Blog

  • জি’নসের পকেটে এই ছোট্ট ধা’তব বো’তাম থাকে কেন, জেনে নিন আ’সল র’হস্য

    জি’নসের পকেটে এই ছোট্ট ধা’তব বো’তাম থাকে কেন, জেনে নিন আ’সল র’হস্য

    জিনসের পকেটের কোনায় থাকা ছোট্ট ধাতব বোতামগুলো কেন থাকে, ভেবেছেন কি? অনেকেই এই বোতামগুলোকে স্রেফ নকশা মনে করি। কিন্তু আদতে এগুলোর পেছনে আছে এক দারুণ প্রয়োজনীয় কারণ।

    জিনস বা ডেনিম প্যান্টের পকেটে ছোট্ট এই ধাতব বোতামগুলো থাকে কেন, তা জানতে হলে আগে জানতে হবে জিনসের ইতিহাস। আজ স্টাইলের জন্য যে জিনস পরি, এর জন্ম হয়েছিল মূলত খনিশ্রমিক ও কঠোর পরিশ্রমী মানুষদের জন্য।

    আঠারো শতকের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে সোনার খনি আর রেলপথ তৈরির কাজ ব্যাপকভাবে শুরু হয়। তখন শ্রমিকেরা এক বড় সমস্যায় পড়েন।

    খনির ভেতরের পরিবেশ আর দিনভর কঠোর পরিশ্রমের ফলে তাঁদের সাধারণ প্যান্টগুলো খুব দ্রুত ছিঁড়ে যেত। এই কঠিন কাজের জন্য এমন এক বিশেষ পোশাকের প্রয়োজন ছিল, যা সহজে ছিঁড়বে না এবং অনেক দিন টিকবে।

    ডেনিম নামটির উৎপত্তি যেভাবে

    সেই চিন্তা থেকে নতুন ধরনের প্যান্ট তৈরি করেন যুক্তরাষ্ট্রের লিভাই স্ট্রাউস নামের এক কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি খেয়াল করেন, সাধারণ সুতি বা লিনেনের প্যান্ট খনির পরিবেশে টিকছে না।

    তখন তিনি ফ্রান্সের নিম শহরের একধরনের শক্ত সুতার কাপড় দিয়ে প্যান্ট বানাতে শুরু করেন। এই কাপড়কে বলা হতো ‘সার্জ দে নিম’। মানুষের মুখে মুখে ছোট হয়ে পরবর্তী সময়ে এই ‘দে নিম’ থেকেই আজকের ‘ডেনিম’ শব্দটি এসেছে।

    সে সময় ডেনিম কাপড়টি ছিল যেমন মোটা, তেমনই টেকসই। ১৮২৯ সালের দিকে লিভাই স্ট্রাউস যুক্তরাষ্ট্রে এই প্যান্ট বিক্রি শুরু করেন।

    জিনস নামটা যেভাবে এল

    জিনসের পকেটের কোনায় যে ছোট্ট ধাতব বোতামগুলো দেখা যায়, সেগুলোকে বলে ‘রিভেট’

    অন্যদিকে জিনস নামটির পেছনেও আছে এক মজার কাহিনি। ইতালির জেনোয়া শহরের এই কাপড়কে নীল রং করে জাহাজের পাল বা কাজের পোশাক তৈরিতে ব্যবহার করা হতো। ফরাসিরা একে বলত ‘ব্লু দে জেনেস’, যা থেকে পরবর্তীকালে ‘ব্লু জিনস’ নামটির উৎপত্তি হয়। শব্দটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়।

    শুরুর দিকে এই প্যান্টগুলো ছিল ঢিলেঢালা ও কেবল নীল রঙের। নীল রং ব্যবহার করার বৈজ্ঞানিক কারণও ছিল। প্রাকৃতিক নীল বা ইন্ডিগো ডাই কাপড়ের ভেতরে না ঢুকে কেবল ওপরের স্তরে লেগে থাকত বলে বারবার ধোয়ার পরও সুতার ভেতরের অংশ অক্ষত ও মজবুত থাকত। সেই থেকে বেশির ভাগ জিনসের রং নীল।

    বোতামগুলোর কাজ কী

    জিনসের পকেটের কোনায় যে ছোট্ট ধাতব বোতামগুলো দেখা যায়, সেগুলোকে বলে ‘রিভেট’। শুরুর দিকে খনি বা কারখানায় কাজ করা শ্রমিকদের একটি বড় সমস্যা ছিল। পকেটের কোনা আর প্যান্টের জয়েন্টগুলো খুব দ্রুত ছিঁড়ে যেত।

    ১৮৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা শহরের এক দরজি জ্যাকব ডেভিস এ সমস্যার সমাধান বের করেন। তিনি প্যান্টের সেই দুর্বল জায়গাগুলোয় হাতুড়ি দিয়ে ছোট ছোট তামার রিভেট দিয়ে জোড়া লাগান। এতে সাধারণ সেলাইয়ের চেয়ে প্যান্টের স্থায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়।

    মার্কিন দরজি জ্যাকব ডেভিস জিনসের ধাতব বোতাম রিভেটের উদ্ভাবক

    এভাবেই জন্ম নেয় আজকের এই জনপ্রিয় ‘রিভেটেড ব্লু জিনস’। সে সময় এই প্যান্টগুলো ‘XX’ নামে পরিচিত ছিল, যা পরে বিশ্বজুড়ে ‘৫০১ জিনস’ হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

    খনিশ্রমিক বা ভারী কাজ করেন, এমন ব্যক্তিদের জন্য এই রিভেট ছিল একটি চমৎকার ও টেকসই সমাধান। পকেটের কোনা বা সেলাই ফেটে যাওয়া ঠেকাতে এটি ম্যাজিকের মতো কাজ করত।

    জ্যাকব ডেভিসের তৈরি এই মজবুত প্যান্টগুলো বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এমনকি সে সময় অন্য দরজিরাও তাঁর এই নকশা নকল করতে শুরু করেন।

    পেটেন্ট ও ব্যবহার

    লিভাইসের শুরুর দিকের ট্রেডমার্ক

    ডেভিস বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁর এই আইডিয়ার পেটেন্ট করা জরুরি। কিন্তু সে সময় পেটেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় ৬৮ ডলার তাঁর কাছে ছিল না। তাই ১৮৭২ সালে তিনি তাঁর কাপড়ের জোগানদাতা লিভাই স্ট্রাউসের সঙ্গে চুক্তি করেন।

    স্ট্রাউস পেটেন্টের খরচ দেন এবং সান ফ্রান্সিসকোয় গিয়ে উৎপাদন তদারকির দায়িত্ব নেন ডেভিস। ১৮৭৩ সালের ২০ মে তাঁরা যৌথভাবে এই রিভেটেড ডেনিম তৈরির পেটেন্ট পান।

    ১৮৯০ সাল পর্যন্ত এই নকশার ওপর কেবল লিভাই স্ট্রাউস অ্যান্ড কো.–র একচ্ছত্র অধিকার ছিল। অনেক প্রতিযোগী অন্য উপায়ে প্যান্ট মজবুত করার চেষ্টা করলেও তামার রিভেটের মতো সহজ ও সুন্দর সমাধান আর কেউ দিতে পারেনি।

    ১৮৯০ সালে পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সব কোম্পানিই তাদের জিনসে রিভেট ব্যবহার শুরু করে।

    লিভাইসের ট্রেডমার্ক

    পরবর্তী সময়ে লিভাইস তাদের ট্রেডমার্ক দুই ঘোড়ার লেবেল, লাল ট্যাব এবং বিখ্যাত লিভাইস নামটি ট্রেডমার্ক করে নেয়।

    এখন হয়তো আগের মতো খনিতে কাজ করার জন্য রিভেটের প্রয়োজন পড়ে না। তবু এটি আজও প্যান্টের পকেটে রয়ে গেছে। রিভেট ছাড়া জিনস যেন অসম্পূর্ণ। অনেকে তো রিভেট ছাড়া জিনসকে নকল বলেও মনে করেন!

    সূত্র: ইয়াহু লাইফস্টাইল, ফাইভ পকেট জিনস, সিএনএন, বিজনেস ইনসাইডার

  • মুহূর্তেই আ’ক্কেল দাঁ’তের ব্য’থা দূর করুন এই উ’পায়ে, জানা না থাকলে পড়ুন

    মুহূর্তেই আ’ক্কেল দাঁ’তের ব্য’থা দূর করুন এই উ’পায়ে, জানা না থাকলে পড়ুন

    এই দাঁত অন্য দাঁতের মতো নয়। অন্য দাঁতগুলো সঠিক সময়ে উঠলেও আক্কেল দাঁত উঠতে সময় নেয় অপেক্ষাকৃত বেশি। মাড়ির একদম শেষ প্রান্তের দাঁত হলো ওয়াইজডম টুথ বা আক্কেল দাঁত। সবার শেষে উঠলেও সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণা এই আক্কেল দাঁতের কারণেই পোহাতে হয়। দাঁতের ব্যথার কষ্ট ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। এর চিকিৎসাও আরামদায়ক কিছু নয়। আক্কেল দাঁতের যন্ত্রণার কারণে অনেক সময় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হয়। তখন দাঁত তোলা কিংবা দাঁতে অস্ত্রপাচারের প্রয়োজন হলে আরও বেশি যন্ত্রণা পেতে হয়। তাই আক্কেল দাঁতের কারণে ব্যথায় ভুগলে মেনে চলতে পারেন কিছু ঘরোয়া উপায়। সেসব উপায় মেনে চললে দাঁতে ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন অনেকটাই।

    আক্কেল দাঁতের কারণে শুধু যে ব্যথা হয় তাই নয়, এই দাঁতের কারণে সুস্থ দাঁতগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেক সময় আক্কেল দাঁত ভালোভাবে উঠতে না পেরে ভেঙে মাড়ির ভেতরে আটকে যায়। যার ফলস্বরূপ ব্যথা আরও বাড়তে পারে। বয়স কম হলে সেই ভাঙা দাঁত তুলে ফেলা সহজ হয়। কিন্তু বয়স বেড়ে গেলে মুখের ভেতরের হাড় শক্ত হয়ে যায়। ফলে সেই দাঁত তোলা সহজ হয় না। জরুরি মনে হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তার আগে জেনে নিন আক্কেল দাঁতের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া কিছু উপায়-

    অ্যালোভেরার ব্যবহার

    অ্যালোভেরার গুণের কথা জানা আছে নিশ্চয়ই! বিশেষ করে রূপচর্চার কাজে অ্যালোভেরা বেশি পরিচিত। অবাক করা তথ্য হলো, এই অ্যালোভেরা আক্কেল দাঁত কিংবা অন্য দাঁতের ব্যথা দূর করতেও সমান কার্যকরী। এটি মাড়ির ফোলাভাব দূর করতে সাহায্য করে। তাই দাঁতে ব্যথা হলে সেখানে অ্যালোভেরার ভেতরের শাঁসটুকু ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আক্রান্ত স্থান শীতল থাকবে এবং ব্যথা কমবে অনেকটাই।

    লবণ-জলেতে গার্গল

    হালকা গরম জল ও লবণ দিয়ে গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায় আক্কেল দাঁতের ব্যথায়। হালকা গরম জলেতে সোডিয়াম ক্লোরাইড যোগ করে কুলি করতে পারেন। এর ফলে দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর হবে এবং মাড়ি সুস্থ থাকবে। অনেক সময় আক্কেল দাঁতের কারণে মাড়িতে সিস্ট এবং অন্য দাঁতে ব্যথা হতে পারে। লবণ-জলেতে ধুয়ে ফেললে সেই ব্যথা থেকে দূরে থাকা যায়। গলা ব্যথা, দাঁত ও মাড়ির ব্যথা দূর করার জন্য লবণ-জল বেশ কার্যকরী। হালকা গরম জলেতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ইনফেকশনের ভয় দূর হবে।

    তুলসি পাতায় ব্যথা দূর

    দাঁতের ব্যথা দূর করার জন্য তুলসি পাতা বেশ সহায়ক। তুলসি পাতায় থাকা উপকারী উপাদান দাঁতের ব্যথা ও প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে। সেজন্য প্রথমে তুলসি পাতার রস করে নিতে হবে। এরপর তাতে পরিষ্কার তুলো ভিজিয়ে মাড়িতে লাগাতে হবে। পাশাপাশি তুলসি পাতা দিয়ে চা তৈরি করেও খেতে পারেন।

    লবঙ্গ তেলের উপকারিতা

    লবঙ্গ তেল দাঁত ব্যথা দূর করতে কার্যকরী কারণ এর রয়েছে অ্যানালজেসিক বৈশিষ্ট্য। লবঙ্গের তেল ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে দূর করে সংক্রমণের ঝুঁকি। আক্কেল দাঁতের ব্যথা দূর করার জন্য লবঙ্গ তেল বা আস্ত কয়েকটি লবঙ্গ জলেতে ফুটিয়ে নিন। এরপর মাড়িতে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। এতে দাঁতের ব্যথা অনেকটাই কমবে।

  • দাঁ’তের ব্য’থা থেকে মু’ক্তি পেতে কী করবেন? জেনে নিন কা’র্যকরী উ’পায়

    দাঁ’তের ব্য’থা থেকে মু’ক্তি পেতে কী করবেন? জেনে নিন কা’র্যকরী উ’পায়

    কথাতেই আছে ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম কেউ বোঝেনা’… একথা কতটা সত্যি সেটা তারাই বোঝেন যারা দাঁত নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন বা পেয়েছেন। প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই দরকার। যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করা আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা খুবই দরকারি। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মেনে চলেন না। তাই কষ্ট পান দাঁতের ব্যাথায়।দাঁতে ব্যাথা হবার একটি খারাপ সময়ও আছে। সেটি হল রাতে ঘুমনোর সময় বা রাতে যখন সব ডেন্টিস্ট চেম্বার বন্ধ বা সব ওষুধের দোকান বন্ধ, ঠিক তখনই দাঁতের ব্যাথা চরম আকার ধারন করে। তখন সারা রাত সেই অসহ্য ব্যাথা সহ্য করা ছাড়া কিছু করার থাকেনা।তারপর এখন এসেগেছে শীতকাল। শীতকাল সবরকম ব্যাথার জন্য খুবই সাংঘাতিক। আর সেটা যদি হয় দাঁতের ব্যাথা তাহলে তো কোন কথাই নেই। ব্যাথা যুক্ত দাঁত তুলে না ফেলা পর্যন্ত কোন রেহাই নেই। কিছু করার না থাকলে একমাত্র উপায় হল পেইনকিলার খাওয়া। কিন্তু পেইনকিলার শরীরের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকারক।তাহলে কি উপায়ে ঠিক করবেন দাঁতের ব্যাথা ? উপায় আপনার ঘরেই পাবেন। এমন কিছু জিনিস যা আপনার ঘরেই আছে, তা আপনাকে দাঁতের ব্যাথা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কি… লবণ জল: এটি দাঁতে ব্যাথা কমানোর একটি সাধারণ উপায়। লবণ এমন একটি উপাদান যা প্রত্যেক ঘরেই থাকে। দাঁতে ব্যাথা হলে উষ্ণ গরম জলে একটু লবণ মিশিয়ে বারবার কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ব্যাথা কমবে আর মুখে থাকা জীবাণু নাশ হবে। এর সঙ্গে মাড়িতে রক্ত চলাচল হবে ফলে মাড়ির ব্যাথাও কমে আসবে।

    লবঙ্গ: এই জিনিসটি সব বাড়িতেই থাকে। যখন দাঁতে ব্যাথা হবে তখন যে দাঁতটি ব্যাথা তার ওপরে একটি লবঙ্গ উলটো দিক দিয়ে চেপে ধরে থাকুন। অথবা দাঁতে লবঙ্গ তেল ব্যাবহার করতে পারেন। এর ফলে ব্যাথা থেকে সাময়িক মুক্তি পাবেন। তবে সাবধান, দু ফোঁটার বেশি তেল ব্যবহার করবেন না।

    আদা: দাঁতে ব্যাথা থেকে নিমিষে আরাম দেয় আদা। এক টুকরো আদা নিয়ে ব্যাথা যুক্ত দাঁত দিয়ে চিবতে থাকুন। যে দাঁতে ব্যাথা তার ওপরে আর আশে পাশে আদার রস দিন। কিছুক্ষন পর অবশ্যই ব্যাথা থেকে আরাম পাবেন।

    রসুন: এক কোয়া রসুন থেঁতো করে বা তাতে একটু লবণ মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন, উপকার পাবেন।

    পেঁয়াজ: এক টুকরো পেঁয়াজ কেটে দাঁতের ফাঁকে দিয়ে রাখুন, নিশ্চয়ই উপকারে আসবে।

    লঙ্কা: অবাক হচ্ছেন ? অবাক হওয়ার কিছু নেই। শুকনো লঙ্কা বা কাঁচা লঙ্কা পেস্ট তৈরি করে ব্যাথা দাঁতের উপর দিয়ে রাখুন। লঙ্কায় থাকা ক্যালসিয়াম ব্যাথা কমিয়ে দেবে।

    বেকিং সোডা: একটু তুলো জলে ভিজিয়ে রেখে তার ওপর খানিকটা বেকিং সোডা নিয়ে ব্যাথা দাঁতের ওপর দিয়ে রাখুন। তারপর এক গ্লাস গরম জলে বেকিং সোডা নিয়ে কুলকুচি করুন, ব্যাথা থেকে অবশ্যই উপশম মিলবে।

  • দাঁ’তের নানা রকম স’মস্যার থেকে মু’ক্তি পেতে জেনেনিন কি করবেন, পড়ুন উপকারে আসবে

    দাঁ’তের নানা রকম স’মস্যার থেকে মু’ক্তি পেতে জেনেনিন কি করবেন, পড়ুন উপকারে আসবে

    শুধু দাঁত মাজলেই দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে না। নিয়মিত দু’বার করে মাজতে হবে এটা প্রাথমিক শর্ত। এর পরও দাঁতে নানা রোগ বাসা বাঁধতে পারে। তাই সব কিছুর পরেও নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কারণ শুধু দাঁত মাজলে বাহ্যিকভাবে দাঁত পরিষ্কার হলেও পুরোপুরি পরিষ্কার হয় না। তাই নিয়ম করে ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে দাঁত দেখাতে হবে। আর এটাই কিন্তু দাঁতের আসল যত্ন।

    দাঁতের সাধারণত তিন ধরনের সমস্যা হয়, আগাম সতর্ক হলে এগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    মাড়িজনিত সমস্যা

    খাবার খেলে দাঁতের গায়ে একটা আস্তরণ পড়বেই। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘ডেন্টাল প্লাক’। এই ‘ডেন্টাল প্লাক’ জমতে জমতে ‘ডেন্টাল ক্যালকুলাসে’ পরিণত হয়। অর্থাৎ আস্তরণ আরও মোটা হয়ে দাঁতে ছোপ তৈরি করে। যখন এই সমস্যা মাড়ি পর্যন্ত যায়, তখন তাকে বলে ‘জিনজিভাইটিস’। আর যখন তা মাড়ি থেকে আরও গভীরে যায় তখন তাকে বলে ‘পেরিওডনটাইটিস’।

    আসলে দাঁতের গায়ে মোটা আস্তরণের কারণে অনেক ব্যাকটিরিয়া জমে থাকে। সেই ব্যাকটিরিয়া অ্যাসিড প্রোডাকশন করে। যার ফলে দাঁতের মাঝখানে যে হাড়গুলো রয়েছে, যেগুলো দাঁতগুলোকে চোয়ালের সঙ্গে ধরে রেখেছে, সেই হাড় ক্ষয়ে যেতে শুরু করে। কিন্তু এই সমস্যা শুরুতে কেউ-ই বুঝতে পারেন না। যখন অনেকটা ক্ষয়ে গিয়ে দাঁত নড়তে শুরু করে, রক্ত বের হয় তখন রোগী আমাদের কাছে আসে।

    কিন্তু নিয়মিত দাঁতের চেকআপ করালে শুরুতেই আমরা এই সমস্যা ধরতে পারি। সেই মতো প্রথমেই স্কেলিং করে বা দাঁত পরিষ্কার করে সমস্যা ঠিক করে দেওয়া সম্ভব।

    ক্যাভিটি

    সাধারণত দাঁতে গর্ত হলে প্রাথমিক অবস্থায় অনেকেই তেমন গা করেন না। সেটা ফেলে রাখতে রাখতে যখন ব্যথা শুরু হয় তখন চিকিৎসকের কাছে আসেন। আগে এলে গর্ত দাঁতের গভীরে তেমন যায় না, ফলে সেটাকে ফিলিং করে ঠিক করে দাঁতকে রক্ষা করা সম্ভব। দাঁতের গর্ত যখন দাঁতের নার্ভ পর্যন্ত চলে যায় বা পেরিঅ্যাপাইক্যাল ইনফেকশন হয় তখন সেটাকে রুট ক্যানাল বা ক্রাউন করে ঠিক করতে হয়। আর বেশি দেরি হলে দাঁতের গর্ত থেকে ইনফেকশন ছড়িয়ে গেলে দাঁত তুলে ফেলতে হয়।

    মুখগহ্বরের ক্যানসার

    খুব ছোট একটা ক্ষত মুখের ভিতরে যদি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাহলে বিপদের আশঙ্কা থাকে। এছাড়া তামাকজাত দ্রব্য যারা খান তাদের প্রথমে গালের চামড়া মোটা হয়, শক্ত হয়। তারপর হাঁ ছোট হতে থাকে। খাবার খেলে ঝাল লাগা বা গাল জ্বালা করতে শুরু করে। এই সময় যদি কেউ চিকিৎসকের কাছে আসেন সেক্ষেত্রে সমস্যা ঠিক করা সম্ভব। আর দেরি করলে ক্যানসার প্রতিরোধ করা অসম্ভব।

    যেহেতু মানুষের মধ্যে এই ব্যাপারে সচেতনতা কম তাই মুখের ক্যানসারে আক্রান্তের সম্ভাবনাও এদেশে বেশি। দাঁত ভেঙে গেলে সেটাও ফেলে রাখা যাবে না। ফেলে রাখতে রাখতে তা থেকে মুখে খোঁচা লাগতে লাগতে ঘা হয়ে ক্যানসার বাসা বাঁধতে পারে। তাই শুরুতেই সতর্ক হতে হবে। নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে দাঁত চেকআপ করালে এই সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করার পাশাপাশি বয়সকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার সমস্যা, দাঁতে ব্যথা এগুলি সবই প্রতিরোধ করা যায়।

    কতদিন পর পর ডাক্তারের কাছে যাবেন?

    যাদের দাঁতে সমস্যা রয়েছে, তাদের ছয় মাসে একবার আর কোন সমস্যা না থাকলে বছরে একবার অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া দরকার।

  • ১০০% চা’র্জের পরও ফো’ন চা’র্জে রাখলে কি ব্যা’টারি ন’ষ্ট হয়? জেনে রাখুন কাজে লাগাতে পারে

    ১০০% চা’র্জের পরও ফো’ন চা’র্জে রাখলে কি ব্যা’টারি ন’ষ্ট হয়? জেনে রাখুন কাজে লাগাতে পারে

    রাতে ঘুমানোর আগে ফোন চার্জে বসিয়ে সকালে উঠে চার্জার খোলা—অনেকের কাছেই এটি নিয়মিত অভ্যাস। কিন্তু ফোনের ব্যাটারি ১০০ শতাংশ পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরও যদি সেটি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুতের সংযোগে থাকে, তাহলে ব্যাটারির ক্ষতি হয় কি না, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। আধুনিক স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে বিষয়টি অবশ্য কিছুটা ভিন্ন।

    বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ স্মার্টফোনে লিথিয়াম-আয়ন বা লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। ফোনের চার্জ ১০০ শতাংশে পৌঁছে গেলে এর চার্জিং সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে কারেন্ট সরবরাহ কমিয়ে দেয় কিংবা মূল চার্জিং প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে পুরো চার্জ হওয়ার পরও ব্যাটারিতে একই মাত্রায় অবিরাম বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে থাকে না।

    তাই রাতভর ফোন চার্জে রাখলেই সেটি ‘ওভারচার্জ’ হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে—এমন ধারণা সঠিক নয়।

    দীর্ঘক্ষণ ১০০% চার্জে থাকা কতটা ভালো?

    ওভারচার্জ না হলেও দীর্ঘ সময় ব্যাটারিকে পুরোপুরি ১০০ শতাংশ চার্জ অবস্থায় রাখা ব্যাটারির জন্য সবচেয়ে ভালো অভ্যাস নয়। লিথিয়াম-ভিত্তিক ব্যাটারি দীর্ঘ সময় সম্পূর্ণ চার্জে থাকলে ধীরে ধীরে এর রাসায়নিক অবক্ষয়ের হার বাড়তে পারে। সময়ের সঙ্গে এর প্রভাব ব্যাটারির সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার ওপর পড়তে পারে।

    ফলে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ব্যবহারের পর দেখা যেতে পারে, আগের তুলনায় ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ, রাতে চার্জে রাখার ক্ষেত্রে মূল উদ্বেগ তাৎক্ষণিকভাবে ‘ওভারচার্জ’ হয়ে যাওয়া নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির স্বাস্থ্য কিছুটা দ্রুত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা।

    চার্জ দেওয়ার সময় অতিরিক্ত গরম হচ্ছে কি না দেখুন

    ব্যাটারির স্বাস্থ্যের জন্য তাপমাত্রা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চার্জ দেওয়ার সময় ফোন সামান্য গরম হওয়া স্বাভাবিক। তবে অতিরিক্ত তাপ ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে এর কর্মক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

    এ কারণে ফোন চার্জ দেওয়ার সময় সেটিকে বালিশ, কম্বল কিংবা বিছানার নিচে রাখা উচিত নয়। এসব জায়গায় বাতাস চলাচল কম থাকায় ফোনের তাপ সহজে বের হতে পারে না। সবচেয়ে ভালো হয়, চার্জ দেওয়ার সময় ফোনকে শক্ত, সমতল ও খোলা জায়গায় রাখা।

    ব্যাটারি প্রোটেকশন ফিচার ব্যবহার করুন

    ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে বর্তমানে অনেক স্মার্টফোনেই বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে। ফোনের ব্র্যান্ড ও মডেল অনুযায়ী এগুলোর নাম হতে পারে ‘অপটিমাইজড চার্জিং’, ‘অ্যাডাপটিভ চার্জিং’ কিংবা ‘ব্যাটারি প্রোটেকশন’।

    এসব ফিচার ব্যবহারকারীর চার্জ দেওয়ার অভ্যাস বুঝে অনেক সময় ফোনকে দীর্ঘক্ষণ ১০০ শতাংশ চার্জে ধরে না রেখে প্রয়োজনীয় সময়ের কাছাকাছি গিয়ে সম্পূর্ণ চার্জ করে। ফলে ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ চার্জ অবস্থায় থাকার সময় কমে যায়।

    তাহলে কি রাতে ফোন চার্জে রেখে ঘুমানো যাবে?

    আধুনিক স্মার্টফোনে চার্জ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি একাধিক নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকায় সাধারণভাবে রাতভর চার্জে লাগিয়ে রাখলেই ফোন তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এমনটা নয়।

    তবে ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কয়েকটি বিষয় মেনে চলা ভালো। ফোন চার্জ দেওয়ার সময় অতিরিক্ত গরম হচ্ছে কি না খেয়াল রাখতে হবে এবং সম্ভব হলে ‘অপটিমাইজড চার্জিং’ বা ‘ব্যাটারি প্রোটেকশন’-এর মতো সুবিধা চালু রাখতে হবে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, চার্জের সময় ফোন যেন অতিরিক্ত গরম না হয় এবং সেটি যেন বালিশ, কম্বল বা অন্য কোনো আবদ্ধ জায়গার নিচে চাপা পড়ে না থাকে। এতে ফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যাটারির কর্মক্ষমতাও দীর্ঘদিন ভালো রাখার সম্ভাবনা বাড়বে।

  • পে’য়ারা ভালো, তবে এই সব রো’গীরা খেলে ঝুঁ’কি বাড়তে পারে! জানতেন? জেনে নিন

    পে’য়ারা ভালো, তবে এই সব রো’গীরা খেলে ঝুঁ’কি বাড়তে পারে! জানতেন? জেনে নিন

    হাইলাইটস:

    পেয়ারা উপকারী একটি ফল। এটি পুষ্টিতেও পরিপূর্ণ। রোগ নিরাময়ের জন্য ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

    তবে, এটি খাওয়ার যতটুকু উপকারিতা রয়েছে তার অসুবিধাগুলিও রয়েছে।

    এ জাতীয় পরিস্থিতিতে Guava-র পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া জেনে রাখাও অত্যন্ত জরুরি।

    এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পেয়ারা উপকারী একটি ফল। এটি পুষ্টিতেও পরিপূর্ণ। রোগ নিরাময়ের জন্য ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে, এটি খাওয়ার যতটুকু উপকারিতা রয়েছে তার অসুবিধাগুলিও রয়েছে। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে Guava-র পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া জেনে রাখাও অত্যন্ত জরুরি।

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে আপনার ডায়েটে পেয়ারা পাতার নির্যাস যোগ করলে আপনার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য, হজম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে পারে। কিন্তু এই ফলের মধ্যে কিছু যৌগ রয়েছে যা সবার জন্য ভালো নয়। বিশেষ করে যারা নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যান্য ফলের মতো Guava-ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।

    তবে, অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়ার ফলে অনেক রোগের শিকার হতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেয়ারা ভালো, তবে যখন অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়া হয়ে যায় তখন তা ক্ষতিকারক হয়ে যায়। পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজমে সমস্যা হতে পারে। তাই, যদি পেয়ারা বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে গেলে তরল গ্রহণের পরিমাণও বাড়িয়ে নিন। কাদের পেয়ারা খাওয়া উচিত নয়?

    যাঁদের সর্দি-কাশির আশঙ্কা রয়েছে

    যারা প্রায়শই সর্দি এবং কাশির সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের পেয়ারা এড়ানো উচিত। পেয়ারা খুব ঠান্ডা। এটি অত্যধিক গ্রহণের কারণে সর্দি-কাশি এবং বাড়তে পারে।

    গর্ভবতী মহিলাদের বেশি খাওয়া উচিত নয়

    গর্ভবতী এবং দুগ্ধদানকারী মহিলাদের এটি বেশি খাওয়া উচিত নয়। এর অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে ফাইবার বাড়ে, যা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।

    স্বাস্থ্য সমস্যা

    আপনি যদি অন্য কোনও স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগে থাকেন, তবে পেয়ারা এড়ানো শ্রেয়। এর মধ্যে পটাসিয়াম এবং ফাইবার থাকে, আপনি ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার আগে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

    পাতাও ক্ষতি করে

    শুধু পেয়ারা নয়, এর পাতাগুলি খাওয়াও ক্ষতিকর। পেয়ারা পাতা রক্তাল্পতা, মাথাব্যথা এবং কিডনির সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    পেট খারাপ হতে পারে

    পেয়ারার অতিরিক্ত খেলে পেটের রোগও হতে পারে। এটি আপনার পাঁচটি সিস্টেমে খারাপ প্রভাব ফেলে এবং হজম শক্তি দুর্বল হতে শুরু করে।

    পেট ফুলতে সাহায্য করে

    অতিরিক্ত পরিমাণে পেয়ারায় পেট ফাঁপা হতে পারে। আসলে এই ফলের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিনি থাকে, যা ফ্রুক্টোজ হিসাবে পরিচিত। আমাদের শরীরে ফ্রুকটোজ হজম ও শোষণ করতে সমস্যা হয়। খাওয়ার কারণে পেটে ফোলাভাব এবং গ্যাস হতে পারে।

    দাঁতে ব্যথা হতে পারে

    অনেকে পাকা পেয়ারা বেশি সুস্বাদু মনে করেন, তবে পাকা পেয়ারা খাওয়ার ফলে দাঁত ব্যথা বা অন্য কোনও দাঁতজনিত রোগ হতে পারে।

    একজিমার ঝুঁকি

    পেয়ারা পাতার নির্যাস একজিমা হতে পারে। এই পাতা ত্বকের জ্বালাভাব সৃষ্টি করে। যদি আপনার একজিমা গুরুতর অবস্থায় থাকে তবে সাবধানতার সঙ্গে পেয়ারা পাতার নির্যাস ব্যবহার করুন।

    ডায়াবেটিস রোগীদের খেতে দেবেন না

    ডায়াবেটিস রোগীদের পেয়ারা খাওয়া এড়ানো উচিত। পেয়ারা রক্তে শর্করাকে হ্রাস করে। আপনার যদি ডায়াবেটিস হয় এবং আপনি পেয়ারা খেতে চান তবে প্রথমে আপনার রক্তে চিনির পরীক্ষা করে নিন।

  • জা’ম্বুরা ফ’ল কারা খে’তে পারবেন না, জানালেন চি’কিৎ’সক

    জা’ম্বুরা ফ’ল কারা খে’তে পারবেন না, জানালেন চি’কিৎ’সক

    কজাম্বুরা—বহুল পরিচিত মৌসুমি ফল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল সাধ্যের মধ্যেই পাওয়া যায়। গ্রাম কিংবা শহর, প্রায় সব মানুষই খেয়ে থাকেন এটি।

    কেউ লবণ, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন মসলা যোগ করে চাটনি বানিয়ে খান, আবার কেউ নরমালি খেয়ে থাকেন। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এই ফল।তবে যে কোনো খাবারের মতো জাম্বুরা ফলেরও যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। কেউ কেউ বেশি খেয়ে ফেলেন, আবার কেউ খাওয়ার পরই বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। তাই কারা খাবেন, কারা খাবেন না এবং কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত—এসব জানা জরুরি।এ প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর এএমজেড হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পুষ্টি, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক ডিজিজ কনসালটেন্ট ডা. মো. জয়নুল আবেদীন দীপু।চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত—পুষ্টিগুণ

    প্রতি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি জাম্বুরায় ক্যালোরি রয়েছে ২৩০ কিলোক্যালোরি, পটাশিয়াম ১৩০০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬০ গ্রাম। এছাড়া প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ৪১ শতাংশ, রাইবোফ্ল্যাভিন ১৩ শতাংশ, কপার ৩০ শতাংশ, থায়ামিন ১৮ শতাংশ ও ফাইবার রয়েছে ৬ শতাংশ।

    উপকারিতা

    শরীর ঠিক রাখার জন্য নানাভাবে সহায়তা করে ভিটামিন সমৃদ্ধ এই জাম্বুরা। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে কোষের ক্ষয় রোধ ও প্রদাহ কমিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    ভিটামিন রাইবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামিন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে স্নায়বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই ফলে মিনারেলের মধ্যে বেশি পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম। আরও রয়েছে কপার। যা শরীরে মিনারেলের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে ভালো উপকার করে জাম্বুরা।

    কারা জাম্বুরা খেতে পারবেন না?

    নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা : কোলেস্টেরল কমানোর স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, অ্যাটোরভাস্ট্যাটিন) এবং উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ (যেমন নিফেডিপাইন) সেবনকারী রোগীদের জাম্বুরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ওষুধের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

    কিডনি রোগী : যাদের কিডনির সমস্যা আছে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে, তাদের জাম্বুরা না খাওয়াই ভালো।

    অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগী : অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা থাকলে জাম্বুরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এটি এই অবস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

    মেনোপজ পরবর্তী নারী : মেনোপজ পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

    এ ছাড়া বাকি সবাই জাম্বুরা খেতে পারবেন।

    সূত্র – কাল বেলা

  • যে ৪ ধরনের ব্য’ক্তির জন্য জা’ম্বুরা খা’ওয়া বি’পজ্জ’নক, জেনে নিন

    যে ৪ ধরনের ব্য’ক্তির জন্য জা’ম্বুরা খা’ওয়া বি’পজ্জ’নক, জেনে নিন

    জাম্বুরা—বহুল পরিচিত মৌসুমি ফল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল সাধ্যের মধ্যেই পাওয়া যায়। গ্রাম কিংবা শহর, প্রায় সব মানুষই খেয়ে থাকেন এটি।

    কেউ লবণ, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতাসহ বিভিন্ন মসলা যোগ করে চাটনি বানিয়ে খান, আবার কেউ নরমালি খেয়ে থাকেন। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী এই ফল।

    তবে যে কোনো খাবারের মতো জাম্বুরা ফলেরও যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। কেউ কেউ বেশি খেয়ে ফেলেন, আবার কেউ খাওয়ার পরই বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন। তাই কারা খাবেন, কারা খাবেন না এবং কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত—এসব জানা জরুরি।

    এ প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর এএমজেড হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পুষ্টি, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক ডিজিজ কনসালটেন্ট ডা. মো. জয়নুল আবেদীন দীপু।

    চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত—

    পুষ্টিগুণ

    প্রতি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি জাম্বুরায় ক্যালোরি রয়েছে ২৩০ কিলোক্যালোরি, পটাশিয়াম ১৩০০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬০ গ্রাম। এছাড়া প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি ৪১ শতাংশ, রাইবোফ্ল্যাভিন ১৩ শতাংশ, কপার ৩০ শতাংশ, থায়ামিন ১৮ শতাংশ ও ফাইবার রয়েছে ৬ শতাংশ।

    উপকারিতা

    শরীর ঠিক রাখার জন্য নানাভাবে সহায়তা করে ভিটামিন সমৃদ্ধ এই জাম্বুরা। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে কোষের ক্ষয় রোধ ও প্রদাহ কমিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

    ভিটামিন রাইবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামিন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে স্নায়বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এই ফলে মিনারেলের মধ্যে বেশি পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম। আরও রয়েছে কপার। যা শরীরে মিনারেলের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে ভালো উপকার করে জাম্বুরা।

    কারা জাম্বুরা খেতে পারবেন না?

    নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তিরা : কোলেস্টেরল কমানোর স্ট্যাটিন (যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, অ্যাটোরভাস্ট্যাটিন) এবং উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ (যেমন নিফেডিপাইন) সেবনকারী রোগীদের জাম্বুরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ওষুধের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

    কিডনি রোগী : যাদের কিডনির সমস্যা আছে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে, তাদের জাম্বুরা না খাওয়াই ভালো।

    অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের রোগী : অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা থাকলে জাম্বুরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এটি এই অবস্থাকে আরও খারাপ করতে পারে।

    মেনোপজ পরবর্তী নারী : মেনোপজ পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

    এ ছাড়া বাকি সবাই জাম্বুরা খেতে পারবেন।

  • যাদের নতুন পে স্কে’ল না দেওয়ার অ’নুরোধ জানাল টি’আই’বি

    যাদের নতুন পে স্কে’ল না দেওয়ার অ’নুরোধ জানাল টি’আই’বি

    সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদেরও প্রতিবছর আয়-ব্যয় ও সম্পদের হিসাব প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের আগেই এই শর্ত কার্যকর করতে হবে; অন্যথায় নতুন বেতন-ভাতার সুবিধা দেওয়া উচিত নয়।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

    যারা নিয়মিত সম্পদবিবরণী প্রকাশ করবেন না, তাদেরকে নতুন বেতন-ভাতার সুবিধা না দেওয়া উচিত বলে মনে করছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে সংস্থাটি নতুন পে স্কেলের আওতাভুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেন, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে তাদের কাছ থেকে পূর্ণ পেশাগত দক্ষতা ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা আশা করা কঠিন।

    তাই দেশের আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে তিনি যৌক্তিক বলে মনে করেন।

    জনগণের করের টাকায় বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুফল নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মচারী এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের প্রতিবছর আয় ও সম্পদের হিসাব হালনাগাদ করা এবং তা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রতিবছর যারা আয়-ব্যয় ও সম্পদবিবরণী হালনাগাদ করে প্রকাশ করবেন, নতুন বেতন-ভাতা শুধু তাঁদের জন্য প্রযোজ্য হওয়া উচিত। আর যারা এই তথ্য প্রকাশ করবেন না, তাদের নতুন পে স্কেলের সুবিধা দেওয়া অনুচিত।

    এ ব্যবস্থা চালু করা গেলে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দুর্নীতি ও হয়রানি কমানো সহজ হবে বলে মনে করে টিআইবি।

    তিনি আরো বলেন, ‘অনেক সরকারি কর্মজীবী সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো ন্যায়সংগত ও প্রয়োজনীয়। অন্যদিকে যারা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনে জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে কোনো জবাবদিহি নিশ্চিত না করে বেতন-ভাতা বাড়ানো অযৌক্তিক।’

    তিনি মনে করেন, কার্যকর জবাবদিহির ব্যবস্থা ছাড়া ঢালাওভাবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হলে সরকারি খাতে দুর্নীতির মাত্রা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

    এর আগেও বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পর সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের ব্যাপকতা বেড়েছে বলে দাবি তার।

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক জানান, নতুন পে স্কেলের মাধ্যমে দক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার সরকারের প্রত্যাশা ইতিবাচক হলেও, ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলের মতো বাস্তব চিত্র পরবর্তীতে যাতে ভিন্ন না হয়।

    দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে পরীক্ষিত পদ্ধতি হিসেবে সরকারি কর্মজীবীদের সম্পদবিবরণী প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অর্থেই সরকারি কর্মজীবীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করা হয়। তাই তাদের আয়-সম্পদের বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

    নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি হিসেবে সরকারি কর্মজীবীদের সম্পদবিবরণী প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, জনগণের করের টাকাতেই সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্বাহ করা হয়; তাই তাদের আয় ও সম্পদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক।

    এদিকে নতুন পে স্কেলের ফলে নিত্যপণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে টিআইবি। এতে উচ্চ দ্রব্যমূল্যের চাপে থাকা স্বল্পআয়ের মানুষসহ সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

    তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং নতুন বেতন-ভাতা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সম্পদবিবরণী প্রকাশের শর্ত কার্যকর করতে সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছে টিআইবি।

  • প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সু’খবর

    প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সু’খবর

    নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা নতুন পে স্কেল অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে চাকরির শুরুতে মূল বেতন হবে ৩২ হাজার টাকা। সহকারী শিক্ষকদের মূল বেতন শুরু হবে ২৪ হাজার টাকা থেকে।

    সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। পুরনো কাঠামোয় এ গ্রেডের শুরুতে মূল বেতন ছিল ১৬ হাজার টাকা। নতুন কাঠামোয় প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে তা হবে ২৪ হাজার টাকা।

    দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আরো ৪ হাজার টাকা করে যোগ হয়ে মূল বেতন দাঁড়াবে ৩২ হাজার টাকা। ইনক্রিমেন্টসহ এ গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন হতে পারে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা।

    ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন হারে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা কার্যকর হলে একজন নতুন প্রধান শিক্ষকের মোট বেতন-ভাতা ৫০ হাজার টাকার বেশি হতে পারে।

    অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ পান। পুরনো কাঠামোয় এ গ্রেডের মূল বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা থেকে। নতুন কাঠামোয় শুরুতেই তা হবে ২৪ হাজার টাকা। ইনক্রিমেন্টসহ সর্বোচ্চ মূল বেতন হতে পারে ৫৮ হাজার টাকা। ২০২৮ সাল থেকে নতুন একজন সহকারী শিক্ষকের মোট বেতন-ভাতা প্রায় ৪০ হাজার টাকা হতে পারে।

    তবে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বেতন নির্ভর করবে চাকরির মেয়াদ, বর্তমান মূল বেতন ও ইনক্রিমেন্টের ওপর। চূড়ান্ত হিসাব জানা যাবে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর।

    প্রসঙ্গত, সদ্য অনুমোদিত নবম জাতীয় পে স্কেলে সরকারি চাকরিতে নতুন করে যোগ দেওয়া ব্যক্তিরা তুলনামূলক বেশি বেতন-ভাতা পাবেন। তবে বর্তমানে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হিসাব হবে কিছুটা ভিন্ন। চাকরির মেয়াদ, বর্তমান মূল বেতন, প্রাপ্ত ইনক্রিমেন্ট ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভর করবে তাদের নতুন বেতন-ভাতার পরিমাণ।

    বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ২০টি গ্রেড রয়েছে। বিসিএস ক্যাডারসহ প্রথম শ্রেণির অধিকাংশ কর্মকর্তা নবম গ্রেডে যোগ দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি পদে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদ ১৩তম গ্রেডের এবং প্রধান শিক্ষক পদ ১০ম গ্রেডের।

    ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলে নবম গ্রেডের মূল বেতন ছিল ২২ হাজার টাকা। নতুন বেতনকাঠামোয় এ গ্রেডের মূল বেতন দ্বিগুণ হয়ে ৪৪ হাজার টাকা হয়েছে। ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে এ গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।