কীর্তি গড়ে চলেছেন। আজ আর্জেন্টিনা মোট ১০টি শট নিয়েছিল, যার মধ্যে ৭টিই ছিল মেসির।’

    প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপে ‘জে’ গ্রুপে আলজেরিয়ার পরের ম্যাচ জর্ডানের বিপক্ষে ২২ জুন। এরপর ২৮ জুন তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া।

  • আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

    আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

    বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার একটি অস্বস্তিকর পরিসংখ্যান ছিল। শিরোপা জয়ের পরের আসরে প্রথম ম্যাচে কখনোই জয় দিয়ে শুরু করতে পারেনি তারা। ফলে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ছিল বাড়তি উদ্বেগ। ম্যাচে আলজেরিয়া ৩-০ গোলে হেরে যায়, যেখানে আর্জেন্টিনার হয়ে দারুণ পারফর্ম করেন লিওনেল মেসি। মেসির হ্যাটট্রিকেই দাপুটে জয় পায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে পেটকোভিচ স্বীকার করেন, শুরুতেই দেওয়া কিছু ভুলের কারণেই মেসির জন্য গোল করা সহজ হয়ে যায়।

    তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের সময় আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি, ফলে তার জন্য গোল করাটা অনেক সহজ হয়ে গেছে। তবে ম্যাচের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে ক্ষমতা মেসির আছে, তা দিয়ে তিনি যে কোনো কঠিন কাজকে খুব সহজে রূপ দিতে পারেন।’

    নিজ দলের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে দোষ দেওয়া আমার স্বভাব নয়। তবে আমি মনে করি আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের অবলীলায় শট নেওয়ার সুযোগ দিয়ে আমরা বেশ কিছু বড় ভুল করেছি। এই হারের জন্য আমরা নিজেদেরই দায় দিতে পারি, তবে এখন আমাদের এগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে এবং এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’

    আর্জেন্টিনা দলের খেলার ধরন নিয়েও মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘মেসি এমন একটা বাড়তি সুবিধা পান যেখানে পুরো আর্জেন্টিনা দল তার জন্য জীবন দিয়ে খেলে এবং তাকে সাহায্য করে। বছরের পর বছর, বা বলা ভালো কয়েক দশক ধরে তিনি অবিশ্বাস্য সব কীর্তি গড়ে চলেছেন। আজ আর্জেন্টিনা মোট ১০টি শট নিয়েছিল, যার মধ্যে ৭টিই ছিল মেসির।’

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের আগে আলজেরিয়ার কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচ জানিয়েছিলেন যে তিনি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে আলাদা করে থামানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করেন না। তার মতে, একজন খেলোয়াড়কে আটকাতে পুরো দলকে আলাদাভাবে প্রস্তুত করা কার্যকর নয়।

    আলজেরিয়ার পরবর্তী ম্যাচ জর্ডানের বিপক্ষে ২২ জুন এবং এরপর ২৮ জুন তারা মুখোমুখি হবে অস্ট্রিয়ার। পরের রাউন্ডে যেতে হলে জয় ছাড়া বিকল্প নেই তাদের হাতে।