Blog

  • সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জরুরি নি’র্দেশনা

    সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জরুরি নি’র্দেশনা

    সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। অতিরিক্ত সচিব ও সমপর্যায়ের সব কর্মকর্তাকে বিমানে বিদেশ ভ্রমণকালে বিজনেস, ক্লাব বা এক্সিকিউটিভ শ্রেণির পরিবর্তে ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করতে হবে।

    সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-১।

    আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্ব-শাসিত, সংবিধিবদ্ধ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত সচিব বা সমপর্যায়ের সব কর্মকর্তা এই নির্দেশের আওতায় পড়বেন।

    এর আগে, ২০১২ সালের ৯ অক্টোবর অর্থ বিভাগ জারি করা অফিস স্মারকের অনুচ্ছেদ ২১(খ)-এ সরকারি কাজে বিদেশ ভ্রমণকালে বৈদেশিক মুদ্রায় দৈনিক ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিধান ছিল। নতুন এই আদেশে সেই বিধানের পরিবর্তন এনে ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    পরবর্তী কোনো আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে জানিয়ে এতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ জারি করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের উপসচিব র. হ. ম. আলাওল কবির আদেশটিতে স্বাক্ষর করেছেন।

  • তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন

    তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন

    দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নবম পে স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পে স্কেল সংক্রান্ত পুনর্গঠিত কমিটি সুপারিশ তৈরির কাজ শুরু করেছে এবং শিগগিরই তা সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। অর্থনীতির ওপর চাপ কমাতে আগামী তিন বছরে ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল কার্যকরের সুপারিশ করা হবে বলে জানা গেছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকরের সম্ভাবনা রয়েছে।

     নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করার কথা রয়েছে অর্থ বিভাগের। পরিকল্পনা রয়েছে, প্রথম ধাপে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত পে স্কেলের প্রায় ৩৩ শতাংশ বাস্তবায়নের।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুনর্গঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে কমিটির সদস্যরা ঘোষিত পে স্কেল বাস্তবায়নের পক্ষেই মত দিয়েছেন। কারণ, এ বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাপ রয়েছে।

    এদিকে চলতি বাজেটে পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হলেও তা ব্যবহার করা হয়নি। তবে আগামী বাজেটে এ খাতে বাড়তি অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

    জানা গেছে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বার্ষিক সভা শেষে অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর পুনর্গঠিত কমিটি এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এ ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করবেন অর্থমন্ত্রী।

    নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অর্থের সংস্থান উল্লেখ করে সাবেক অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বড় বাজেট ঘাটতির বাস্তবতায় এককালীন বাস্তবায়নের পরিবর্তে তিন থেকে চার ধাপে পে স্কেল কার্যকর করাই বাস্তবসম্মত হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

  • নতুন পে স্কেলের জন্য বাজেটে কত বরাদ্দ হচ্ছে?

    নতুন পে স্কেলের জন্য বাজেটে কত বরাদ্দ হচ্ছে?

    নতুন বেতন স্কেলের আংশিক বাস্তবায়নের জন্য আসন্ন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে।

    বর্ধিত বেতন কাঠামোর জন্য বাড়তি ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করে অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত বাজেটের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর শীঘ্রই খসড়াটি চূড়ান্ত করা হবে। ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদেনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য দুটি বিকল্প বিবেচনাধীন রয়েছে : একটি হলো তিন বছর মেয়াদী পরিকল্পনা এবং অন্যটি হলো দুটি অর্থবছরে কয়েকটি পর্যায়ে এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা।

    প্রথম বিকল্প অনুযায়ী, সুপারিশকৃত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পরবর্তী অর্থবছরে এবং বাকি অংশ তার পরের বছরে বৃদ্ধি করা হবে; বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা তৃতীয় বছরে দুই ধাপে প্রদান করা হবে।

    বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নের জন্য ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে, যার মধ্যে ৮০ হাজার কোটি টাকা সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য লাগবে। বাকি অর্থ পেনশনভোগী এবং এমপিও-তালিকাভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

    এ বছর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার জন্য ৮৪,১১৪ কোটি টাকা এবং পেনশনভোগীদের জন্য ৩৫,৬৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

  • নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময় নিয়ে যা জানা গেল

    নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময় নিয়ে যা জানা গেল

    গত ২১ এপ্রিল জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিশনের সুপারিশ প্রণয়নে গঠিত কমিটি পুনর্গঠন করে সরকার। সম্প্রতি ওই কমিটিগুলো তাদের মতামত জমা দিয়েছে।

    সুপারিশ অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হতে পারে। আর আগামী ১ জুলাই থেকেই তা কার্যকর হতে পারে।

    কমিটির মতামতের ভিত্তিতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান বাজারদর- জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটি তাদের প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে।

    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আর্থিক চাপ বিবেচনায় নিয়ে নবম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। আগামী জুলাই থেকে প্রথম ধাপ হিসেবে মূল বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি কার্যকর হতে পারে।

    আরও জানা গেছে, সচিব কমিটির প্রস্তাবগুলো বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। আসন্ন বাজেটে এ জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূল বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, পরবর্তীতে চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য ভাতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেই আসবে।

    জানা গেছে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ ৮ম পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ১১ বছর অতিবাহিত হলেও নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার নবম পে স্কেলের সুপারিশ প্রণয়নে পে কমিশন গঠন করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে পে কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

    প্রস্তাবিত পে স্কেলে বলা হয়েছে, বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মরত ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা ও বাড়িভাড়া ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা মিলিয়ে সর্বমোট বেতন-ভাতা হয় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা। প্রস্তাবিত বেতনস্কেল অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের উল্লিখিত কর্মচারীর মূল বেতন হবে ২০ হাজার টাকা। ভাতা মিলে সর্বমোট বেতন-ভাতা হবে ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা। 

  • পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল

    পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল

    আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গেজেট প্রকাশের দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি। শনিবার (২ মে) সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

    এতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মে মাসজুড়ে বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৮ মে পটুয়াখালী এবং ৯ মে খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    এছাড়া আগামী ১৬ মে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনাসভা আয়োজন করা হবে।

    সংগঠনটির নেতারা জানান, গত ১১ বছরে দুটি পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সরকারি কর্মচারীরা এখনো নতুন কোনো পে স্কেল পাননি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অধিকাংশ কর্মচারী ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং মাস শেষে ঋণ পরিশোধের পর যে বেতন হাতে থাকে, তা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি সংসার চালানো সম্ভব হয় না।

    ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই নতুন করে ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন।

    সংগঠনটির মতে, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ না রাখা হলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বাড়তে পারে। দেশের উন্নয়নে ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সরকার আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে ২২ লাখ কর্মচারী পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবে বলে প্রত্যাশা তাদের

    নানা সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের ৯ম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়নে পুনর্গঠিত হওয়া কমিটি।

    এই কমিটির সুপারিশ আগামী পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

    জানা গেছে, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের জন্য গঠিত কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। সুপারিশে আর্থিক চাপ সামাল দিতে কয়েকটি ধাপে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আসন্ন জুলাই থেকে প্রথম ধাপের সুপারিশ অর্থাৎ মূল বেতন বৃদ্ধিরে বিষয়টি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

    ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

    অনেক দেশ ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে। সৌদি আরবের সরকারি ক্যালেন্ডার উম আল কুরার তারিখ অনুযায়ী আগামী ২৭ মে দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে। সৌদির ক্যালেন্ডারে লেখা আছে, আগামী ১৬ মে সেখানে জিলকদের ২৯তম দিন হবে। আর ১৭ মে হবে জিলকদের ৩০ তম দিন।

    অর্থাৎ সেখানে জিলকদ মাস ৩০দিন পূর্ণ করবে। সে হিসেবে ঈদ হবে ২৭ মে।

    এদিকে পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আগামী ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে।

    অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৭ মে বুধবার অথবা ২৮ মে বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা শুরু হবে বলে জানিয়েছে মুসলিম জীবন বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হাইফেন অনলাইন।

    ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী, হজ বা আরাফাতের দিন পড়বে ২৬ মে। আর পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে ২৭ মে।

     

    এদিকে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এক দিন পরই বাংলাদেশে ঈদ উদযাপন হয়। সে হিসেবে আগামী ২৮ মে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইসলামী বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, জিলকদ মাসের পরের মাস হলো জিলহজ এবং মাসটির ১০ তারিখে উদযাপিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা।

    তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই নির্ধারিত হবে জিলহজ মাসের শুরু এবং ঈদুল আজহার সঠিক দিন। এ বিষয়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে।

    ঈদুল আজহা

    ২০ এপ্রিল থেকে আগামী মে মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত ২৯ দিন জিলকদ মাস। জিলহজ মাস শুরু হতে পারে ১৮ মে। সে হিসেবে জিলকদ মাস ২৯ দিনে শেষ হলে ২৭ মে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে জিলকদ মাস ৩০ দিনের হলে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ মে।

  • সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

    সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

    জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখা, জনগণের ভোগান্তি কমানো ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে ছয় মাস, এক বছর ও পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, কর্মপরিকল্পনায় উল্লেখিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগসংক্রান্ত সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

    আজ সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, শূন্য পদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং নিয়োগের অধিযাচন (রিকুইজিশন) দ্রুত পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহে ইতোমধ্যে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

    জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দ্রুততম সময়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সময়োপযোগী নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

  • ঘরোয়া উপায়েই ঘামের দুর্গ’ন্ধ দূর করবেন যেভাবে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    ঘরোয়া উপায়েই ঘামের দুর্গ’ন্ধ দূর করবেন যেভাবে, জেনে নিন উপকারে আসবে

    ঘামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার সংমিশ্রণে দেহে দুর্গন্ধ তৈরি হয়, যা অনেকের জন্য বিব্রতকর সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘামের পেছনে বংশগত কারণ, অতিরিক্ত ওজন, থাইরয়েড বা হরমোনজনিত সমস্যা, মানসিক চাপ, এমনকি ভিটামিনের ঘাটতাও দায়ী হতে পারে।

    চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, কোনো রোগজনিত কারণে অতিরিক্ত ঘাম হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে ঘামের দুর্গন্ধ অনেকটাই কমানো সম্ভব।

    গোসলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার না করে নাতিশীতোষ্ণ পানি ব্যবহার করা উচিত। গোসলের পানিতে গ্রিন টি বা গোলাপজল মিশিয়ে নিলে উপকার পাওয়া যায়। শরীরের ভাঁজযুক্ত স্থানগুলো পরিষ্কার রাখা এবং গোসলের পর নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছে নেওয়া জরুরি।

    ঘরোয়া উপায়ে বেকিং সোডা ব্যবহারও কার্যকর। গোসলের পর শরীরের ভাঁজে এটি ব্যবহার করলে দুর্গন্ধ কমে। এছাড়া লেবুর রস শরীরের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রেখে দুর্গন্ধ কমাতে সহায়তা করে।

    পোশাকের ক্ষেত্রেও সচেতনতা জরুরি। ঢিলেঢালা ও সুতির পোশাক পরলে ঘাম দ্রুত শুকায় এবং দুর্গন্ধ কমে। প্রতিদিন পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনতে হবে। অতিরিক্ত তেল-চর্বি, চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করে দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।

  • আজ লম্বা সময় বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

    আজ লম্বা সময় বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

    জরুরি মেরামত কাজের জন্য সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এদিকে জরুরি মেরামত ও লাইনের উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে সিলেট নগরের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি এলাকায় সকালে বিদ্যুৎ থাকবে না।

    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দিরাই উপজেলার আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিরাই উপজেলায় ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দিরাই উপজেলার গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    অপরদিকে জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজসহ এবং লাইনের উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে সিলেট নগরের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি এলাকাগুলোয় শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে বিদ্যুৎ থাকবে না। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল করা হবে।

    বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত পাঠানটুলা ১১ ফিডারের আওতাধীন পাঠানটুলা, শ্রাবনী, নিকুঞ্জ, লতিফ মঞ্জিল, পল্লবী আ/এ, মদিনা মার্কেট ও আশপাশ এলাকাসমূহে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকবে।

    একই সময়ে বিমানবন্দর ১১ ফিডারের আওতাধীন লাভলী রোড, তপোবন আ/এ, বর্ণমালা স্কুল, আলমদিনা টাওয়ার, মদিনা মার্কেট বাজার, আখরাগলি, বাগবাড়ী, সুরমা আ/এ, লেকসিটিসহ আশপাশ এলাকায়ও বিদ্যুৎ থাকবে না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

  • বাড়ল বাসভাড়া: সর্বনিম্ন ভাড়া কত?

    বাড়ল বাসভাড়া: সর্বনিম্ন ভাড়া কত?

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার উত্তাপ এবার লাগল সাধারণ মানুষের যাতায়াতে। সরকারি সিদ্ধান্তে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকেই কার্যকর হচ্ছে বাস ও মিনিবাসের নতুন ভাড়া।

    ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীসহ আন্তঃজেলা রুটেও প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। তবে সবকিছুর দাম বাড়ার ভিড়ে সাধারণ যাত্রীদের জন্য একটি স্বস্তির খবরও আছে–বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া বাড়ানো হয়নি।
     

    একনজরে নতুন ভাড়ার তালিকা:

    * ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর: প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে এখন ২ টাকা ৫৩ পয়সা।

    * আন্তঃজেলা বাস: প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়েছে।

    * ডিটিসিএ এলাকা: ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষভুক্ত এলাকায় ভাড়া ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৪৩ পয়সা।

    * সর্বনিম্ন ভাড়া: যাত্রীদের স্বস্তি দিয়ে বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া আগের মতোই ঢাকা মহানগরীতে ১০ টাকা এবং চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৮ টাকা বহাল রাখা হয়েছে।
     

    আজ দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন ব্যয় সমন্বয় করতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিআরটিএ-র কমিটি প্রতি কিলোমিটারে ২২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার মাত্র ১১ পয়সা বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    মন্ত্রী আরও জানান, ভবিষ্যতে জ্বালানি তেলের দাম কমলে বা বাড়লে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস ভাড়ার তালিকাও পুনরায় আপডেট করা হবে।