Blog

  • যেভাবে আগামী ম্যাচেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে যেতে পারে আর্জেন্টিনা

    যেভাবে আগামী ম্যাচেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে যেতে পারে আর্জেন্টিনা

    আলজেরিয়ার বিপক্ষে শুভ সূচনার পর এবার আর্জেন্টিনার এগিয়ে যাওয়ার পালা। আগামী সোমবার (২২ জুন) গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার সামনে সুযোগ থাকবে গ্রুপ জে’র শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে নকআউট রাউন্ডে কোয়ালিফাই করার। তবে সে জন্য নির্দিষ্ট কিছু সমীকরণ মিলতে হবে।

    আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় লিওনেল স্ক্যালোনির দলের কোয়ালিফিকেশনের পথে বড় একটি পদক্ষেপ ছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে ইউরোপীয় দলের বিপক্ষেই গ্রুপের প্রথম স্থানও নিশ্চিত করার সুযোগ থাকছে। এই ক্ষেত্রে অন্য ম্যাচগুলোর ফলের ওপরও নজর রাখতে হবে মেসিদের।

    জে গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে আর্জেন্টিনাকে আগামী ম্যাচে অবশ্যই অস্ট্রিয়াকে হারাতে হবে এবং একই সঙ্গে আশা করতে হবে জর্ডান যেন আলজেরিয়াকে হারাতে না পারে। এই পরিস্থিতিতে স্কালোনির দল ৬ পয়েন্টে পৌঁছে যাবে এবং শেষ ম্যাচের আগেই তাদের অবস্থান প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে।

    অস্ট্রিয়া যদিও প্রথম ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে এবং আলজেরিয়া যদি জর্ডানকে হারিয়েও দেয়, তারপরও ইউরোপীয় দলটির গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ আছে,  তবুও টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে সমীকরণ আর্জেন্টিনার পক্ষেই যায়।

     

    কারণ, দুই দলের পয়েন্ট সমান হলে এখন আর গোল পার্থক্য নয়, বরং হেড-টু-হেড ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাই আর্জেন্টিনা যদি অস্ট্রিয়াকে হারায়, তাহলে জর্ডানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে মেসিরা হেরে গেলেও তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবে।

    একইভাবে আলজেরিয়ার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। তারা যদি আর্জেন্টিনার সমান পয়েন্ট অর্জন করে, তবুও হেড-টু-হেডে এগিয়ে থাকায় আকাশি-সাদারাই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে। হেড টু হেডে কেউ এগিয়ে না থাকলে তখন বিবেচনায় আসবে গোল পার্থক্য, গোল সংখ্যা, ফেয়ার প্লে এবং ফিফা র‍্যাঙ্কিং।

    যেহেতু জর্ডানকে তাত্ত্বিকভাবে গ্রুপের সবচেয়ে দুর্বল প্রতিপক্ষ হিসেবে ধরা হচ্ছে, তাই সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার গ্রুপের শীর্ষে থেকে শেষ ষোলোতে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল।
     

  • বিশ্বকাপে কবে মাঠে নামবেন নেইমার, জানালেন কোচ

    বিশ্বকাপে কবে মাঠে নামবেন নেইমার, জানালেন কোচ

    দুই ম্যাচ ধরে যার জন্য অপেক্ষায় ব্রাজিল, একই সঙ্গে অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্বকাপও—সেই নেইমারের প্রত্যাবর্তনের ক্ষণ যেন অবশেষে ঘনিয়ে এসেছে। চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন ব্রাজিলের তারকা নম্বর দশ।

    হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় পাওয়ার পর নেইমারের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি জানিয়েছেন, গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচেই দেখা যেতে পারে নেইমারকে।

    ইতালিয়ান এই কোচ জানান, শনিবার এককভাবে অনুশীলন করবেন নেইমার। এরপর সোমবার থেকে দলের সঙ্গে পুরোপুরি যোগ দেবেন তিনি এবং স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকবেন।

    ডান পায়ের কাফের চোটে প্রায় এক মাস ধরে মাঠের বাইরে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। ব্রাজিলিয়ান লিগে সান্তোসের হয়ে কোরিতিবার বিপক্ষে ম্যাচে এই চোটে পড়েন তিনি। এরপর থেকেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। সেই কারণে ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে যাওয়া দলেও ছিলেন না তিনি। দলের সঙ্গে সফরে না গিয়ে নিউ জার্সিতে ব্রাজিল দলের ক্যাম্পেই অবস্থান করেন।

    আক্ষেপের অবসান, সন্তানের খেলা দেখতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ভোজিনহার মা

    হাইতি ম্যাচের আগে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন নেইমারের পুনর্বাসন কার্যক্রমের কিছু ছবিও প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, নিউ জার্সির দ্য রিজ হোটেল এবং কলাম্বিয়া পার্ক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কঠোর পরিশ্রম করছেন তিনি। প্রতিদিন দুই ধাপে চলছে তার অনুশীলন। মাঠে ফিটনেস ও বলের কাজের পাশাপাশি বিকেলে জিমে বিশেষ সেশনও করছেন নেইমার। পুরো প্রক্রিয়ায় তার সঙ্গে রয়েছেন ফিটনেস কোচ ক্রিশ্চিয়ানো নুনেস এবং মিনো ফুলকো।

    ব্রাজিলের জয়ে বিশ্বকাপ থেকে হাইতির বিদায়

    তবে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় ব্রাজিলের কোচিং স্টাফ। তাড়াহুড়া না করে শতভাগ সুস্থ অবস্থাতেই নেইমারকে মাঠে ফেরানোর পরিকল্পনা তাদের। এ কারণেই মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে তাকে খেলানো হয়নি।

    চার পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল। শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করলেও প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের পরের পর্বের টিকিট। আর সেই ম্যাচেই যদি নেইমার মাঠে নামেন, তাহলে ব্রাজিল সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষারও অবসান ঘটবে।

  • ৪৮ দলের বিশ্বকাপে সেরা ৩২: তৃতীয় হওয়া ৮ দল উঠবে যে নিয়মে

    ৪৮ দলের বিশ্বকাপে সেরা ৩২: তৃতীয় হওয়া ৮ দল উঠবে যে নিয়মে

    ২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে মাঠে গড়িয়েছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসর। ফলে বদলে গেছে নকআউট পর্বে যাওয়ার সমীকরণও। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ৪৮ দলকে ভাগ করা হয়েছে ১২টি গ্রুপে। প্রতিটি গ্রুপে রয়েছে চারটি করে দল। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল খেলবে তিনটি করে ম্যাচ।

    নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি জায়গা করে নেবে শেষ ৩২-এর পর্বে। কিন্তু ১২ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় স্থান পর্যন্ত হিসাব করলে দল হয় ২৪টি। বাকি আটটি জায়গা পূরণ হবে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মধ্য থেকে।

    ১২টি গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দলগুলোকে নিয়ে আলাদা একটি র্যাঙ্কিং তৈরি করা হবে। সেখান থেকে সেরা আটটি দল যাবে শেষ ৩২-এর পর্বে। অর্থাৎ কোনো দল গ্রুপে তৃতীয় হলেও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ থাকবে।

    তৃতীয় দলগুলোর র্যাঙ্কিং হবে যেভাবে

    তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মধ্যে সেরা আটটি বেছে নিতে ফিফার নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হবে। প্রথমে দেখা হবে গ্রুপ পর্বে অর্জিত পয়েন্ট, গোল ব্যবধান ও নিজেদের করা গোলের সংখ্যা। এরপরও যদি দুই বা একাধিক দলের হিসাব সমান থাকে, তাহলে বিবেচনায় আসবে—ফেয়ার প্লে রেকর্ড (হলুদ ও লাল কার্ডের হিসাব)

    এই নিয়মের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে কোন আটটি তৃতীয় স্থানধারী দল শেষ ৩২-এ জায়গা পাবে।

    ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্ব শেষ হবে ২৮ জুন। এরপর ২৮ জুন থেকে শুরু হবে শেষ ৩২-এর লড়াই, যা চলবে ৪ জুলাই পর্যন্ত। এরপর শেষ ১৬, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল পেরিয়ে ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

    আগে কি তৃতীয় হয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠেছে দল?

    হ্যাঁ, বিশ্বকাপে এর আগেও তৃতীয় স্থান থেকে নকআউটে যাওয়ার নিয়ম ছিল। ১৯৮৬, ১৯৯০ ও ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ২৪ দলের ফরম্যাটে সেরা তৃতীয় হওয়া ৪টি দল শেষ ষোলোতে উঠেছিল।

    তবে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ থেকে ৩২ দলের ফরম্যাট চালু হলে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দলই নকআউটে যাওয়ার নিয়ম চালু হয়। এবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপে আবারও ফিরে এসেছে তৃতীয় স্থানধারীদের সুযোগ।

    তবে ইতিহাস বলছে, গ্রুপে তৃতীয় হয়ে বিশ্বকাপ জেতার নজির নেই। সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইতালি; দুই দলই ১৯৯০ ও ১৯৯৪ বিশ্বকাপে গ্রুপে তৃতীয় হওয়ার পরও ফাইনালে উঠেছিল।

  • সেই ৭-১ এর দুঃস্মৃতি বনাম প্রতিশোধের রোমাঞ্চ, বিশ্বকাপে কি মুখোমুখি হবে ব্রাজিল-জার্মানি?

    সেই ৭-১ এর দুঃস্মৃতি বনাম প্রতিশোধের রোমাঞ্চ, বিশ্বকাপে কি মুখোমুখি হবে ব্রাজিল-জার্মানি?

    ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে সেই দুঃস্মৃতিময় ৭-১ গোলের ব্যবধানে ব্রাজিলের হারের পর থেকেই ফুটবল বিশ্বে এই দুই পরাশক্তির লড়াই মানেই অন্যরকম এক উন্মাদনা। তবে বিগত দুটি বিশ্বকাপে জার্মানি গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ায় দীর্ঘদিন ফুটবলপ্রেমীরা এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ উপভোগ করতে পারেননি। অবশেষে চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও সেলেসাও ও ডাই মানশাফটদের মাঠের লড়াই দেখার এক দারুণ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, ২০২৬ বিশ্বকাপের সমীকরণ অনুযায়ী ঠিক কোন কোন ধাপে মুখোমুখি হতে পারে ব্রাজিল ও জার্মানি।

    ফুটবল ভক্তদের জন্য সবচেয়ে জলদি ব্রাজিল বনাম জার্মানির মহারণ দেখার সুযোগ রয়েছে টুর্নামেন্টের শেষ ৩২ বা ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর মঞ্চে। ফিফার নতুন ৪৮ দলের ফরম্যাট অনুযায়ী এই সমীকরণটি মিলতে পারে। তবে এর জন্য শর্ত হচ্ছে- জার্মানিকে তাদের গ্রুপে (গ্রুপ ‘ই’) চ্যাম্পিয়ন হতে হবে এবং ব্রাজিলকে তাদের গ্রুপে (গ্রুপ ‘সি’) তৃতীয় স্থান অর্জন করে সেরা চার তৃতীয় দলের একটি হিসেবে নকআউটে পা রাখতে হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দলগুলো সেরা তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মুখোমুখি হবে। ফলে গ্রুপ পর্বের এই নাটকীয় ফলাফলেই তৈরি হতে পারে দুই পরাশক্তির শুরুর দিকের লড়াই।

    যদি ব্রাজিল ও জার্মানি কোনো অঘটন ছাড়াই নিজেদের গ্রুপ থেকে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন বা রানার্স-আপ হিসেবে নকআউট পর্বে উত্তীর্ণ হয়, তবে শুরুতেই তাদের দেখা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা করতে হবে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য। নকআউট ব্র্যাকেটের বিন্যাস অনুযায়ী, দুই দলই যদি নিজেদের নকআউট ম্যাচগুলোতে টানা জয় তুলে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে, তবে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল কিংবা স্বপ্নের ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিল ও জার্মানির এই ব্লকবাস্টার ম্যাচটি মাঠে গড়াবে কি না, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে গ্রুপ পর্বে দল দুটির পারফরম্যান্স এবং নকআউট ব্র্যাকেটের লাইনআপের ওপর। তবে আপাতত বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সেই মাহেন্দ্রক্ষণের, যখন আবারও সাম্বা ম্যাজিকের বিপরীতে দেখা যাবে জার্মানির নিখুঁত ও গতিময় ফুটবল কৌশল।

  • হাইতি কেমন দল, র‌্যাঙ্কিং কত, ব্রাজিলের মুখোমুখি দেখায় পরিসংখ্যান কেমন দেখেনিন

    হাইতি কেমন দল, র‌্যাঙ্কিং কত, ব্রাজিলের মুখোমুখি দেখায় পরিসংখ্যান কেমন দেখেনিন

    কাল ভোর সাড়ে ৬টায় হাইতির মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল- এটা হয়তো সবারই জানা। মরক্কোর বিপক্ষে আগের ম্যাচে ড্র করায় এই ম্যাচের আগে কিছুটা চাপে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ব্রাজিল পারবে তো! হাইতি কেমন দল, তাদের র‌্যাঙ্কিং কত, ব্রাজিলের মুখোমুখি দেখায় অতীত ইতিহাসই বা কেমন?

    ব্রাজিল-হাইতির অতীত ইতিহাস খুব বেশি দীর্ঘ নয়। দুদল এখন পর্যন্ত কেবল ৩টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। এই ৩ ম্যাচের পরিসংখ্যান ব্রাজিলকে স্বস্তিই দেওয়ার কথা। হারবে তো বহুদূরের আলাপ, ব্রাজিল একটি ম্যাচে ড্র পর্যন্ত করেনি। এক গোল হজমের বিপরীতে দিয়েছে ১৭টি। সবশেষ ২০১৬ সালের মুখোমুখি দেখায়ই জিতেছিল ৭-১ গোলে।

    ফিলাডেলফিয়ায় দুদলের এবারের মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারটি ভিন্ন। এই ম্যাচ রোমাঞ্চে বাড়তি মাত্রা যোগ করছে। কেননা ১৯৭৪ ও ২০০৪ সালের দুটি ম্যাচই ফিফা প্রীতি। এবারই বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে তারা।

    হাইতির ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৮৫। যা ২০১৬ সালে ব্রাজিল ৭ গোল দেওয়ার সময়ের থেকে খারাপ। ওই ম্যাচের সময় হাইতি ছিল র‌্যাঙ্কিংয়ের ৭৪ নম্বরে। ব্রাজিল ছিল সাতে, এখন আছে পাঁচে।

    হাইতি স্কটল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছে। স্কটল্যান্ড আছে র‌্যাঙ্কিংয়ের ৪২ নম্বরে। এটা থেকেই দলটির শক্তিমত্তা সম্পর্কে ধারণা করে নেওয়া যায়। তাছাড়া ২০২৬ সালে খেলা পাঁচ ম্যাচের মধ্যে হাইতির জয় কেবল একটি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই জয়টি অবশ্য ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে।

    হাইতি যেমন দলই হোক, ব্রাজিল নিজেদের খেলায় আরও উন্নতির চেষ্টায়। এ লক্ষ্যে হাইতির বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন দলটির কোচ। আনচেলত্তি বলেছেন, ‘আমরা কিছু পরিবর্তন করব। দলের পারফরম্যান্স আরও ভালো হওয়া দরকার। আমরা জানি, আমাদের সামর্থ্য আরও বেশি এবং সেটাই মাঠে দেখাতে হবে।’

    প্রথম ম্যাচে রাফিনিয়া, ক্যাসেমিরোসহ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলার নিজেদের সেরা খেলাটা উপহার দিতে পারেননি। তবে তাদের ওপর আস্থা হারাননি ব্রাজিল কোচ। বরং তিনি মনে করেন, প্রথম ম্যাচের চাপ খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলায় প্রভাব ফেলেছিল।

  • ব্রাজিলকে জটিল পরিস্থিতির মুখে ফেলতে পারে স্কটল্যান্ড-মরক্কো ম্যাচ

    ব্রাজিলকে জটিল পরিস্থিতির মুখে ফেলতে পারে স্কটল্যান্ড-মরক্কো ম্যাচ

    ফক্সবোরোতে স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের মধ্যকার ম্যাচ বেশ কিছু কারণে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিতে পারে।

    ব্রিটিশ দল যদি আফ্রিকানদের হারায় তাহলে টানা দ্বিতীয় জয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে শেষ ম্যাচ খেলবে। এমনকি হাইতিকে হারিয়ে ব্রাজিল জিতে তিন পয়েন্ট পেলেও। এক্ষেত্রে স্কটিশরা ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে বেশ সুবিধাজনক স্থানে থেকে। ওই ম্যাচে ড্র করলেও গ্রুপের শীর্ষে থাকবে তারা।

    মরক্কোর সঙ্গে ড্র করা ব্রাজিলকে গ্রুপের শীর্ষে থাকতে ওই ম্যাচে ইউরোপিয়ান দলকে হারাতেই হবে। তাতে পরের পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

    সি গ্রুপের প্রথম ও দ্বিতীয় দল নকআউট পর্বে এফ গ্রুপের দলগুলোর মুখোমুখি হবে। এই গ্রুপের শীর্ষ দল অন্য গ্রুপের রানার্সআপের মুখোমুখি হবে।

    আপাতত এফ গ্রুপে সুইডেন শীর্ষে। জাপান ও নেদারল্যান্ডস একটি করে পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরে অবস্থান করছে। শূন্য পয়েন্টে তিউনিসিয়া সবার শেষে।

    ১২টি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দলের সঙ্গে গ্রুপ পর্বের আটটি সেরা তৃতীয় স্থানে থাকা দল নকআউটে পৌঁছাবে। কার্লো আনচেলত্তির দল যদি তৃতীয় হয়, তাহলে তারা লড়বে এ, ই কিংবা আই গ্রুপের প্রতিপক্ষের সঙ্গে। তাতে করে সেলেসাওদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ফ্রান্স কিংবা জার্মানি।

    স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কো ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামবে। র‌্যাঙ্কিংয়ের ষষ্ঠ স্থানে থাকা আফ্রিকানরা যদি ইউরোপিয়ানদের হারাতে পারে তাহলে গ্রুপের প্রথম দল নির্ধারণ হতে পারে গোল ব্যবধানে। এই সমীকরণ তখনই হবে, যদি মরক্কান ও ব্রাজিলিয়ানরা তাদের বাকি দুটি ম্যাচ জেতে এবং সাত পয়েন্ট পায়। কারণ দুই দলের ম্যাচের ফল সমান থাকায় তখন শুধু গোল ব্যবধানই হিসাব করা হবে। তাই বাকি দুটি ম্যাচেই মরক্কো ও ব্রাজিল বেশি করে গোল করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

    মূলত স্কটল্যান্ড বনাম মরক্কো ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ব্রাজিলকে গ্রুপের শীর্ষস্থানে উঠতে রাখতে কতটা কঠিন লড়াই করতে হবে এবং নকআউট পর্বে তারা সহজ নাকি কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে।

  • মেসি শীর্ষে, ফিফার যে র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে আছেন এক ব্রাজিলিয়ানও

    মেসি শীর্ষে, ফিফার যে র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে আছেন এক ব্রাজিলিয়ানও

    ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড শেষে প্রকাশিত ফিফার নতুন ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’-এ আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া সব ফুটবলারের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এই র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে ফিফা।

    আক্রমণভাগের সেরা ১০ খেলোয়াড়ের তালিকায় একমাত্র ব্রাজিলিয়ান হিসেবে জায়গা পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিনি রয়েছেন নবম স্থানে। মেসির পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন নিউজিল্যান্ডের এলাইজা জাস্ট এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।

    ফিফা তাদের র‌্যাঙ্কিংকে তিনটি বিভাগে ভাগ করেছে; আক্রমণ, সৃজনশীলতা (ক্রিয়েটিভিটি) এবং রক্ষণ। সৃজনশীলতার তালিকায় শীর্ষে আছেন ইরানের রামিন রেজাইয়ান, যিনি পেয়েছেন ৮.২৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে রক্ষণভাগের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কানাডার ডেরেক কর্নেলিয়াস, যার সংগ্রহ ৭.২৮ পয়েন্ট।

    সৃজনশীলতার র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের সেরা অবস্থানে রয়েছেন লুইজ হেনরিক, তবে তিনি আছেন ৬৭তম স্থানে। রক্ষণভাগে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ স্কোর পেয়েছেন ডগলাস সান্তোস, যিনি অবস্থান করছেন ৬১তম স্থানে।

    আক্রমণভাগের সেরা দশে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, নিউজিল্যান্ডের এলাইজা জাস্ট, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারি, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, নরওয়ের আর্লিং হলান্ড, আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো, সুইডেনের আলেক্সান্ডার ইসাক, ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং কলম্বিয়ার লুইস দিয়াজ।

    সৃজনশীলতার তালিকার সেরা দশে রয়েছেন ইরানের রামিন রেজাইয়ান, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে, জার্মানির ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, দক্ষিণ কোরিয়ার কাং-ইন লি, প্যারাগুয়ের হুলিও এনসিসো, নেদারল্যান্ডসের রায়ান গ্রাভেনবার্খ, ইংল্যান্ডের বুকায়ো সাকা, আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো, মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজ এবং মিশরের মোহাম্মদ সালাহ।

    রক্ষণভাগের সেরা দশে আছেন কানাডার ডেরেক কর্নেলিয়াস, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার নিকোলা কাতিচ, তারিক মুহারেমোভিচ ও আমার দেদিচ, অস্ট্রিয়ার জাভার শ্লাগার, যুক্তরাষ্ট্রের টাইলার অ্যাডামস, কেপ ভার্দের সিডনি লোপেস ও উইলি সেমেদো, মেক্সিকোর হেসুস গায়ার্দো এবং অস্ট্রেলিয়ার আলেসান্দ্রো সিরকাতি।

    ফিফা জানিয়েছে, নতুন এই ‘পাওয়ার র‌্যাঙ্কিং’ তৈরি করা হয়েছে ম্যাচভিত্তিক পারফরম্যান্স ডেটার ওপর ভিত্তি করে। গোলরক্ষকদের বল দখল ও রক্ষণভাগে অবদানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে মাঠের খেলোয়াড়দের আক্রমণ, সৃজনশীলতা ও রক্ষণ; এই তিন বিভাগে ০ থেকে ১০ স্কোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ শেষে এই র‌্যাঙ্কিং নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।

  • ভোজিনহার আক্ষেপের অবসান, বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন মা

    ভোজিনহার আক্ষেপের অবসান, বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন মা

    স্পেনের বিপক্ষে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক জোসিমার দিয়াস ভোজিনহা। বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে রাখার পেছনে বড় ভূমিকা রাখা এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের ব্যক্তিগত একটি আক্ষেপও তখন আলোচনায় আসে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আক্ষেপের অবসান হয়েছে। বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন তার মা আনা কান্দিদা এভোরা।

    ৪০ বছর বয়সি ভোজিনহা বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান। স্পেনের বিপক্ষে তিনি সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে মূল্যবান এক পয়েন্ট এনে দেন। ম্যাচ শেষে তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কারও দেওয়া হয়।

    তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের আনন্দের মাঝেও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ভোজিনহা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অর্থনৈতিক ও ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তার মা যুক্তরাষ্ট্রে এসে মাঠে বসে তার খেলা দেখতে পারেননি। মায়ের অনুপস্থিতি তাকে কষ্ট দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

    ভোজিনহার সেই আবেগঘন বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিষয়টি নজরে আসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরেরও। পরে প্রাইয়ায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের ভিসা বিভাগ আনা কান্দিদা এভোরার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

    সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এভোরার যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের অনুমোদন নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে ছেলের খেলা সরাসরি গ্যালারিতে বসে উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। ভোজিনহার জন্য এটি বিশ্বকাপের সবচেয়ে আনন্দের খবরগুলোর একটি হয়ে এসেছে।

  • দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

    দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

    বিশ্বকাপের চলতি আসরের শুরুটা ব্রাজিলের সুখকর হয়নি। প্রথম ম্যাচে ড্র করলেও গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সুখবর পেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

    শনিবার (২০ জুন) ‘সি’ গ্রুপের হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের আগে ফিফার হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে ব্রাজিল। একইভাবে অবস্থানে উন্নতি ঘটিয়ে ছয় নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে মরক্কো।

    র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান এখনো লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার দখলে।  ১৮৮৯.০৬ পয়েন্ট নিয়ে আলবিসেলেস্তেরা যথারীতি সবার ওপরে রয়েছে। 

    ফ্রান্স সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এক ধাপ এগিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছে; যা আর্জেন্টিনার চেয়ে মাত্র দুই পয়েন্ট পিছিয়ে। অন্যদিকে, কেপ ভার্দের সঙ্গে ১-১ এ ড্র করে এক ধাপ নিচে নেমে তিনে জায়গা নিয়েছে স্পেন।

    শীর্ষ দশে থাকা অন্য দলগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড চতুর্থ ও নেদারল্যান্ডস অষ্টম স্থানে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। জার্মানি এক ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠেছে, আর বেলজিয়াম নেমে গেছে দশম স্থানে।

    কলম্বিয়া উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে উঠে এসেছে ১১ নম্বরে। মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে ১৩ নম্বরে। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারার পর ক্রোয়েশিয়া তিন ধাপ পিছিয়ে এখন ১৪ নম্বরে অবস্থান করছে।

    প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৫তম স্থানে উঠে এসেছে। জাপানও এক ধাপ উন্নতি করে এখন ১৭ নম্বরে। ডিআর কঙ্গো তিন ধাপ এগিয়ে পৌঁছেছে ৪৩ নম্বরে।

    র‍্যাঙ্কিংয়ের এই সুখবর ব্রাজিল শিবিরে বাড়তি উদ্দীপনা জোগাবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। 

  • প্রথম ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপের গ্রুপ চিত্র: এগিয়ে যেসব দল

    প্রথম ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপের গ্রুপ চিত্র: এগিয়ে যেসব দল

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল নিজেদের প্রথম ম্যাচ শেষ করেছে। এখনো টুর্নামেন্টের পথ অনেক লম্বা হলেও, এক ম্যাচ শেষে কে কোন অবস্থায় আছে তা দেখে নেয়া যাক।

    গ্রুপ ‘এ’তে স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়া জয় দিয়ে শুরু করে ৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও চেকিয়া প্রথম ম্যাচে হেরে পিছিয়ে রয়েছে।

    গ্রুপ ‘বি’তে চার দলের শুরু হয়েছে সমতায়। কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড ও বসনিয়া হার্জেগোভিনা—সবাই একটি করে পয়েন্ট পেয়েছে। গোল ব্যবধানেও দলগুলোর অবস্থান কাছাকাছি।

    গ্রুপ ‘সি’তে ব্রাজিল ও মরক্কো ড্র করায় দুই দল এক পয়েন্ট করে পেয়েছে। তবে হাইতিকে হারিয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে আছে স্কটল্যান্ড।

    গ্রুপ ‘ডি’তে বড় জয়ে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়াও জয় তুলে নিয়ে দুইয়ে আছে। একইভাবে গ্রুপ ‘ই’তে জার্মানি ও আইভরি কোস্ট জয় দিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে।

    গ্রুপ ‘এফ’তে সুইডেন এগিয়ে, আর নেদারল্যান্ডস ও জাপান সমান পয়েন্টে রয়েছে। গ্রুপ ‘জি’ ও ‘এইচ’–এ চার দলের মধ্যেই পয়েন্টের লড়াই সমানে চলছে।

    গ্রুপ ‘আই’তে ফ্রান্স ও নরওয়ে দারুণ শুরু করেছে। গ্রুপ ‘জে’তে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়া জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে। গ্রুপ ‘কে’তে কলম্বিয়া এগিয়ে থাকলেও পর্তুগাল ও ডিআর কঙ্গো সমতায় আছে। গ্রুপ ‘এল’তে ইংল্যান্ড ও ঘানা প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে।

    এক ম্যাচ শেষে এখনো অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। তবে শুরুতেই যারা জয় পেয়েছে, তারা নকআউট পর্বের দৌড়ে কিছুটা বাড়তি সুবিধা নিয়ে পরের ম্যাচে নামবে।