Blog

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে ঘা’ড়ে ব্য’থা হয়, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে ঘা’ড়ে ব্য’থা হয়, জেনে নিন

    আপনার শরীরে দুটি ভিটামিনের যে কোনো একটির অভাব হলেই ঘাড় কিংবা কাঁধের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া, কামড়ানো কিংবা অবশ ভাব হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রধানত ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে ঘাড়ে ব্যথা হয়। এসবের অভাবে ঘাড়ে কামড়ানো বা পেশি শক্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ে। আবার কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের অভাবে এ সমস্যা তীব্র হতে পারে। সে জন্য ভিটামিন ডি হাড় ও পেশির শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। 

    আবার যদি টানা কয়েক দিন ধরে ঘাড় ব্যথার সমস্যা থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তের ভিটামিন ডি ও বি১২ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত। কারণ এ সমস্যা সমাধানে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত তৈলাক্ত মাছ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি। এতে আপনার পেশির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

    ভিটামিন বি১২ এটি স্নায়ুর সুরক্ষায় কাজ করে থাকে। আপনার শরীরে বি১২-এর অভাব হলে ঘাড়ের স্নায়ুতে চাপ পড়ে বা অবশ ভাব তৈরি হয়, যা সারভাইকাল র্যাডিকুলোপ্যাথির মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। 

    আবার কখনো কখনো ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলেও ঘাড়ে অসহ্য ব্যথা হয়। আপনার শরীরে পানির ঘাটতি হলেও পেশিতে ক্র্যাম্প ধরে। তবে শুধু পানি খেলেই হবে না, পানিতে সঠিক খনিজ পদার্থ থাকাটাও জরুরি। কারণ সোডিয়াম পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলেও ঘাড় শক্ত হয়ে যেতে পারে। যারা বেশি খেলাধুলা করেন, ঘামের মধ্য দিয়ে তাদের শরীর থেকে অনেকটা পানি বেরিয়ে যায়। অনেক সময় হঠাৎ করে খুব কঠিন ব্যায়াম করতে গেলেও ঘাড়ের পেশিতে টান লাগে। সে ক্ষেত্রে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখতে লবণপানি খেতে বলা হয়। পাশাপাশি শরীরে প্রোটিন কমে যাওয়াও ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ। 

    সেজন্য ডিম, মাছ আর মাংস— এসব খাবারে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। সে জন্য রুই, কাতলা বা স্যামন মাছের মতো সামুদ্রিক ও দেশি মাছে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০-২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। নিরামিষের মধ্যে দুধ, পনির, ডাল, শিম, সয়াবিন ও টোফুতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। এসবেই আপনার ঘাড় ব্যথা নিরাময় করে। এ ছাড়া ম্যাগনেসিয়াম পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত রাখে।

    আবার অনেকের ঘুম থেকে ওঠার সময়ে ঘাড় শক্ত হয়ে যায়, কারও আবার ঘাড় সামান্য ঘোরালেই ব্যথায় কুঁকড়ে যেতে হয়! অনেকেই মনে করেন, ব্যথার ওষুধ খেলেই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এটা ঠিক নয়। কারণ এতে সাময়িকভাবে যন্ত্রণা কমলেও কিছু দিন পর আবার ব্যথা শুরু হয়। 

    আবার অনেকেই মনে করেন, সূর্যের আলোয় বের হলে শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি হবে না। কিন্তু বিষয়টি এতটাও সহজ নয়। সূর্যালোক থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যাবে ঠিকই, তবে ত্বক থেকে তা বিভিন্ন প্রক্রিয়ার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার যে পদ্ধতি, তা খুবই ধীর গতিতে হয়। সে ক্ষেত্রে খাবার থেকেই সরাসরি ভিটামিন ডি শরীরে ঢুকতে পারে। যেমন তৈলাক্ত মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে, সামুদ্রিক মাছ, দুগ্ধজাত খাদ্য ও ডিমেও ভিটামিন-ডি পাওয়া যায়। ইলিশ মাছ, রুই-কাতলার পেটি ও তেল, তেলাপিয়া ও সরপুঁটি, দানাশস্য ও ওটস, ফর্টিফায়েড দুধ ও দইয়ে ভিটামিন ডি মেলে।

  • বা’জারে উ’ঠেছে তা’ল, খা’ওয়ার আগে যেসব বিষয় খে’য়াল রাখবেন, না হয় বি’পদ!

    বা’জারে উ’ঠেছে তা’ল, খা’ওয়ার আগে যেসব বিষয় খে’য়াল রাখবেন, না হয় বি’পদ!

    শরৎ আসতেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা তাল। মৌসুমি এই ফল দিয়ে বাড়িতে তৈরি হচ্ছে তালফুলুরি, তালের বড়া, তালের লুচি, মালপোয়া ও পায়েসসহ নানা পদ। অনেকেই আবার মিষ্টির দোকান থেকেও কিনে খাচ্ছেন তালের তৈরি খাবার। তবে সুস্বাদু এসব খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই গ্যাস, অম্বল কিংবা বুকজ্বালার সমস্যা দেখা দেয়। তাই তাল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

    তাল কি পেটের জন্য ক্ষতিকর

    তাল নিজে পেটের জন্য ক্ষতিকর নয়। এতে ভিটামিন এ, বি ও সি ছাড়াও ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও আয়রনের মতো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে তাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়তা করতে পারে। তবে তালের তৈরি খাবার কীভাবে রান্না করা হচ্ছে এবং কতটা খাওয়া হচ্ছে, সেটিই হজমের সমস্যার অন্যতম কারণ হতে পারে।

    কেন হতে পারে গ্যাস-বুকজ্বালা

    তালের বড়া বা ফুলুরি তৈরিতে সাধারণত তালের পাল্পের সঙ্গে আটা, ময়দা, গুড় বা চিনি মেশানো হয়। এরপর সেগুলো ডুবো তেলে ভাজা হয়। অতিরিক্ত তেল ও মিষ্টি খাবার হজম হতে সময় নেয়। ফলে কারও কারও পেটে গ্যাস, অম্বল বা বুকজ্বালার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া তালের কাঁচা রস বা পাল্প ভালোভাবে প্রস্তুত না করেও সমস্যা হতে পারে। তালের কষ ঠিকমতো না কাটলে তা হজমে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। আবার তালের ক্বাথ তুলনামূলক ভারী হওয়ায় বেশি পরিমাণে খেলে পেটে অস্বস্তি হতে পারে।

    খাওয়ার সময়টা গুরুত্বপূর্ণ

    খালি পেটে তালফুলুরি, বড়া বা অন্য কোনো তেলে ভাজা তালের খাবার না খাওয়াই ভালো। একইভাবে রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে এসব খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। দুপুর বা বিকেলে পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন। একসঙ্গে অনেকগুলো তালফুলুরি বা বড়া খাওয়ার বদলে অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো। তালের মালপোয়া বা লুচির ক্ষেত্রেও পরিমাণের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন।

    কম তেলে তৈরি খাবার বেছে নিন

    তালের খাবার তৈরির সময় তেলের পরিমাণ কমানো যেতে পারে। বড়া বা ফুলুরি ভাজার পর টিস্যু পেপারে রাখলে বাড়তি তেল কিছুটা শুষে নেওয়া যায়। চাইলে ভাজা খাবারের বদলে তালের পায়েস বা ভাপে তৈরি তালের পিঠার মতো পদও খেতে পারেন। তালের পাল্প ব্যবহারের আগে ভালোভাবে কষিয়ে নেওয়াও জরুরি। এতে কাঁচা কষের কারণে হজমের অস্বস্তির ঝুঁকি কমতে পারে।

    মৌসুমি ফল হিসেবে তাল খাবারের তালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে তালের তৈরি খাবারে তেল, ময়দা ও চিনি বা গুড়ের পরিমাণ বেশি থাকায় তা পরিমিত খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে যাঁদের গ্যাস, অম্বল বা বুকজ্বালার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের অতিরিক্ত তেলে ভাজা তালের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

    সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম

  • কতবার চা’ল ধো’য়া উ’চিৎ, বেশি ধু’লে যে ক্ষ’তি হয়, জেনে নিন

    কতবার চা’ল ধো’য়া উ’চিৎ, বেশি ধু’লে যে ক্ষ’তি হয়, জেনে নিন

    ভাত রান্নার আগে চাল পাঁচ-ছয়, এমনকি সাতবার পর্যন্ত ধুয়ে নেওয়া—বাঙালি ও দক্ষিণ এশিয়ার বহু পরিবারের পরিচিত অভ্যাস। চাল ধোয়ার পানি একেবারে স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত পানি বদলাতে থাকেন অনেকে। কিন্তু চাল পরিষ্কার করতে সত্যিই কি এতবার পানি ব্যবহার করা দরকার? বিশেষজ্ঞদের তথ্য বলছে, শুধু পানির স্বচ্ছতা দেখেই চাল কতবার ধুতে হবে, তা নির্ধারণ করা ঠিক নয়।

    ইংল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে পানি সংকট ও খরার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় পানি সাশ্রয়ে নানা সচেতনতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ এশীয় পরিবারগুলোর রান্নাঘরের অভ্যাস নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। সেখানে পাঁচ-সাতবার চাল ধোয়ার পরিবর্তে দুবার ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    চালের গায়ে থাকা ধুলো, ময়লা এবং অতিরিক্ত স্টার্চ দূর করাই মূলত চাল ধোয়ার উদ্দেশ্য। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক পরিবারে চাল ধোয়ার সময় বারবার পানি বদলানোর প্রচলন রয়েছে।

    পানি ঘোলা থেকে স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত চাল ধুতে থাকেন অনেকে। তবে চালের পানি পুরোপুরি স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত বারবার ধোয়া প্রয়োজন—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই।

    সাধারণভাবে দু-তিনবার ভালোভাবে চাল ধোয়া যথেষ্ট হতে পারে। পাঁচ-সাতবার ধুলেই চাল আরও পরিষ্কার বা নিরাপদ হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

    বরং অতিরিক্ত ধোয়ার ফলে চালের পানিতে দ্রবণীয় কিছু পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ কমে যেতে পারে। বিশেষ করে আয়রন, ফোলেট, থায়ামিন ও নিয়াসিনের মতো পুষ্টি উপাদান পানিতে মিশে কিছুটা বেরিয়ে যেতে পারে।

    তবে চাল ধোয়ার ফলে কতটা পুষ্টি কমে, তা চালের ধরন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপরও নির্ভর করে।

    চাল বারবার ধুলেই আর্সেনিকের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে—এমনটা ধরে নেওয়াও ঠিক নয়। চালের আর্সেনিক কমানোর ক্ষেত্রে রান্নার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ।

    বিশেষ করে বেশি পানিতে চাল সেদ্ধ করে অতিরিক্ত পানি ফেলে দেওয়ার পদ্ধতি কিছু ক্ষেত্রে চালের আর্সেনিকের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই আর্সেনিকের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে শুধু চাল ধোয়ার সংখ্যার ওপর নির্ভর না করে নিরাপদ রান্নার পদ্ধতিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

    চালের পানি স্বচ্ছ হলেই কি চাল পরিষ্কার?
    না। চাল ধোয়ার পানিতে কিছুটা ঘোলাভাব থাকা মানেই চাল অপরিষ্কার—এমন নয়। চালের স্বাভাবিক স্টার্চও পানিকে ঘোলা করতে পারে।

    তাই পানি একেবারে কাচের মতো স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত পাঁচ-সাতবার চাল ধুতে থাকার প্রয়োজন নেই। দু-তিনবার ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াই সাধারণ রান্নার জন্য যথেষ্ট।

    এতে চাল পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পানির অপচয় এবং পানিতে দ্রবণীয় পুষ্টি উপাদান হারানোর ঝুঁকিও কমানো যায়।

  • দু’ধের সঙ্গে গু’ড় মি’শিয়ে খে’লে যেসব উ’পকার, জেনে নিন হে’ব্বি উপ’কারে আসবে

    দু’ধের সঙ্গে গু’ড় মি’শিয়ে খে’লে যেসব উ’পকার, জেনে নিন হে’ব্বি উপ’কারে আসবে

    দুধ পুষ্টিগুণসম্পন্ন একটি খাবার- এ কথা প্রায় সবারই জানা। পাশাপাশি গুড়েরও রয়েছে নানা গুণ। জানেন কি, দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে?

    দুধ ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে গুড় যোগ করলে স্বাদ বাড়ার পাশাপাশি এটি বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধেও সহায়তা করতে পারে।

    দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খাওয়ার কয়েকটি উপকারের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

    হজম ভালো করে

    অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, জাঙ্ক ফুড ও ভারী খাবার খাওয়ার কারণে অনেকেরই হজমের সমস্যা হয়। হজমের সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্যে গুড় উপকারী হতে পারে। দুধের সঙ্গে গুড় খেলে হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    গাঁটের ব্যথা কমায়

    দুধ নিয়মিত পান করলে শরীর শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় শক্তিশালী করে এবং গাঁটের ব্যথা কমাতে সহায়তা করতে পারে। এর সঙ্গে গুড় যোগ করলে উপকার আরও বাড়তে পারে।

    রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে

    গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা একটি বড় সমস্যা। এটি প্রতিরোধে চিকিৎসকেরা আয়রন ট্যাবলেট দিয়ে থাকেন। এ সময় দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    ত্বকের জন্য ভালো

    শীতের সময় ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি বিউটি রুটিন পরিবর্তন করার পরও ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে প্রতিদিন দুধের সঙ্গে গুড় খেলে ত্বক ভালো রাখতে এবং শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

  • ডি’মের চেয়ে বেশি প্রো’টিন পেতে সকালের না’স্তায় যা খে’তে পারেন

    ডি’মের চেয়ে বেশি প্রো’টিন পেতে সকালের না’স্তায় যা খে’তে পারেন

    আমরা সাধারণত প্রোটিন বলতে ডিম এবং মাংসকেই বুঝি, কিন্তু নিরামিষ অনেক খাবারেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (USDA)-এর মতে, একটি ডিমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যেখানে ১০০ গ্রাম ডিমে প্রায় ১৩ গ্রাম প্রোটিন থাকে। বেশ কিছু নিরামিষ খাবার আপনাকে এর সমান বা তার চেয়েও বেশি প্রোটিন দিতে পারে। সকালের নাস্তায় এই খাবারগুলো রাখলে প্রোটিনের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে-

    ১. পনির

    সকালের নাস্তায় আরও প্রোটিন যোগ করার সবচেয়ে সহজ উপায়গুলোর মধ্যে পনির অন্যতম। আধা কাপ পনির থেকে প্রায় ১২ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়, যা দিন শুরু করার জন্য একটি তৃপ্তিদায়ক ও স্বাস্থ্যকর।

    ২. সয়াবিন

    আপনি যদি প্রচুর পরিমাণে প্রোটিনের সন্ধান করেন তবে সয়াবিনকে উপেক্ষা করা কঠিন। ইউএসডিএ (USDA)-এর তথ্য অনুসারে, ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রায় ৩৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা ১০০ গ্রাম ডিমের চেয়ে অনেক বেশি। সেদ্ধ সয়াবিন ব্যবহার করে পেঁয়াজ, টমেটো, শসা, লেবুর রস এবং চাট মসলা মিশিয়ে সকালের নাস্তায় খেতে পারেন।

    ৩. ছোলা

    এক বাটি ছোলা তৃপ্তিদায়ক এবং পুষ্টিকর সকালের নাস্তা হতে পারে। ইউএসডিএ (USDA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম ছোলায় প্রায় ১৯ গ্রাম প্রোটিন থাকে। ভেজানো ও সেদ্ধ ছোলা দিয়ে কাটা সবজি এবং লেবুর রস মিশিয়ে সালাদ তৈরি করুন। স্যান্ডউইচের জন্য ছোলার টিক্কি, ছোলার র‍্যাপ বা সাধারণ ছোলার কুলচা-ধাঁচের সকালের নাস্তাও তৈরি করতে পারেন।

    ৪. চিয়া বীজ

    এই ছোট কালো বীজগুলো আকারে ছোট হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর। চিয়া বীজ সালভিয়া হিস্পানিকা (Salvia hispanica) উদ্ভিদ থেকে আসে এবং এটি এর ওমেগা-৩ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণের জন্য পরিচিত। ইউএসডিএ (USDA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম চিয়া বীজে প্রায় ১৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। চিয়া বীজ সারারাত দুধে ভিজিয়ে রেখে একটি ক্রিমি চিয়া পুডিং তৈরি করুন। ঝামেলাহীন সকালের নাস্তার জন্য এর উপরে কলা, বেরি, বাদাম এবং সামান্য মধু দিয়ে পরিবেশন করুন।

    ৫. কুমড়ার বীজ

    কুমড়ার বীজ হলো আরেকটি নিরামিষ খাবার যা আপনার সকালের নাস্তার প্লেটে যোগ করার মতো। এগুলো প্রোটিনে ভরপুর এবং এটি বেশি পরিমাণে খাওয়ার পরিবর্তে সহজেই অন্যান্য খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায় আপনার ওটস বা দইয়ের বাটিতে ভাজা কুমড়ার বীজ ছড়িয়ে দিন। এগুলো ব্লেন্ড করে স্মুদিও বানাতে পারেন।

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে শু’য়ে বসে থাকতে ইচ্ছে হয়, জেনে নিন

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে শু’য়ে বসে থাকতে ইচ্ছে হয়, জেনে নিন

    অনেকেই অলসভাবে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। আর এই অলসতা একসময় অভ্যাসে পরিণত হয়। তাছাড়া অলস ব্যক্তি কখনোই জীবনে উন্নতি করতে পারে না। সবসময় সে পিছিয়েই থাকে। কিন্তু এখন চিকিৎসকরা বলছেন, অলসতা সবসময় ইচ্ছাকৃত নয়—অনেক সময় এটি হতে পারে এক ধরনের মানসিক সমস্যা বা অসুস্থতা।

    অভিযোগ আসছে, সকালে ঘুম থেকে উঠার পরও শরীর চাঙা লাগে না, কোনো কাজেই উৎসাহ পাওয়া যায় না। দিনভর শুয়ে-বসে অলস সময় কাটানোর ইচ্ছা জেঁকে বসছে। এমন সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। 

    চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত আলস্য, ক্লান্তি ভাব বা ঝিমুনির কারণ কিন্তু ভিটামিনের অভাব। শরীরে ভিটামিন ও খনিজের নির্দিষ্ট ভারসাম্য আছে, তা বিগড়ে গেলেই তখন পেশির ক্লান্তি বাড়ে। শরীরের দুর্বলতাও বাড়ে।

    কোন দুই ভিটামিনের ঘাটতিতে এমন হয়-

    ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে এমন হতে পারে।

    ভিটামিন ডি-র অভাব হলে ক্লান্তি, ঝিমুনি ও শারীরিক দুর্বলতা অনেক বেড়ে যায়। হাড়, ত্বক, চুল, নখ, মানসিক স্বাস্থ্য ইত্যাদি শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি-র মাত্রা ঠিক থাকা জরুরি। ভিটামিন ডি-র অভাব হলে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া এবং হাঁটুতে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা যায়।

    আবার ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হলেও ক্লান্তি বেড়ে যায়। অনিদ্রার সমস্যা দেখা দেয়। এই ভিটামিনের অভাবে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অনেক বেড়ে যায়। বিভিন্ন মানসিক রোগের কারণও হতে পারে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি। তা ছাড়া হাত-পা কাঁপা, পেশির অসাড়তা, পেশিতে টান ধরা ও ঝিমুনি ওমাথা ঘোরার মতো লক্ষণও দেখা দেয়।

    আর আলস্য কাটাতে হলে জীবনযাপনে কিছু প্রয়োজনীয় বদল আনতে হবে। সে জন্য ভিটামিন সমৃদ্ধ সুষম খাবার খেতে হবে। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি খাওয়া, রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম এবং প্রতিদিন নিয়ম মেনে শরীরচর্চাও জরুরি।

  • স্থা’নীয় নি’র্বাচন কবে হতে পারে, জানালেন সিইসি

    স্থা’নীয় নি’র্বাচন কবে হতে পারে, জানালেন সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না।’ তার মতে, এটা নির্ভর করবে—দুর্গাপূজা, বন্যা, শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা ওপর।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ বিষয়ে এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আমাদের কিছু আইন-কানুন ও বিধি-বিধান সংশোধন করতে হচ্ছে। তবে তেমন সময় লাগবে না। আমাদের তরফ থেকে আমরা কাজ করে ফেলেছি এবং মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছি।

    তিনি বলেন, আমাদের কমিটমেন্টের কোনও ঘাটতি নেই। আমরা ঠিক যে নির্বাচন (জাতীয় নির্বাচন) করেছি, যেভাবে করেছি, তার চেয়ে খারাপ হবে না। বরং আমরা তার চেয়ে আরও ভালো করতে চাইব। ওই নির্বাচনে যে স্ট্যান্ডার্ড আমরা সেট করেছি, তার নিচে তো আমরা যেতে পারি না। সুতরাং ওই স্ট্যান্ডার্ড থাকবেই। যদি পারি, তার চেয়েও আরও ভালো করবো। আশা করি, সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা পারবো। কোনও অসুবিধা হবে না।

    সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে জানিয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেবে না, আমরাই নেব। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শক্রমে আমরাই সিদ্ধান্ত নেব। দিনক্ষণ আমরাই ঠিক করবো। এটা এমন নয় যে সরকার একটি তারিখ দেবে আর আমরা তা ঘোষণা করে দেব। আমাদের সামগ্রিক প্রস্তুতি চলমান আছে।’

    এ সময় অনুষ্ঠানে অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • আ’গামীকা’ল সা’ধার’ণ ছু’টি, পা’বেন না যারা

    আ’গামীকা’ল সা’ধার’ণ ছু’টি, পা’বেন না যারা

    আগামীকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। এ উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবী, ব্যাংকার ও অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাধারণ ছুটি থাকবে।

    তবে বেসরকারি অফিস, কারখানা, দোকান, শপিংমল কিংবা জরুরি সেবায় নিয়োজিত সবার জন্য এ ছুটি প্রযোজ্য হবে না।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের ছুটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক দিনের সাধারণ ছুটি রয়েছে। সরকারি ও আধা-সরকারি অফিসের পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় এ ছুটি থাকবে।

    গত ১৩ আগস্ট জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হয়।

    সে হিসাবে ১২ রবিউল আউয়াল পড়েছে ২৬ আগস্ট। ফলে এদিনের ছুটি নিশ্চিত।

    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ফলে এদিন সাধারণ ব্যাংকিং লেনদেন হবে না।

    কিন্তু এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও কার্ডভিত্তিক ডিজিটাল সেবা সাধারণভাবে চালু থাকবে।

    স্কুল-মাদরাসা ছুটি
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছুটি রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সংশোধিত ছুটির তালিকাতেও ২৬ আগস্ট ছুটি রাখা হয়েছে। ফলে সরকারি প্রাথমিক এবং মাউশির আওতাধীন সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এদিন পাঠদান বন্ধ থাকবে। তবে মাদরাসার শিক্ষাপঞ্জিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ২৬ ও ২৭ আগস্ট দুদিনের ছুটি রয়েছে।

    এ ছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও নিজস্ব শিক্ষাপঞ্জিতে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নোটিশ দেখে ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।

    বেসরকারি অফিস
    সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও দেশের সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওই দিন বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই। বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী, শ্রমিকরা বছরে পূর্ণ মজুরিতে ১৩ দিনের উৎসব ছুটি পাওয়ার অধিকারী। কোন কোন দিন এই ছুটি হবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা মালিক নির্ধারণ করে থাকে। তাই কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত উৎসব ছুটির তালিকায় ঈদে মিলাদুন্নবী থাকলে কর্মীরা ছুটি পাবেন।

    দোকান, শপিংমল এবং রেস্তোরাঁ
    সরকারি সাধারণ ছুটি মানেই দেশের সব দোকান, শপিংমল, রেস্তোরাঁ বা বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, এমন নয়। এসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব সাপ্তাহিক ও উৎসব ছুটির তালিকা অনুযায়ী খোলা বা বন্ধ রাখতে পারে। তাই যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা মার্কেটের ঘোষণা দেখে নেওয়া ভালো।

    জরুরি সেবায় নিয়োজিত সবার ছুটি নেই
    যেসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী পরিচালিত অথবা যেসব চাকরি সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব বিধি অনুযায়ী ছুটির সিদ্ধান্ত নেবে। ফলে হাসপাতাল, আইন-শৃঙ্খলা, অগ্নিনির্বাপণসহ জরুরি ও অত্যাবশ্যক সেবায় কর্মরতরা সাধারণ সরকারি অফিসের মতো সবাই একসঙ্গে ছুটি না-ও পেতে পারেন। এসব ক্ষেত্রে রোস্টারের মাধ্যমে সেবা চালু রাখা হয়।

    ছুটি পাচ্ছেন যারা

    ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস, সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি অফিস, কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, দোকান, শপিংমল ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলা বা বন্ধ থাকবে।

    টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটির পর বৃহস্পতিবার অফিস খোলা। তবে এর পরেই শুক্র ও শনিবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বৃহস্পতিবার ছুটি নিতে পারলে বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত টানা চার দিন ছুটি উপভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

  • পে স্কে’লে প’রিব’র্তনের আ’ভাস, অ’র্থম’ন্ত্রী বললেন হি’সাব’কি’তাব চলছে

    পে স্কে’লে প’রিব’র্তনের আ’ভাস, অ’র্থম’ন্ত্রী বললেন হি’সাব’কি’তাব চলছে

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ একসঙ্গে জোগান দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে হিসাব-নিকাশ ও অর্থায়নের সম্ভাব্য পথ নিয়ে কাজ চলছে।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নতুন পে স্কেল ও বড় উন্নয়ন বাজেটের অর্থায়ন নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

    নতুন বেতন কাঠামোর অর্থায়ন কোথা থেকে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘একসঙ্গে পুরো অর্থ দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’ দুই ধাপে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে এবং এখনো হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে। বিপুল আমদানির কারণে সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থায় জায়গা কমে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। কর আদায় বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। অতীতে কর সংগ্রহে অদক্ষতা, সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্নীতির মতো সমস্যা ছিল উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, গত অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে কর আদায়ে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে।

    সরকারের অর্থায়ন প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে তারা আশাবাদী। এনবিআরকে দুই ভাগ করার উদ্যোগসহ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’ এসব উদ্যোগের ফলে সরকারের অতিরিক্ত ঋণের প্রয়োজন কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    তিনি আরো বলেন, ‘অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। কারণ সরকার নিয়মিত ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিলে বেসরকারি খাত অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    এদিকে চলতি বছরের জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সেটি বহাল থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা নিয়ে কাজ করছি।’

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সময়সূচি ও অর্থায়নের বিষয়টি নিয়ে সরকারের হিসাব-নিকাশ শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে আরো স্পষ্টতা পাওয়া যাবে।

    প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে নতুন মূল বেতন কার্যকর করা হবে। আর দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার কথা রয়েছে। তবে এই প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সরকারের অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে।

  • ই’সবগু’ল যেভাবে খে’লে বেশি উ’পকা’র পাবেন

    ই’সবগু’ল যেভাবে খে’লে বেশি উ’পকা’র পাবেন

    ইসবগুল খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। আমাদের বেশিরভাগ বাড়িতেই এটি পাওয়া যাবে। বিশেষ করে হজমের সমস্যায় ভুগছেন এমন যে কারও কাছে উসবগুল একটি বিশ্বস্ত নাম। এক চামচ পানিতে মিশিয়ে পান করলেই হয়ে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি কী সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন তার ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন উপায়ে ইসবগুল খাওয়া যেতে পারে। অ্যাসিডিটি এবং কোষ্ঠকাঠিন্যসহ বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

    ইসবগুল কী?

    ইসবগুল সাইলিয়াম বা ইসপাগুলা নামেও পরিচিত এক ধরনের ডায়েটারি ফাইবার। এটি প্ল্যান্টাগো (Plantago) গণের উদ্ভিদের বীজ থেকে আসে। এই বীজ থেকে মিউসিলেজ তৈরি হয়, যা সাইলিয়ামকে পানি শোষণের বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে।

    সাইলিয়াম প্রধানত কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হালকা ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ডায়েটারি ফাইবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি কখনও কখনও খাবার ঘন করার উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। যে গাছ থেকে সাইলিয়াম তৈরি হয়, সেগুলো প্রধানত উত্তর ভারতে চাষ করা হয়।

    ১. ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগুল

    যদি অ্যাসিডিটি আপনার উদ্বেগের কারণ হয়, তবে ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগোল খেয়ে দেখতে পারেন। ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগুল খেলে তা পাকস্থলীতে প্রবেশ করে একটি প্রতিরক্ষামূলক আস্তরণ তৈরি করে। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিডের কারণে সৃষ্ট অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। আপনাকে প্রতিবারই সাধারণ পানির সঙ্গে ইসবগোল খেতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কোন সংমিশ্রণটি বেছে নেবেন, তা নির্ভর করে আপনি কী চাইছেন তার উপর।

    ২. দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল

    এই সংমিশ্রণটি তাদের জন্য, যারা তাদের মলত্যাগ নিয়ে বেশি চিন্তিত। এই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞরা দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ইসবগুল অতিরিক্ত পানি শোষণ করতে পারে, অন্যদিকে দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রকে সহায়তা করে। তার মতে, এই সংমিশ্রণটি মলের ঘনত্ব উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

    ৩. লেবু পানির সঙ্গে ইসবগুল

    এই উপায়টি তাদের জন্য, যারা সন্ধ্যায় হালকা খাবার খেতে চান। ফাইবার মস্তিষ্কে তৃপ্তির সংকেত পাঠায়, যা গভীর রাত ও সন্ধ্যার ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই মিশ্রণটি আপনাকে পেট ভরা অনুভব করতে এবং দিনের পরবর্তী সময়ে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়া এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

    ৪. গরম পানির সাথে ইসবগুল

    কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য গরম পানির সঙ্গে ইসবগুল সবচেয়ে ভালো। সাইলিয়াম তার পানি শোষণ ক্ষমতার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ডায়েটারি ফাইবার হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত গরম পানির সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এতে দ্রুতই উপকার পাবেন।