Blog

  • দাঁতের গ’র্ত কেন হয়, আর গ’র্ত হলে আপনি কী করবেন, জেনে নিন

    দাঁতের গ’র্ত কেন হয়, আর গ’র্ত হলে আপনি কী করবেন, জেনে নিন

    আমাদের অতি মূল্যবান সম্পদ দাঁত। বর্তমানে দাঁত ক্ষ’য় ও দাঁতে ছিদ্র হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণত শিশু, টিনএজার ও বয়স্কদের এই সমস্যাটি বেশি হতে দেখা যায়। ব্যা’কটেরিয়ার সং’ক্রমণের ফলেই দাঁত ক্ষ’য় হয়ে থাকে।

    ঘন ঘন স্ন্যা’ক্স ও ড্রি’ঙ্কস খাওয়া, অনেকক্ষণ যাবত দাঁতের মধ্যে খাবার লেগে থাকা, ফ্লোরাইড এর অ’পর্যাপ্ততা, মুখ ড্রাই থাকা, মুখের স্বা’স্থ্যবিধি না মানা, পুষ্টির ঘাটতি এবং ক্ষু’ধামন্দার স’মস্যা থাকা ইত্যাদি কারণে দাঁতে গর্ত ও দাঁত ক্ষ’য় রো’গ হয়ে থাকে।

    দাঁতের মধ্যে নানা কারণে গ’র্ত হতে পারে। যেমন দ’ন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ, দাঁত ভেঙে গিয়ে কিংবা রুট ক্যানেল চিকিত্সার জন্যও গর্ত হয়ে যায় দাঁত। দাঁতের মধ্যে গর্ত বা ক্যা’ভিটি হলে তাতে ম’য়লা, খা’দ্যকণা ইত্যাদি জমে সং’ক্রমণ হয়। দাঁতে ব্য’থা করে ও শিরশির অনুভূতি শুরু হয়। শিশুদের এই গর্ত বা ক্যাভিটি হলে তারা ব্যথায় কষ্ট পায় ও কিছু খেতে গেলেই দাঁত শিরশির করে ওঠে।

    ডেন্টাল ক্যারিজ প্রাথমিক অবস্থায় খুবই ছোট কালো গর্তের মতো দেখায়। এই কালো গর্ত দাঁতে তৈরি হলেও ব্যথা অনুভূত হয় না। তাই শিশুরাতো বটেই, প্রাপ্তবয়স্করাও পারে না যে গ’র্ত তৈরি হচ্ছে। এই গর্তের মধ্যে জ’টিলতা তৈরি হওয়ার পরই কেবল ধরা পড়ে। এছাড়া দাঁত ভেঙে গেলে বেশির ভাগ ক্ষে’ত্রে রো’গী সেটা বুঝতে পারে।

    রুট ক্যানেল চি’কিতসায় রোগী যদি পরসেলিন ক্রাউন বা মুকুট পরে না নেয়, তাহলেও দাঁতে গর্ত বেড়ে যায়। পরে রুট ক্যানেল এবং ভেতরের জিনিসপত্র সব বেরিয়ে আসে।

    দাঁতে গর্ত হলে কী চিকিত্সা করবেন-দাঁতের গর্তের লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্র দেরি না করে শূন্য জায়গাটা ভর্তি করে নেওয়া উচিত। কারণ, ডেন্টাল ক্যারিজ যদি ধীরে ধীরে ডেন্টিন থেকে আরও গভীরে অর্থাত্ পাল্প চেম্বার পর্যন্ত চলে যায়, তবে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায়। চি’কিত্সা ব্য’বস্থাও জ’টিল হয়ে পড়ে।

    ভা’ঙা দাঁতকে আজকাল ফি’লিং ম্যাটেরিয়াল বা লাইট কিউর দিয়ে সুন্দরভাবে পূরণ করা যায়, যা দেখতে অবিকল স্বা’ভাবিক রঙের হয়। রুট ক্যানেল চিকিত্সা করা দাঁতের ক্রাউন বা মুকুট বসাতে দেরি করা উচিত নয়।

    জেনে নিন ক্যাভিটি প্রতিরোধের ৫ উপায় সঠিক নিয়মে প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা উচিত

  • রাতে ঘু’মানোর আগে লবঙ্গ খেলে যা ঘ’টবে আপনার শ’রীরে, জেনে নিন

    রাতে ঘু’মানোর আগে লবঙ্গ খেলে যা ঘ’টবে আপনার শ’রীরে, জেনে নিন

    যুগ যুগ ধরে আর্য়ুবেদিক চিকিৎসায় লবঙ্গের ব্যবহার হয়ে আসছে। দৈনন্দিন জীবনে লবঙ্গ রান্নার অনেক খানি জুড়ে আছে। লবঙ্গকে বলা যেতে পারে রান্নার প্রাণ। লবঙ্গ রান্নাকে সুগন্ধিতে ভরিয়ে দেয় আর সুস্বাদু করে তোলে।

    জনপ্রিয় মশলা লবঙ্গ হচ্ছে লবঙ্গ গাছের শুকিয়ে যাওয়া ফুল। আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে লবঙ্গ গাছের নানা অংশ যেমন শুকনো ফুল, ডাল এবং পাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। রান্নায় স্বাদ বাড়ানোর জন্য লবঙ্গ ব্যবহার করা হয়। সামান্য তরকারি হোক বা স্যুপ, বেকারি আইটেম হোক বা পায়েস, মাছ হোক বা মাংস— মশলাটির প্রয়োগে যে কোনও খাদ্যবস্তুর স্বাদহয়ে ওঠে স্বর্গীয়।

    চির সবুজ লবঙ্গ গাছের ইংরেজি নাম ক্লোভ এবং বৈজ্ঞানিক নাম সিজিজিওমোরোমেটাম। লবঙ্গ গাছের ফুলের কুড়িকে শুকিয়ে তৈরি করা হয়। লবঙ্গকে লং বলেও ডাকা হয়। লবঙ্গ গাছ ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। বোটাসহ ফুলের কুঁড়ি শুকিয়ে গেলে লবঙ্গে পরিণত হয়। ফল ১ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়,এরা মাংসল,পাকার পরে শুকালে গাড়ো খয়েরী রঙ ধারণ করে।

    লবঙ্গের আদিবাস ইন্দোনেশিয়ার মালুকু দ্বীপে। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশে লবঙ্গ ব্যবহার করা হয়। মাদাগাস্কার এবং ইন্দোনেশিয়ায় ব্যাপক ভাবে লবঙ্গ চাষ করা হয়। ইন্দোনেশিয়ায় এর আদিবাস হলেও বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকায় প্রচুর পরিমাণে লবঙ্গ উৎপাদিত হয়।

    লবঙ্গের সুগন্ধের মূল কারণ ‘ইউজেনল’ নামের যৌগ। এটি লবঙ্গ থেকে প্রাপ্ত তেলের মূল উপাদান, এবং এই তেলের প্রায় ৭২-৯০% অংশ জুড়ে ইউজেনল বিদ্যমান। এই যৌগটির জীবাণুনাশক এবং বেদনা নাশক গুণ রয়েছে।

    লবঙ্গের তেলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অ্যাসিটাইল ইউজেনল, বেটা-ক্যারোফাইলিন, ভ্যানিলিন, ক্র্যাটেগলিকঅ্যাসিড, ট্যানিন, গ্যালোট্যানিক অ্যাসিড, মিথাইল স্যালিসাইলেট, ফ্ল্যাভানয়েড, ইউজেনিন, র‌্যাম্নেটিন, ইউজেনটিন, ট্রি-টেরপেনয়েড, ক্লিনোলিক অ্যাসিড, স্টিগ্মাস্টেরল, সেস্কুইটার্পিন।

    ১০০ গ্রাম লবঙ্গে ৬৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৩ গ্রাম টোটাললিপিড, ২ গ্রাম সুগার, ২৭৪ কিলো-ক্যালোরি শক্তি ও ৩৩ গ্রাম ডায়েটারিফাইবার থাকে।

    খনিজের মধ্যে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, জিঙ্ক –কমবেশি সবই আছে। আর ভিটামিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বি-৬, বি-১২, সি, এ, ই, ডি, কে, থায়ামিন, রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ফোলেট রয়েছে। এই সব যৌগের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য আছে।

    লবঙ্গের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে তৈরি হওয়া ফ্রি র‌্যাডিকেলস ধ্বংস করতে পারে। ফলে হার্টের অসুখ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সারও প্রতিরোধেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই প্রতিদিন খালি পেটে লবঙ্গ চিবালে একাধিক অসুখের আশঙ্কা কমে যায়। বিশেষ করে পরিপাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে চাইলে ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে লবঙ্গের জবাব নেই। মোটকথা একাধিক অসুখে লবঙ্গ আশ্চর্যজনকভাবে কার্যকরী। জেনে নিন লবঙ্গের স্বাস্থ্য উপকারিতা-

    প্রত্যেক দিন ব্যক্তির রাতে ঘুমানোর আগে ১টি লবঙ্গ ও ১ গ্লাস গরম পানি পান করলে বিভিন্ন ধরনের রোগের থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে সহজেই। লবঙ্গ হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। যেমন- গ্যাস, বমিভাব এবং বদহজমের মতো অনেক সমস্যায় লবঙ্গ খুব উপকারী। এছাড়াও লবঙ্গ প্রতিদিন খেলে গলায় সংক্রমণ হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বুকের জমে থাকা কফ বের হয়ে যায়। হজম, পিত্তবিনাশকারী, হাঁপানি, জ্বর, বদহজম, কলেরা, মাথাব্যথা, হাঁচি এবং কাশির মতো রোগেও এটি বিশেষ উপকারী।

    লবঙ্গ কামোদ্দীপক ও যৌ’’ন রোগে উপকারি। লবঙ্গ কামোদ্দীপক। এর সুবাস অবসাদ দূর করে, শরীর ও মনের ক্লান্তি ঝরিয়ে দেয়। যৌ’’ন শক্তি বৃদ্ধি করে।

    লিভারে নতুন ও স্বাস্থ্যকর কোষ তৈরিতে সাহায্য করে লবঙ্গ। লিভার থেকে বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দিতেও কার্যকরী ভূমিকা নেয়। আসলে লবঙ্গে রয়েছে থায়মল এবং ইউজেনল নামে সক্রিয় উপাদান যা লিভারকে করে তোলে শক্তিশালী।

    লবঙ্গের আর একটি উপাদান হল নাইজেরিসিন। বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই উপাদানের জন্যই রক্ত থেকে শর্করা বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেওয়া, ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়ানো ও ইনসুলিন নিঃসৃত হওয়ার পরিমাণ বাড়ানোর মতো কাজ ভালো ভাবে হয়। তাই মধ্য মাত্রার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে লবঙ্গ ভালো কাজে দেয়।

    লো-বোন মাস এমন একটি অবস্থা, যা বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যে অস্টিয়োপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কয়েকটি পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, লবঙ্গের উপাদান হাড়ের জোর ও বোন ডেনসিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

    দাঁতের ব্যথা কমায়। লবঙ্গ দাঁতের ব্যথা দূর করে। মাড়ির ক্ষয় নিরাময় করে। লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। প্রায় সব টুথপেস্টের কমন উপকরণ এই লবঙ্গ।

    বমি বমি ভাব দূর করে লবঙ্গ। ট্রেনে বা বাসে যাওয়ার সময় যদি মাথা ঘুরতে থাকে ও বমি এসে যায়, তাহলে মুখে একটি লবঙ্গ রেখে সেই রস চুষলে বমি ভাব ও মাথা ঘোরা কমে যাবে। গর্ভবতী মায়েরা সকালের বমিবমি ভাব দূর করতে লবঙ্গ চুষতে পারেন। লবঙ্গের সুগণ্ধ বমিবমি ভাবদূর করে।

    লবঙ্গ সর্দি–কাশি ও ঠাণ্ডা লাগা কমায়। সর্দিকাশির মহৌষধ হিসেবে লবঙ্গ বহু বছর ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। লবঙ্গ চিবিয়ে রস গিলে খেলে বা লবঙ্গ মুখে রেখে চুষলে সর্দি, কফ, ঠাণ্ডা লাগা, অ্যাজমা, গলাফুলে ওঠা, রক্ত পিত্ত আর শ্বাস কষ্টে সুফল পাওয়া যায়।

    ধোঁয়া, রোদ এবং ঠান্ডার জন্য শ্লেষ্মা বেড়ে নানা ধরনের মাথা ব্যথা বা মাথার রোগ দেখা দিতে পারে। মাথা ব্যথা কমাতে লবঙ্গের উপকারিতা অপরিসীম।

    প্রচণ্ড স্ট্রেস ও উৎকণ্ঠা কমায়। এক টুকরো লবঙ্গ মুখে ফেলে চুষে চুষে খেয়ে ফেলুন। পান করতে পারেন লবঙ্গের চাও। মেজাজ ফুরফুরে হয়ে উঠবে।

    রক্ত পরিশোধন করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। লবঙ্গ শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদানগুলো সরিয়ে রক্তকে পরিশোধন করতে ভূমিকা রাখে। রক্তকে পরিস্কার করে।

    লবঙ্গ হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। হজমে সহায়তা করে এমন এনজাইমনিঃসরণের মাধ্যমে এবং অ্যাসিড ক্ষরণের মাধ্যমে লবঙ্গ আমাদের হজম ক্ষমতা সক্রিয় করে তোলে। এরাফ্লাটুলেন্স, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, ডিসপেপসিয়া এবং নসিয়া কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটায়।

    আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কমায়। লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান আর্থ্রাইটিসের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, জয়েন্টপেইন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা, হাঁটুতে, পিঠে বা হাড়ের ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষধটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ক্যানসার প্রতিরোধ করে লবঙ্গ। বিশেষ করে ব্রেস্ট ক্যানসার, ওভারিয়ান ক্যানসার প্রতিরোধ করে থাকে।

    ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় প্রাকৃতিক দাওয়াই হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে লবঙ্গ। বিশেষ করে ব্রণ, ফুসকুড়ি, ত্বকের লাবণ্য চলে যাওয়া এমনকি মাথার খুসকিও দূর করে লবঙ্গ। এছাড়াও ত্বকের বিভিন্ন দাগ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন লবঙ্গ। যে কোনও দাগ ভ্যানিশ। মুখে তেল ছিটকে ফোসকা পড়েছে? মশার কামড়ে লাল হয়ে গেছে? লবঙ্গ তেলেই লুকিয়ে সমাধান। লবঙ্গ তেল যে কোনও দাগ সহজেই তুলে দেয়। সেই সঙ্গে স্কিন টোন ভালো হয়। দাগ ছোপ মিলিয়ে যায়।

    ছত্রাক ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে লবঙ্গ দারুণ কাজে দেয়। বিশেষ করে চুল পড়া কমাতে এবং চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে লবঙ্গ তেলের জুড়ি মেলা ভার। এক্ষেত্রে আধ চামচ লবঙ্গ তেলের সঙ্গে সম পরিমাণ অলিভ অয়েল মিশিয়ে সেই মিশ্রণ চুলের গোড়ায় লাগিয়ে মিনিটদশেক মাসাজ করতে হবে। মিনিটকুড়ি বাদে ঠান্ডা পানি দিয়ে আরেকবার চুল ধুয়ে নিতে ভুলবেন না যেন! নিয়মিত এইভাবে চুলের যত্ন নিলেই উপকার মিলবে। লবঙ্গ তেল আর লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালেও খুশকি চলে যায়।

  • যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শ’রীরে ক্যা’লসি’য়ামের ঘাটতি, জেনে নিন

    যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শ’রীরে ক্যা’লসি’য়ামের ঘাটতি, জেনে নিন

    ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। এটি শুধু হাড় ও দাঁতের গঠনেই সাহায্য করে না বরং মাংসপেশি, স্নায়ুতন্ত্র, হৃদস্পন্দন ও হরমোনের কার্যক্রমেও বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা আরো বেড়ে যায়। মেনোপজের পর হাড় ভেঙে যাওয়া বা অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

    এমনকি ক্যালশিয়ামের ঘাটতি গর্ভাবস্থায় শিশুর বিকাশ ও হৃদরোগের ঝুঁকিকেও প্রভাবিত করতে পারে। চলুন, জেনে নিই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির লক্ষণগুলো কী।

    পেশিতে টান বা খিঁচুনি
    হঠাৎ করে পায়ের পেশিতে টান ধরছে বা হাত-পায়ে খিঁচুনি হচ্ছে? নিয়মিত এমন হলে এটি ক্যালশিয়াম ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।

    হৃদস্পন্দনের গণ্ডগোল
    ক্যালসিয়ামের অভাবে হৃদয়ের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হতে পারে। এই অনিয়মিত স্পন্দন বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    অতিরিক্ত ক্লান্তি বা অলসতা
    কোনো কাজ না করেও সারাদিন ক্লান্তি লাগছে? এই ধরনের অবসাদ বা অলসতার পেছনেও ক্যালসিয়াম ঘাটতি থাকতে পারে।

    নখ দুর্বল হয়ে যাওয়া
    নখ পাতলা হয়ে যাওয়া বা বারবার ভেঙে যাওয়া শরীরে ক্যালসিয়াম কমে যাওয়ার সাধারণ লক্ষণ।

    দাঁতের সমস্যা
    দাঁতের ক্ষয়, ব্যথা বা আলগা হয়ে যাওয়াও ক্যালশিয়ামের ঘাটতির কারণে হতে পারে, কারণ দাঁতও হাড়জাতীয় টিস্যু দিয়ে তৈরি।

    কী করবেন?
    চিকিৎসকদের মতে, শরীরে দীর্ঘদিন ক্যালসিয়ামের অভাব থাকলে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই শুরু থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি।

    ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান, যেমন : দুধ, দই, ছানা, সবুজ শাকসবজি, বাদাম, ডাল, সামুদ্রিক মাছ (যেমন, শুঁটকি বা কাঁটাসহ ছোট মাছ)। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ক্যালশিয়াম সাপ্লিমেন্টও গ্রহণ করা যেতে পারে।
     

  • দেশের পো’ল্ট্রি মু’রগির মাং’স নিয়ে চা’ঞ্চল্য’কর গ’বেষ’ণা, বড় দুঃ’সং’বাদ

    দেশের পো’ল্ট্রি মু’রগির মাং’স নিয়ে চা’ঞ্চল্য’কর গ’বেষ’ণা, বড় দুঃ’সং’বাদ

    বাংলাদেশের মুরগির মাংসে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল (জীবাণুনাশক) ওষুধের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে, যার কিছু নমুনায় আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত নিরাপদ সীমার চেয়েও বেশি মাত্রা শনাক্ত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ভেটেরিনারি কলেজ (RVC)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

    গবেষণাটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। এতে বাংলাদেশ, ভারত ও উত্তর ভিয়েতনামের মুরগির মাংসের নমুনা একই মানদণ্ডে পরীক্ষা করা হয়, যা এ ধরনের প্রথম আন্তঃদেশীয় তুলনামূলক গবেষণাগুলোর একটি।

    গবেষকরা ২০২১-২২ সালে তিন দেশ থেকে সংগ্রহ করা ৫৫৮টি মুরগির বুকের মাংসের নমুনা বিশ্লেষণ করেন। সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রেফারেন্স ল্যাবরেটরির মানদণ্ড অনুসরণ করে ৬৯ ধরনের পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পরীক্ষা করা হয়।

    গবেষণায় দেখা যায়, বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ৩ দশমিক ৭ থেকে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল অবশিষ্টাংশ ছিল। তুলনায়, ২০২১-২২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে এ হার ছিল মাত্র ০ দশমিক ০৫ থেকে ০ দশমিক ০৯ শতাংশ।

    গবেষকদের মতে, জবাইয়ের ঠিক আগে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ ব্যবহার, অথবা খাদ্য ও পানির মাধ্যমে দূষণের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    তারা সতর্ক করেছেন, মাংসে এ ধরনের ওষুধের অবশিষ্টাংশ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা প্রাণী ও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদে হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

    গবেষণার প্রধান গবেষক এবং রয়্যাল ভেটেরিনারি কলেজের ভেটেরিনারি ক্লিনিক্যাল ফার্মাকোলজি ও অ্যানেস্থেশিয়ার অধ্যাপক লুডোভিক পেলিগ্যান্ড বলেন, এশিয়ায় একই মানদণ্ডে পরিচালিত আন্তঃদেশীয় অবশিষ্টাংশ বিশ্লেষণের এটি একটি মাইলফলক গবেষণা। তার আশা, এই গবেষণার ফল পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের অবশিষ্টাংশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নে সহায়তা করবে।

    গবেষণাটি ওয়ান হেলথ পোলট্রি হাব প্রকল্পের আওতায় ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (UKRI) গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেস রিসার্চ ফান্ড-এর অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে।

    গবেষকরা জানিয়েছেন, পরবর্তী পর্যায়ে তারা মুরগি উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারের সঙ্গে মাংসে অবশিষ্টাংশ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের সম্পর্ক নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণা করবেন।

    সূত্র-poultrynews.

  • যে ভি’টামিনের অ’ভাবে অল্প ব’য়সে চু’ল পাকে, জেনে নিন সমাধান

    যে ভি’টামিনের অ’ভাবে অল্প ব’য়সে চু’ল পাকে, জেনে নিন সমাধান

    চুল প্রত্যেকের জন্য সৌন্দর্যের একটি অনন্য উপাদান। অনেকের কাছে লম্বা, মজবুত এবং ঘন চুল কেবল সৌন্দর্যের লক্ষ্য নয় বরং স্বাস্থ্য এবং প্রাণশক্তির প্রতীকও বটে। অনেকের অল্প বয়সে চুল পেকে যায়। কম বয়সে চুল পাকার কারণ হিসেবে ধরা হয় ভিটামিন বি১২ এবং ভিটামিন ডি-এর অভাব। ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করতে রোদে বসে থাকা শুরু করুন। এ ছাড়া আপনার খাদ্যতালিকায় দুধ, দই, পনির, মাশরুম, ডিম ও চর্বিযুক্ত মাছ অন্তর্ভুক্ত করুন।

    আপনি যদি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে এবং অকালে পেকে যাওয়া রোধ করার জন্য ব্যবহারিক ও কার্যকর উপায় খোঁজেন তবে আপনার জন্য কিছু পরামর্শ-

    ১. ভেতর থেকে পুষ্টি: চুলের স্বাস্থ্য শুরু হয় আপনার শরীরকে খাওয়ানো পুষ্টি দিয়ে। চুলের ফলিকলগুলো ভালোভাবে কাজ করার জন্য ভিটামিন এবং খনিজের ধারাবাহিক সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং নির্দিষ্ট পুষ্টির অভাবের ফলে ঘটে, বিশেষ করে ভিটামিন বি১২, কপার এবং ফোলেট।

    প্রধান পুষ্টির মধ্যে রয়েছে:

    * ভিটামিন বি১২: চুলের ফলিকলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পেকে যাওয়া বিলম্বিত করে।

    * কপার: মেলানিন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা চুলকে তার রঙ দেয়।

    * অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: বেরি, শাক-সবজি এবং বাদামে পাওয়া যায়, যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসকে নিউট্রালাইজ করতে সাহায্য করে।

    * হাইড্রেশন: এটিও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করলে মাথার ত্বক সুস্থ থাকে এবং চুলের গোড়া শক্তিশালী থাকে।

    ২. মানসিক চাপ দূর করুন

    অকাল চুল পেকে যাওয়ার পেছনে নীরব অপরাধীদের মধ্যে একটি হলো দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ। এটি মেলানোসাইট – মেলানিন তৈরি করে এমন কোষগুলোকে প্রভাবিত করে, যা চুলের রঙের জন্য দায়ী রঙ্গক।

    মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের উপায়:

    * প্রতিদিন ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস।

    * নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ যেমন হাঁটা বা যোগব্যায়াম।

    * ঘুম এবং বিশ্রামকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

    * মানসিক চাপ কমানো কেবল চুল পেকে যাওয়া রোধ করে না বরং সুস্থ চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

    ৩. প্রাকৃতিক তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন

    মাথার ম্যাসাজ কেবল চুলের বৃদ্ধির জন্য রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় না বরং প্রাকৃতিক রঙ সংরক্ষণের জন্য মাথার ত্বককে পুষ্টি জোগাতেও সাহায্য করে। কিছু তেল চুল পাকার সমস্যা দূর করতে পরিচিত।

    ব্যবহারের জন্য সেরা তেল:

    * আমলকির তেল: ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আমলকি রঙ্গক ধরে রাখতে কাজ করে।

    * কালোজিরার তেল: কালোজিরার তেলে থাইমোকুইনোন থাকে, যা চুলের ফলিকল রঙ্গককে রক্ষা করে।

    * কারি পাতার তেল: এটি চুলের রঙ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    * সপ্তাহে কয়েকবার বৃত্তাকার গতিতে আলতো করে ম্যাসাজ করুন এবং তেলটি কয়েক ঘণ্টা বা সারারাত রেখে পরদিন ধুয়ে নিন।

    ৪. যেসব ভিটামিন চুলকে কালো রং দেয়: ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৩, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি১২ চুল কালো করে। চুল কালো করতে আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৩, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই অন্তর্ভুক্ত করুন।

    ৫. যেসব ফল চুল কালো করে: কমলা, লেবু, আমলকী, কিউইজাতীয় ফল খেলে চুল কালো হতে পারে। এই ফলের মধ্যে ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফলিক এসিডের মতো পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

  • সকালে খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাওয়ার পর ভুলেও যে দুটি জিনিস খাবেন না

    সকালে খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাওয়ার পর ভুলেও যে দুটি জিনিস খাবেন না

    সকালে শরীরের সুস্থতার কথা মাথায় রেখে অনেকেই খালি পেটে কাঁচা ছোলা খেয়ে থাকে। তবে এই কাঁচা ছোলার সঙ্গে আর কী খাওয়া উচিত বা খাওয়া উচিত না সেই বিষয়টি মাথায় রাখা খুবই জরুরি। সঠিক তথ্য না জানার জন্য অনেক সময় হিতে বিপরীত হতে পারে। ভালো করতে গিয়ে আপনার শরীরের জন্য তা বিপদ ডেকে আনতে পারে তাই সঠিক তথ্য জানাটা আপনার শরীরের জন্য খুবই জরুরি। অনেকেই শরীর সুস্থ রাখার জন্য সকালে খালি পেটে কাঁচা ছোলা ও বাদাম খেয়ে থাকেন। এই ধরনের খাদ্য সঠিক পন্থায় গ্রহণ না করলে আপনার শরীরের জন্য তা কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে তা আপনি জানে কি?

    অনেকেই হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি ও খাদ্য পরিপাকের কথা মাথায় রেখে রাতেই ছোলা ভিজিয়ে দেন ও পরের দিন সকালে সেগুলি খান।কাঁচা ছোলা খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভালো, তা যেমন আপনার শরীরের রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, তেমনি আপনাকে ফিটও রাখে। কিন্তু সকালে ছোলা খাওয়ার পর দুটি জিনিস ভুলেও খাবেন না, সেই দুটি জিনিস কী তা জেনে রাখাটা আপনার জন্য খুবই জরুরি।

    সকালে খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাওয়ার পর ভুলেও দুটি জিনিস খাবেন না

    প্রায় সময়তেই দেখা যায় ছোলা খাওয়ার কিছুক্ষণ বাদেই জলখাবার খাওয়ার সময় এসে যায়।  এই রকম অবস্থায় জলখাবারে আপনি যদি দুটি জিনিস খান তাহলে আপনার শরীরে অসুখের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। আসলে কাঁচা ছোলা খাওয়ার পর এই দুটি জিনিস আপনার শরীরে গেলে তা আপনার শরীরের জন্য বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। তাতে করে শরীরে বিভিন্ন রকম রোগ দানা বাঁধতে পারে।

    ১. সকালে খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাওয়ার পর ভুলেও কোনও রকম আচার খাবেন না। আসলে আচারের মধ্যে অনেক সময় ভিনিগার দেওয়া হয়, কাঁচা ছোলা খাওয়ার পর যদি আপনার পেটে ভিনিগার যায় তাহলে তা বিষক্রিয়া করতে পারে।এতে করে কাঁচা ছোলা ও আচার একই সঙ্গে আপনার পেটে গেলে তা উপকারের বদলে অপকার করবে এবং আপনার হার্ট এট্যাক পর্যন্ত হতে পারে।সেই সঙ্গে আপনাকে সহ্য করতে হবে গলা-বুক জ্বালা ও অম্বলের সমস্যা।

    ২. সকালে খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাওয়ার পর কখনই করলা খাবেন না, কারণ কাঁচা ছোলাতে যে অক্সাইড পাওয়া যায়, সেই অক্সাইড আপনি পাবেন করলাতে।কিন্তু কাঁচা ছোলাতে যে পরিমাণ অক্সাইড পাওয়া যায় করলাতে তার চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় অক্সাইড পাওয়া যায়। তাতে করে শরীরের মধ্যে তা প্রবেশ করার পর তা মিলেমিশে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করে। তবে এই বিষক্রিয়া খুবই ধীরে ধীরে কাজ করে ও পরে তা গভীর অসুখের সৃষ্টি করতে পারে। সূত্র: এনডিটিভি

  • টু’থপে’স্ট টি’উবের নিচে রঙিন দা’গ কেন থাকে? জেনে নিন আসল র’হস্য

    টু’থপে’স্ট টি’উবের নিচে রঙিন দা’গ কেন থাকে? জেনে নিন আসল র’হস্য

    দাঁতের যত্ন সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাজারে পণ্যের সারিতে দেখা মেলে বিভিন্ন ধরনের টুথপেস্ট। এসব পণ্য বেছে নেওয়ার সময় অধিকাংশ মানুষ সাধারণত এর উপাদান, মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং কখনো কখনো স্বাদের বিষয় বিবেচনা করেন। টুথপেস্টের প্যাকেটে সাধারণত লেখা থাকে—দাঁত সাদা করা, দাঁতের ক্ষয় রোধ, টার্টার নিয়ন্ত্রণ কিংবা মুখের দুর্গন্ধ দূর করার মতো গুণাবলির কথা।

    তবে টুথপেস্টের টিউবের নিচে থাকা রঙিন দাগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি ভুল তথ্য বা গুজব ছড়িয়ে আছে। টিউবের নিচে সাধারণত বিভিন্ন রঙের ছোট চারকোনা দাগ বা বার দেখা যায়। অনেকের ধারণা, এসব রঙ টুথপেস্টের তৈরি উপাদান সম্পর্কে তথ্য দেয়।

    ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া দাবি অনুযায়ী—সবুজ রঙের দাগ মানে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান; নীল রঙ মানে প্রাকৃতিক ও ওষুধযুক্ত উপাদান; লাল রঙ মানে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক উপাদানের মিশ্রণ এবং কালো রঙ মানে সম্পূর্ণ রাসায়নিক উপাদান।

    তবে বাস্তবে এই তথ্যের কোনো বৈজ্ঞানিক বা ব্যবহারিক ভিত্তি নেই। টিউবের নিচের রঙিন চিহ্ন টুথপেস্টের ফর্মুলা বা উপাদানের সঙ্গে একেবারেই সম্পর্কিত নয়। মূলত উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময় এই চিহ্ন তৈরি করা হয়। প্যাকেজিং মেশিনের আলো শনাক্তকারী সেন্সর এই চিহ্ন পড়ে মেশিনকে সংকেত দেয় যে কোথায় প্যাকেট কাটতে, ভাঁজ করতে বা সিল করতে হবে।

    স্বাস্থ্যবিষয়ক মার্কিন পোর্টাল হেলথলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুথপেস্টের টিউবের নিচের রঙিন দাগগুলোর সঙ্গে ভেতরের উপাদানের কোনো সম্পর্ক নেই। এগুলো শুধুই প্যাকেজিংয়ের প্রযুক্তিগত অংশ, যা স্বয়ংক্রিয় মেশিনকে সঠিক স্থান শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

    বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ টুথপেস্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোলগেট জানিয়েছে, টুথপেস্টের কালার-কোডিং সিস্টেম বলতে বাস্তবে কিছুর অস্তিত্ব নেই। গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করতে বা উপাদান লুকাতে কোম্পানিগুলো এসব দাগ ব্যবহার করে না।

    আন্তর্জাতিক তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান স্নোপস এবং বার্তা সংস্থা এএফপি ফ্যাক্ট-চেক এই দাবিটিকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন ইন্টারনেট গুজব’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। প্যাকেজিং বিশেষজ্ঞদের মতে, মেশিনের লাইট বিম সেন্সরকে সংকেত দেওয়ার জন্য প্রিন্ট করা এই প্রযুক্তিগত দাগকে শিল্পখাতে ‘আই মার্ক’ বলা হয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন

    গ্রামীণ কাঠকয়লা-নিমের ডাল, দাঁতের যত্নে কোনটি বেশি উপকারী?
    বিজ্ঞানভিত্তিক সাময়িকী সায়েন্টিফিক আমেরিকান এই গুজবের একটি বড় বৈজ্ঞানিক ভুল ধরিয়ে দিয়েছে। গুজবে বলা হয় ‘কালো মানে সম্পূর্ণ কেমিক্যাল’। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পৃথিবীর প্রতিটি বস্তু বা উপাদানই এক একটি রাসায়নিক গঠন। তাই প্রাকৃতিক বনাম রাসায়নিকের এই কৃত্রিম বিভাজনটিই সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

    এই ‘আই মার্ক’ শুধু সবুজ, নীল, লাল বা কালো নয়—বিভিন্ন রঙের হতে পারে। সেন্সর মূলত রঙ চেনে না, বরং ব্যাকগ্রাউন্ড ও কালার মার্কের মধ্যকার আলোর তারতম্য মেপে কাজ করে। টিউবের সাদা অংশ থেকে গাঢ় রঙের দাগে আলো পড়া মাত্রই পরিবর্তন শনাক্ত করে সেন্সরটি কাটিং বা সিলিং রোবটকে সংকেত পাঠায়।

    তাই টুথপেস্টের টিউবের নিচের রঙিন দাগের সঙ্গে এর উপাদানের কোনো সম্পর্ক নেই। টুথপেস্টে কী উপাদান রয়েছে তা জানতে টিউব বা প্যাকেটের গায়ে লেখা উপাদানতালিকা পড়া উচিত। টুথপেস্ট কেনার সময় অনুমোদিত সিল, মেয়াদ ও নিজের প্রয়োজন বিবেচনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

  • ঘুমের মধ্যে গ’লা শু’কিয়ে যাওয়া কি কোনো রো’গের পূর্বাভাস? জেনে নিন

    ঘুমের মধ্যে গ’লা শু’কিয়ে যাওয়া কি কোনো রো’গের পূর্বাভাস? জেনে নিন

    দিনভর কর্মব্যস্ততার পর রাতে ভালো ঘুম শরীর ও মনের ক্লান্তি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অনেকেই মাঝরাতে বা ভোরের দিকে হঠাৎ গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণে ঘুম ভেঙে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। দু একদিন এমন হওয়া স্বাভাবিক হলেও, যদি এটি নিয়মিত ঘটে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

    গরম আবহাওয়া, সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান না করা বা এসি চালিয়ে ঘুমানোর কারণে সাময়িকভাবে গলা শুকিয়ে যেতে পারে। তবে, প্রতিদিন একই সমস্যা হলে এটি কোনো শারিরীক সমস্যার পূর্বাভাসও হতে পারে।

    কেন রাতে গলা শুকিয়ে যায়?

    মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া ও নাক ডাকা

    অনেকেই ঘুমের সময় অজান্তেই মুখ দিয়ে শ্বাস নেন। নাকের হাড় বাঁকা হওয়া, সাইনাসের সমস্যা বা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ থাকলেও এমন হতে পারে। মুখ খোলা রেখে ঘুমালে মুখের আর্দ্রতা দ্রুত কমে যায় এবং গলা শুকিয়ে যায়।

    ঘুমের ভেতর গলা শুকিয়ে যাওয়ার ঘটনা বারবার ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ছবি : প্রতীকী

    স্লিপ অ্যাপনিয়া

    অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া একটি গুরুতর ঘুমজনিত সমস্যা। এতে ঘুমের সময় শ্বাসনালী আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে রোগী জোরে নাক ডাকেন, হাঁসফাঁস করেন বা হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। এই অবস্থায় মুখ দিয়ে বেশি শ্বাস নেওয়ার কারণে গলা শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

    অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস

    রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর অতিরিক্ত চিনি প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করার চেষ্টা করে। এতে ঘন ঘন প্রস্রাব হয় এবং শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। তাই রাতে বারবার তৃষ্ণা পাওয়া ও গলা শুকিয়ে যাওয়া ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর একটি হতে পারে।

    পানিশূন্যতা

    দিনে পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে পানির অভাব তৈরি হয়। অতিরিক্ত গরম, ঘাম বা শারীরিক পরিশ্রমের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে। তখন লালাগ্রন্থি পর্যাপ্ত লালা তৈরি করতে পারে না, ফলে রাতে গলা শুকিয়ে যায়।

    ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

    উচ্চ রক্তচাপ, অ্যালার্জি, উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা অন্য কিছু রোগের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মুখ ও গলা শুকিয়ে যেতে পারে। নিয়মিত ওষুধ সেবন করলে চিকিৎসকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলা উচিত।

    এসিড রিফ্লাক্স

    রাতে অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে পাকস্থলীর এসিড খাদ্যনালী ও গলায় উঠে আসতে পারে। এতে গলায় জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি এবং গলা শুকিয়ে যাওয়ার অনুভূতি দেখা দেয়।

  • বাজারে উঠেছে গা’ব, জানেন কি এই দেশীয় ফলে আছে কোন কোন ভি’টামিন?

    বাজারে উঠেছে গা’ব, জানেন কি এই দেশীয় ফলে আছে কোন কোন ভি’টামিন?

    বর্ষাকালে বাজারে দেখা মেলে দেশীয় সুস্বাদু ফল গাবের। অনেকের কাছে এটি শুধু মৌসুমি ফল হলেও পুষ্টিবিদদের মতে, গাবে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য বেশ উপকারী।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাবে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ (বিটা-ক্যারোটিন) এবং অল্প পরিমাণে বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন রয়েছে। এছাড়া এতে খাদ্য আঁশ (ফাইবার), পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও পাওয়া যায়।

    পুষ্টিবিদদের মতে, গাবে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করতে এবং ক্ষত দ্রুত শুকাতে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং শরীরের কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    গাবের উচ্চ আঁশের (ফাইবার) কারণে এটি হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, আর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিকেলের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখে।

    ঐতিহ্যগতভাবে গাবের কাঁচা ফল, পাতা ও বাকল বিভিন্ন ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এসব ব্যবহারের কার্যকারিতা নিয়ে আরও বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মৌসুমি দেশীয় ফল হিসেবে গাব পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাদ্যতালিকায় নতুন কোনো ফল যোগ করার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    গাবে থাকা প্রধান পুষ্টি উপাদান:
    * ভিটামিন সি
    * ভিটামিন এ (বিটা-ক্যারোটিন)
    * বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন (স্বল্প পরিমাণে)
    * খাদ্য আঁশ (ফাইবার)
    * পটাশিয়াম
    * ক্যালসিয়াম
    * আয়রন
    * প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

    সূত্র: বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট

  • ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হচ্ছে না যে ভি’টামিনের অভাবে, জেনে নিন

    ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হচ্ছে না যে ভি’টামিনের অভাবে, জেনে নিন

    সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষের অন্যতম নিয়ামক হলো ঘুম। স্বাভাবিক প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। দিনে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমালে তা স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। তবে বিভিন্ন কারণে অনেকরে ঘুম হয় না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থেকেও ঘুম হয় না— এমন মানুষের সংখ্যাও দিনকে দিন বেড়ে যাচ্ছে। অনেকে ঘুমের সমস্যা দূর করতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে পারে।

    এদিকে, ভিটামিনের অভাব ঘুম কম হওয়ার একটি বড় কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

    ভিটামিন ডি
    ভিটামিন ডি হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘুমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি খেলে ভালো ঘুম হয় এবং অ্যানিমিয়া বা অনিদ্রার সমস্যা কমে যায়।

    সূর্যালোক ছাড়াও আপনি সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ ও ফলের রস থেকে ভিটামিন ডি পেতে পারেন।

    ভিটামিন ই
    এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা কোষের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন-ই ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পালং শাক, ব্রকলি এবং টমেটো থেকে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।

    ভিটামিন সি
    ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা রোধ করে এবং ভালো ঘুম আনে। পালং শাক, ফুলকপি, সাইট্রাস ফল যেমন— কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন সির ভালো উৎস।

    ভিটামিন বি-৬
    এ ভিটামিন অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে এবং রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

    কলা, গাজর, পালং শাক, আলু, ডিম, চিজ, মাছ এবং গোটা শস্যদানায় প্রচুর ভিটামিন বি-৬ পাওয়া যায়।

     

    ভিটামিন বি-১২
    এটি মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ঘুমের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। প্রাণিজ প্রোটিন এবং দুধজাতীয় খাবারে এ ভিটামিন পাওয়া যায়।