Blog

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, ইভটিজিং প্রতিরোধ, ‘র‍্যাগ ডের’ নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় মনোযোগী করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপের তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত ইমেইলে এসব তথ্য পাঠাতে হবে।

    রোববার (১৫ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিটি মাউশির আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে মাদকের কুফল সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নির্মিত মাদকবিরোধী ডকুমেন্টারি ও থিম সং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    এ ছাড়া ইভটিজিং প্রতিরোধ, ‘র‍্যাগ ডের’ নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধে গৃহীত পদক্ষেপ এবং শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমের অগ্রগতির তথ্য ৩০ মার্চের মধ্যে ইমেইল (director.mew@gmail.com) ঠিকানায় পাঠাতে বলা হয়েছে।

    এ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের নিজ নিজ অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি প্রতিবেদন সংগ্রহ করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী একত্রে কম্পাইল করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে—অঞ্চলের নাম, অঞ্চলের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা, বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের শতকরা হার, বাস্তবায়ন করতে না পারা প্রতিষ্ঠানের শতকরা হার (যদি থাকে), না পারার কারণ এবং প্রয়োজনীয় মন্তব্য।

  • একটানা বসে কাজ করলে যেসব শা’রীরিক স’মস্যা হতে পারে, জেনে নিন

    একটানা বসে কাজ করলে যেসব শা’রীরিক স’মস্যা হতে পারে, জেনে নিন

    অফিসে একটানা চেয়ারে বসে কাজ করতে করতে অনেকের কোমরে বা নিতম্বে তীব্র যন্ত্রণা হয়। চেয়ার ছেড়ে ওঠার সময় যন্ত্রণায় চোখে অন্ধকার দেখেন অনেকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একইভাবে বসে থাকার কারণে নিতম্বের হাড়ের সন্ধিতে ‘বারসাইটিস’ নামের এক ধরনের মারাত্মক প্রদাহের কারণে এটি হয়ে থাকে।

    চিকিৎসকদের মতে, দিনের বেশিরভাগ সময় যদি বসে কাটে, তবে আপনার মেরুদণ্ডে সমস্যা হতে পারে।

    এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ শারীরিক পরিশ্রমের অভাব বা নড়াচড়া না করলে নিতম্বের জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে নিতম্বের পেশি ছোট হয়ে যাওয়া (গ্লুটিয়াল অ্যামনেশিয়া) বা বাতের মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

    কেন নিতম্বের সচলতা (হিপ ফ্লেক্সিবিলিটি) জরুরি?
    ১। কোমরের ব্যথা কমায়: নিতম্বের পেশি শক্ত হয়ে গেলে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে চাপ পড়ে।

    পেশি নমনীয় থাকলে কোমরের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কমে।
    ২। শরীরের ভারসাম্য: পেশি সচল থাকলে হাঁটাচলা বা বসার ভঙ্গি ঠিক থাকে এবং শরীর সহজে ক্লান্ত হয় না।
    ৩। চোটের ঝুঁকি হ্রাস: নিতম্ব সচল থাকলে হাঁটু ও গোড়ালির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না। ফলে বড় ধরনের চোট পাওয়ার ভয় থাকে না।
    ৪। রক্ত সঞ্চালন: শরীরের নিচের অংশে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এই নমনীয়তা অত্যন্ত জরুরি।
    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, টানা বসে কাজ না করে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া এবং হালকা শরীরচর্চা করা এই মরণব্যাধি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।

    সূত্র: আনন্দবাজার

  • সবার আগে ঈদের তারিখ ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া

    সবার আগে ঈদের তারিখ ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া

    অস্ট্রেলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির শীর্ষ ইসলামি সংগঠন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। দিনটি হবে ১৪৪৭ হিজরি সালের ১ শাওয়াল।

    এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং চাঁদ দেখার দায়িত্বে থাকা বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

     

    সংস্থাটি আরও জানায়, চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে শুধু অস্ট্রেলিয়ার পর্যবেক্ষণই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের তথ্য বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর চাঁদ দেখার সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।

     

    ঘোষণা অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে। এর পরদিনই অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।

     
     

    অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল আরও জানায়, রমজান মাসের শুরু ও শেষ নির্ধারণ, শাওয়াল মাসের সূচনা এবং ঈদুল ফিতরের দিন ঠিক করতে অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি ও অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল নির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে সূর্যাস্তের আগে নতুন চাঁদের আবির্ভাব, সূর্যাস্তের পর আকাশে চাঁদ কতক্ষণ দৃশ্যমান থাকতে পারে এবং অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে চাঁদ দেখা সম্ভব কিনা এসব বিষয়।

     

    কাউন্সিলের মতে, এই পদ্ধতি কেবল অস্ট্রেলিয়াতেই নয়, বিশ্বের অনেক স্বনামধন্য বৈজ্ঞানিক ও ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ফিকহভিত্তিক সংগঠনও অনুসরণ করে থাকে। এর মাধ্যমে চাঁদ দেখার বিষয়ে একটি সুসংগঠিত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়।

     

    তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

  • সুখবর পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    সুখবর পাচ্ছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

    এমপিওভুক্ত ৪ লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারীরা ‘ঈদ বোনাস’ পেতে যাচ্ছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের প্রস্তাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী রবিবার (১৫ মার্চ) বোনাসের টাকা পেতে পারেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এরপর তা আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে ইলেকটনিকস ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ছাড় হলেই শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঈদ বোনাস বা উৎসবভাতার টাকা চলে যাবে। সে ক্ষেত্রে আগামী রবিবার (১৫ মার্চ) শিক্ষকরা বোনাসের টাকা পেতে পারেন।

    এবার মোট তিন লাখ ৮৯ হাজার ৭৯৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ঈদ বোনাস বাবদ ৪৫৩ কোটি ২২ লাখ ৭ হাজার ৪২৬ টাকা ছাড় করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র।

    মাউশি পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী জানান, শিক্ষকদের ঈদ বোনাস সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে আমরা সেটি আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে পাঠিয়েছি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড় করতে হবে। এটা করতে এক কর্মদিবস লাগতে পারে।

    বৃহস্পতিবার না পেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা রবিবার থেকে ঈদ বোনাস পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতি প্রায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে জ্বালানির সংকট। এ ছাড়া সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

    ফলে অর্থসংকটে রয়েছে সরকার। এ জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছে সরকার। জানা গেছে, এ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে।

    অবশ্য সেই প্রস্তাব রিভিউ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এর পরে রয়েছে বাজেট অধিবেশন। ইতিমধ্যে সংসদের কার্যপ্রণালী প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছে।

    অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন তাই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন এই বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

    তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, এ জন্য কিছুটা সময় নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এদিকে গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফ ও পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।

    যদিও শিডিউলে দেওয়া তথ্য বলছে, তিনি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান হিসেবে। তবে বৈঠকে পে কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    এদিকে, নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। আমাদের দেখতে হবে মোট অ্যামাউন্ট কত। এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি দক্ষিণ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। সেটা আমরা পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখব।’

    সূত্র জানান, আসছে নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এ প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে সেটা কতখানি সম্ভব হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কেননা সরকারের মধ্যে অর্থসংকট আরো বেড়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসংকট। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে। তবে পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবিদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক এমন পরিস্থিতি তৈরিও করতে চায় না সরকার। ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত পে স্কেল রিভিউও করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে আর্থিক সংকট আরো বেড়েছে। এ যুদ্ধ কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। যুদ্ধ যতটা দীর্ঘায়িত হবে সংকট ততই বাড়বে। এমনিতেই অর্থবছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

    জানা গেছে, রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক সংকট আমলে নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর জন্য একটি কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু আর্থিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের আগে তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি ড. ইউনূস সরকার। তবে পে কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সে অনুযায়ী একটি বেতনকাঠামোর সুপারিশমালা বর্তমান সরকারের কাছে রয়েছে। যেটি রিভিউ করার ঘোষণা দিলেও এখনো শুরু করা হয়নি। তবে বাজেট প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে সেটি রিভিউ করা হতে পারে।

    অবশ্য তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছিলেন, ‘কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সেটা বাস্তবসম্মত। আমরা এটা বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের হাতে দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি সরকার সেটা বিবেচনা করবে। এ ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল সময়োপযোগী একটি বেতনকাঠামো ঘোষণা করা।’

    এদিকে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পে স্কেল নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে যেহেতু সামনে অধিবেশন রয়েছে, তাই সেটা সংসদে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।

    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্য নিয়ে বেতন কমিশন গঠিত হয়। সাবেক অর্থ সচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

    সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • পিছিয়ে যাচ্ছে পে স্কেল বাস্তবায়ন

    পিছিয়ে যাচ্ছে পে স্কেল বাস্তবায়ন

    নির্বাচিত নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাস পেরোনোর আগেই শুরু হয় ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ। এ যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতি প্রায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে জ্বালানির সংকট।

    এ ছাড়া সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে অর্থসংকটে রয়েছে সরকার। এ জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছে সরকার। এ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    অবশ্য সেই প্রস্তাব রিভিউ করারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এর পরে রয়েছে বাজেট অধিবেশন। ইতিমধ্যে সংসদের কার্যপ্রণালি প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছে।

    অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন তাই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন এই বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে। তবে এখনই সব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, এজন্য কিছুটা সময় নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এদিকে গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফ ও পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। যদিও শিডিউলে দেওয়া তথ্য বলছে, তিনি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান হিসেবে। তবে বৈঠকে পে কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেখতে হবে মোট অ্যামাউন্ট কত। এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি দক্ষিণ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। সেটা আমরা পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখব।’

    সূত্র জানান, আসছে নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এ প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে সেটা কতখানি সম্ভব হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কেননা সরকারের মধ্যে অর্থসংকট আরো বেড়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসংকট। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে। তবে পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবিদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক এমন পরিস্থিতি তৈরিও করতে চায় না সরকার। ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত পে স্কেল রিভিউও করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্র জানান, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে আর্থিক সংকট আরও বেড়েছে। এ যুদ্ধ কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। যুদ্ধ যতটা দীর্ঘায়িত হবে সংকট ততই বাড়বে। এমনিতেই অর্থবছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

    জানা গেছে, রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক সংকট আমলে নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর জন্য একটি কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু আর্থিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের আগে তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি ড. ইউনূস সরকার। তবে পে কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সে অনুযায়ী একটি বেতনকাঠামোর সুপারিশমালা বর্তমান সরকারের কাছে রয়েছে। যেটি রিভিউ করার ঘোষণা দিলেও এখনো শুরু করা হয়নি। তবে বাজেট প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে সেটি রিভিউ করা হতে পারে। অবশ্য তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছিলেন, ‘কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সেটা বাস্তবসম্মত। আমরা এটা বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের হাতে দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি সরকার সেটা বিবেচনা করবে। এ ক্ষেত্রে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল সময়োপযোগী একটি বেতনকাঠামো ঘোষণা করা।’ এদিকে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পে স্কেল নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে যেহেতু সামনে অধিবেশন রয়েছে, তাই সেটা সংসদে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।

    গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্য নিয়ে বেতন কমিশন গঠিত হয়। সাবেক অর্থ সচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

    সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • ক’য়েল ছাড়াই ৫ মিনিটে ঘরকে ম’শা মুক্ত রাখার কার্যকরী উপায়

    ক’য়েল ছাড়াই ৫ মিনিটে ঘরকে ম’শা মুক্ত রাখার কার্যকরী উপায়

    ঘরে-বাইরে কোথাও নেই নিস্তার। গরম আবহাওয়ার সঙ্গে বেড়েই চলেছে মশাদের উৎপাত। মশার রোগজীবাণু সংক্রমণের কারণে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। ভয়াবহ মৃত্যুর হারও থামানো যাচ্ছে না। চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, পীত জ্বর, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি মারাত্মক রোগও সংক্রমিত হচ্ছে। মশাদের উৎপাতের কারণে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। স্প্রে, কয়েল, অ্যারোসল কোন কিছুতেই মশা তাড়ানো সহজ নয়। আবার এসব দিয়ে মশা তাড়ালেও আমাদের স্বাস্থ্য এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

    এক গবেষণায় দেখা গেছে, যদি ৮ ঘন্টা আপনি কোন কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে সেটি ১৪০টি সিগারেটের ধোঁয়া উৎপন্ন করে যেটি সরাসরি আপনার মধ্যে শোষিত হয়। যা আপনার হার্ট, ফুসফুস এবং শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকে। এ জন্য সচেতনতা প্রয়োজন আরও বেশি। প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা জরুরী। একনজরে জেনে নিন মশা তাড়ানোর কার্যকরী উপায়-

    কর্পূর

    কর্পূরের গন্ধ মশা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যে কোনও ওষুধের দোকানে বা মুদির দোকান থেকেও কর্পূরের ট্যাবলেট কিংবা গুঁড়া কিনে আনতে পারেন। একটি কর্পূরের টুকরা একটি ছোটো পাত্রতে রেখে সেটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এর পর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘর থেকে মশা গায়েব হয়ে যাবে। দু’দিন পর পাত্রের পানির পরিবর্তন করুন। পাত্রে রাখা আগের পানি ফেলে দেবেন না। এই পানি ঘর মোছার কাজে ব্যবহার করলে ঘরে পিঁপড়ের উপদ্রব থেকেও মুক্তি পাবেন।

    লেবু ও লবঙ্গ

    একটি লেবু দুই টুকরা করে কেটে নিন। এর পর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে বেশ কয়েকটা করে লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা গেঁথে শুধুমাত্র মাথার দিকের অংশ বাইরে রেখে লবঙ্গ গেঁথে দিন। এর পর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে রেখে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতেই বেশ কয়েকটা দিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এই পদ্ধতিতে মশা ঘরের ধারেকাছে ঘেঁসবে না একেবারেই। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতেও মশার ঘরে ঢোকার পথ বন্ধ হবে।

    জৈবিক প্রক্রিয়া

    প্রথমে আপনাকে একটি মাটির প্রদীপ নিয়ে নিতে হবে এবং তার মধ্যে দিতে হবে এক চামচ রসুন বাটা । এবং তার মধ্যে যোগ করতে হবে কিছুটা পরিমাণ তেজপাতা গুঁড়া এবং সামান্য পরিমাণ কর্পূর গুঁড়া। সমস্ত উপকরণগুলোকে ভাল করে মিশিয়ে তার মধ্যে দিয়ে দিন সরিষার তেল । যাতে সমস্ত উপকরণগুলো সরিষার তেলের মধ্যে নিমজ্জিত অবস্থায় থাকে । এরপর একটি সলতে যোগ করে দিন তার মধ্যে । এবং প্রদীপটি ধরিয়ে দিন । এর ফলে যে ধোঁয়া নির্গত হবে সেখান থেকে আপনার বাড়ির আনাচে-কানাচে থাকা মশা বাড়ির বাইরে চলে যাবে । এতে আপনার শরীরও কিছু ক্ষতি হবে না।

    নিমের তেলের ব্যবহার

    নিমের মশা তাড়ানোর বিশেষ একটি গুণ রয়েছে। নিমের তেল ত্বকের জন্যও বেশ ভালো। তাই একসাথে দুটি উপকার পেতে ব্যবহার করতে পারেন নিমের তেল। সমপরিমাণ নিমের তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। দেখবেন মশা আপনার ধারে কাছে ভিড়বে না এবং সেই সাথে ত্বকের অ্যালার্জি, ইনফেকশন জনিত নানা সমস্যাও দূর হবে।

    পুদিনার ব্যবহার

    ছোট গ্লাসে একটু পানি নিয়ে তাতে ৫ থেকে ৬ গাছি পুদিনা রেখে দিন খাবার টেবিলে। ৩ দিন অন্তর পানি বদলে দেবেন। জার্নাল অফ বায়োরিসোর্স টেকনোলোজির গবেষণা মতে তুলসির মতো পুদিনা পাতারও রয়েছে মশা দূরে রাখার ক্ষমতা। শুধু মশাই নয় পুদিনার গন্ধ অনেক ধরণের পোকামাকড়কে ঘর থেকে দূরে রাখে। পুদিনা পাতা ছেঁচে নিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এই পানির ভাপ পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন ঘরের সব মশা পালিয়েছে। চাইলে পুদিনার তেলও গায়ে মাখতে পারেন।

    টবে লেমন গ্রাস লাগান

    থাই লেমন গ্রাসে আছে ‘সাইট্রোনেলা অয়েল’ যা থেকে বের হয় একধরনের শক্তিশালী সুগন্ধ। এই সুগন্ধ কিন্তু মশাদের যম। মশারা এর কাছেও ঘেঁষে না। ফলে আপনার আশেপাশে লেমন গ্রাসের ঝাঁড় থাকলে মশারা আপনাকে খুঁজে পাবে না। আর লেমন গ্রাস দেখতেও কিন্তু মন্দ নয়। এমনসব স্থানে এসব গাছের টব রাখুন যেখানে সকাল বিকাল কিংবা রাতে পরিবারের অন্যদের নিয়ে কিংবা বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা বা সময় কাটান। এভাবে থাকুন মশা মুক্ত।

    ধুনোর সঙ্গে নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়া

    প্রতিদিন নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়া ধুনোর সঙ্গে ব্যবহার করলে মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

    হলুদ বৈদ্যুতিক আলো

    ঘরের মধ্যে মশার উৎপাত কমাতে চাইলে, ঘরের বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ আলো থেকে দূরে থাকতে চায়। এছাড়া ঘরে এবং ঘরের বাইরে লাইট বাল্বগুলো পরিবর্তন করুন। মশারা সাধারণত সব লাইটের প্রতি আকৃষ্ট হয় না। এলইডি লাইট, হলুদ ‘বাগ লাইট’, বা সোডিয়াম লাইট এক্ষেত্রে উপকারী। এগুলো জ্বালালে সন্ধ্যাবেলা ঘরে বাইরে মশাদের আক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে।

    চা-পাতা পোড়ান

    ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভাল করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় ঘরের সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।

    নিমপাতা পোড়ান

    কয়লা বা কাঠ-কয়লার আগুনে নিমপাতা পোড়ালে যে ধোঁয়া হবে তা মশা তাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর।

    ক্যাটনিপ অয়েল

    ক্যাটনিপ অয়েলের নেপেটালেকটন নামক পদার্থ মশা তাড়াতে ডিথাইল-মেটাটোলোয়ামাইড থেকে প্রায় ১০ গুন বেশি শক্তিশালী। ক্যাটনিপ অয়েল মাখালে মশারা ধারে কাছেও ঘেঁষবে না।

    ফ্যান চালু রাখুন

    মশারা খুবই হালকা। অন্যদিকে একটি ফ্যানের স্পীড ঘন্টায় প্রায় দুই মাইল। মশাদের উড়বার গতিবেগের চাইতে ফ্যানের ঘুরবার গতি অনেক বেশি হওয়াতে সহজেই মশাদের ব্লেডের কাছে টেনে নেয়। আপনার বসার স্থান কিংবা ডেক বা যেসব স্থান থেকে মশারা খুব সহজে আপনার গৃহে প্রবেশ করতে পারে, এমনসব স্থানে মশাদের আগমন সময়ে আপনার টেবিল ফ্যান বা পেডাল ফ্যানটি চালু রাখুন। মশাদের হাত থেকেও যেমন নিস্কৃতি পাবেন তেমনি গরমেও পাবেন আরাম।

    কালো, নীল ও লাল কাপড় এড়িয়ে চলুন

    মশাদের পছন্দের রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন। কি অবাক হচ্ছেন! কিছু কিছু প্রজাতির মশারা কয়েকটি গাঢ় রঙের প্রতি আকৃষ্ট হয় যেমন কালো, নীল আর লাল। আর তারা গরমের প্রতিও সংবেদনশীল। তাই ঠান্ডা রাখুন ঘর আর পোষাক পড়ুন হালকা রঙের।

    নারিকেলের আঁশ পোড়ান

    নারিকেলের গায়ে থাকা আঁশের সাহায্য দূর করতে পারেন মশা। নারিকেলের আঁশ শুকিয়ে টুকরা করুন। একটি কাঠের পাত্রে রেখে জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি ধরুন। ৫-৬ মিনিটের মধ্যেই মশা দূর হবে।

    কেরোসিন তেল স্প্রে

    কেরোসিন তেল স্প্রে বোতলে নিন। কয়েক টুকরা কর্পূর মেশান। ভালো করে ঝাঁকিয়ে স্প্রে করুন রুমে। মশা থাকবে না।

    সুগন্ধি ব্যবহার করুন

    মশারা সুগন্ধি থেকে দূরে থাকে। সুতরাং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে আতর, সুগন্ধি, কিংবা লোসন মেখে শুতে পারেন। নিশ্চিত করে বলা যায় এতে মশা সাধারণ থেকে অনেক কম দেখা যাবে।

    রসুনের স্প্রে করুন

    রসুনের স্প্রে মশা তাড়াতে খুবই কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায়। ৫ ভাগ পানিতে ১ ভাগ রসুনের রস মেশান। মিশ্রণটি একটি বোতলে ভরে শরীরের যেসব স্থানে মশারা কামড়াতে পারে সেসব স্থানে স্প্রে করুন। এতে করে যে কোন ধরণের রক্ত চোষারা আপনার ধারে কাছেও আসবে না।

    জমানো পানি থেকে দূরে থাকুন

    খেয়াল রাখুন যেন কোথাও জল জমে না থাকে। ঘরের আনাচে-কানাচে কিংবা উঠোনে পানি জমে থাকলে সেখানে মশারা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই যেখানেই পানি জমুক না কেন, তা সরিয়ে ফেলুন। মশার বংশবিস্তার রোধ করুন।

  • আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘ধন্যবাদ বিএনপিকে অতি উৎসাহী মামলাবাজকে শোকজ করার জন্য। আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধরনের অযথা অশান্তির সৃষ্টি আর করবেন না।’

    রবিবার (৮ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেছেন।

    এর আগে আরেক স্ট্যাটাসে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সংযমের এই পবিত্র মাসে আসুন আমরা ধৈর্য ও শান্তির পথে চলি। সবাই শান্ত থাকুন।

    তারও আগে, রবিবার বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন স্কুল মাঠে এনসিপি বরিশাল বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মোনাজাতে মির্জা আব্বাসকে ইঙ্গিত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘আপনাকে গোনার টাইম নেই। ভদ্র হতে শিখুন।

    আমরা সভ্য সমাজে বসবাস করি, অসভ্য আচরণ করবেন না। অসভ্য আচরণ যদি করেন, কিভাবে আপনাকে সভ্য করতে হয়, তা আমাদের জানা আছে।’

    তিনি আরও বলেছেন, ‘আপনি (মির্জা আব্বাস) ঢাকা-৮ আসনে ফেল করেছিলেন। তারেক রহমান নিজে এসে আপনাকে রক্ষা করেছেন।

    এখনো সময় আছে ভদ্র হোন, আপনাদের কিভাবে সোজা করতে হয় তা আমাদের জানা আছে।’

  • প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা বললেন হাদি হ’ত্যার প্রধান আ’সামি ফয়সাল

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা বললেন হাদি হ’ত্যার প্রধান আ’সামি ফয়সাল

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ)। এ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে আলমগীর হোসেন নামে আরো একজনকে।

    আজ রবিবার (৮ মার্চ সন্ধ্যায়) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পোস্টে তারা এফটিএফের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি তুলে ধরেছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনের পরিচয় হিসেবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে যে, তারা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এরপর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে।

    ভারতের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় এসে অবস্থান নেয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা আবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিল। এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

  • যেভাবে গ্রে’প্তার হলেন হাদী হ’ত্যার প্রধান আ’সামি

    যেভাবে গ্রে’প্তার হলেন হাদী হ’ত্যার প্রধান আ’সামি

    অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ। এ সময় তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    এসটিএফ জানায়, গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। তারা সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় অবস্থান করছিলেন এবং সুযোগ পেলেই আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। 

    এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭ মার্চ রাত ও ৮ মার্চ ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), যিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), ঢাকার বাসিন্দা।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তারা পালিয়ে যান এবং মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। 

    পরে ভারতের বিভিন্ন স্থান ঘুরে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন এবং সেখান থেকে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

    এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আটক দুজনকে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আদালত আটক দুই আসামির ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানা গেছে।