Blog

  • একাদশে ভর্তি কোন পদ্ধতিতে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    একাদশে ভর্তি কোন পদ্ধতিতে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও থাকছে না কোনো নতুন পদ্ধতি। পুরোনো নিয়মেই মার্ক বা জিপিএর ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পুরোনো পদ্ধতি অর্থাৎ মার্ক বা জিপিএ পদ্ধতিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

    অনুষ্ঠানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃনিরীক্ষণের পাশাপাশি খাতা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগও থাকবে বলে জানান এহছানুল হক মিলন। মন্ত্রী জানান, আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পরীক্ষা করে কোনো ভুলত্রুটি পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না। বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইনে খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে সেই পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    এর আগে সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। প্রকাশিত ফলে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পাস করেছে ৬২.২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী।

  • মানবিক বিভাগে প্রতি ১০০ ছাত্রে ফেল ৫৯ জন

    মানবিক বিভাগে প্রতি ১০০ ছাত্রে ফেল ৫৯ জন

    চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে ছেলেদের ফলাফলে বড় ধরনের অবনমন দেখা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

    চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে ছেলেদের ফলাফলে বড় ধরনের অবনমন দেখা গেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাশের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ। অর্থাৎ এই বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে প্রায় ৫৯ জনই পাশ করতে পারেনি।

    সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

    ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তিনটি বিভাগের মধ্যে মানবিকেই ছাত্রদের পাশের হার সবচেয়ে কম। এ বিভাগে ছাত্রীদের পাশের হার অবশ্য তুলনামূলকভাবে বেশি—৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ মানবিক বিভাগে ছাত্রীদেরও প্রতি ১০০ জনে প্রায় ৪৬ জন পাশ করতে পারেনি।

    মানবিক বিভাগের ছাত্র ও ছাত্রীদের পাশের হারের ব্যবধান ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। অর্থাৎ একই বিভাগে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো ফল করেছে। 

  • নতুন নিয়মে এসএসসি খাতা চ্যালেঞ্জ করবেন যেভাবে

    নতুন নিয়মে এসএসসি খাতা চ্যালেঞ্জ করবেন যেভাবে

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রতি বিষয়ের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা।

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠি অনুযায়ী, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ১৭ আগস্টের মধ্যে।

    আবেদন প্রক্রিয়া
    আবেদনের জন্য প্রথমে rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে এবং তালিকা থেকে নিজের বোর্ড বেছে নিতে হবে। এরপর সাবমিট করে একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেখানে পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।

    এরপরের ধাপে শিক্ষার্থী তার বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখতে পাবে এবং যে বিষয় বা বিষয়গুলোর ফল পুনরায় যাচাই করাতে চায়, তা নির্বাচন করে ফি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। দুই পত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে। 

    ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ বা সোনালী সেবার মাধ্যমে, এবং সংশ্লিষ্ট পোর্টালেই ফি প্রদানের বিস্তারিত নির্দেশনা পাওয়া যাবে। ফি দেওয়ার পর নির্দিষ্ট বাটনে ক্লিক করে আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।

    গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্ত
    একবার ফি দিয়ে আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন বিষয় যোগ করা গেলেও, সেক্ষেত্রে আবার মোবাইল নম্বর দিতে হবে না।

    ফি পরিশোধের আগে আবেদনে কোনো পরিবর্তন আনতে চাইলে নির্বাচিত (অপরিশোধিত) বিষয়গুলো বাতিল করে নতুন করে বিষয় বাছাই করা যাবে।

    তবে একবার ফি জমা দেওয়া হয়ে গেলে সেই আবেদন আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না এবং কোনো পরিস্থিতিতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।

    কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না — পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনেই সম্পন্ন করতে হবে।

  • ফেলের হার বেশি হওয়ার কারণ জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান

    ফেলের হার বেশি হওয়ার কারণ জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান

    ইংরেজি ও গণিত—এই দুটি বিষয়ের কারণে পরীক্ষায় ফেলের হার বাড়ে এবং পাসের হার কমে যায় বলে মন্তব্য করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

    সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘সকল বোর্ডের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখেছি, আমরা যখন পরীক্ষা দিয়েছি তখন থেকে এখন পর্যন্ত ইংরেজি ও গণিত—এই দুটি বিষয়ে ফেলের হার বাড়ে এবং পাসের হার কমে।’

    সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারাদেশে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

    অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার গড় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

  • এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ কবে থেকে, আবেদন করবেন যেভাবে

    এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ কবে থেকে, আবেদন করবেন যেভাবে

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন থেকেই ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। আগামী ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে এ আবেদন চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। অনলাইনে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

    শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে।

    এ জন্য https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd -এ গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে।

    পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ হলে এ নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

    প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে। দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে প্রদেয় ফিয়ের পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবা-এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো ওপরে দেওয়া পোর্টালের ‘হেয়’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

    এ ছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনো ফি দেওয়া হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

    তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

  • ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউই পাস করেনি

    ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউই পাস করেনি

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

    বিজ্ঞাপন

    এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২২৬টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া বিদেশ কেন্দ্রের মধ্যে একটিতে কেউই পাস করেনি।

    সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ছিল।

  • অপেক্ষায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী, যেভাবে জানবেন এসএসসির ফল

    অপেক্ষায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী, যেভাবে জানবেন এসএসসির ফল

    দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হচ্ছে আজ। চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ করা হবে। সকাল ১০টার পর থেকে মোবাইল ফোনে এসএমএস, শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

    ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।

    এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    যে কোনো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফলাফল জানতে এসএসসি স্পেস বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস রোল নম্বর স্পেস পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে।

    এসএসসির ফল ১০ আগস্ট, যে ৩ উপায়ে জানা যাবে

    সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে হবে। এ জন্য ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএনের মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে এসএমএসের পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।

    তারা শিক্ষা বোর্ডগুলোর অভিন্ন ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে রোল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।

    ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে তিন লাখ চার হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

    রেওয়াজ অনুযায়ী, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়।

    এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। সেই হিসাবে এ বছর ফলাফল প্রকাশে কিছুদিন বেশি সময় লাগল।

    যদিও আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত ২০ জুলাই ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানানো হয়েছিল; কিন্তু অনিবার্য কারণে সেই সময় ফলাফল প্রকাশ না করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

  • খা’দ্য তালিকায় কেন রাখবেন পু’দিনা পাতা, জানুন এর স্বা’স্থ্য উ’পকা’রিতা

    খা’দ্য তালিকায় কেন রাখবেন পু’দিনা পাতা, জানুন এর স্বা’স্থ্য উ’পকা’রিতা

    রান্নাঘরের অত্যন্ত পরিচিত ভেষজ পাতা পুদিনা শুধু খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতেই নয়, নানা স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্যও সমানভাবে পরিচিত। সালাদ, শরবত, চাটনি কিংবা বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহৃত এই পাতা হজমশক্তি উন্নত করা, মানসিক চাপ কমানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পুদিনায় থাকা প্রাকৃতিক উপাদান মেনথল পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে। ফলে বদহজম, গ্যাস, পেট ফাঁপা এবং পেটব্যথার মতো সাধারণ হজমজনিত সমস্যা কিছুটা উপশম হতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, পেপারমিন্ট তেল ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস)-এর কিছু উপসর্গ কমাতেও কার্যকর হতে পারে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে পুদিনা খেলে পাচক রসের নিঃসরণ বাড়ে, অ্যাসিডিটির প্রবণতা কমে এবং হজমপ্রক্রিয়া আরও স্বাভাবিক থাকে।

    মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও পুদিনার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, পেপারমিন্ট তেলের সুগন্ধ উদ্বেগ, মানসিক চাপ ও ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করতে পারে। এ কারণে অ্যারোমাথেরাপিতেও পুদিনার ব্যবহার জনপ্রিয়। এর সতেজ ঘ্রাণ শরীরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা মনকে শান্ত ও সতেজ রাখতে ভূমিকা রাখে।

    মুখের স্বাস্থ্য রক্ষাতেও পুদিনা কার্যকর। তাজা পুদিনা পাতা চিবালে মুখের দুর্গন্ধ কমে, লালারসের নিঃসরণ বাড়ে এবং এর প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখের জীবাণু ও মাড়ির বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া খুসখুসে কাশি, সর্দি কিংবা বুকে জমে থাকা কফের অস্বস্তি কমাতে পুদিনা চা বা গরম পানির সঙ্গে পুদিনার ভাপ কিছুটা আরাম দিতে পারে।

    তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পুদিনা উপকারী হলেও এটি কোনো রোগের বিকল্প চিকিৎসা নয়। দীর্ঘদিন ধরে হজমের সমস্যা, শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত জটিলতা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    এ ছাড়া পুদিনায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে সতেজ রাখে, গরমে পানিশূন্যতা কমাতে সহায়ক, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং কিছু গবেষণায় স্মৃতিশক্তি উন্নত করার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকাতেও পুদিনা রাখা যেতে পারে।

    তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, যাদের অ্যাসিড রিফ্লাক্স, বুকজ্বালা, হাইটাল হার্নিয়া বা পিত্তথলির সমস্যা রয়েছে, তাদের নিয়মিত বা অতিরিক্ত পেপারমিন্ট গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তাই উপকার পেতে পরিমিত পরিমাণে এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পুদিনা খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

  • রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল

    রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল

    দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে ১১-দলীয় জোট। জোট থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করা হয়েছে।

    আজ রবিবার দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বৈঠক শেষে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।

    বৈঠক শেষে জোটের অন্যতম শরিক এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। এসময় জোটের অন্য শরিক দলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।

    আগামী ২০ অগাস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ রেখে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা ১৩ অগাস্ট মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৬ অগাস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে এবং ১৮ অগাস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

    মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ও সমর্থক হতে হবে সংসদ সদস্যকে।

    এক প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন, বাছাইয়ে একটি চূড়ান্ত হবে। ভোট হবে ২০ অগাস্ট সংসদ অধিবেশন কক্ষে।

  • জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ

    জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ

    ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা এক সপ্তাহ এগিয়ে আনা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) অনুষ্ঠিত আন্ত শিক্ষা বোর্ডের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

    তিনি বলেন, ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। শীতকালীন ছুটির কারণে পরীক্ষার সূচি এগিয়ে আনা হয়েছে।

    আগামী ২০ ডিসেম্বর শীতকালীন ছুটি শুরু হবে। এর আগে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শেষ করতে চায় শিক্ষা বোর্ড।

    তবে পরীক্ষার ফল কবে প্রকাশ করা হবে, তা নিয়ে সভায় কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি ও ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানানো হয়েছিল।

    ওই সূচি অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। আর ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল।