Blog

  • আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘ধন্যবাদ বিএনপিকে অতি উৎসাহী মামলাবাজকে শোকজ করার জন্য। আমি আমার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলাম। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধরনের অযথা অশান্তির সৃষ্টি আর করবেন না।’

    রবিবার (৮ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেছেন।

    এর আগে আরেক স্ট্যাটাসে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সংযমের এই পবিত্র মাসে আসুন আমরা ধৈর্য ও শান্তির পথে চলি। সবাই শান্ত থাকুন।

    তারও আগে, রবিবার বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন স্কুল মাঠে এনসিপি বরিশাল বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মোনাজাতে মির্জা আব্বাসকে ইঙ্গিত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘আপনাকে গোনার টাইম নেই। ভদ্র হতে শিখুন।

    আমরা সভ্য সমাজে বসবাস করি, অসভ্য আচরণ করবেন না। অসভ্য আচরণ যদি করেন, কিভাবে আপনাকে সভ্য করতে হয়, তা আমাদের জানা আছে।’

    তিনি আরও বলেছেন, ‘আপনি (মির্জা আব্বাস) ঢাকা-৮ আসনে ফেল করেছিলেন। তারেক রহমান নিজে এসে আপনাকে রক্ষা করেছেন।

    এখনো সময় আছে ভদ্র হোন, আপনাদের কিভাবে সোজা করতে হয় তা আমাদের জানা আছে।’

  • প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা বললেন হাদি হ’ত্যার প্রধান আ’সামি ফয়সাল

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা বললেন হাদি হ’ত্যার প্রধান আ’সামি ফয়সাল

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ)। এ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে আলমগীর হোসেন নামে আরো একজনকে।

    আজ রবিবার (৮ মার্চ সন্ধ্যায়) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পোস্টে তারা এফটিএফের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি তুলে ধরেছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনের পরিচয় হিসেবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে যে, তারা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এরপর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে।

    ভারতের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় এসে অবস্থান নেয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা আবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিল। এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

  • যেভাবে গ্রে’প্তার হলেন হাদী হ’ত্যার প্রধান আ’সামি

    যেভাবে গ্রে’প্তার হলেন হাদী হ’ত্যার প্রধান আ’সামি

    অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ। এ সময় তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    এসটিএফ জানায়, গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। তারা সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় অবস্থান করছিলেন এবং সুযোগ পেলেই আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। 

    এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭ মার্চ রাত ও ৮ মার্চ ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), যিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), ঢাকার বাসিন্দা।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তারা পালিয়ে যান এবং মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। 

    পরে ভারতের বিভিন্ন স্থান ঘুরে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন এবং সেখান থেকে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

    এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আটক দুজনকে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আদালত আটক দুই আসামির ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানা গেছে।

  • ওসমান হাদি হ’ত্যা মা’মলার মূল আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রে’প্তার

    ওসমান হাদি হ’ত্যা মা’মলার মূল আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রে’প্তার

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনার মূল আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ।

    রোববার (৮ মার্চ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের পুলিশের বিশেষ শাখার সদস্যরা তাকে বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।

    পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা রোববার তাদের গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

    ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসটিএফ বলেছে, চাঁদাবাজি ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে আসা দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন।

    পুলিশের কাছে বিশ্বস্ত তথ্য ছিল, তারা সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে বনগাঁও এলাকা থেকে ওই দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।

    বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বলেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। হত্যার পর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান শেষে সম্প্রতি পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে বনগাঁয় জড়ো হয়েছিলেন।

    এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এর আগে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে এক ভিডিও বার্তায় ফয়সাল দাবি করেন, তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।

    ফয়সাল আরও দাবি করেন, হাদি হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে তিনি ছিলেন না। ওসমান হাদি তাকে মন্ত্রণালয় থেকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অগ্রিম পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছিলেন।

    গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান হাদি। মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি চলন্ত অবস্থায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। 

    সে সময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

    এ হত্যাকাণ্ডের ১৮ দিন পর রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে আসামিরা অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবেশ করেছেন। 

    হাদির মৃত্যুর পর হওয়া মামলায় পলাতক থাকা ফয়সাল করিমের মা-বাবা ও স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশে। তাদের মধ্যে ছয়জন আসামি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    তবে অধরা ছিলেন হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল। তিনিই হাদিকে গুলি করেছিলেন বলে জানা যায়।

  • সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি ১০ নির্দেশনা

    সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি ১০ নির্দেশনা

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এ সংক্রান্ত ১০ দফা নির্দেশনা জারি করেছে মাউশি।

    মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা হতে বেসরকারি সংস্থা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ সংক্রান্ত ম্যানুয়ালের ভিত্তিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)-এর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিনামূল্যে একদিনের প্রশিক্ষণ সম্পাদনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। 

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী উক্ত কার্যক্রম নিম্নোক্তভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো:

    প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শিরোনাম: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’; 

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাউশি ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি স্ব স্ব ভেন্যুতে বিনামূল্যে বাস্তবায়ন করবে;

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষকগণের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ অনুযায়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য ১ দিনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করবেন;

    প্রশিক্ষণ পরবর্তী দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রম নিয়মিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট- ২(গ) -এর ‘বাস্তবায়ন ও মনিটরিং নির্দেশনা’ অনুসারে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি মনিটরিং পুল গঠন করবে;

    ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২ এ অন্তর্ভুক্ত পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের কাউন্সেলিং সেবা প্রদানসহ অবশিষ্ট নির্দেশনাগুলো শিক্ষার্থীদের দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের সাথে প্রয়োজন অনুসারে বাস্তবায়িত হবে;

    প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট- ২ ও ৪ এ বর্ণিত নীতিমালা অনুসারে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মনিটরিং পুল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    মনিটরিং পুলের কার্যাবলি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল এবং পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এর বাইরের কোনো কার্যক্রমের সাথে কোনো অবস্থাতেই সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না;

    স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মনিটরিং পুল প্রতি বছর নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বেশি হলে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যাচ আকারে প্রশিক্ষণ প্রদান করা যেতে পারে;

    অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অভিভাবকদেরকে এই প্রশিক্ষণ সম্পর্কে অবহিতকরণের অংশ ‘হিসেবে কোনো- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রয়োজন মনে করলে, ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-৪(১)(৩) অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে;

    প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ সংশ্লিষ্ট অঞ্চল/জেলা/থানা/উপজেলার সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন সমন্বয় করবেন।

    তাছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে প্রয়োজনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর (মানসিক স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) সাইকোলজিস্ট (যোগাযোগ : ০১৮৯২০০৯৯১৪ ও ই-মেইল : (totalfitness@quantummethod.org.bd) এর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন;

    প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের মনিটরিং পুলের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ স্কাউটস (স্কাউটস- স্কুল পর্যায়ে ও রোভার স্কাউটস- কলেজ পর্যায়ে) সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সম্পৃক্ত থাকবে।

  • ঈদের ছুটি বাড়ল যত দিন

    ঈদের ছুটি বাড়ল যত দিন

    আসন্ন শবেকদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি একদিন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রবিবার (৮ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র প্রকাশ করা হয়।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব এ বি এম আবু বাকার ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এতে আরো বলা হয়, এই ছুটির দিনে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

    ফলে শবেকদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ছুটির সুযোগ পাবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    ছুটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।

    ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে।

    এরপর আবার রয়েছে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পরেও টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

  • ঈদের ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

    ঈদের ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

    ঈদের ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রবিবার (৮ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশের ৩৭ নম্বর ক্রমিকের অনুবলে সরকার কর্তৃক আসন্ন শব-ই-কদর ও ঈদ-উল-ফিতরের পূর্ব নির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে ১ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলো। ছুটিকালীন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

  • চার্জার প্লাগে সারাক্ষণ লাগিয়ে রাখলে কি বি’দ্যুৎ বিল বাড়ে? জেনে নিন

    চার্জার প্লাগে সারাক্ষণ লাগিয়ে রাখলে কি বি’দ্যুৎ বিল বাড়ে? জেনে নিন

    বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ ইয়ারফোনসহ নানা ধরনের গ্যাজেট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। এসব ডিভাইস ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে চার্জারও সব সময় হাতের কাছেই থাকে। অনেকেই কাজের সুবিধার জন্য চার্জার সারাক্ষণই প্লাগে লাগিয়ে রাখেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো চার্জার যদি প্লাগে লাগিয়েই রাখা হয়, তাহলে কি বিদ্যুৎ বিল বাড়ে?

    এই প্রশ্নটি অনেকের মনেই আসে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে চার্জারের ধরন ও ব্যবহারের উপর। চার্জার প্লাগে লাগানো থাকলে সামান্য পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়, যদিও সেটি কোনো ডিভাইস চার্জ না করলেও। একে বলা হয় স্ট্যান্ডবাই পাওয়ার বা ভ্যাম্পায়ার পাওয়ার।

    চার্জারের ভেতরে ছোট একটি ট্রান্সফরমার ও সার্কিট থাকে, যা বিদ্যুৎ লাইনের সঙ্গে যুক্ত থাকলে খুব অল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। তবে এই বিদ্যুৎ খরচ এতটাই কম যে সাধারণত তা মাসিক বিদ্যুৎ বিলের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না।

    কতটা বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে? আধুনিক স্মার্টফোন চার্জার সাধারণত স্ট্যান্ডবাই অবস্থায় প্রায় ০.১ থেকে ০.৫ ওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি একটি চার্জার সারাক্ষণ প্লাগে লাগানো থাকে, তাহলে পুরো মাসে এর বিদ্যুৎ খরচ দাঁড়াতে পারে আনুমানিক ০.১ থেকে ০.২ ইউনিট।

    বাসাবাড়ির মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় এটি অত্যন্ত সামান্য। ফলে শুধুমাত্র চার্জার প্লাগে লাগানো থাকার কারণে বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে না। তাহলে কেন চার্জার খুলে রাখা ভালো? কারণ বিদ্যুৎ খরচ কম হলেও চার্জার প্লাগে লাগিয়ে রাখার কিছু ঝুঁকি রয়েছে।

    আরও কিছু কারণ আছে যে কারণে চার্জার প্লাগ থেকে খুলে রাখা ভালো-

    ১. অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয়। যদিও খুব কম, তবুও বিদ্যুৎ অপচয় হয়। পরিবেশগত দিক থেকে এটি এড়িয়ে চলা ভালো।

    ২. চার্জারের ক্ষতি হতে পারে। দীর্ঘ সময় প্লাগে লাগানো থাকলে চার্জারের ভেতরের সার্কিট ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ৩. অতিরিক্ত তাপের ঝুঁকি আছে। নিম্নমানের চার্জার হলে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হতে পারে, যা আগুন লাগার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

    ৪. বজ্রপাত বা ভোল্টেজ ওঠানামার সময় চার্জার সুরক্ষিত রাখতে। হঠাৎ ভোল্টেজ ওঠানামা হলে চার্জার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

  • ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বা’লানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করল সরকার

    ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বা’লানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করল সরকার

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশন থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে।

    ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলারেরা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়, কিছু কিছু ভোক্তা ও ডিলার ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

    দেশের জনগণের ভয়/আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারাদেশের সকল ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগণ/ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। আশাকরা যাচ্ছে যে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুদ) গড়ে উঠবে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি কর্তৃক উল্লিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। ২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিল প্রদর্শন করতে হবে। ৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। ৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। ৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়/বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতিমাসের শুরুতে সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার অদ্যবধি কোনরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বর্ণিত অবস্থায় দেশের সকল ভোক্তা/ডিলারদের বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হলো।

  • বাংলাদেশে জ্বা’লানির মজুত কত? চলবে যত দিন

    বাংলাদেশে জ্বা’লানির মজুত কত? চলবে যত দিন

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চলছে আলোচনা। দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে গতকাল পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

    গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজার বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

     

    তিনি জানান, জ্বালানির মধ্যে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুদ রয়েছে।

    তিনি আরো জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।

    সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পরিশোধিত জ্বালানিতে তাৎক্ষণিক সংকট না থাকলেও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটলে চাপ তৈরি হতে পারে।

    বিপিসি’র মজুতের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের মজুত ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে আরো দুটি জাহাজ চট্টগ্রামে তেল নিয়ে এসেছে, যার একটির খালাস শুরু হয়েছে।

    তবে কোনো কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরো ঘনীভূত হলে জ্বালানি তেল আমদানিতে সংকট বাড়তে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।