Blog

  • শেষ ৩২–এ ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে হবে, যা বলছে সমীকরণ

    শেষ ৩২–এ ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে হবে, যা বলছে সমীকরণ

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মায়ামিতে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ৩২–এ জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। নিজেদের গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হলেও রাউন্ড অব ৩২–এ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    নকআউট পর্বে ব্রাজিলের প্রথম প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল (২৬ জুন) ভোরে। এদিন গ্রুপ এফ-এর শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নেদারল্যান্ডস মুখোমুখি হবে তিউনিসিয়ার, আর জাপানের প্রতিপক্ষ সুইডেন। আর এই গ্রুপের কোনো একটি দলের বিপক্ষে রাউন্ড অব ৩২–এর ম্যাচ খেলতে হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

    এফ গ্রুপ থেকে তিউনিসিয়ার বিদায় আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। নকআউটে ওঠার লড়াইয়ে টিকে আছে নেদারল্যান্ডস, জাপান আর সুইডেন। এই গ্রুপে বর্তমানে জাপান দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। যদি এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে, তবে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে জাপান।

     

    গ্রুপ এফ-এর বর্তমান চিত্র:

    * নেদারল্যান্ডস – ৪ পয়েন্ট (৭ গোল, গোল ব্যবধান ৩)

    * জাপান – ৪ পয়েন্ট (৬ গোল, গোল ব্যবধান ২)

    * সুইডেন – ৩ পয়েন্ট (৬ গোল, গোল ব্যবধান শূন্য) 

    * তিউনিসিয়া – ০ পয়েন্ট (গোল ব্যবধান মাইনাস ৮, বিদায় নিশ্চিত)

    ব্রাজিল গ্রুপ সি-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে গ্রুপ এফ-এর রানার্স-আপ দলের বিরুদ্ধে খেলবে।

    সম্ভাব্য পরিস্থিতি:

    *নেদারল্যান্ডস যদি তিউনিসিয়াকে হারায়–

    তারা গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে, যদি না জাপান সুইডেনকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে গোল পার্থক্য বা গোলসংখ্যায় এগিয়ে যায়।

    *নেদারল্যান্ডস যদি ড্র করে বা হেরে যায়–

    তাহলে জাপান–সুইডেন ম্যাচের ফলাফল গ্রুপের অবস্থান নির্ধারণ করবে।

    *জাপান যদি সুইডেনকে হারায়–

    জাপান শীর্ষে উঠতে পারে, বিশেষ করে যদি নেদারল্যান্ডস জয় না পায় অথবা কম ব্যবধানে জেতে।

    *জাপান–সুইডেন ম্যাচ ড্র হলে–

    জাপান শুধুমাত্র তখনই শীর্ষে উঠতে পারবে, যদি নেদারল্যান্ডস তিউনিসিয়ার কাছে হেরে যায়। অন্যথায় দ্বিতীয় স্থান নিয়ে হিসাব হবে গোল পার্থক্যের ভিত্তিতে।

    *সুইডেন যদি জাপানকে হারায়–

    সুইডেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, যদি নেদারল্যান্ডস ড্র করে বা হেরে যায়। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানের জন্য লড়াই হবে নেদারল্যান্ডস ও জাপানের মধ্যে।

     

    নেদারল্যান্ডস কেমন দল?

    কোচ রোনাল্ড কোম্যানের দল দুর্দান্ত বিশ্বকাপ কাটাচ্ছে।  দুই ম্যাচেই অরেঞ্জরা ৭ গোল করেছে এবং মাত্র ৩ গোল হজম করেছে।

    আক্রমণে তাদের প্রধান শক্তি: কোডই গাকপো, দানিয়েল মালেন এবং ব্রায়ান ব্রবি। এছাড়া পুরোপুরি ফিট না হলেও বেঞ্চে আছেন অভিজ্ঞ মেমফিস ডিপেই। দলটির আক্রমণভাগ শক্তিশালী হলেও জাপানের বিপক্ষে সেট-পিস ডিফেন্সে কিছু দুর্বলতা দেখা গেছে।

     

    জাপান কেমন দল?

    গত অক্টোবরে এক প্রীতি ম্যাচে জাপান ৩-২ গোলে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল।  

    কোচ হাজিমে মরিয়াসুর দল পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এবং ঝুঁকি নিতে ভয় পায় না। তাদের আক্রমণের মূল ভরসা আয়ুয়াসে উয়েদা, তাকেফুসা কুবো, ডাইজেন মায়েদা, জুনিয়া এতো ও রিতসু দোয়ান।

    তবে উইং-নির্ভর আক্রমণের কারণে তারা অনেক সময় কাউন্টার অ্যাটাকে ফাঁকা জায়গা ছেড়ে দেয়। এটি ব্রাজিলের ভিনিসিউস জুনিয়র, লুইজ হেনরিক এবং রায়ানদের মতো উইঙ্গারদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে।

    সুইডেন কেমন দল?

    সুইডেনের বিশ্বকাপ অভিযান ছিল ওঠানামায় ভরা। প্রথম ম্যাচে তারা তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারালেও দ্বিতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে একই ব্যবধানে হেরেছে।

    তাদের আক্রমণের প্রধান তারকা ভিক্তর ইয়োকেরেস ও অ্যালেক্সান্ডার ইসাক।  মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি প্রথম ম্যাচে উজ্জ্বল ছিলেন, তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি।

    সুইডেনের বড় দুর্বলতা তাদের রক্ষণভাগ। তারা প্রায়ই প্রতিপক্ষকে জায়গা দেয় এবং ডিফেন্সে ভুল করে বসে। নেদারল্যান্ডস ৫-১ জয়ে এই দুর্বলতাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছিল।

  • টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল

    টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল

    কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র যেন গোল করা থামাতেই পারছেন না। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই করেছেন গোল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই করেছেন ২ গোল। তিনি যে আগুনে ফর্মে আছেন, তাই জানান দিচ্ছে তার এমন পারফর্ম্যান্স।

    আর তার এই ধারাবাহিকতা বলছে, এবার বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল। কারণ বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি চমকপ্রদ ধারা আছে। যদি কোনো ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করেন, সেই আসরে দল শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতেছে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন।

    ১৯৭০ সালে জাইরজিনিও গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই গোল করেছিলেন। সেবার ব্রাজিল হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। ১৯৯৪ সালে একই কাজ করেছিলেন রোমারিও। সেবারও ব্রাজিল শিরোপা জিতেছিল। ২০০২ সালে একসঙ্গে রোনালদো ও রিভালদো দুজনই গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে গোল করেছিলেন। সেই বিশ্বকাপেও ব্রাজিল হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন।

    এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করেছেন। এখন ইতিহাস বলছে, এবারও ব্রাজিল হতে পারে চ্যাম্পিয়ন।

    অবশ্য ইতিহাসের ধারা মানেই ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নয়। তবে এই মিলটা ফুটবলপ্রেমীদের ভাবাচ্ছে। জাইরজিনিও, রোমারিও, রোনালদো, রিভালদো — প্রতিবারই এই ধারা মিলে গেছে। ভিনিসিয়ুস কি সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন? উত্তর মিলবে বিশ্বকাপের বাকি দিনগুলোতে।

  • বিশ্বকাপে যে রাউন্ডে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা!

    বিশ্বকাপে যে রাউন্ডে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা!

    বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দ্বৈরথ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই। চলতি বিশ্বকাপেও সেই মহারণ দেখার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। নিজ নিজ গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে দুই দক্ষিণ আমেরিকান পরাশক্তি। ফলে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে তাদের মুখোমুখি হওয়ার পথও খুলে গেছে।

    গ্রুপ ‘জে’ থেকে আর্জেন্টিনা এবং গ্রুপ ‘সি’ থেকে ব্রাজিল গ্রুপসেরা হয়ে শেষ ৩২-এ উঠেছে। এরপর শেষ ১৬ ও কোয়ার্টার, সেমি পেরিয়ে ফাইনালের লড়াই। তবে বর্তমান নকআউট সূচি অনুযায়ী, দুই দল ভিন্ন অংশে অবস্থান করায় ফাইনালের আগের ম্যাচে তাদের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে মুখোমুখি হতে উভয় দলকে শেষ ৩২, শেষ ১৬ ও কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পেরোতে হবে। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা যদি নকআউটের তিন ম্যাচেই জয় লাভ করে তবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লাতিন আমেরিকান ক্লাসিক দেখা যাবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।

    গ্রুপপর্বে দারুণ ছন্দে ছিল আর্জেন্টিনা। আলজেরিয়াকে ৩-০ ও অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে সবার আগে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির দল। শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ ‘এইচ’-এর রানার্সআপ।

    অন্যদিকে, কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও পরের দুই ম্যাচে হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়েছে। গোল ব্যবধানে মরক্কোকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে সেলেসাওরা। শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্সআপ, যা হতে পারে নেদারল্যান্ডস, সুইডেন কিংবা জাপান।

    ফুটবল ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ১০৬টি অফিসিয়াল ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা জিতেছে ৪১টি, ব্রাজিল ৩৯টি, আর ২৬টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবশ্য এই লড়াইয়ে এগিয়ে আর্জেন্টিনাই।

  • পে-স্কেল: সচিব কমিটির বৈঠকে যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে

    পে-স্কেল: সচিব কমিটির বৈঠকে যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে

    পে-স্কেল সংক্রান্ত সচিব কমিটির বুধবারের (২৪ জুন) বৈঠক থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    গত ১৮ জুন অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির মিটিংয়ে পে-স্কেলের কিছু অমীমাংসিত বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

     

    বেতন বৃদ্ধি, গেজেট প্রকাশ, পে-স্কেল বাস্তবায়নের ধাপ নির্ধারণ, ভাতা বৃদ্ধি, বেতন বৈষম্য নিরসন এবং কারিগরি ও আইনি জটিলতা দূরীকরণসহ নানা বিষয়ে এ বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

     

    মঙ্গলবার (২৩ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, সচিব কমিটির প্রাথমিক প্রস্তাবনা অনুযায়ী তিন ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হলেও এটি দুই ধাপে করা যায় কিনা সে বিষয়ে আলোচনা হবে।

     

    কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে এমন আলোচনা এসেছে। দুই ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে আগামী ১ জুলাই থেকে শতভাগ বেসিক বাড়বে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা কত টাকা বাড়বে সেটিও আলোচনা করা হবে।

     

     

    এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, বুধবার সচিব কমিটির সভা হওয়ার দিন রয়েছে। সভায় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

     

    সচিবালয়ে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন পুনর্গঠিত সচিব কমিটির সব সদস্যকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

  • কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল সেই কবির হোসেন মারা গেছেন

    কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল সেই কবির হোসেন মারা গেছেন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নিয়ে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই ভাইরাল কবির হোসেন মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

    কবির হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

    শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

    গত ১৪ এপ্রিল কবির হোসেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন মহলে তাকে নিয়ে নানা ধরনের প্রচারণা চালায়, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।

    পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তদন্ত করে। তদন্তে কবির হোসেনকে একজন প্রকৃত কৃষক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং নিজ জমিসহ বিভিন্ন কৃষি কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন। তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে তার কৃষক পরিচয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ঘিরে বিতর্কের অবসান ঘটে।

    তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। কবির হোসেনের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

  • বিদায়বেলায় সাবেক ডিসি সারওয়ার আলমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

    বিদায়বেলায় সাবেক ডিসি সারওয়ার আলমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম।

    মঙ্গলবার (২৩ জুন) নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

    ‘বিদায় সিলেট। ভালো থাকুন সিলেটবাসী। আপনাদের ভালোবাসায় আমি ধন‍্য।’

    এদিকে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১টার দিকে তিনি সিলেটের সরকারি বাসভবন ত্যাগ করে বিমানবন্দরের দিকে রওনা দেন। পরে দুপুর ২টার দিকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে তার ঢাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে।

    এর আগে, সোমবার (২২জুন) বিকেল ৫টার দিকে তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। দায়িত্ব ছাড়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

    জানা গেছে, নতুন জেলা প্রশাসক যোগদান না করা পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    উল্লেখ্য, গত রোববার (২১ জুন) সরকার মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করে। আজই তার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদানের কথা রয়েছে।

  • নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হচ্ছে কারা? দেখেনিন সমীকরণ

    নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হচ্ছে কারা? দেখেনিন সমীকরণ

    অস্ট্রিয়াকে হারিয়েই পরের রাউন্ডের টিকিটটা কেটে ফেলেছিল আর্জেন্টিনা। আলজেরিয়া জর্ডানকে হারানোয় এক ম্যাচ হাতে রেখে গ্রুপসেরার তকমাটাও পেয়ে গেছে আলবিসেলেস্তিরা। গ্রুপ সেরা হওয়ার পর থেকেই নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কে হচ্ছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা।

    টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, ‘জে’ গ্রুপের রানার আপ দল মুখোমুখি হবে ‘এইচ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল। সে হিসেবে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছে উরুগুয়ে বা কেপ ভার্দে।

     

    ‘এইচ’ গ্রুপে অবশ্য কোনো পজিশনই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। শেষ দুই ম্যাচে এই গ্রুপের শীর্ষ দল চূড়ান্ত হবে। ওই দুই ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে। কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে সৌদি আরব। কাগজে-কলমে এই চার দলেরই আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

     

    গ্রুপের শেষ ম্যাচে উরুগুয়ে যদি স্পেনকে হারিয়ে দেয় এবং কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের ম্যাচটি ড্র হয়, তাহলে গ্রুপ রানার আপ হবে স্পেন। সেক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে স্পেন। উরুগুয়ে যদি স্পেনকে হারায় এবং অন্য ম্যাচে সৌদি আরব কেপ ভার্দেকে হারিয়ে দেয়, সেক্ষেত্রেও আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে স্পেন।

     

    ‘এইচ’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিল:

     

    দলম্যাচ জয় হারড্রপয়েন্টস্পেন২১০১৪উরুগুয়ে২০০২২কেপ ভার্দে ২০০২২সৌদি আরব২০১১১

     

    অন্যদিকে, স্পেন যদি উরুগুয়েকে হারিয়ে দেয় এবং একই সঙ্গে কেপ ভার্দে সৌদি আরবকে হারায়, সেক্ষেত্রে গ্রুপ রানার আপ হিসেবে কেপ ভার্দে খেলবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। স্পেন যদি উরুগুয়েকে হারায় এবং অন্য ম্যাচে কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের খেলাটি ড্র হয়, সেক্ষেত্রেও গ্রুপ রানার আপ হিসেবে কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলবে শেষ ৩২।

     

    গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্পেন যদি উরুগুয়েকে হারিয়ে দেয় এবং সৌদি আরব হারিয়ে দেয় কেপ ভার্দেকে, সেক্ষেত্রে সৌদি আরব হতে পারে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ। এছাড়া, স্পেন ও উরুগুয়ে ম্যাচটি ড্র এবং অন্য ম্যাচে সৌদি আরব জয় পেলেও আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হতে পারে সৌদি। 

     

    শেষ ৩২–এর এর এই ম্যাচটি হবে আগামী ৪ জুলাই মায়ামিতে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায়।

  • মেসি-রোনালদোকেই সেরা মানেন এমবাপ্পে

    মেসি-রোনালদোকেই সেরা মানেন এমবাপ্পে

    বিশ্ব ফুটবলের বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে হলেও নিজের নামকে সবার ওপরে রাখতে রাজি নন তিনি। এক সংবাদ সম্মেলনে ফ্রান্স অধিনায়ক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তার কাছে এখনও ফুটবলের সেরা দুই খেলোয়াড় লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

    বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এমবাপ্পে নিজের নাম আলোচনার বাইরে রেখে মেসি ও রোনালদোর প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে গোল্ডেন বুটের লড়াই কিংবা বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা নিয়েও খুব বেশি আগ্রহ দেখাননি তিনি।

    তার মতে, ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে ফ্রান্সকে আরেকটি বিশ্বকাপ জেতানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    সংবাদ সম্মেলনে এমবাপ্পে বলেন, ‘মেসিই সেরা খেলোয়াড়, পাশাপাশি রোনালদোও। বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার। আমি শুধু আমার দলকে আরেকটি বিশ্বকাপ জিততে সাহায্য করতে চাই। বাকিটা সাংবাদিকদের আলোচনার বিষয়। এই মুহূর্তে আমি হালান্ডকে নিয়ে ভাবছি না। হয়তো তারা আমাদের নিয়ে ভাবছে, কিন্তু আমি ভাবছি ইরাক ম্যাচ নিয়ে।’

    মেসির দীর্ঘ ক্যারিয়ার ও ধারাবাহিকতা নিয়েও কথা বলেন ফরাসি অধিনায়ক। তিনি বলেন, মেসি যা করে দেখিয়েছেন তা অসাধারণ। তবে এসব তুলনা ও বিতর্ক নিয়ে তিনি মাথা ঘামান না। তার একমাত্র লক্ষ্য বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তোলা।

    এক প্রশ্নের জবাবে এমবাপ্পে মজার ছলে বলেন, ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত খেলার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। তিনি বলেন, ‘আমি ৪০ বছর বয়সে এখানে থাকব না। তার আগেই আমাকে বের করে দেওয়া হবে। আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি ভাবি না, বর্তমান সময়টাকেই উপভোগ করতে চাই।’

    বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা নিয়েও মন্তব্য করেন এমবাপ্পে। তিনি বলেন, এমন অর্জন অবশ্যই আনন্দের, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলকে জিততে সাহায্য করা। মেসিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম লিও গোল করবে, কারণ তিনি সব সময়ই গোল করেন। আমি তার পেছনে আছি, কিন্তু আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিশ্বকাপ জেতা।’

    ব্যক্তিগত অর্জনের বাইরে আধুনিক ফুটবলের কৌশলগত পরিবর্তন নিয়েও কথা বলেন এমবাপ্পে। তার মতে, যে দল জেতে, তারাই ফুটবলের নতুন ধারা তৈরি করে। একসময় বার্সেলোনার বল দখলভিত্তিক ফুটবল অনুসরণ করা হতো, পরে রিয়াল মাদ্রিদের ধারা এসেছে, আর এখন অনেকেই পিএসজির কাউন্টার-প্রেসিং কৌশল অনুসরণ করছে। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্লাব ফুটবলের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা বলে মনে করেন তিনি।

    এদিকে বিশ্বকাপে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে ইরাকের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে লে ব্লুরা। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন এমবাপ্পে। নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরাকের বিপক্ষেও তার দিকেই তাকিয়ে থাকবে ফরাসি সমর্থকরা।

  • বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে যে রাউন্ডে যাদের পেতে পারে আর্জেন্টিনা!

    বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে যে রাউন্ডে যাদের পেতে পারে আর্জেন্টিনা!

    বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখার অভিযানে আলজেরিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে শুভসূচনা করে আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় ম্যাচে আজ (সোমবার) তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া। গ্রুপপর্বে আরেক ম্যাচ বাকি থাকলেও এখন থেকেই দ্বিতীয় রাউন্ড বা রাউন্ড অব ৩২–এর হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে গেছে। যেখানে মেসি-আলভারেজরা খেলবে ‘এইচ’ গ্রুপের দলের সঙ্গে।

    গতকাল (রোববার) সৌদি আরবের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ে স্পেন ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘এইচ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে। সেই গ্রুপের আরেক ম্যাচে কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করায় ২ ম্যাচ শেষে উরুগুয়ের সংগ্রহ ২ পয়েন্ট। কেপ ভার্দেরও সমান ২ পয়েন্ট, আর এশিয়ার প্রতিনিধি সৌদি আরব ১ পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে রয়েছে।

    স্পেন-উরুগুয়ের ‘এইচ’ গ্রুপের দিকে বিশেষ নজর রাখছে আর্জেন্টিনা। কারণ ২০২৬ বিশ্বকাপে তারা যদি নিজেদের ‘জে’ গ্রুপে প্রথম বা দ্বিতীয় হয়ে শেষ করতে পারে, তাহলে শেষ ৩২–এ তাদের প্রতিপক্ষ হবে ‘এইচ’ গ্রুপের দল। আর্জেন্টিনার লক্ষ্য থাকবে ‘জে’ গ্রুপের প্রথম দুই দলের মধ্যে থাকা। অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে জয় পেলেই তাদের সেই অবস্থান নিশ্চিত হবে। সেরকম কিছু না হলেও আরও বেশ কিছু সমীকরণে তারা প্রথম দুইয়ে থেকে পরের পর্বে উঠতে পারে।

    বিজ্ঞাপন

    অন্যদিকে, যদি আর্জেন্টিনা নিজেদের গ্রুপে তৃতীয় হয়, তাহলে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ‘ডি’, ‘জি’, ‘এল’, ‘বি’ ও ‘কে’ গ্রুপের শীর্ষ কোনো দল। আর্জেন্টিনা ‘জে’ গ্রুপের প্রথম দুইয়ের মধ্যে থাকলে, তাদের নজর থাকবে ‘এইচ’ গ্রুপের শেষ দিনের ফলাফলের দিকে। কারণ ওই দিনের ম্যাচগুলোই নির্ধারণ করবে তাদের প্রতিপক্ষ। শেষ দিনে মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে-স্পেন এবং কেপ ভার্দে-সৌদি আরব। ম্যাচ দুটি হবে শনিবার ভোর ৬টায়।

    যেভাবে নির্ধারিত হবে দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ

    আর্জেন্টিনা ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হলে–

    বিজ্ঞাপন

    উরুগুয়ে জিতলে এবং কেপ ভার্দে ড্র বা হারলে, আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে স্পেন।

    উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে উভয়েই জিতলে, যারা গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকবে তারা হবে দ্বিতীয় এবং আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে সেই দল। বর্তমানে দুই দলেরই গোল ব্যবধান ০। গোল ব্যবধান সমান থাকলে বেশি গোল করা দল এগিয়ে থাকবে (বর্তমানে দুই দলেরই গোল +২)। এরপরও সমতা থাকলে ফেয়ার প্লে রেকর্ড বিবেচনা করা হবে। বর্তমানে কম হলুদ কার্ডের কারণে উরুগুয়ে এগিয়ে।

    দুই ম্যাচই ড্র হলে আগের নিয়মেই হিসাব হবে। তবে তখন উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে প্রথম হওয়ার জন্য নয়, দ্বিতীয় হওয়ার জন্য লড়বে।

    কেপ ভার্দে ৪ গোলের কম ব্যবধানে জিতলে এবং উরুগুয়ে ড্র করলে, আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে কেপ ভার্দে। কেপ ভার্দের জয়ের ব্যবধান ৪ গোল হলে, গোলসংখ্যা বা ফেয়ার প্লে– সব হিসাবেই স্পেনের সঙ্গে সমতায় যেতে পারে। আবার কেপ ভার্দে ৪ বা তার বেশি গোলে জিতলে এবং উরুগুয়ে ড্র করলে, আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে স্পেন (রানার্সআপ হিসেবে)।

    উরুগুয়ের বিপক্ষে সৌদি আরব জয় পেলে, আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে সৌদি আরব।

    বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য গতিপথ

    যদি লিওনেল স্কালোনির দল নিজেদের গ্রুপের শীর্ষে থেকে শেষ করে, তাহলে শেষ ৩২–এ তাদের সামনে আসবে ‘এইচ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দল। বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী– শেষ ষোলো থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পথে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে প্যারাগুয়ে বা অস্ট্রেলিয়া। পরে ‘ডি’ ও ‘জি’ গ্রুপের দ্বিতীয় দলগুলোর মধ্যকার লড়াই থেকে ইরান বা মিসরের মতো দলের মুখোমুখি হতে পারে তারা।

    এক্ষেত্রে ২০২৬ বিশ্বকাপের নতুন নকআউট নিয়ম বা অলিম্পিক পদ্ধতির টাইব্রেকিং ব্যবস্থাও বিবেচনায় রাখতে হবে। একই পয়েন্টে থাকা দলগুলোর অবস্থান নির্ধারণ হবে– মুখোমুখি ম্যাচে বেশি পয়েন্ট, মুখোমুখি ম্যাচে বেশি গোল ব্যবধান, মুখোমুখি ম্যাচে বেশি গোল, পুরো গ্রুপ পর্বের গোল ব্যবধান, গ্রুপ পর্বে মোট বেশি গোল, কম লাল কার্ড, কম হলুদ কার্ড ও ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থানের ভিত্তিতে।

    কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসতে পারে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। তারা সম্ভবত কলম্বিয়ার সঙ্গে নিজেদের গ্রুপের শীর্ষস্থান নিয়ে লড়বে। এছাড়া ‘বি’ গ্রুপে থাকা সুইজারল্যান্ড বা কানাডাও সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে, যেখানে রয়েছে কাতার ও বসনিয়াও।

    সেমিফাইনালে স্কালোনির দলের সামনে পড়তে পারে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বা একবারের শিরোপাধারী ইংল্যান্ড। তবে শর্ত হলো, দুই দলকেই নিজেদের গ্রুপে প্রথম হতে হবে।

    অন্যদিকে, এই লাইনআপের অপরপ্রান্তে থাকবে ‘ই’, ‘আই’, ‘এফ’, ‘এইচ’ ও ‘জি’ গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো। অর্থাৎ সম্ভাব্য ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার সঙ্গে জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, স্পেন বা বেলজিয়ামের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যদি না তারা নিজেদের গ্রুপে প্রথম হয়ে ফাইনালে ওঠে।

  • আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়ার কতবার দেখা হয়েছিল, গোল কয়টি ও জয় বেশি কার? দেখেনিন সমীকরণ

    আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়ার কতবার দেখা হয়েছিল, গোল কয়টি ও জয় বেশি কার? দেখেনিন সমীকরণ

    আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার লড়াইয়ের ইতিহাস খুব বেশি নেই। পূর্বে তাদের দেখা হয়েছিল কেবল প্রীতি ম্যাচে এবং সবশেষ লড়াই হয়েছিল ৩৬ বছর আগে।

    ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। ১৯৯০ সালের ৩ মে, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে সেই ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ডিয়েগো ম্যারাডোনার দল। ৩ মিনিটেই মানফ্রেড জাকের গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। আধঘণ্টা পার হতেই হোর্হে বুরুচাগার গোলে সমতা ফেরায় তারা।

    তার আগে ১৯৮০ সালেও বিশ্ব জয়ী আর্জেন্টিনা অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হয়। ভিয়েনাতে সেই প্রীতি ম্যাচে ৬৭ হাজারের বেশি দর্শক এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হয়। ওই ম্যাচে ম্যারাডোনা হ্যাটট্রিক করেছিলেন, যা তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের একমাত্র হ্যাটট্রিক হয়ে রয়েছে। ৩ ও ১০ মিনিটে সান্তিয়াগো সান্তামারিয়া ও লিওপোলদো লুকুয়ে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন আর্জেন্টিনাকে। পাঁচ মিনিট পর ম্যারাডোনা তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম গোল করেন।

    ২০ মিনিটে কুর্ট জারা একটি গোল শোধ দিলে ম্যারাডোনা শেষ অর্ধে আরও দুটি গোল করেন। ক্যারিয়ারের পঞ্চম ম্যাচে প্রথম ও শেষ হ্যাটট্রিক করেন তিনি। ম্যাচটি আর্জেন্টিনা জেতে ৫-১ গোলে। পরে পাঁচবার জোড়া গোল করলেও আর তিন গোলের দেখা পাননি এই আর্জেন্টাইন গ্রেট।

    দুটি প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৬ গোল দিয়ে খেয়েছে দুই গোল। এবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত দলটি জয়ে ফিরতে পারে কি না সেটাই দেখার অপেক্ষা। অবশ্য দুই দলের মধ্যে একটি আনঅফিসিয়াল ম্যাচ হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ২৫ জুন, ১-০ গোলে জিতেছিল অস্ট্রিয়া।