Blog

  • ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ তপশিল ঘোষণা করেন।

    তপশিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাছাই-বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের নামসংবলিত ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়।

    তপশিল ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন? বিভিন্ন নাম আলোচনায় থাকলেও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি জোরালো আলোচনা চলছে।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে দলের ভেতরে আলোচনা বাড়ছে। এর মধ্যে মির্জা ফখরুলকে ঘিরেই নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি। যদিও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়ে দলীয় অভ্যন্তরে জোরালো মত রয়েছে, তবু শেষ পর্যন্ত কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।

    দলীয় ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য মনোনয়ন নিয়ে একাধিক নাম আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।

    তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার একক দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর ছেড়ে দিয়েছে দলটি।

    দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের দুঃসময়ে নেতৃত্ব দেওয়া, আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনা, রাজনৈতিক সংলাপ এবং জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দলের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির মতো সাংবিধানিক পদে প্রয়োজনীয় ভারসাম্য, প্রজ্ঞা ও গ্রহণযোগ্যতা তার রয়েছে।

  • কে হচ্ছেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি? আলোচনায় যাদের নাম

    কে হচ্ছেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি? আলোচনায় যাদের নাম

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। এ অবস্থায় দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

    দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছেছে। তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    বিএনপির বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আলোচনায় থাকা নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং আলতাফ হোসেন চৌধুরী। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মানবাধিকারকর্মী আইরিন খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

    তবে দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন তিন নেতা—বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান।

    বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে, অরাজনৈতিক ব্যক্তির পরিবর্তে দলীয় নেতাদের মধ্য থেকেই রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    দলীয় আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শুধু রাজনৈতিক বিবেচনাই নয়, সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, কূটনৈতিক ভারসাম্য এবং ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে। এমন একজনকে বেছে নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে, যিনি অভিজ্ঞ, গ্রহণযোগ্য এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • খাবার খেয়ে অ্যা’লা’র্জির স’মস্যায় ভু’গলে করণীয়, জেনে নিন

    খাবার খেয়ে অ্যা’লা’র্জির স’মস্যায় ভু’গলে করণীয়, জেনে নিন

    ত্বকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার নাম অ্যালার্জি। এ সমস্যায় ত্বকে চুলকানির সমস্যা শুরু হয়। কারো ক্ষেত্রে ত্বকে ছোট ছোট ফুসকুড়ি দেখা দেয়। কারো ক্ষেত্রে অ্যালার্জির কারণে ত্বকে বড় গোলাকৃতির ফোলাভাব তৈরি হয়। এ সমস্যার সমাধানে ঘরোয়া কিছু টিপস মেনে চলতে পারেন। চিকিৎসা শাস্ত্রে অ্যালার্জি হলো আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি ত্রুটি। তাই অ্যালার্জিতে যেসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে তা যদি অ্যালার্জি রোগী না মেনে চলে, তবে সেই খাবার খাওয়ার পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে পালমোনারি ইডিমা তৈরি করতে শুরু করে। এ সমস্যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় বলা হয় ভ্যাসোডাইলেশন। তাই অ্যালার্জি সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীদের খাবারের ব্যাপারে অনেক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সেই সঙ্গে লাইফস্টাইলে আনতে হবে পরিবর্তন। পাশাপাশি অ্যালার্জি সমস্যার পরিমাণ কমাতে বাইরে থেকে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। আমেরিকান হেলথলাইন অনুসারে আসুন, একে একে সে উপায়গুলো জেনে নিই-

     

    মধু

    ত্বকে অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে মধুকে কাজে লাগাতে পারেন। মধু পরিবেশে উপস্থিত অ্যালার্জেনের সঙ্গে শরীরকে খাপ খাওয়াতে সহায়তা করে। এ ছাড়া মধুতে থাকা প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য অ্যালার্জির ফুসকুড়ি কমায়।

     

    ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল

    ত্বকের অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তিতে গোসলের সময়ও পানিতে ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। পাশাপাশি অবশ্যই রাতে শুতে যাওয়ার আগে একবার করে ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েলের ভাপ নিন।

     

    অ্যালোভেরা

    ত্বকের অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায় হলো অ্যালোভেরা। ত্বকের চুলকানি, শুষ্কতার সমস্যা, অ্যালার্জির সমস্যায় অ্যালোভেরা পাতার জেল কিংবা বাজারে পাওয়া অ্যালোভেরার জেল লাগিয়ে নিন। এর ঔষধি গুণ দ্রুত জ্বালা এবং চুলকানি থেকে মুক্তি দেবে।

     

    তিতা জাতীয় খাবার

    খাবারে তিতাজাতীয় খাবার বাড়িয়ে তুলন। নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখুন করলা ও নিমপাতা ভাজা। সকালে খালি পেটে চিরতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন, যা ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণসহ অ্যালার্জি প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

     

    ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলা

    অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে ঠান্ডা মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটবেন না। গরমে মেঝেতেও শোবেন না। কোল্ড অ্যালার্জির সমস্যায় যারা ভুগছেন তার গোসলের ক্ষেত্রে বেশি সময় নেবেন না।

     

    হলুদ

    ভেষজ উপাদান হলুদ দারুণ কাজ করে অ্যালার্জির সমস্যায়। গরম ভাতে তাই হলুদের গুড়া মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

    ওটমিল

    ওটমিলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান সহ বিভিন্ন জৈবিকভাবে সক্রিয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো অ্যালার্জিজনিত ত্বকের প্রতিক্রিয়া (বিশেষ করে চুলকানিকে) প্রশমিত করতে সহায়তা করতে পারে।

     

    বেকিং সোডা

    বেকিং সোডা ত্বকের ঢ়ঐ ভারসাম্যহীনতাকে মোকাবেলা করতে পারে এবং আপনার ত্বকের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে প্রদাহ বিরোধী হিসাবে কাজ করে। এরজন্য ১২ চামচ পানিতে ৪ চামচ বেকিং সোডা নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। অ্যালার্জির স্থানে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর স্বাভাবিক পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

     

    পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা

    ত্বকের অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত গোসল, পোশাকের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন। বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

  • ১০ আগস্ট এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, যেভাবে দেখবেন

    ১০ আগস্ট এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, যেভাবে দেখবেন

    আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত হবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল। শিক্ষার্থীরা মোবাইল এসএমএসের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও নিজেদের ফল জানতে পারবেন।

    গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তারিখ নিশ্চিত করেন।

    এবারের এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত তথ্য
    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল এবং তা শেষ হয় ২০ মে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ এবং ছাত্রী সংখ্যা ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

    সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা এসব পরীক্ষার্থী মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন। বোর্ডভিত্তিক হিসাবে —

    সাধারণ শিক্ষা বোর্ড: ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন
    মাদরাসা বোর্ড (দাখিল): ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন
    কারিগরি বোর্ড: ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন

  • চো’খের নিচের কালো দা’গ যাচ্ছে না? শুধু প্র’সাধনী নয়, মানুন এই নিয়মগুলো

    চো’খের নিচের কালো দা’গ যাচ্ছে না? শুধু প্র’সাধনী নয়, মানুন এই নিয়মগুলো

    চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল এখন অনেকেরই সাধারণ সমস্যা। ব্যস্ত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ও ক্লান্তির কারণে এ সমস্যা আরও প্রকট হয়ে ওঠে। অনেকেই প্রসাধনী দিয়ে সাময়িকভাবে দাগ ঢাকার চেষ্টা করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রসাধনী ব্যবহার করলেই সমাধান মিলবে না। প্রয়োজন সঠিক ত্বকের যত্নের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।

    পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ কমান

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিই ডার্ক সার্কেলের অন্যতম প্রধান কারণ। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা জরুরি। শরীর সুস্থ থাকলে চোখের চারপাশের ত্বকও স্বাভাবিকভাবে ভালো থাকে।

    চোখের চারপাশের ত্বকের আলাদা যত্ন নিন

    চোখের চারপাশের ত্বক মুখের অন্য অংশের তুলনায় অনেক বেশি পাতলা ও সংবেদনশীল। তাই প্রতিদিন সকাল ও রাতে মুখ পরিষ্কার করার পর চোখের নিচে উপযোগী আই ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। দিনের বেলায় বাইরে বের হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার এবং রোদচশমা পরারও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    চোখের চারপাশে ঘষাঘষি নয়

    মুখ পরিষ্কার করতে অনেকেই ভেজা টিস্যু ব্যবহার করেন, যা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য সব সময় উপযোগী নয়। বিশেষ করে চোখের চারপাশে জোরে ঘষাঘষি করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এর পরিবর্তে পরিষ্কার পানিতে ভেজানো নরম তুলা বা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করাই ভালো।

    মেকআপের আগে ও পরে যত্ন জরুরি

    চোখের নিচে কনসিলার বা অন্য প্রসাধনী ব্যবহারের আগে ত্বক ভালোভাবে আর্দ্র রাখা উচিত। আবার মেকআপ তোলার সময় জোরে ঘষে না তুলে ক্লিনজিং অয়েল বা মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করে নরম কাপড় বা তুলা দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

    ঘরোয়া উপায়েও মিলতে পারে উপকার

    ডার্ক সার্কেল কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায়ও সহায়ক হতে পারে। যেমন—

    শসার ঠান্ডা টুকরো
    ব্যবহৃত সবুজ চায়ের (গ্রিন টি) ঠান্ডা টি-ব্যাগ
    ঘৃতকুমারী (অ্যালোভেরা) জেল

    এগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে চোখের নিচের কালো দাগের পাশাপাশি সূক্ষ্ম বলিরেখা কমাতেও কিছুটা সহায়তা করতে পারে। চাইলে চোখের নিচের জন্য তৈরি কুলিং জেল আই মাস্কও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    শুধু প্রসাধনী নয়, জীবনযাপনেও পরিবর্তন আনুন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডার্ক সার্কেল দূর করতে শুধু প্রসাধনীর ওপর নির্ভর না করে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত ত্বকের সঠিক পরিচর্যায় সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

    মনে রাখবেন: দীর্ঘদিন ধরে ডার্ক সার্কেল থেকে গেলে, বা এর সঙ্গে ফোলাভাব, ব্যথা কিংবা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অনেক সময় অ্যালার্জি, রক্তস্বল্পতা, থাইরয়েডের সমস্যা বা অন্যান্য শারীরিক কারণেও চোখের নিচে কালো দাগ হতে পারে।

  • বিটিভির মহাপরিচালক কে এই কাজী জেসিন

    বিটিভির মহাপরিচালক কে এই কাজী জেসিন

    বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে সদ্য নিযুক্ত হয়েছেন কাজী জেসিন।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

    এতে বলা হয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০১-এর ধারা ১১(২) অনুযায়ী অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে কাজী জেসিনকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    কে এই কাজী জেসিন?

    কাজী জেসিনের জন্ম গাইবান্ধা জেলায়। শিক্ষাজীবনে কাজী জেসিন রবার্ট কেনেডি কলেজ ও ইউনিভার্সিটি অব কামব্রিয়া থেকে লিডারশিপ অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিষয়ে মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। জেসিনের লেখালেখির শুরু ১৯৯৭-এ লিটল ম্যাগে প্রবন্ধ লেখার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দেশের গণমাধ্যম, টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সাংবাদিকতায় কাজ করে আসছেন।

    পেশাগত জীবনে তিনি ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত স্বাধীন মিডিয়া প্রোডাকশন হাউস বায়োস্কোপ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে তিনি যমুনা টিভিতে দৈনিক রাজনৈতিক টকশোর উপস্থাপক ও পরিকল্পনাকারী ছিলেন। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বায়োস্কোপ প্রযোজিত ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালে একুশে টেলিভিশনের ‘একুশে সংকেত’ অনুষ্ঠানের পরিচালক ও উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কাজী জেসিন। ২০০৬ থেকে ২০০৭ সালে তিনি দৈনিক রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ‘আক্তেল প্রোটিন’-এর উপস্থাপক ও গবেষক ছিলেন। একই বছরে একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নারী অধিকারভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘পদ্মরাগ’-এর পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও উপস্থাপক হিসেবেও কাজ করেছেন।

    এর আগে ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এনটিভি বাংলাদেশে সংবাদ ও সমসাময়িক বিষয়ভিত্তিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি আত্মজীবনীমূলক অনুষ্ঠান ‘তিনি’-এর পরিচালক ও উপস্থাপক এবং অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘এক্সপ্লোসিভ’-এর পরিচালক ও উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • প্রথম শ্রেণি ও প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ভর্তি কীভাবে, জানাল মন্ত্রণালয়

    প্রথম শ্রেণি ও প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ভর্তি কীভাবে, জানাল মন্ত্রণালয়

    আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে লটারির মাধ্যমেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

    বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এদিকে, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। গত ২৭ জুলাই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত তারিখে এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ করা হবে।

  • ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক পেলেন বড় সুখবর

    ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক পেলেন বড় সুখবর

    অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থের অপেক্ষায় থাকা ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারীরা বড় সুখবর পেলেন। আটকে থাকা অর্থ বিতরণের সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাবেন ৪৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। আর অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ পাবেন ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। সব মিলিয়ে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে এ অর্থ বিতরণ করা হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবসরের অপেক্ষায় থাকা ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৪ শিক্ষক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধে প্রায় ৯ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে অবসর সুবিধা বোর্ডে জমা পড়া ৫৯ হাজার ৮২০টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে কল্যাণ ট্রাস্টে জমা হওয়া ৪৫ হাজার ৮২৪টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ২ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা।

    জানা গেছে, শিক্ষকদের অবসর সুবিধার অর্থ পরিশোধে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শুরুতে অর্থ বিভাগ ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিলেও পরে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উদ্যোগে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো হয়।

    এর আগে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে ডিও (ডেমি-অফিসিয়াল) চিঠি পাঠিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • স্কুলে ভর্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত

    স্কুলে ভর্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত

    আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অভিভাবকদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হবে পরীক্ষার মাধ্যমে, জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক।

    মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়ন করা হবে। তবে পরীক্ষার ধরন ও পদ্ধতি পরে জানানো হবে।

    একই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে গত ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারিভিত্তিক ভর্তি বাতিল করে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। তবে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের ব্যাপক আপত্তির মুখে সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    শিশুদের ওপর অল্প বয়সে পরীক্ষার চাপ, কোচিংনির্ভরতা বৃদ্ধি, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ভর্তিতে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের কারণে ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি চালু করা হয়। পরে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

    করোনা মহামারির সময় ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয় এবং এতদিন সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হচ্ছিল।

    প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণার পর শিক্ষাবিদদের একটি বড় অংশ এর বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, এত কম বয়সে শিশুদের পরীক্ষার মুখোমুখি করা মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর এবং এতে সামাজিক বৈষম্য বাড়তে পারে।

    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, ভর্তি পরীক্ষা কোচিংনির্ভরতা বাড়ায় এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের শিশুরা এতে পিছিয়ে পড়ে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। এতে কোচিং বাণিজ্য বাড়বে এবং শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি হবে।

  • ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন, চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার পাবে সুবিধা

    ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন, চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার পাবে সুবিধা

    পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হওয়ার পর আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করবে সরকার। পর্যায়ক্রমে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করে প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই হবে এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ডসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    তিনি জানান, ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এরপর অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে এর কার্যক্রম চালু করা হবে।

    মন্ত্রী জানান, দেশের ৫৬টি এলাকায় পরিচালিত পাইলট প্রকল্পে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। যশোর ও নেত্রকোনার দুটি এলাকায় তথ্য সংগ্রহে কিছু সমস্যা ধরা পড়লেও তা ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি এবং সামগ্রিক ত্রুটির হার ছিল ৩ শতাংশেরও কম।

    তিনি আরও বলেন, ১৬ আগস্ট থেকে নতুন প্রশ্নমালা ও আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। এরপর প্রতি মাসে তথ্য হালনাগাদ করা হবে, যাতে মৃত্যু, আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন বা অন্য যেকোনো তথ্য দ্রুত নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

    কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা তথ্য সংগ্রহ তদারকি করবেন। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। জাতীয় পর্যায়ে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি থাকবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন।

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বা গতিশীল সামাজিক নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হবে। মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। ফলে কোনো পরিবার দারিদ্র্য থেকে উন্নীত হলে বা আবার আর্থিক সংকটে পড়লে তা নিবন্ধনে প্রতিফলিত হবে।

    তিনি বলেন, প্রকৃত সুবিধাভোগী যাতে বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যাতে তালিকাভুক্ত না হন, সে জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে। ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    মন্ত্রী আরও জানান, ধর্ম, জাতিগত পরিচয় বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে কাউকে সুবিধা দেওয়া বা বঞ্চিত করার সুযোগ থাকবে না। অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছালে তা শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি হাঁস-মুরগি পালন, গাছ লাগানো, কুটির শিল্প, সেলাই এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে বেশি ব্যবহৃত হবে। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।